ব্যালকনির গল্প

আমরা যেটাকে ঝুল বারান্দা বলি
তোমরা বলো ব্যালকনি।
ঝুল বারান্দা নামটা নাকি
মোটেও সুন্দর না!!
ইশ! ঝুলে থাকলেই ঝুল বারান্দা বলতে
হবে?
তোমাদের ব্যালকনি আজ
ঘটনাবহুল
কারো সারাদিনের ক্লান্তির
প্রশান্তি
কারো সংসারের অশান্তি
কারো দু’ফোটা অশ্রুজলে ভেজা
কারো দুষ্টুমিতে মেলামেশা !
তোমাদের ব্যালকনিতে অলস দুপুরে
সঙ্গম করে চড়ুই পাখি
পাশের ব্যালকনিতে বসা অবুজ শিশুটি
হা করে তাকিয়ে থাকে
ভাবে মারামারি হচ্ছে
ছোটপাখিটার জন্য মায়া হয়!
সময় পেলেই বাবাকে দিয়ে
বকুনি শোনাবে বড়টাকে।
ঘটনাবহুল তোমাদের ব্যালকনি।
সুখ-দুঃখের সাথে শঙ্কাও মিশ্রিত
থাকে একটুকুন!
কখন যেন নিষ্ঠুর তস্কররা প্রবেশ করে
কখন যেন ঢিলের সাথে উড়ে আসে
কুমারীর কাছে প্রেম পত্র।
মধ্যবয়সী বাবাদের কপালে
চিন্তার ভাজ পরে।
তোমাদের ব্যালকনিতে কত্ত ঘটনা
ঘটে
ঘটনাবহুল ব্যালকনি যেন
একটা মহাকাব্য।
নিমন্ত্রণের অপেক্ষায় থাকবো
তোমার মিষ্টি ব্যালকনিতে !
সেখানে বসে একসাথে
চার কাপে ফু দেব
বাগান বিলাস দেখব
চড়ুই পাখি দেখব।
নিমন্ত্রণের অপেক্ষায় রইলাম।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “ব্যালকনির গল্প

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

88 − 80 =