সময় থাকতে লাইনে আসেন

বাঙলাদেশের বামপন্থিগো কুনো কাম নাই। খালি আজাইরা চিল্লা-পাল্লা। এরা কোনো কিছু ভালা নজরে দেখবার পারে না। সব কিছুর ভিতরে খালি খুঁত খোজে। হেরা চায় সবকিছুই ভালা হইতে হইবো। হেরা বুঝে না যে আমগো চামড়ার পুরত্ব ও পশ্চাৎদেশের গভীরত্ব পৃথিবীবিখ্যাত। আমগো এত কিছু কইয়া কোনো লাভ নাই, আমরা সবই বুঝি জানি মাগার আমগো গায়ে হাওয়া লাগে না, আমরা এমনই। এহন এরা টিয়ারগ্যাস খাইয়া কানতাছে আর চিল্লাইতাছে সুন্দরবন বাঁচাও কইয়া। সুন্দরবন! হু, তাও বাটারবন,ব্যানানাবনের মত খাওনের জিনিস হইতো একটা কথা আছিলো। একটা জঙ্গলের লিইগ্যা এরা কি কান্দনডাই না কানতাছে। মানে বুঝতে পারতাছেন? এককালে মানুষ জঙ্গলে লেংটি পইড়া ঘুরতো, সেই সব মানুষরে আমরা কই অসভ্য বর্বর মানুষ। আমরা গাছ-পালা কাইট্যা জঙ্গল সাফ কইরা সভ্য হইছি, বনের পশু পাখির কল্লা ঘরের দেয়ালে সাটাইয়া অভিজাত হইছি। আর এই হালারা কয় আমগো নাকি বন বাঁচাইতে হইবো…! বড়ই বিচিত্র এই জগত। হালায় বন বুঝে মাগার সভ্যতা বুঝে না। এরা আমগো আদিম অসভ্য যুগে ফিরায়া নিবার চায়। এরা বুঝে না যেই জাত যত উন্নত তার বন তত কম। আমরা জাত হিসাবে উন্নয়নের শিখরে যাওনের লিইগ্যা কত চেষ্টা নিতাছি- শালবন,ভাওয়ালবন,মধুবন, চিনিবন-নদী-প্রানী-মানুষ-টানুষ সব সাফা কইরা দিতাছি, সাফা কইরা কুমড়া-লাউ-তামাক-গাঞ্জা গাছ-পপি গাছ লাগাইছি, কিন্তু আফসুস দলকানা ছাড়া আর কেহই ইহার মোজেজা বুঝলো না। আপনেরাই কন ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট অর্থাৎ লবণ মাটির বন ইহা কি কামে লাগে! মানুষ কি মাটি খায় যে মাটিতে লবণ থাকোন লাগবো? লবন তো দশ টাকা হইলেই আধা কেজি কিনতে পাওয়া যায় আর এইডা এমুন এক জিনিস সারা দুনিয়াতেই পাওয়া যায়। দরকার হইলে টনকে টন লবন আইন্যা আন্দোলনকারীগো আয়োডিনের অভাব মেটানো হইবো এ আর এমন কি!

এরা পরিবেশ ধ্বংস হইবো বইলা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরোধীতা করতাছে মাগার আপনেরা জানেন যে বনের সব পশুপাখিই অশিক্ষিত মূর্খ এদের কোনো বোধ-বুদ্ধি নাই। বনের এই বিপুল সংখ্যক প্রাণির স্যানিটেশন সম্পর্কে কোনো ধারণা নাই, এরা জায়গায় খাইয়া জায়গাতেই ব্রেক করে। এরপর টিস্যু ব্যবহার তো দূরের কথা ঢিলা কুলুপও করে না। এছাড়া যে সব ঘাসখোর প্রাণি আছে এরা জীবনে একটা গাছতো দূরের কথা একটা ঘাসও লাগায় নাই মাগার খাইয়া বনের গাছগুলারে নাইড়া কইরা ফালাইতাছে…যদি বনরে বাঁচাইতে হয় তাইলে এইসব পশুপাখির হাত থেইকা বাঁচাইতে হবে, তা না কইরা এরা মানুষের হাত থেইকা বন বাচানোর কথা কয় অথচ মানুষ বারান্দায় গাছ লাগায়, গাছে পানি দেয়, ডাল ছাইট্যা দেয়, ফুল তোলে, প্রেমিকারে ফুল দেয়। অর্থাৎ মানুষ ঘাস এবং পাতা না খাইলেও গাছ লতা পাতা ভালোবাসে।

বন থাকলেই যে ব্যাপারটা সুন্দর হইবো তা কিন্তু না, সারা দুইন্যায় সবচায়া বেশি কবিতা,গান,গল্প,উপন্যাস লেখা হইছে,ছবি আকা হইছে চাঁদের সৌন্দর্য নিয়া মাগার কোনো হুমুন্দির পুতে কইতে পারবোনি হেইহানে বন আছে। আর হালায় চাঁদে যদি বন থাকতো জ্যোৎস্না রাইতে ভয়ংকর সবুজ আলোর ভিত্রে কেডা হিমু হইতে চাইতো? চাঁদে যদি বন থাকতো তাইলে তো কুত্তা বিলাই বান্দর সহ অন্যান্য প্রাণীও থাকতো.. এইবার ভাবেন যে, নীল আর্মস্ট্রং চান্দে নাইমাই কুত্তার গুয়ে পারা দিয়া দিলো আর তার সাদা স্পেসস্যুটের ঠ্যাং জোড়া কালা হইয়া গেলো আর আম্রিকার পতাকারে পাতা মনে কইরা একটা ছাগলে খাইয়া ফালাইলো.. আবার মহাকাশযানের উপ্রে উইঠ্যা বান্দরে লুঙ্গি ড্যান্স শুরু করলো.. তাইলে কই যাইতো মানব জাতের সম্মান?

দেখছেননি বন না থাকার উপকারিতা, বন না থাকলে মানুষ এমতেই সেরা হইয়া যায়, বাই ডিফল্ট মাইনষের তো সেরা হইতে হইবো নাকি? এর পরেও য্যারা বুঝবো না এগোরে নিয়া আমাজন বনে ছাইড়া দিয়া আইলেই হইবো, লেংটি পড়া জংলিগো বর্শার গুতা খাইয়া হুশ ফিইর্যা আইতো। সুন্দরবন(!) গাছ-পালা-লতা-পাতা, বাঘ,হরিণ,কুমির,কুত্তা,বিলাই,ডলফিন ইত্যাদি ইত্যাদি লাম-ছাম ক্যামনে সুন্দর হয় বুঝি না। আর এডির লিইগ্যা বনই বা কিল্লাইগা লাগবো তাও বুঝি না, এডিতো এমতেই জিওগ্রাফি,ডিস্কোভারি খুললেই দেহা যায়। ফাও বিশাল বন লাগেনি! কারেন্ট না থাকলে তো হাই-ডেফিনেশন ক্যামরায় শ্যুট করা বাঘ-হরিণের দৌড়াদৌড়ি দেখবার পারবেন না। তাইলেই বুঝেন বন না থাকলেও শুধু কারেন্ট দিয়া বন দেহন যায় মাগার বন থাকলেও কারেন্ট না থাকলে হেই জিনিস দেহন যায় না।

আবার হেরা কয় যে সুন্দরবন নাকি দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাবলিকের জীবন বাচায়। কোন পাব্লিক? ফকিন্নি পাবলিক। এই হালারা বাইচ্যা থাকলে ক্ষতি ছাড়া লাভের কি আছে বুঝি না। এই ফকিন্নিগো লাইগাই বাঙলাদেশের মত একটি সুখী-সমৃদ্ধ-সুজলা-সুফলা-উন্নত দেশের নামের পাশে দরিদ্র দেশের তকমা পড়েছে। নাইলে হালায় কবে বাঙলাদেশ আম্রিকারেও ছাড়াইয়া এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সিতে যাইতোগা। এগো লেইগাই আমগো জিডিপি এত কম। এগো লেইগা ঢাকার মত একটি সুখী মেট্রোপলিটন শহর বস্তি রোগে ভুগছে। এই হালারা পরিবেশের লাইগ্যাও ক্ষতিকর এরা পশুপাখির মত খোলা জায়গায় বিষ্ঠায়, এগো বিষ্ঠায় পরিবেশ প্রতিবেশ নষ্ট হইয়া যাইতাছে। এগো কামই হইলো খাওন,ঘুম আর বছর বছর রুটিন কইরা বাচ্চা পয়দা করা। এরা না থাকলে হয়তো কিছু দানশীল ব্যক্তি দান-খয়রাত দেওয়া থেইকা বঞ্চিত হইবো মাগার লাভ হইবো পুরা দেশের, তাই রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র শুধু যে বিদ্যুৎ দিবো তাইই না বরং বাঙলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনেও জোস ভূমিকা রাখবো..

বামেরা কি পরিমাণ ফকিন্নি তা তাগো কথা-বার্তায় বোঝা যায়। সুন্দরবনে এই প্রকল্প বানাইতে মোট টাকার মাত্র ৮৫ ভাগ আমগো দেওন লাগবো হেনতে যে বিদ্যুৎ বানাইন্না হইবো তার অর্ধেক দাদাগো দিমু। আব্বে হালায় আমগো ট্যাকা আছে আমরা দিমু তোগো বাপের কি! আমরা এমন জমিদারই.. মুঘলগো খাওয়াইছি, ব্রিটিশগো খাওয়াইছি, পাকিগো খাওয়াইছি এখন দাদাগো খাওয়ামু দরকার হইলে পরদাদা, পরদাদার দাদারে খাওয়ামু। কবি কইছে খাওয়াইয়া আর বাশ নিয়া কেউ কখনো ফকিন্নি হয় না।

তাই ভাইলোগ সময় থাকতে লাইনে আহেন, বন-জঙ্গলের বাকোয়াস ছাইড়া উন্নয়নের পথে আহেন। কেননা ঘুমায়া আছে সকল সুখ-শান্তি উন্নয়নের মাঝারে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 3 =