প্রেক্ষাপট ১৯৭৫:বাংলাদেশের ব্যর্থ সেনাবাহিনীর রক্তবিলাসী ইতিহাস

১৫ আগস্ট এমন একটা দিন যে দিন আসলে প্রমান করেছে বাংলাদেশের মতো একটা দেশে সেনাবাহিনী থাকাটা কতোটা ক্ষতিকর হতে পারে। আমার আগের তিনটা ব্লগে আমি বলেছিলাম সেনাবাহিনীর ব্যবসায়িক আচরন এবং তার বিস্তার নিয়ে।এই ব্লগে তুলে ধরবো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী’র ঐতিহাসিক বিবর্তন, তাদের দেশপেমিক না হয়ে ব্যবসায়িক মানসিকতা পোষন করার পেছনের ঐতিহাসিক প্রেরনা।

বাঙালী কে বীরের জাতি বলা হয়তো যেতে পারে কিন্তু বীর হওয়া এবং লড়াকু সেনা হওয়া এক কথা নয়। ব্রিটিশ আমলে এ অঞ্চলে যে সেনাবাহিনী ছিলো তাতে বাঙালী’র অংশগ্রহন ব্যাখা করতে আমাকে ইংরেজী ‘পিউনি’ শব্দটি ব্যবহার করতে হবে।১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগের সময় গোটা পাকিস্তান আর্মিতে বাঙালি সেনাবহিনী’র সংখ্যা ছিলো মাত্র ১%।১৯৪৮ সালের হিসাব অনুযায়ী ২৭৯৫ ফ্রেশ অার্মি পার্সোনেল’র মাঝে বাঙালী মানে পূর্ব-পাকিস্তানী ছিলো মাত্র ৮৭ জন। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় পাকিস্তান আর্মিতে পূর্ব-পাকিস্তানী সেনা,নৌ,বিমান বাহিনী সদস্য ছিলো যথাক্রমে ৬%,১৫% এবং ১৬% । ১৯৭০ সালে ৪,১২,০০০ পাকিস্তানী সেনা সদস্যদের মাঝে মাত্র ৩৪হাজার বাঙালি সেনা সদস্য ছিলেন।এদের মধ্যে মাত্র ৩০০জন ছিলেন অফিসার এবং একজন ছিলেন মেজর জেনারেল। (ইসলাম ২০০২,পেইজ:৩৬৯)।২৪ বছর বাংলাদেশ তথা পূর্ব-পাকিস্তান মানে পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে ছিলো।এর মাঝে সর্বসাকূল্যে গোটা পাকিস্তান সেনাবাহিনী’র মাত্র ৯% ছিলো পূর্ব-পাকিস্তানের। আইয়ুব খানের আমল থেকেই মূলত বাঙালী সেনা সদস্যদের নন-মার্টাল ক্যাটাগরিতে অর্ন্তভূক্ত করা হয। তার সময়ে বাঙালি সেনাদের মূলত সেনাবাহিনীর প্রশাসন ও টেকনিক্যাল বিভাগে কাজ করতে বাধ্য করা হয়।

মজার বিষয় হলো ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার এবং সেনাবাহিনী কখনোই ভারত কর্তৃক পূব-পাকিস্তানের আ্ক্রান্ত হবার বিষয়টিকে বড় করে দেখেনি। মাত্র চারটি রেজিমেন্ট তখন র্পব-পাকিস্তানে নিয়োজিত ছিলো।এই বিষয়টি বাঙালী সেনাসদস্য’দের তখন বেশ বিচলিত করেছিলো।কিন্তু সেই অস্থিরতা এবং বৈষম্যও তাদের আশানুরুপ দেশপ্রেমিক করে তুলতে পারেনি।
এখন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন অবস্থায় পাকিস্তানী সেনাবাহিনী এবং সেনাবাহিনীতে বাঙালি মানে পূর্ব-পাকিস্তানী সেনাসদস্যদের বিষয়ে কিছু গুরুত্ত্বপূর্ণ তথ্য বুলেট পয়েন্টে তুলে ধরছি-

* ৭০হাজার নিয়মিত পাকিস্তানী সেনা সদস্য ১৯৭১সালের মুক্তিযদ্ধের শুরুর দিকে নিয়োজিত ছিলো। এর মাঝে ৬হাজার বাঙালী সেনাসদস্য পালিয়ে গিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।
* আধা সামরিক বাহিনী হিসাবে ইপিআর’র ১৫হাজার সদস্য মুক্তিযদ্ধে যোগদান করেন।
* ১লাখেরও বেশি মুক্তিযোদ্ধাদের দল হতে মাত্র ৭হাজারের মতো মুক্তিযোদ্ধা এবং ১০০’র মতো বিদ্রোহী সেনাকর্মকর্তা দেশ স্বাধীন হবার পর সেনাবাহিনী’তে যোগ দিয়েছিলেন ((Bhattacharya 2000: 102)।
মুক্তিযুদ্ধের পর শেখ মুজিব আওয়ামীলীগের অাসল চেহারা দেখেন।সেই দলে আজকের মতো সবাই ছিলো। ছিলো পাকিস্তানের দালাল,ইন্ডিয়ার দাদা, সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের স্বপ্ন দেখা বিপ্লবী,আমেরিকার সরাসরি এজেন্ট,নিপাট ব্যবসায়ী,লোভী ধান্দাবাজ। কিন্তু এর মাঝেও একটা বড় রকমের দূবৃত্ত প্রতিশক্তি বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে দাড়াচ্ছিলো খুবই দৃঢ়তার সাথে।সেই অপশক্তি আর কেউ নয়, তাদের নাম ছিলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে দাড় করানো অনেক কঠিন ছিলো এর রাজনৈতিক কারনের সাথে যোগ হয় সামরিক কারনও।প্রশাসনিক কাজে ১৯৭২-৭৫ সালে সামরিক বাহিনীকে মোট পাঁচ বারের মতো ব্যবহার করা হয়।এর মাঝে উল্লেখযোগ্য কারন ছিলো পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রো-পাকিস্তানি ফোর্সদের মোকাবেলা করা এবং রিলিফ বিতরন।তবে রাজনৈতিক শক্তিকে সামনাসামনি মোকাবেলা করার অভিজ্ঞতাও সেসময় সেনাবাহিনী’র অনেক সদস্যকে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলে অনুপ্রানিত করে বলে অনেকে মনে করেন।তবে মুক্তিযদ্ধের পর সামরিক বাহিনীকে একটি ‘ডি-জেনারেটিভ’ফোর্স মনে করার যথেস্ট কারন তখন বাংলাদেশে নামক রাষ্ট্রে উপস্থিত ছিলো। আমি মনে করি তারা এখনো ডি-জেনারেটিভ ফোর্স। বাংলাদেশ আর্মি স্বাধীনতার পরবর্তী সময় হতে আজ অব্ধি পরিবারের সবচেযে অবাধ্য এবং স্বার্থপর সন্তানের মতো আচরন করে আসছে।কর্নেল তাহের চেয়েছিলেন আর্মি সেচের কাজে কৃষককে সাহায্য করবে কিন্তু পাকিস্তানি আর্মির বীর্যে জন্ম নেয়া বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর তা পছন্দ ছিলো না। বঙ্গবন্ধু তার ঘরের পান্ডাদের পাশাপাশি আর্মি নিয়ে মারত্বক সমস্যার মাঝে ছিলেন। লিফশুলজ বিষয়টাকে এভাবে ব্যাখা করেছিলেন -To these officers, influenced both by Maoism and the experience of guerrilla warfare, the army was not conceived as an institution separated from the government, and its fighters were not cut out to join a classic professional army. Once independence was achieved, soldiers should have participated in industrial production, land reform and irrigation, and eventually in the establishment of socialism at the national level. They envisioned both a popular and productive army (on the model of the Chinese Popular Army), which would closely work with civil society for the country’s development (Lifschultz 1979: 75-97).

সমস্যার ১৯৭৩:
সামরিক বাহিনী’তে মূল সমস্যার শুরু হয় ১৯৭৩ সালে যখন পাকিস্তান ফেরত বাঙালী সেনাসদস্যদের সামরিক বাহিনী’তে অর্ন্তভূক্ত করা হয়।তারা নতুন বাহিনীতে যোগ দিয়েই মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের ভারতের অনুচর এবং মুক্তিযুদ্ধে ভারতের হয়ে যুদ্ধ করার দায়ে অভিযুক্ত করতে থাকে। তাদের অনেক অসন্তুষ্টির কারন ছিলো তাদের বেতন ভাতা,পদ,সুবিধাদি ইত্যাদি।তারা মূলত সার্ভ করতো পাকিস্তান আর্মিকে, ১৯৭১ পরবর্তী বাংলাদেশ যখন তার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে ভারতকে নিরাপদ রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষনা করে তখন তা রিপেট্রিয়েটেড ২৮হাজার সৈনিক এবং ১১০০ অফিসার স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি।কারন তাদের পেশাগত ট্রেনিং ছিলো ভারতকে শত্রু জ্ঞান করা।১৯৭৩ সালে পাকিস্তান ফেরত সেনাসদস্যদের সার্বক্ষনিক যোগাযোগ থাকতো পাকিস্তানে ফেলা আসা তাদের ব্যাচমেটদের সাথে। তাদের নিয়মিত কাজ ছিলো তথ্য পাচার করা।(এটা অনেক সদস্য বিদেশি সাংবাদিকদের কাছে ছদ্মনামে প্রকাশও করেছেন)।অথচ যুদ্ধে আত্মসমর্পনকারী একটা সৈনিকওে পাকিস্তান তার নিয়মিত বাহিনীতে ফিরিয়ে নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্র,দুবাই সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সেসব পরাজিত সেনাদের দেখা গেছে ট্যাক্সি চালাতে কিংবা নানা রকমের পেশায়।এমনকি পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে এরকম স্পর্শকাতর সিদ্ধান্ত নিয়ে যে বঙ্গবন্ধু ঠিক কাজ করেননি এমনটাও বলেছিলেন অনেক রিপেট্রিয়েটেড সেনা কর্মকতা।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা এবং সেনাবাহিনী’র রক্তের হলিখেলার শুরু::

এটাকে একটা হত্যাকান্ড বলা যায়।এটা কোন কূ দেতা ছিলো না।কারন যারা হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিলো রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করা তাদের লক্ষ্য ছিলো না । শেখ মুজিব খুন হতে পারেন ..এমনটা বোধহয় তাকে প্রখম জানিয়েছিলেন ফিদেল ক্যাস্ট্রো।কারন ফিদেল হয়তো খেয়াল করেছিলেন, বাংলাদেশের সাধারন মানুষ গেরিলা যুদ্ধ করে সবচয়ে বেশি ক্ষতি স্বীকার করে দেশ স্বাধীন করলেও তার কৃতিত্ব ছিনতাই করেছিলো পাকিস্তানের ট্রেনিং প্রাপ্ত দেশটির সেনাবাহিনী। (সেই মিথ্যা কৃতিত্ব তারা এখনো দাবী করে যদিও এর কোন রাজনৈতিক এবং ঐতিহাসক ভিত্তি নেই)। ফিদেল ক্যাস্ট্রো বাংলাদেশে বাাঁচাতে শেখ মুজিবকে অামলা এবং সেনাসদস্যদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প-এ পাঠাতে বলেছিলেন। যাতে করে সেসব অামলা এবং সেনাসদস্যরা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শিক শিক্ষা লাভ করতে পারে।
১৯৭৫ সালে রক্তগঙ্গা বইয়ে দিয়ে রিপেইট্রিয়েটেডরা যে সেনাবাহিনীে’তে সংখ্যাগুরু তা তারা প্রমান করে। পাকিস্তানের র্বীর্যে জন্ম নেয় সেনাবাহিনী প্রমান করে যে তারা অাদতেই পাকিস্তান আর্মির সন্তান শুধু নামেই তারা আলাদা আর্দশ এবং দর্শন সবই এক।১৯৭৫-৭৭ এই দু বছরে বড় ধরনের ক্যূ’চেষ্টা হয়েছিলো ১০ বারের মতো।এইসব ক্যু’ এবং ব্যর্থচেষ্টা আদতেই প্রমান করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী’র জন্মলগ্ন থেকেই তারা প্রাতিষ্টানিকভাবে দেশপ্রেমের দিক হতে দেউলিয়া।

মুজিব পরবর্তী বাংলাদেশে ৩২% সামরিক ব্যয়ের বাজেট হয়েছে। মর্ডানাইজেশনের মাধ্যমে আর্মির হাতে তুলে দেয়া হয়েছে দেশের সম্পদ লুট-পাটের অমোঘ সুযোগ।আর এই সুযোগ বাস্তবায়িত হয়েছে সেসব সেনাসদস্যদের মাধ্যমে যাদের মৃুক্তিযুদ্ধে ছিলো বির্তকিত ভূমিকা এবং যারা মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেননি।

জিয়া ছিলেন এই অপকর্মের মূলহোতা ১৯৭৭ সালে শুধুমাত্র সেনাবাহিনী’র কতৃৃত্ব প্রতিষ্ঠার ইচ্ছায় ব্যর্থ ক্যু চেষ্টার অভিযোগে ৩৯৭ বিমাবাহিনী সদস্যকে হত্যা করা হয়। জিয়া যখন নিহত হন, সে সময় ৫০জন ব্রিগেডিয়ার এবং মেজর জেনারেলের মধ্যে মাত্র ৩জন ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। যার মানে দাড়ায় সেনাবাহিনী তার শরীরে কখনোই মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকার করে নেয়নি।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী’র আছে কোর্ট মার্শালের নামক তামাশা মঞ্চস্থ করে একজন অবসরপ্রাপ্ত পঙ্গু সামরিক কর্মকর্তাকে ফাসিঁ দেবার বিরল ইতিহাস। অাদতেই সেনাবাহিনীর মূল নিয়ন্ত্রন ছিলো অমুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের হাতে।

যে চেতনা এবং আদর্শ বুকে নিয়ে লাখো মানুষ প্রাণ দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলো সেই দেশ তার স্বাধীনতার মাত্র চার বছরের মধ্যেই পরাধীন হয়ে পড়ে পাকিস্তানপন্থি তারই সেনাবাহিনী’র হাতে।যারা বিশ্বাস করে রক্ষনশীল সমাজ এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যাদের দেশ এবং সমাজ ব্যবস্থা পরিবর্তনের কোন মানসিকতাই নেই। সেই থেকে আজ অব্দি স্বাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানি সেনাদের ছায়া সেনানিবাস।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।তার দেশপ্রেম যে কোন সন্দেহের উর্ধ্বে।তাকে যে বাহিনী’র সদস্যরা হত্যা করেছিলো তারাও নিজেদের দেশপ্রেমিক দাবী করে।সেই বাহিনী মানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজও দাবী করে তারা দেশপ্রেমিক। অথচ তারা হত্যা করেছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতাকে।বিডিঅার’র সব সদস্য কিন্তু বিদ্রোহ করেনি।কিন্তু শাস্তি হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর চেয়ে বেশি অবদান রাখা এই বাহিনীর নাম বদলে রাখা হয়েছে বিজিবি।আমরা যদি স্বাধীনতা ৪০ বছর পরে স্বাধীনতার বিরোধীদের বিচার করতে পারি। যদি পারি যুদ্ধাপরাধী সংগঠন হিসাবে জামাতের বিচার চাইতে তবে জাতির পিতার হত্যাকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে সেনাবাহিনী’র বিচার কেন নয়?

References
1. Ahamed, Emajuddin (1988) Military Rule and the Myth of Democracy, Dhaka: UPL.
2. Ahmad, Col. (retd) Oli (2003) Revolution, Military Personnel and the War of Liberation in Bangladesh, PhD dissertation, Oxford Brookes University, (unpublished to my knowledge).
3.Bhattacharya, France (2000) ‘Le Bengale oriental entre islam et identité régionale’, in Christophe Jaffrelot (ed.), Le Pakistan, Paris: Fayard, pp. 71-107.
4.Blom, Amélie (2005) ‘ ‘Qui a le bâton, a le buffle’. Le corporatisme économique de l’armée pakistanaise’, Questions de recherche, 16, Paris: CERI, December 2005. http://www.cerisciences- po.org/publica/question/qdr16.pdf
5. Cloughley, Brian (1999) A History of the Pakistan Army: Wars and Insurrections, Karachi: Oxford University Press.
6.Franda, Marcus (1982) Bangladesh: The First Decade, New Delhi: South Asian Publishers.
7.Hakim, Muhammad A. (1993) The Shahabuddin Interregnum, Dhaka: UPL.
8.Hakim, Muhammad A. (1998) ‘Bangladesh: the beginning of the end of militarised politics?’,Contemporary South Asia, 7 (3), pp. 283-300.
9.Haque, Azizul (1981) ‘Bangladesh in 1980: strains and stresses – opposition in the doldrums’,
10.Asian Survey, 21 (2), pp. 188-202. Hasanuzzaman (1991) Bangladesh: Rashtra O Sarkarer Shamarikikaran, Dhaka: UPL.
11.Huque, Ahmed Shafiqul and Akhter, Muhammad Yeahia (1989) ‘Militarization and opposition in Bangladesh: parliamentary approval and public reaction’, Journal of Commonwealth and Comparative Politics, 27 (2), pp. 172-184.
12.Hussain, Brigadier General (retd) Sakhawat (2003) ‘State of Law and Order and Military Involvement and its Consequences – A Bangladesh Perspective’, talk given at a Seminar organized by the Institute of Regional Studies (Islamabad), 26th-27th May, 2003.
13.Islam, Md. Nazrul (2002) ‘Bengali Representation in Pakistan Defence Forces’, BIISS Journal, 23 (4), pp. 360-381.
14.Islam, Rafiqul (1996) ‘Free and Fair Elections in Bangladesh under the Thirteenth Amendment: A Political-Legal Post-Mortem’, Politics Administration and Change, 26, pp. 18-31.
15.Kabir, Bhuian Monoar (1999) Politics of Military Rule and the Dilemmas of Democratization in Bangladesh, New Delhi: South Asian Publishers.
16.Khan, M. Ayub (1967) Friends not Masters – A Political Autobiography, Karachi: Oxford University Press.
17.Khan, Zillur R. (1984) Leadership Crisis in Bangladesh, Dhaka: UPL.
18.Khan, Zillur R. (1997) ‘Bangladesh’s experiment with parliamentary democracy’, Asian Survey, 37 (6), pp. 575-589.
19.Lifschultz, Lawrence (1979) Bangladesh: The Unfinished Revolution, London: Zed Press.
20.Mascarenhas, Anthony (1986) Bangladesh: A Legacy of Blood, London: Hodder and Stoughton.
21.Codron, Jérémie (2007) ‘Putting Factions ‘Back in’ the Civil-Military Relations Equation: Genesis, Maturation and
Distortion of the Bangladeshi Army’, South Asia Multidisciplinary Academic Journal. URL :
http://samaj.revues.org/document230.html. To quote a passage, use paragraph (§).
21.Nuruzzaman, Mohammad (2004) ‘Neoliberal Economic Reforms, the Rich and the Poor in Bangladesh’, Journal of Contemporary Asia, 34 (1), pp. 33-54.
22. Selim, Monique (1998) ‘Les politiques de l’islamisme au Bangladesh : entre libération et collaboration’, in Gérard Heuzé et Monique Selim (eds.), Politique et religion dans l’Asie du Sud
contemporaine, Paris: Khartala, pp. 41-75.
23.Shamim, Chowdhury M. (1994) ‘Civil-Military Relations and the Future of Democracy in Bangladesh’, Journal of Political and Military Sociology, 22 (2), pp. 351-366.
23.Stepan, Alfred (1988) Rethinking Military Politics: Brazil and the Southern Cone, Princeton, NJ: Princeton University Press.
24.Ved, Mahendra (1991) ‘Fall of Ershad: What Next in Bangladesh?’, Strategic Analysis, 13 (11), pp. 1257-1274.
25.Waseem, Muhammad (2000) ‘Dix ans de démocratie au Pakistan ?’, in Christophe Jaffrelot (ed.),Démocraties d’ailleurs, Paris: Karthala, pp. 459-477.
26.Weber, Jacques (1999) ‘La guerre du Bangladesh vue de France’, Guerres mondiales et conflits contemporains, 195, pp. 69-96.
27.Wilkinson, Steven I. (2000) ‘Democratic Consolidation and Failure: Lessons from Bangladesh and Pakistan’, Democratization, 7 (3), pp. 203-223.
28.Zearat, Ali, T.A. (1998) ‘Bangladesh in United Nations Peacekeeping Operations’, BIISS papers,16, Dhaka: BIISS.

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “প্রেক্ষাপট ১৯৭৫:বাংলাদেশের ব্যর্থ সেনাবাহিনীর রক্তবিলাসী ইতিহাস

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 4 = 1