পৌত্তলিক প্রথা হজ্জ কিভাবে ইসলামের অংশ হয় ?পর্ব-১(সাফা ও মারওয়া পাহাড় তাওয়াফ)

সামনে হজ্জ। যা মুসলমানদের জন্যে একটা ফরজ কাজ। চোর ছেচ্চড় , বাটপাড় , দুর্নীতিবাজ , ঘুষখোর, লুইচ্চা , বদমাইশ সবাই কাল পাথরকে চুম্বন/স্পর্শ করে তাদের সব পাপ মোচন করার দুরাশায় হজ্জে যাবে।

কিন্তু এই হজ্জ কি ইসলামের অংশ ? তা কিভাবে? এটা তো পৌত্তলিকদের একটা প্রথা। তাহলে এটা আবার ইসলামের অংশ হয় কিভাবে ? পৌত্তলিকতা জাহেলি যুগের ভ্রান্ত প্রথা হিসাবে বাতিল করার জন্যেই তো ইসলামের আগমন। পৌত্তলিকতা যদি বাতিল করার জন্যেই ইসলামের আগমন ঘটে , তাহলে পৌত্তলিকতার কোন কোন প্রথা আবার ইসলামের আবশ্যকীয় অংশ হয় কেমনে ?

ইসলামেরও আগে মক্কার বাইরের পৌত্তলিকরা বছরের একটা নির্দিষ্ট সময় মক্কার কাবা ঘরের সামনে জড় হতো। সেখানে তারা তাদের দেবতাদের উদ্দেশ্যে নানারকম অনুষ্ঠান করত। সেটাই ছিল হজ্জ। সেই অনুষ্ঠানের অন্যতম একটা ঘটনা ছিল সাফা ও মারওয়া পাহাড়দুটোর মধ্যে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করা। এই দৌড়াদৌড়ি করার প্রথা আসলে কি উদ্দেশ্যে করা হতো সেটা বলা আছে হাদিসে , যেমন –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৬ :: অধ্যায় ৬০ :: হাদিস ২২:
আবদুল্লাহ ইব্ন ইউসুফ (র)……………..উরওয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (সা)-এর সহধর্মিনী আয়িশা (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম আর সে সময় আমি অল্প বয়স্ক ছিলাম।
মহান আল্লাহর বাণী ……………এ আয়াত সম্পর্কে আপনার অভীমত কি? ‘‘সাফা এবং মারওয়া পর্বদ্বয় আল্লাহ তা‘আলার নিদর্শসমূহের অমত্মর্ভুক্ত। কাজেই যে বায়তুল্লাহর হজ্জ বা উমরা ইচ্ছা করে তার জন্য উভয় পর্বতের মধ্যে তাওয়াফ করায় কোন দোষ নেই।’’ (২:১৫৮) আমি মনে করি উক্ত দুই পর্বত তাওয়াফ না করণের জন্যে কোন ব্যক্তির উপর গুনাহ বর্তাবে না। তখন আয়িশা (রা) বললেন, কখনই এরূপ নয়। তুমি যা বলছ যদি তাই হতো তা হলে বলা হতো এভাবে………………………‘‘উভয় পর্বত তাওয়াফ না করলে কোন গুনাহ বর্তাবে না। বস্ত্তত এই আয়াত নাযিল হয়েছে আনসারদের শানে। তারা ‘‘মানাত’-এর পূজা করত। আর ‘মানাত’ ছিল কুদায়েদের পথে অবস্থিত। ইসলাম গ্রহনের পর আনসারগণ সাফা ও মারওয়ার মধ্যে তাওয়াফ করা মন্দ জানতো। ইসলামের আগমনের পর তারা এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা)-কে জিজ্ঞাসা করল। তখন আল্লাহ উক্ত আয়াত নাযিল করেন।

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৬ :: অধ্যায় ৬০ :: হাদিস ২৩:
মুহাম্মদ ইব্ন ইউসুফ (র)…………..আসিম ইব্ন সুলাইমান (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইব্ন মালিক (রা)-কে সাফা ও মারওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমরা ঐ দু’টিকে জাহেলী যুগের প্রথা বলে বিবেচনা করতাম। এরপর যখন ইসলাম আসলো, তখন আমরা উভয়ের মধ্যে সায়ী করা থেকে বিরত থাকি। তখন উক্ত আয়াত নাযিল হয়।

দেখা যাচ্ছে মদিনাবাসীরা হজ্জের সময় সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যে যে তাওয়াফ করত সেটা করত তাদের দেবতা “মানাত” এর উদ্দেশ্যে। তার মানে এই হজ্জ ছিল সম্পূর্নই একটা পৌত্তলিক ধর্মের অংশ। হাদিসে বলছে মদিনাবাসীরা ইসলাম গ্রহন করার পর উক্ত তাওয়াফকে মন্দ বা খারাপ বলে জানত। কারন কি ? কারন একটাই কারন তারা ইসলাম গ্রহনের পর বিবেচনা করেছিল যে তাদের পূর্ববর্তী পৌত্তলিক ধর্মের সকল প্রথাই ইসলামে হারাম বা মন্দ। কিন্তু কি আজব কারবার , মুহাম্মদের আল্লাহ সেই প্রথাকে খারাপ বা হারাম বিবেচনা না করে বলছে –

সুরা বাকারা-২: ১৫৮: নিঃসন্দেহে সাফা ও মারওয়া আল্লাহ তা’আলার নিদর্শন গুলোর অন্যতম। সুতরাং যারা কা’বা ঘরে হজ্ব বা ওমরাহ পালন করে, তাদের পক্ষে এ দুটিতে প্রদক্ষিণ করাতে কোন দোষ নেই। বরং কেউ যদি স্বেচ্ছায় কিছু নেকীর কাজ করে, তবে আল্লাহ তা’আলার অবশ্যই তা অবগত হবেন এবং তার সে আমলের সঠিক মুল্য দেবেন।

অর্থাৎ আল্লাহ পৌত্তলিক ধর্মের অনুষ্ঠানকে ইসলামের অংশ বলে রায় দিচ্ছে। কিন্তু চতুর মুহাম্মদ বিষয়টা ধরতে পেরে একটা কিচ্ছা হাজির করেন। সেই বিখ্যাত ইব্রাহীম কর্তৃক হাজেরা ও শিশু পূত্র ইসমাইলকে মক্কায় নির্বাসন দেয়া ও হাজেরা কর্তৃক সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করা। অত:পর প্রচার করা হতে থাকল, সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যকার এই দৌড়াদৌড়ি আসলে হাজেরার সেই দৌড়াদৌড়িকে স্মরন করার জন্যে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো – ইব্রাহীমের হাজেরাকে তার শিশুপুত্রসহ নির্বাসনের সেই কাহিনী তো পৌত্তলিকদের জানার কথা না। ইব্রাহীমের সেই কাহিনী লেখা আছে ইহুদি ও খৃষ্টানদের বাইবেলে।তাই পৌত্তলিকদের পক্ষে সেই ঘটনাকে স্মরন করে সাফা ও মারওয়ার মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করারও কথা না। সুতরাং তারা যে দৌড়াদৌড়ি করত , সেটা সম্পূর্নই তাদের নিজস্ব ধর্মীয় রীতির কারনে। ইব্রাহিমের কাহিনী স্মরন করে না। আর সেটাই কিন্তু হাদিসে পরিস্কার বলা হয়েছে।

বাইবেলে হাজেরাকে মক্কায় নির্বাসন দেয়া হয়েছে বলে বলা হয়নি। বলা হয়েছে সিনাই পর্বতের আশপাশের কোথাও। আর সেটাই বাস্তব ও যুক্তিসঙ্গত হওয়ার কথা। ইব্রাহীম তার ধর্ম প্রচার করত বর্তমানের ইসরাইল ও সিনাই অঞ্চলে। সেই সময় যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই কঠিন ছিল, ইব্রাহিম কত দুরেই বা হাজেরাকে নির্বাসন দেবে ? বড়জোর ১০০ বা ২০০ কিলোমিটার দুরে। আর সেই দুরত্ব অতিক্রম করতেই তো জীবন যাওয়ার মত অবস্থা হয়ে যায়। অথচ মুহাম্মদ এসে দাবী করছেন হাজেরাকে তার শিশুপূত্র সহ ইসরাইল থেকে ১৩৫০ কিলোমিটার দুরে মক্কায় নির্বাসন দিয়েছিল, সেই সময় যখন উট ও পায়ে হেটে ইসরাইল থেকে সেখানে পৌছতে লাগত মাসের ওপর।

সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যকার এই দৌড়াদৌড়ি যে সত্যি সত্যি সম্পূর্ন পৌত্তলিক প্রথাই ছিল , তা বলা আছে আরও বহু হাদিসে যেমন –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ২ :: অধ্যায় ২৬ :: হাদিস ৭১০
আহমদ ইবন মুহাম্মদ (র)… ‘আসিম (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রা)-কে বললাম, আপনার কি সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করতে অপছন্দ করতেন? তিনি বললেন, হাঁ। কেননা তা ছিল জাহেলী যুগের নিদর্শন। অবশেষে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেনঃ নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শন। কাজেই হজ্জ বা ‘উমরাকারীদের জন্য এ দুইয়ের মধ্যে সা’য়ী করায় কোন দোষ নেই। (২ : ১৫৮)

অর্থাৎ মুহাম্মদ ইব্রাহীমের কিচ্ছা আবিস্কার করলেও তার সাহাবিরা কিন্তু ঠিকই বুঝতে পেরেছিল, সাফা ও মারওয়া পাহাড়েরর এই দৌড়াদৌড়ির ঘটনার সাথে এইসব কাহিনীর কোনই সম্পর্ক নেই। সেটাই তারা অকপটে তাদের বলা হাদিসে বলে গেছে। কিন্তু আজকের মুমিনেরা সেইসব সাহাবিদের চাইতে ইসলাম বেশী জানে। তাছাড়া মুহাম্মদ বলে গেছেন , তার আদেশ নিষেধ অন্ধভাবে প্রশ্ন ছাড়াই অনুসরন করতে হবে , না হলে খাটি মুমিন হওয়া যাবে না, খাটি মুমিন না হলে বেহেস্তে গিয়ে ৭২ টা কুমারি নারীর সাথে অনন্তকাল যৌন ফুর্তি করা যাবে না।

সুতরাং অন্ধ ও বধির মানসিক প্রতিবন্ধী মুমিনরা ৭২ টা কুমারী নারীর সাথে যৌন সংগমের সুযোগ ফস্কে যাওয়ার ভয়ে , এটা নিয়ে কোন প্রশ্নই করে না , না করে অন্ধভাবে মুহাম্মদের এই আদেশ পালন করে যাচ্ছে। বলুন সুবহান আল্লাহ !

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১১ thoughts on “পৌত্তলিক প্রথা হজ্জ কিভাবে ইসলামের অংশ হয় ?পর্ব-১(সাফা ও মারওয়া পাহাড় তাওয়াফ)

  1. আপনি হজ্জকে পৌত্তলিক প্রথা
    আপনি হজ্জকে পৌত্তলিক প্রথা প্রমান করতে চেয়েছেন। আপনার প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু একটু ভুল হচ্ছে। সেটি আপনি ধরতে পারছেন না। ইব্রাহীম আ এর পর থেকেই হজ্জের প্রথা চালু আছে। কালের পরিক্রমায় হজ্জের প্রচলিত রীতির মধ্যে পৌত্তলিক প্রথা ঢুকে পড়ে। এমনকি কাবা ঘরেও মুর্তি ঢুকিয়ে পূজা শুরু হয়।
    মুহাম্মদ সা এর মাধ্যমে আল্লাহ কাবা ঘরকে পৌত্তলিকদের হাত থেকে রক্ষা করেন।
    এখন কাবা সহী নিয়মে হজ্জ হয়। কিন্তু পৌত্তলিক সমর্থক এখনও এটা মানতে পারে না। তাই হজ্জের প্রথাকে পৌত্তলিক প্রথা প্রমান করতে চায়। তাতে অবশ্য লাভের লাভ কিছুই হয় না। প্রতি হজ্জে লোকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

  2. তাছাড়া ২-১৫৮ আয়াতে আল্লাহ
    তাছাড়া ২-১৫৮ আয়াতে আল্লাহ স্বয়ং বলছেন সাফা মারওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে হজ্জের নিদর্শন । আর আপনি বলছেন পৌত্তলিক প্রথা!! কোরানের দাবীর বিপরীতে আপনার দাবী যে ফুটা পয়সার মূল্য রাখে না সেটা কি বুঝেন?

  3. তার মানে আল্লাহ তথা মুহাম্মদই
    তার মানে আল্লাহ তথা মুহাম্মদই পৌত্তলিক প্রথাকে ইসলামের অংশ বানিয়েছে। ইসলাম যদি আব্রাহামিক ধর্মের ধারা হয়ে থাকে ,তাহলে পৌত্তলিক প্রথার কোন কিছুই ইসলামে থাকার কথা না। সুতরাং প্রমানিত হলো কোরান আব্রাহামিক ধারার ঈশ্বরের কাছ থেকে আসে নি। সেটা এসেছে মুহাম্মদের কাছ থেকে যে নাকি পৌত্তলিকদের আল্লাহকে তার আরাধ্য হিসাবে গ্রহন করেছিল অথবা মুহাম্মদ নিজের কথাকেই আল্লাহর কথা বলে চালিয়েছে।

  4. ধন্যবাদ আপনার প্রানপন চেষ্টার
    ধন্যবাদ আপনার প্রানপন চেষ্টার জন্য। কিন্তু সেই গোড়াতেই গলদ।

    ইব্রাহিম যদি সেই হজ্জের বিধান করে যায়< আর ইব্রাহিম যদি কাবা ঘর নির্মান করে যায়, তাহলে সেই হজ্জ পালন করার কথা সর্বপ্রথম ইহুদি ও খৃষ্টানদের। আর কাবা ঘর হবে তাদেরই কাছে সবচাইতে পবিত্র ঘর। কারন ইব্রাহিম এই ইহুদি ও খৃষ্টানদেরও আদি পিতা। তাই নয় কি ? ইব্রাহীম থেকে পরবর্তী বংশধর , কার নাম কি , তারা কোথায় বাস করত ইত্যাদি যাবতীয় কাহিনী লেখা আছে তৌরাত কিতাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ইব্রাহিম কোনকালে মক্কায় আসছিল আর হাজেরা ও ইসমাইলকে সেখানে রেখে গেছিল তেমন কোন কথা তৌরাত কিতাবে নাই। সুতরাং মুহাম্মদ কথিত ও আবিস্কৃত উক্ত কিচ্ছার কোনই ভিত্তি নেই। ধরে নিলাম মুহাম্মদের কিচ্ছাও সত্য , তাহলেও , সহী বুখারী, বই-৫৫, হাদিস নং-৫৮৪ হাদিসে যেখানে এই ইব্রাহিম হাজেরা ও ইসমাইলকে মক্কায় নির্বাসন দিয়ে গেছে বলে কথিত আছে , দেখা যাচ্ছে , সেখানে শিশু পুত্রের সাথে ইব্রাহীমের তখন সর্বপ্রথম দেখা হয় যখন ইসমাইল যৌবন প্রাপ্ত হয়ে বিয়ে শাদি করে ঘর সংসার করছে। তাই মুহাম্মদ কথিত বা কোরান কথিত ইব্রাহিম কর্তক কিশোর ইসমাইলকে কোরবানী দেয়ার ঘটনা পুরাই ভুয়া প্রমানিত হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি পদে পদেই অসামঞ্জস্য। এই অসামঞ্জস্য এড়ানোর জন্যে ১০ম শতকের দিকে সর্বপ্রথম প্রচার করা শুরু হয় যে তৌরাত কিতাব বিকৃত করা হয়েছে। কারন তৌরাত কিতাব সঠিক আছে ধরলে মুহাম্মদ , কোরান ও ইসলাম কারোরই কোন ভিত্তি থাকে না। এখন যদি ধরে নেই যে তৌরাত কিতাব বিকৃত করা হয়েছে , তার মানে , ইব্রাহিম কর্তৃক হাজেরা ও ইসমাইলকে যে মক্কায় নির্বাসন দেয়া হয়েছিল, সেই অংশটুকু বিকৃত করা হয়েছে। এছাড়া ইব্রাহিম যে কাবা ঘর নির্মান করেছিল সেই তথ্যটাও বিকৃত করা হয়েছে। তাই তো ? কিন্তু দু:খের বিষয় আজকে যে তৌরাত আমরা দেখি , তা সংকলিত হয় মুহাম্মদের জন্মেরও প্রায় ৮/৯ শ বছর আগে। এমন কি আজকে যে ইঞ্জিল কিতাব দেখি সেটাও আজকের আকারে সংকলিত হয়েছে রোম সম্রাট কনস্টানটাইনের সময় সেই ৩৫০ খৃষ্টাব্দের দিকে। তার মানে দেখা যাচ্ছে , তৌরাত ও ইঞ্জিল কিতাব আজকের আকারে সংকলিত হয়েছে মুহাম্মদের জন্মেরও কমপক্ষে ২২০ বছর আগে। তাহলে কি আপনি দাবী করছেন , ইহুদিরা মুহাম্মদ জন্মানোর ২২০ বছর আগেই টের পেয়েছিল আরবের মরুভুমিতে মুহাম্মদ নামের এক নবী আসবে আর তার হাত থেকে বাঁচার জন্যে তাদের কিতাবকে পরিবর্তন করতে হবে ? আপনি কি এমন অসম্ভব, উদ্ভট ও অবাস্তব দাবী করছেন ? বাস্তবে ইহুদি বা খৃষ্টানরা কখনই হজ্জকে তাদের ধর্মের অনুষ্ঠান মনে করে নি , কাবা ঘরকে তাদের পবিত্র ঘর হিসাবে মানে নি - ইব্রাহীম যদি সত্যিই এসব ঘটনার সাথে জড়িত থাকত , তাহলে কুরাইশরা না , বরং তারাই এসবকে বেশী মানত ও শ্রদ্ধা করত। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন। পৌত্তলিক কুরাইশরাই এসব করত আর তারা সেটা করত তাদের দেবতা আল্লাহ ও তার তিন কন্যা লাত , উজ্জা ও মানাতের নামে। কোরান সেটা বলে, হাদিস সেটা বলে আর সিরাতও সেটাই বলে। আপনি এখন আপনার সহিহ দলিলকে উপেক্ষা করে , নিজের মতামতকে ইসলাম বলে চালিয়ে দিলে তো হবে না।

  5. নিজ ধম’গ্রহন্থ না পড়ে – না
    নিজ ধম’গ্রহন্থ না পড়ে – না বুঝার চেষ্টা করে অযথা ইসলাম নিয়ে টানাটানি কেন ? পৃথিবীর সমস্ত মানুষ একত্রীত হয়েও কোরআন কোন ভুল বের করার ক্ষমতা রাখেনা — সেখানে সামান্য কিটাধমেরা কেন ব্যথ’ চেষ্টা করে বুঝিনা — !!! সব কিছুর ব্যাখ্যা FB তে সম্ভব নয় —- ডাঃ জাকির নায়েকের বই অথবা VDO ক্যাসেট থেকে আপনার/ আপনাদের সঠিক উত্তর পেয়ে যাবেন — ধন্যবাদ

  6. জানতে চাই, নবী ইব্রাহিমের পর
    জানতে চাই, নবী ইব্রাহিমের পর কোন কোন নবী হজ্জ পালন করেছেন? আমি যতটুকু জানতে পেরেছি যে ইব্রাহিম এবং মুহাম্মদ ছাড়া কেউ হজ্জ পালন করেননি। কারো কাছে তথ্য থাকলে জানাবেন ধন্যবাদ।

  7. “কা’বাঃ মূর্তিপুজকদের মন্দির,
    “কা’বাঃ মূর্তিপুজকদের মন্দির, নাকি ইব্রাহিম(আ.) এর নির্মাণ করা ইবাদতখানা?”

    http://response-to-anti-islam.com/show/কা’বাঃ-মূর্তিপুজকদের-মন্দির,-নাকি-ইব্রাহিম(আ.)-এর-নির্মাণ-করা-ইবাদতখানা–/64

  8. “কা’বাঃ মূর্তিপুজকদের মন্দির,
    “কা’বাঃ মূর্তিপুজকদের মন্দির, নাকি ইব্রাহিম(আ.) এর নির্মাণ করা ইবাদতখানা?”

    http://response-to-anti-islam.com/show/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E2%80%99%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%83-%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0,-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%AE(%E0%A6%86.)-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%A4%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE–/64

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

59 + = 65