বরুণা

ভালবাসে অঞ্জনের গান,ফুটপাথের রং চা
আর রেল লাইনের কাক।
ওর গায়ের গন্ধ ফুলের মত।
এই গন্ধ আমি সামলাতে পারিনা।
অসহ্য লাগে আমার।
বরুণার ঠোটের নীচে একটা তিল ছিল
“কালো রঙ্গের তিল”
আমি একবার ওখানে চুমু খেতে চেয়েছিলাম ও খেতে দেয়নি।
ওর গালে একটা টোল পরে
ও যখন মুচকি হাসে তখন আমি টোলটাতে
আলতো করে চুমো দিয়েছিলাম।
আমার কাছে দুটি পাখি ছিল
এরা বন্দী ছিল।
ওরা যখন ঘুমাত আমি এদের চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতাম।
ওদের চোখ গুলো আমার কাছে বরুণার চোখের মত মনে হত।
বরুণার মতই নিষ্ঠুর ছিল এরা।
একদিন আমি এদের ছেড়ে দিয়েছিলাম
পাখিগুলো কখনো আর ফিরে আসেনি…!
পাখিরা ফিরে আসেনা।
বরুণা জোনাকিকে দূর থেকে নক্ষত্র ভেবে ভুল করত।
দূর থেকে দুটোকেই তো একি সমান দেখা যায়!
সে মানতে চাইতনা কিছুতে।
তাই অনেক দিন পর এক সন্ধ্যায় কাচের বতলের ভেতরে ১৭ টা জোনাকি ভরে বরুণাকে দিতে গিয়ে দেখি
বরুণা বলে নাকি কেউ নেই,
তাহলে গতকাল রাতে কে আমার সাথে জোনাকি দেখেছিল??
সেদিনের পর থেকে বরুনা আমার সাথে আর যোগাযোগ করেনি।
তাই আমি জানিনা বরুণা কেমন আছে,
কিংবা জোনাকিরা।
বরুণারা কখনো ফিরে আসে না
অথবা ছেড়ে দেয়া পাখিরা…!!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “বরুণা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

24 − 19 =