আম জনতার নিরাপত্তা

শুরুতেই বোলব আমার লেখায় কিছু বানান ভুল হতে পারে
আশাকরি সংশোধন করে নিবেন ।
আমার ফ্রন্টে সমস্যা ।
আর কেউ ভুলেও না বুঝে না পরে লাইক কমেন্ট করবেন না ।
উল্টা পাল্টা কমেন্ট করতে পারবেন ,
গালিও দিতে পারবেন মানা নাই ।
তবে মা ও বোনকে একটু রেহাই দিবেন ,
জদিও আমার বোন নেই ।
আজকের বিষয়ঃ আম জনতার নিরাপত্তা
কিছুদিন আগের কথা
আমার এক কাছের ভাইয়ের সাথে গিয়েছিলাম সিনেমা দেখতে।
আমি অবশ্য বাংলা সিনেমা দেখিনা
তবে ইন্ডিয়ান বাংলা আর্ট ফ্লিম দেখি।
বাণিজ্যিক সিনেমার ভেতর দেখলেও জিতের সিনেমা দেখি একটা আদটা।
ঈদ উপলক্ষে ওপার বাংলার জিতের সাথে এপারের নুস্রাত এর সিনেমা বলেই জাওয়া।
গেলাম কিন্তু ভালো সিনেমা গুলতে জাওয়া মুশকিল
তাই একটা নর্মাল সিনেমায় গেলাম।
নাম পদ্মা সিনেমা
এর অবস্থান মালিবাগ চৌধুরী পাড়া।
সেখানেও একি অবস্থা টিকিট পাওয়াই যেন আকাসের চাঁদ পাওয়া।।
কোনরকম ভাবে ব্লাকে নিলাম ডাবল দাম দিয়ে
যদিও এটা অপরাধ।
প্রচণ্ড ভির নারি,পুরুষ ,বুড়ো , বুড়ি সবাই এসেছে
সবার মুখে জীত,জীত রব।
একটু পর দেখলাম কিছু হুজুর ও এসেছে
তা দেখে খুব ভালো লাগলো জাক ওরাও তাহলে সিনেমা দেখে।
কিন্তু মনের ভেতর একটা আতংক তৈরি হোল
এদের পরিকল্পনা কি শুধু সিনেমা দেখা নাকি নাশকতা করা??
কারন গুলশানের ঘটনার দাগ তো এখনো যায় নি।
পিছনের কথা যখন বল্লামি তখন ময়মনসিংহের কথা না বললেই নয়।।
ময়মনসিংহের চারটি সিনেমা হলে একযোগে বোমা হামলা ঘটনার কথা মনে পড়লে এখনো গায়ের লোম দারিয়ে যায়
এই সব কথা অনেকেই ভুলে গেছে
ভুলে গেছে এখানেও নাশকতা করেছিলো হুজুররা
২০০২ সালের ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে ময়মনসিংহের অজন্তা, অলকা, পূরবী ও ছায়াবানী সিনেমা হলে সিনেমা চলার সময় বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ ১৮ জন নিহত হয়। আহত হয় দেড় শতাধিক মানুষ।
মুল কথায় আসাজাক
আম জনতার নিরাপত্তা
ঢাকা শহরে আনাকাচে অনেক সিনেমা হল আছে
কিন্তু এর ভেতর কয়টা সাধারন মানুষের একবার ভাবুন ২ সেকেন্ড নিয়ে।
হাতে গোনা ২-৩ টা ছাড়া পাবেন না
যেমন ধরুন বসুন্ধরা , যমুনা, বলাকা সিনেমা।
বলতে পারেন এই নাম গুলো আসছে ক্যান ?
দেখা যায় এই সিনেমা হলে বেশ ভালো নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে।
কারন এখানে সাধরন মেঙ্গো পিপলস আসে না
কিন্তু এই এ দেশে যে সাধরন মানুষের সংখ্যা যে অগনিত তা হয়তো বা জানে না হেড অফ দি গভারমেন্ট।
আমি মনে করি এদেশের সরকার মানে বর্তমান সরকার যে ভাবে নির্বাচিত হয় এই সব সাধারন লোকের ভোটে।
কারন ধনিরা কখনো হাসিনাকে ভোট দেয় না
কারন স্বাধীনতার পর মুজিব হত্যার পর যারা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে তাদের এক অংশই আজ অসাধারন লোক।
তারা হাসিনাকে ভোট দেয় না
যদিও আলোচিত হয়ে সরকার গঠন করেছে
তা যেভাবেই হোক তাতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না
আমরা চাই সুস্থ ভাবে বাচতে ও মৌলিক চাহিদা গুলো পুরন করতে।
তাতেও সে পদে পদে পরাজিত হয়েছে
তা এখন দৃশ্যমান।।
তবুও পরিশেষে বোলব আপনি আপনার ন্যায্য ভোটার দের মূল্য দিন
খাবার না দিতে পারলেও একটু নিরাপত্তা দিন ।।
অতীত কে ভুলে ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবেন না
ধন্যবাদ
টিটপ হালদার

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

9 + 1 =