একটা পুরুষ !

ভালোবাসার এক একটা নিজস্ব স্পর্শ থাকে, চেনা একটা গন্ধ থাকে , ঠিক যেমন বৃষ্টির পর ধরণীর বুক থেকে একটা গন্ধ আসে !
এক একটা মানুষের সে অনুভূতিটা একেক রকম আশ্চর্য্য আর অদ্ভুত হয় ।
আমি ভালোবাসার একটা ঘর খুঁজেছিলাম , ছোট একটা ঘর , সে ঘরে একটাই না হয় রুম । আর হ্যা একটা বারান্দাও থাকতে হবে। চিলেকোঠার মত সে বারান্দাখানিতে আমি এক একদিন সন্ধ্যায় বসব চায়ের মগ হাতে। আকাশ যখন গাঢ নীলে ছেয়ে যাবে আর একটু লালচে আভায় লজ্জিত হবে , ঠিক তখন আমার বারান্দায় ছেয়ে থাকা সে অন্ধকারে আমার পাশে এক পুরুষ থাকবে , সে পুরুষের মুখখানি আমি দেখতে পাবো না । পুরুষ মানুষটা অনেক সাধারণ, সে সাধারণত মনের কথাগুলো গুছিয়ে বলতে পারে না , আচ্ছা এই পুরুষটা কি আমায় ভালোবাসে ?
সন্ধ্যা শেষে আস্তে করে হঠাত পুরোটা আকাশ কালচে হবে, আচ্ছা এখন রাতের
শুরু ! রাস্তায় দিনভর বিরক্তি নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা সোডিয়াম বাতিগুলো খুশিতে জ্বলে ঊঠবে এক এক করে। একটুখানি সোডিয়ামের আলো আমার মুখেও এসেও পড়বে কি ? আচ্ছা তখন আমাকে দেখতে কেমন লাগবে , সুন্দরী ?
আমার এমন সব অযাচিত ভাবনা ভেঙ্গে দিয়ে, আস্তে আস্তে ধীর কন্ঠে আমার পাশে থাকা পুরুষ মানুষটি বলবে – ” তুমি সুন্দর , অনেক বেশি সুন্দর ! ”
তখন আমার বুকের ভেতর কাঁপন ধরবে , আমি লজ্জায় মরে যেতে চাইব তার সামনে , সে বুঝতে পারবে ব্যাপারটা আর আলতোভাবে আমার হাতটা ধরে জিজ্ঞেস করবে – “কি? হুম ?” তার হাতটা ধরে আমি বুঝতে পারব এই পুরুষটা আমাকে ছেড়ে যাবে না , কোথাও না , এই পুরুষটা মানেই ভালোবাসা , এই পুরুষটা আমাকে ভরসা দিচ্ছে , ওর হাত ধরে আমার হাত থেকে মস্তিষ্কে একটা বার্তা যাচ্ছে – ” ভালোবাসা! ভালোবাসা! ভালোবাসা !”

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

16 − 7 =