গরু আর মানুষের অবাধ বিচরন ক্ষে্ত্র বাংলাদশে।

জাতীরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান। আজকের বাস্তবতায় তা প্রমানিত সত্য। জনকের বিরুদ্ধে সমস্ত মিথ্যা প্রচারনা আজ জলের মত পরিস্কার। কিন্তু খন্দকার মোস্তাক গং বলেছিল জাতীর আবার ফুফা, খালু, নানা, জ্যাঠা, দাদু থাকতে হয় নাকি। তিনি ঠিকি বলেছিলেন। আমরা তো সবাই বাংলাদেশী গরু। বগুরার গরু শহীিদ জিয়া সেটা অনুধাবন করতে পেরেই বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের জলাঞ্জলি দিয়ে বাংলাদেশী গরুজাতীয় জাতীয়তাবাদের সুচনা করেছিলেন। তাই গরুর মাংশ এখন আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। শেখ হাসনিাও কম যান না। তিনি জাতীয়তাবাদে এনেছেন উচ্চ্যাঙ্গের চিন্তা ও চেতনা। আমরা বাঙ্গালী কিন্তু নাগরিক পরিচয় বাংলাদেশী। বঙ্গবন্ধু কিন্তু বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের মধ্যে হিন্দু হিন্দু গন্ধ খুজে পাননি। তিনি খুব সহজ সরল ভাষায় সবাইকে জানিয়ে দিয়েছিলেন “ওদের জন্য আমরা সংখ্যাগরিষ্ট অংশ তো আদিবাসি হইয়া যাইতে পারুম না, বরং ওদের বল বাঙ্গলী হইয়া যাইতে”। কিন্তু ভরিতব্য গরু আর মানুষের অবাধ বিচরন ক্ষে্ত্র আজকের এই বাংলাদশে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

23 − 15 =