সেই মেয়েটা

সেই মেয়েটা রৌদ্র মতন অবাধ সুখে আলোক কথন
মেঘ ছাড়িয়ে, যখন তখন মুচকি হাসি হাসত;
অবাধ্য ঢেউ মোচড় কতক বুকের ভিতর অর্ধ শতক
তৃষ্ণা মত নাব্য অবোধ কাব্য জমাট বাঁধত;
আমার ভালো লাগতো।
সেই মেয়েটা ছিন্ন বাঁধন আলতো রাগে হাঁটত যখন
পদ্মপাতার ব্যস্ত কাঁপন একটা নূপুর বাজতো;
অবুঝ মনে বৃষ্টি নেমে মুষল ধারের শব্দ নীরে
দূরের দোয়েল পথ হারিয়ে ডালিম ডালে বসত;
আমার ভালো লাগতো।
সেই মেয়েটা বলতো কথা সরলতার সাদায় গাঁথা
বক পাখিটার অলস পাখা ঠোঁট ইশারায় ছুটতো;
আমার দু’কান চাতক পাখি জল দে বলে ডাকাডাকি
ভুলত সেসব ঝরা পাতায় আনমনা সুর শুনত;
আমার ভালো লাগতো।

সেই মেয়েটার কল্পছবি স্বপ্নালোকের চারণভূমি
বধ্যভূমি আমার হৃদয় তাকেই শুধু চাইতো;
শালুক যেমন শাপলা ফুলে বর্ষা জলে ফুটবে বলে
আষাঢ় মাসের প্রার্থনাতে কাটায় দিবা-রাত্র।

প্রথম প্রকাশঃ১২/০৮/২০১৬ সময়ঃ সকাল ৯টা ৩৫ মিনিট।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “সেই মেয়েটা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

68 + = 72