অদ্ভুত আমরা

ইট,কাঠ, পাথুরে দেয়াল,বিজলী বাতি;
শহুরে জৌলুসে ডুবে আছো বন্ধু,
পুরোটা চোখ মেলে কখনো কি তাকাও দিগন্তের পানে?

রঙ্গিন চশমার আড়াল ভাঙ্গতে পারলে দেখতে
কীভাবে পৃথিবীর যৌবন ক্ষয়ে ক্ষয়ে যায়,
বিষাক্ত কীটেদের দংশনে রক্তাক্ত হয়;
গরল ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে।

তুমি,আমি দুপেয়ে দৈত্যদের হোলিখেলা দেখি দিনের পর দিন
চুপ করে থাকি,সময়ে সয়ে যাবার প্রত্যাশায়
নির্জীবতা,প্রতিবাদহীনতা ভেঙ্গে দিয়েছে আমাদের শিরদাঁড়া।

এভাবেই ঘটে সুপ্রাচীন সভ্যতারও বিনাশ,
ভয়ার্ত কাপুরুষদের পাঁজর পায়ে গুঁড়িয়ে
উত্থান ঘটে বর্বর বিভীষণদের;
মোটা-ভারী বই এর পাতায় আশ্রয় নেয় মানুষের প্রতিরোধ আর প্রতিবাদের ইতিহাস।

তুমি,আমি-আমরা জন্মাই,মজুরি খাটি,খেয়েপরে বাঁচি কেবল,
অনুর্বর মগজের অপবাদ কিছুটা হলেও ঢেকে দেই জননযন্ত্রের উর্বরতায়,
মরতে মরতে বাঁচি আবার মরে যেন জন্মের তরে বেঁচে যাই।

সংখ্যায় অনেক কম যদিও হায়েনারা,
তবু পৃথিবীর যৌবন তারাই খুবলে খায় ,
নির্মম পাশবিকতায়।

২০-০৮-১৬

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “অদ্ভুত আমরা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

63 + = 70