দোয়া বা আশীর্বাদ খায় না মাথায় দেয় ?

খুব হাস্যকর ও চমৎকার একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ।
বিষয় : ?oh=697c7d8856fc12df11f4170cbcef1da1&oe=5816C2FE” width=”400″ />

শুরুতেই বলব আমার লেখায় কিছু বানান ভুল হতে পারে আশাকরি সংশোধন করে নেবেন । আমার ফন্টের সমস্যা । আর কেউ ভুলেও না বুঝে না পড়ে লাইক কমেন্ট করবেন না । উল্টা পাল্টা কমেন্ট করতে পারবেন , গালিও দিতে পারবেন মানা নাই । তবে মা ও বোনকে একটু রেহাই দিবেন , জদিও আমার বোন নেই ।
আজ ভোঁরে একটি ফোন আসলো ,আমি ধরতে পারলাম না । আমি তখন ব্রাস করছিলাম ।আবার ফোন আসলো ,কাছে গিয়ে দেখি আমার এক ছোট ভাই ফোন দিয়েছে । আমি তো অবাক এতো দিন পর ফোন দিলো ?
আগে অবশ্য টাকার সংকট হলে ফোন দিতো ।
বড় চিন্তার বিষয় পকেট তো খালি । পরে জানতে পারলাম আজ নাকি HSC ফল দিবে । আজকেও এক প্রকার চাহিদার জন্যই ফোন দিয়েছে । এর আগে ফোন দিয়ে টাকা চেতো আর আজ ফোন দিয়ে চায় এক আজব জিনিস।
ভাই ও ভাই একটু পর রেজাল্ট দিবে ,একটু দোয়া কইরেন ।
এরকম ভাবে অনেকেই আমাকে ফোন বা এস এম এস করেছে । দোয়া ভিক্ষা করেছে ।
আসুন দোয়া নিয়ে কিছু আলোচনা করা যাকঃ
দোয়া শব্দের অর্থ আল্লাহকে ডাকা, কিছু চাওয়া, প্রার্থনা করা অর্থাৎ বিনয়ের সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে কল্যাণ ও উপকার লাভের উদ্দেশ্যে এবং ক্ষতি ও অপকার থেকে বেঁচে থাকার জন্য প্রার্থনা করাই হল দোয়া। কুরআন হাদিসে দোয়াকে-ই ইবাদাত হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
হা হা হা হা হা হা এই কথা শোনার পর না হাইসা কি পাড়া যায় ??
একটা কথা মনে পরে গেলো অনেক আগে লিখেছিলাম ।
যারা দোয়ায় বা আশীর্বাদে বিশ্বাসী তাদের জন্য ।আশা করি ইতিবাচক ভাবে বিবেচনা করবেন ।

আশীর্বাদ বা দোয়া ভিক্ষা করা ,
সঙ্গম না করে সন্তান কামনা করার ন্যায় ।।

�আসুন এই বিষয় নিয়ে একটু বিন্দন করে আসি ।
একটা ছেলে নাম কাসেম । একদিন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলো ।ছেলেটি ছিল একটু দুষ্ট প্রকিতির । সব সময় উল্টা পাল্টা চিন্তা ভাবনা কাজ করতো ।মানে সবাইকে খ্যাপানই ওর প্রধান কাজ ।
তো ভালো কথা যাচ্ছিলো হটাত দেখতে পেলো পাসের স্কুলের ধর্মের শিক্ষক যাচ্ছে । কাসেম ডাক দিয়ে সালাম দিয়ে বল্ল হুজুর ভালো আছেন ?
কাসেম আবার হুজুর দেখলেই মাথা নষ্ট হয়ে যায় । অবশ্য ও তো মাদ্রাসার ছাত্র ছিল । লক্ষ্য করে দেখবেন মাদ্রাসায় যারা পরে তাদের মগজ টা একটু আলাদা সবার থেকে ।
হুজুর আবার ভালো করেই জানে কাসেম ধরনের ছেলে ।
তাই এরিয়ে জাওয়ার জন্য কিছু না বলেই চলতে শুরু করলো ।
কিন্তু কাসেমের পাল্লায় পড়লে কি আর জাওয়া যায় …।
তার পর হুজুর বল্ল কি কবি তারাতারি কইয়া ফেল । আমার কুদ্দুইচার বাড়ি দাওয়াত আছে ।
কাসেম বলল একটা কথা ছিল ?
আরে বেডা হেয়া বুজ্জি ,তুই তরাতরি বইল্লা ফেল । বেইনাল্লা অইতে কিছু খাইনাই , কুদ্দুইচা কইচে রাওয়া মুরার দা গরম ভাত খাওয়াইবে ।
এই কথা শোনার পর কাসেম আর দেরি না করে কথা টা বলল ।
হুজুর আমার যেন একটা পুত্র সন্তান হয় ।
হুজুর কয় এই নাহি তোর কথা হে হে হে হে হে । ঠিক আছে তুই বাড়ি চইল্লা যা হইবে তোর পুত্র সন্তানি হইবে ।
প্রায় ৩ মাস পর আবার দেখা হুজুরের সাথে একটু রাগ দেখিয়ে বলল কি হুজুর কি দোয়া করলেন কোন কাজে আসলো না ।
পরে হুজুর বলল আচ্ছা তুই কি বিয়া করছিস ??
কাসেম বলল না
হুজুর মাথায় হাত দিয়ে বলে কি কও তুই এয়্য
তুই বিয়া না কইরাই পোলার আশা করো?

তাহলে এখানে দেখুন আমি যদি বিয়ে না করি বা সেক্স না করি আমার কি সন্তান হবে ? না হবে না ।
তাই তুমি যদি ভালো পড়াশুনা করো তাহলে অবশই ভালো ফল পাবে ।
এখানে দোয়া ফোয়ায় কিচ্ছু হয় না ।
এটা এক ধরনের মানুষিক দিক থেকে নিজে ছোট করা অন্যের কাছে ।

দোয়ায় যদি এতো উপকার হতো তাহলে আজ দোয়া কেজি তে বিক্রি হতো ।
আর জার যেমন সামর্থ্য সে তেমন কিন্ত ।
এরকম ভাই আমারে ১ কেজি দোয়া দিন ।

মাঝে মাঝে এদের দেখলে খুব কষ্ট হয় আবার মজাও লাগে
আবার অবাক হই তখন ভাবি,
আজ্ঞতার চেয়ে ভয়াবহ মানুসিক অসুখ ধরনীর বুকে খুব কমই আছে।।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

58 − 52 =