ভয়ংকররুপে আবির্ভুত নারী জঙ্গি

জঙ্গীবাদী উন্মাদনা আজ সারা বিশ্বেই মানবতাকে পদদলিত করে চলেছে। মানুষের কাছে ইসলাম ও মুসলমানদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করে চলেছে। তরুণ জঙ্গীদের পাশাপাশি এরা তরুণীদেরও জঙ্গী প্রশিক্ষণ দিয়ে আত্মঘাতী হামলায় প্ররোচিত করছে। খোদ বাংলাদেশেও জঙ্গী সংগঠনের কর্তারা নারীদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ বহনসহ জঙ্গী কার্যক্রমে যুক্ত করছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতা পরিকল্পনা করার পর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অর্থ ও অস্ত্র নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে সব কাজেই এখন নারী জঙ্গীদের ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশী-বিদেশী অর্থায়নের মাধ্যমে নারীদের দিয়ে গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। সারাদেশেই জামায়াত-শিবিরের পৃষ্ঠপোষকতায় বিভিন্ন জঙ্গী গোষ্ঠী ও সংগঠনে নারীদের নিয়োগ করা হচ্ছে।একটি ইসলামি দল পরিচালিত ইসলামী ছাত্রী সংস্থা নামের সশস্ত্র সংগঠনটি কাজ চালিয়ে আসছে ১৯৭৯ সাল থেকে। এরা বর্তমানে জঙ্গীবাদের সমর্থক। অতিগোপনে ও পারিবারিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে দেশজুড়ে। সুপ্ত অবস্থায় থাকা এ সংগঠন কাজ করছে মহিলা কলেজ ও হোস্টেল এবং মাদ্রাসাকে কেন্দ্র করে। সাপ্তাহিক ও ইসলামী মাহফিলের নামে বিভিন্ন স্থানে এরা গোপন বৈঠক করে। বৈঠকে আট থেকে দশজন সদস্য হাজির থাকে। এই সদস্যদের আবাসস্থলে পৃথকভাবে নির্দিষ্ট দিনে জমায়েত হয়। সদস্যরা কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে বৈঠকে অংশ নেয়। জঙ্গীবিরোধী অভিযান ও দেশব্যাপী প্রতিবাদের মুখে জঙ্গী পুরুষ সদস্যরা এখন আড়ালে থেকে নারীদের দিয়েই সাংগঠনিক কাজগুলো সক্রিয় রাখছে। জঙ্গী সংগঠনগুলো এই নারী জঙ্গীদের দিয়ে ধর্মীয় ও জিহাদী কথা বলে ধর্মপ্রাণ মা-বোনদের উদ্বুদ্ধ করে এবং আর্থিক সহায়তা নিয়ে থাকে। কিন্তু আড়ালে তারা জঙ্গীবাদের বিস্তার ঘটাচ্ছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “ভয়ংকররুপে আবির্ভুত নারী জঙ্গি

  1. নারীদের সবচে মারাত্মক যে
    নারীদের সবচে মারাত্মক যে মারণাস্ত্র দিয়ে সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করেছেন, সেই মারণাস্ত্রের সুষ্ঠ ব্যবহার করে নারী জঙীরা যৌন জিহাদে অবতীর্ণ হয়েছে। এতে জিহাদী ভাইয়েরাও খুশি, জিহাদী আপুরাও খুশি। আল্লাহর আইন কায়েম করার লক্ষ্যে এই ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে না পারলে শেষ কালে কী জবাবদিহি করবে?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

61 − = 56