জঙ্গিবাদ ও ধর্ম

জঙ্গিদের কোনো ধর্ম নেই, কথাটা শুনতে বড্ড বেরসিক ঠেকে।আসলে বুঝতে পারি না যে, যারা এই মহান বাণী প্রদান করে তারা বোকা না কি যারা শুনে তারা বোকা? আজিব মাইরে তারা পারেও বটে। আপনি বা আপনারা বলতে পারেন অপরাধীদের কোনো ধর্ম নেই, সেটা না হয় কিছুটা মানতে পারলাম। আবারা সে আপনারা যখন বলেন জঙ্গিদের কোনো ধর্ম নেই, তখন সেটা মানতে পারি না। মনে প্রশ্ন জাগতে পারে জঙ্গি আর অপরাধীর মধ্যে পার্থক্য কি? সকল জঙ্গি অপরাধী কিন্তু সকল অপরাধী জঙ্গি নয়। এখন আসেন আমরা মূলত জঙ্গি বলতে কি বুঝিঃ- জঙ্গি বলতে সাধারণত আমরা এমন একটা ধর্মীয় মৌলবাদী সমর্থক গোষ্ঠীকে বুঝে থাকি যারা ধর্ম রক্ষায় মানুষ খুন করতে ও নিজের প্রাণ দিতে দ্বিধাবোধ করে না। এখন আপনি বা আপনারা বলবেন ধর্ম কখনো মানুষ হত্যা বা জঙ্গিবাদের কথা বলেনি। কিন্তু আমি বলছি ধর্ম মানুষ হত্যাকে সমর্থন করেছে সে প্রাচীনকাল থেকে চলেবলে কৌশলে এবং আদৌ করে যাচ্ছে। আসলে ধর্ম আর জঙ্গিবাদের মাঝে সম্পর্ক অনেকটা মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। কিন্তু এই যুগের মডারেট ধার্মিকরা তা মানতে পারে না, কারণ তারা না হতে পারে শতভাগ ধার্মিক না হতে পারে শতভাগ মানবতাবাদী। আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ আপনারা শুধু একবার সৎ সাহস নিয়ে বলুন, ধর্মের সাথে জঙ্গিবাদের সম্পর্ক আছে এবং ধর্ম গ্রন্থ পড়ে বা শুনে প্রলুদ্ধ হয়ে এখনো অনেক মানুষ জঙ্গিবাদে জড়াচ্ছে। জানি সত্য কে সত্য আর মিথ্যা কে মিথ্যা বলার সাহস আপনাদের নেই, কারণ আপনাদের চোখে বাধা ধর্মের হাজারটা কালো পট্টি তার উপর পরকালের হুর,পরী, অস্পরাদের নৃত্য। সত্য বললে ধর্ম কে কটাক্ষ করা হবে তার সাথে স্বর্গ/বেহেস্তের টিকেট মিস। ধর্ম প্রবক্তা গুলো আসলে অনেক চালাক চুতুর ছিল তারা অন্ধবিশ্বাসী মানুষদের চাহিদা ঠিক বুঝতে ফেরেছিল। অনেকটা বড়শিতে টোপ দিয়ে মাছ ধরার মত। আর পুরুষ শাসিত সমাজে পুরুষকে ধর্মের ফাঁদে ফেলার উপযুক্ত টোপ হচ্ছে নারী। আর সেটা চতুর ধর্মগুরুরা বুঝতে ফেরেছিল, তাইতো এপারে ডজন খানেক বিয়ের অনুমতি আর ওপারে হুরপরী অস্পরাতো আছেই। মানুষ প্রাজাতিটা আসলে লোভী, তাদের লোভ এতটা প্রখর যে তারা অদৃশ্য(যার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই) কোনো কিছুর লোভও সামলাতে পারে না।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 2 =