ইসলাম শান্তির ধর্ম, আসলেই?

মুসলমানরা প্রায়শই ”ইসলাম শান্তির ধর্ম” প্রমান করতে সুরা মায়িদার ৩২ নাম্বার আয়াতের শরনাপন্ন হয়ে থাকে।

”এ কারণেই আমি বনী-ইসরাঈলের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, যে কেউ প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করে। এবং যে কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা করে। তাদের কাছে আমার পয়গম্বরগণ প্রকাশ্য নিদর্শনাবলী নিয়ে এসেছেন। বস্তুতঃ এরপরও তাদের অনেক লোক পৃথিবীতে সীমাতিক্রম করে।”

উল্লেখ্য সুরাটি ইহুদী গোত্র বনী ইসরাঈলকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছিল, পুরো মানবজাতির উদ্দেশ্যে নয়। কিন্তু মুসলমানরা কেন জানি ঠিক তার পরের আয়াতটি পড়তে ভুলে যায়।

”যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।”

পরের আয়াতটি পড়তে মুসলমানদের কষ্ট হয় অথবা চোখে পড়েনা, চোখে পড়লেও এই অজুহাতগুলি দেওয়া হয়,

১) তাফসির জানতে হবে।
২) আরবী না জানলে এই আয়াতের গভীর অর্থ বোঝা সম্ভব নয়।
৩) প্রেক্ষাপট ভিন্ন ছিল।
৪) অনুবাদে গোলমাল।

সবশেষে, তালগাছ আমার, ”ইসলাম শান্তির ধর্ম”।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “ইসলাম শান্তির ধর্ম, আসলেই?

  1. ”যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের

    ”যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।”

    কই আমি তো এই আয়াতে কোন সমস্যা দেখছি না। আপনি যদি আমেরিকায় বসবাস করেন, ওবামা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন, ভাংচুর, হামলা আর হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে থাকেন তাহলে আমেরিকার সরকার কি করবে?দেশদ্রোহীতার অপরাধে সোজা আপনাকে শূলিতে চড়াবে। তাই নয় কি?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + 1 =