“বাগদাদ জ্বলছে” – নামহীন নারীর ব্লগ থেকে ! – কিস্তি ৫

আগের পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

(পূর্ব প্রকাশিতের পরে থেকে)

আমার কলিগ “ওয়াই” চাকুরী ছেড়ে দিচ্ছে। বিদেশে চলে যাবে কাজের সন্ধানে। এখানে আর কিছুই করার নেই তার। আমি আমার পরিকল্পনার কথা বললাম, বাড়ীতে কাজ নিয়ে গিয়ে করবো, এমন টা। খুব বিষন্ন ভাবে মাথা নাড়ালো “ওয়াই” কিন্তু কিছু বললো না।

আমার অফিস নামের বিধ্বস্ত ভবনটির ভেতরে দাঁড়িয়ে আমি একটু ধাতস্থ হবার চেস্টা করছিলাম। এই ধ্বংস যজ্ঞটি বোঝার চেস্টা করছিলাম। আমার হৃদপিণ্ড প্রায় চৌচির অবস্থা। আমার কাজিন আর ছোট ভাই “এক্স” নীচতলায় আমার জন্যে অপেক্ষা করছে।

আসলে এই কর্মস্থলে আর কাজ করার মতো কিছু আছে বলে আমার মনে হলোনা। কেবল জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, আমি যদি কোনও ভাবে সাহায্য করতে পারি। আমার কলিগ “ওয়াই” আর আমি নেমে এলাম নীচে। আমরা দুজনেই দোতলায় খানিক্ষনের জন্যে থামলাম, আমাদের একজন ডিরেক্টর কলিগের সাথে কথা বলার জন্যে। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, কখন তারা মনে করেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে? তিনি কোনও জবাব দিলেন না, আমার দিকে তাকিয়েও দেখলেন না। সে বরং চোখে চোখ রেখে কথা বলল আমার কলিগের সাথে। যেনো নারী কলিগের দিকে তাকানো টা ভয়ংকর কোনও কাজ এখন, তার চোখ যেনো কেউ সুপার-গ্লু দিয়ে আটকে দিয়েছে। এর কারণ মুলত, এরা এখন আর কোনও নারী সহকর্মীর দায়িত্ব নিতে রাজী নয় বা সক্ষম নয়। তাই, শেষমেশ, আমার দিকে তাকিয়ে, প্রায় হাজার খানেক শব্দ ক্ষয় করে আমাকে ব্যাখ্যা করলেন – কেনও আমার বাড়ী চলে যাওয়া উচিৎ, কেনও আমার কাজ করার কথা চিন্তাও করা উচিৎ নয়। তিনি সোজা সাপটা জানিয়ে দিলেন আমার মতো একজন নারী কর্মীর যদি কোনও সমস্যা হয় তাহলে তার দায়িত্ব তারা নিতে পারবেন না।

আমি বল্লাম, ঠিক আছে, এটা তো তাহলে আপনাদের ক্ষতি, আমি একজন পুরনো কর্মী, আমি বরং আপনাদের কে সাহায্য করতে পারতাম। কথা না বাড়িয়ে চলে আসলাম। আমার ভাই “এক্স” আর কাজিন দুজনেই আমার মুখের বিষণ্ণতা পড়তে পেরেছিলো। ওরা বেশ উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলো, ভেতরে আমাকে আবার কেউ কোনও মন্দ কিছু বললো কিনা, এই ভেবে। আমি গাড়ীতে বসে কাদছিলাম। আমার চাকুরীর জন্যে। নারী হওয়ার কারণে আমার চাকুরীটা ফেরত না পাবার লজ্জায়, পুরুষ কলিগদের কাছে অবমাননার কথা মনে করে, খুব কান্না পাচ্ছিলো। গাড়ীর ভেতর থেকে দেখছিলাম আমার বিধ্বস্ত শহর, ভাঙ্গা – ধ্বংস হওয়া রাস্তাঘাট গুলো, আধা ভেঙ্গে যাওয়া কিম্বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হওয়া ভবন গুলো। কান্না টা আমার দম বন্ধ করার মতো হয়ে উঠছিলো এই সব কিছু দেখে।

আমি ইরাকের খুব সৌভাগ্যবান নারীদের একজন। আমি গুরুত্বপূর্ণ বা প্রধানতম নই, কিন্তু আমি সৌভাগ্যবান। ইরাকের একজন প্রখ্যাত ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, যুদ্ধপূর্ব ইরাকের ভীষণ স্মার্ট নারীদের একজন, তার নাম – হেনা আজিজ, প্রায় এক মাস আগে, নিজ দুই কন্যা ও স্বামীর সামনে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। কিছু মৌলবাদীদের দ্বারা, সম্ভবত বদির বাহিনীর কাছ থেকে তিনি হত্যার হুমকি পেয়েছিলেন কিছুদিন আগে। তাঁকে হুমকি দেয়া হয়েছিলো বাড়ীতে বসে থাকার জন্যে, কর্মস্থলে না যাওয়ার জন্যে। তিনি একজন অসম্ভব মেধাবী প্রকৌশলী ছিলেন, তিনি মৌলবাদীদের হুমকি উপেক্ষা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, দেশ কে আবার সচল করার জন্যে তাঁর কাজ করা দরকার। প্রকৃত পক্ষে তাঁর মতো মানুষের জন্যে ঘরে বসে থাকাটা সম্ভব ছিলোনা। মৌলবাদীরা একদিন তাঁর নিজ বাড়ীতে আক্রমন করে, আধুনিক অস্ত্র নিয়ে, মেশিনগান দিয়ে ঝাঁঝরা করে দিয়ে যায় তাঁর শরীর। নিজ বাড়ীতে পরিবারের সামনে খুন হন ইরাকের সবচাইতে মেধাবী একজন প্রকৌশলী, কেবল নারী বলে। আমি জানি, নারী হিসাবে তিনিই প্রথম খুন হননি, এবং তিনিই শেষ নন। আরো খুন হবে।

মঙ্গলবার, আগস্ট ২৬, ২০০৩

 

আসুন মিউজিক্যাল চেয়ার গেম খেলি …

ইরাকের নয়জন প্রেসিডেন্ট এর ক্ষমতার ভাগাভাগি ছিলো প্রথম থেকেই একটি ব্যর্থ ফরমুলা। অর্থাৎ প্রতিটি প্রেসিডেন্ট এক একজন ব্যর্থ মানুষ। এই ফরমুলাটি ব্যর্থ প্রমানিত হয়েছে – দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, … পঞ্চম এমন কি নবম বারের বেলাতেও। এই নয়জন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয়েছিলো ধর্ম পরিচয় ও জাতি- নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের উপরে ভিত্তি করে। এই নয়জনের মধ্যে ৪ জন শিয়া, ২ জন সুন্নী এবং ২ জন কুরদিশ ছিলেন।

এটা মূলত ছিলো ইরাকী জনগন কে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিভক্ত করার একটি প্রয়াস। সারা ইরাক জুড়ে যে হই-চৈ ডামাডোল আর বিভ্রান্তি জেঁকে বসেছে, এই অসংখ্য অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট এর বিষয়টা তাতে আরেক ধাপ বিভ্রান্তি যোগ করেছে। শুধুমাত্র ধর্ম আর বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীগত পরিচয় দিয়েই কি এভাবে নেতৃত্ব নির্বাচন করা যায়? তাহলে কি যখন যে গোষ্ঠীর নেতা প্রেসিডেন্ট হবেন, তখন শুধু তারাই দেশ শাসন করবেন? কিম্বা কিভাবে নয় মাস পরে ইরাক একজন রাস্ট্রনায়ক পাবে? নাকি আমাদের সারাজীবন এই রকমের নয়জন রাস্ট্রপতি নিয়ে চলতে হবে? এই নিয়ম অনুযায়ী কি আসলেই ইরাকের প্রতিটি গোষ্ঠীর মানুষদের একজন করে প্রতিনিধি থাকতে হবে প্রেসিডেন্ট হিসাবে? যদি তাইই হয়, তাহলে খ্রিষ্টান ও তুর্কীদের কেনও কোনও প্রতিনিধি নেই? নয়জন আর এগারোজনের মধ্যে কি খুব বিশাল কোনও তফাত হবে?

আমি দুঃখিত, কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে আঘাত করার কোনও ইচ্ছা আমার নেই, কিন্তু এই নয়জন প্রেসিডেন্ট কে আমি বলি – “Dancing Puppet” বা পুতুল নাচের সুতায় বাধা পুতুল গুলো। এরা মিলে গঠন করেছে, ইরাকী অন্তর্বর্তী সরকার বা “কোয়ালিশন ফর প্রভিসনাল কাউন্সিল” এবং এরাই পালাক্রমে নির্বাচন করতো কে পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট হবে। পচিশ জনের এই অন্তর্বর্তী মন্ত্রী পরিষদ এমনিতেই গনবিচ্ছন্ন একটি সংস্থা, এরা আরো বেশি করে নিজেদের গনবিচ্ছিন্ন করে তুললো, একটা বিশেষ অধ্যাদেশ জারির মধ্যে দিয়ে। ইরাকের জনগনের জন্যে এরা নতুন করে ইরাকী জাতীয় দিবস ঘোষণা করো এপ্রিল মাসের ০৯ তারিখে। নয়জন পুতুলের একজন বাহর উল উলুম যখন জাতীয় দিবসের এই ঘোষনা টি পাঠ করছিলো, জনগন তখন ক্রোধে ফেটে পড়ছিলো।

এপ্রিল মাসের নয় তারিখ ছিলো ইরাকের যেকোনো নাগরিকের জন্যে একটা দুঃস্বপ্নের দিন – রাত্রী। সারা বাগদাদ ধোয়ায় অন্ধকার হয়ে গিয়েছিলো। প্রায় সর্বত্রই একের পর এক বোমা বিস্ফোরণ, সারা শহর জুড়ে আমেরিকার সৈনিকদের টহল, ভবনের পর ভবনে আগুন দেয়া হচ্ছে, মারামারি, সাধারণ বাড়ীগুলোতে লুটতরাজ, নিরবিচারে গনহত্যা হচ্ছিলো। সাধারণ নাগরিকদের কে একের পর এক স্থান থেকে সরিয়ে নেয়ার চেস্টা করা হচ্ছিলো। খালি বাড়ী গুলো ট্যাংকের গোলায় উড়িয়ে দেয়া হচ্ছিলো, গাড়ীগুলোকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছিলো। জাতীয় দিবসের দিন সমগ্র বাগদান যেনো এক অগ্নিকুন্ডে পরিনত হয়েছিলো। নিজের শহরে কামান দেখাটা খুব স্বস্তিকর কিছু নয়, আর নিজের শহরে বিদেশী কামান দেখার মর্মান্তিক আর কিছু নেই।

আসুন আমাদের নয়জন রাষ্ট্রপ্রধান নিয়ে কথা বলি। ভেতরের কথা হচ্ছে – এই নয়জনের প্রত্যেকেই একে অপরকে ঘৃণা করেন। এদের মিটিং মাঝে মাঝে তীব্র বাদানুবাদ দিয়ে, নাম ধরে গালাগালি দিয়ে শেষ হয়। এদের সকলেরই একমত হবার একটা পয়েন্ট হচ্ছে – বুশ প্রতিনিধি পল ব্রেইমার হচ্ছেন ঈশ্বর আর তাঁর মুখের বানী হচ্ছে ধর্মগ্রন্থ।

শুরুতে এটা সিদ্ধান্ত ছিলো যে এরা প্রত্যেকেই একমাস করে তাদের “প্রিয়” দেশকে শাসন করার ক্ষমতা লাভ করবে। কিন্তু কে কার আগে শাসন করবে, এই নিয়ে গন্ডগোল, হুমকি – পালটা হুমকি – গালাগালির পর শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো, এরা এদের নামের আদ্যক্ষর এর ক্রম অনুযায়ী দায়িত্ব পাবে। এই হচ্ছে সেই পুতুল সরকারের মহামান্য নায়কেরাঃ

প্রথম পুতুলঃ ইব্রাহিম আল জাফারী
ইরান ও লন্ডনে প্রবাসী এই ৫৬ বছর বয়স্ক মানুষটি হচ্ছেন ইসলামিক দাওয়া পার্টির প্রধান। ইসলামিক আল দাওয়া পার্টি ১৯৫৮ সালে সবচাইতে বড় শিয়া দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। এরা তাদের রাজনৈতিক রপশিক্ষন লাভ করে ইরানের একটি চরমপন্থি দল “ফিদায়িন আল ইসলাম” এর কাছ থেকে। এই দলটি বরাবরই খুব সুপরিচিত তাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে অস্ত্র ও বোমার ব্যবহারের কারণে। এদের হামলা, আক্রমনেরমুল টারগেট ছিলো স্কুল, কলেজ – বিশ্ববিদ্যালয় আর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক জমায়েত গুলো।

ইবারহীম আল জাফারী কে দেখলে আমি খুবই অস্বস্তিতে ভুগি। এই লোক কখনই কোনও কথা সরাসরি বলেনা, সবসময়েই অত্যন্ত নিম্ন কন্ঠে কথা বলে এবং সবসময় দেখে মনে হয় তিনি এখনও স্থিত বা ধাতস্থ নন।

 

দ্বিতীয় পুতুলঃ আহমাদ আল – সালাবী

এই লোক হচ্ছে আসল “মাল” ! সালাবী হচ্ছেন – ইরাকী ন্যাশনাল কংগ্রেস এর প্রধান এবং আমেরিকা ও পেন্টাগনের প্রিয়তম পাত্র। ইনি একজন ব্যাঙ্কার এবং জর্ডানের পেট্রা ব্যাংক থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নিয়েছেন। আমার সবচাইতে ভালো লাগে, তাঁর জীবনের একটি বিশেষ ঘটনা। টাকা মেরে দিয়ে, কিভাবে তিনি একটি গাড়ীর পেছনের মালামাল রাখার যায়গায় করে জর্ডান থেকে পালিয়েছিলেন। যদি এই সালাবি কে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি মনে করেন কিনা যে, ইরাকের এই যুদ্ধটা সঙ্গত কিনা? এমন কি তথাকথিত “ওয়েপন অফ ম্যাস ডেসট্রাকশন” না পাওয়া যাওয়ার পরেও কি এই যুদ্ধটা সঙ্গত? – সালাবির তাৎক্ষনিক উত্তর ছিলো – “অবশ্যই ! যদি যুদ্ধ না হতো তাহলে কি আমি এখানে বসে থাকতাম? শুধুমাত্র যুদ্ধ বলেই আমি এখানে ইরাকে আছি…” ! ব্যাপারটা যেনো এমন, এই যুদ্ধের সময়ে ইরাকী জনগন কে মানবিক সেবা দানের জন্যে সালাবী ইরাকে এসেছে। আসল সত্যটা হচ্ছে – সালাবী হচ্ছে আমেরিকার ক্রিতদাস, আমেরিকা তাঁকে নিয়ে এসেছে ইরাকী জনগনের জন্য উপহার হিসাবে। আমেরিকা যেমন ইরাকীদের জন্যে নিয়ে এসেছে দখলদারিত্ব, হট্টগোল, লুটতরাজের সময়, ঠিক তেমনি, আহমাদ আল সালাবীও একটা আমেরিকান উপহার আমাদের জন্যে। বস্তুত, সে হচ্ছে লুটেরাদের লুটেরা।


(মার্কিন রাস্ট্রপতি জর্জ বুশের সাথে আহমাদ আল সালাবী)

 

তৃতীয় পুতুলঃ আইয়াদ আল্লাওই

একজন সাবেক ইরাকী গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং সাবেক বাথ পার্টি সদস্য। বাথ পার্টি সরকার একে বৃত্তি দিয়ে লন্ডনে পড়তে পাঠিয়েছিলো। রটনা আছে, লন্ডনে যখন তাঁর স্কলারশিপের মেয়াদ ফুরিয়ে এসেছিলো, তখন তিনি বাথ পার্টির সদস্যপদ ত্যাগ করে নিজেই একটি দল তৈরী করেন Iraqi National Accord নামে এবং ১৯৭১ সাল থেকে তিনি লন্ডনেই বাস করছিলেন।


(আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের সাথে আইয়াদ আল্লাওই)

 

চতুর্থ পুতুলঃ জালাল তালেবানি

প্যাট্রিওটিক ইউনিয়ন অফ কুরদিস্থান এর প্রধান তিনি। এই দলটি ইরাকের দক্ষিণপূর্ব অঞ্চল স্বাধীন কুরদিস্থান এর নিয়ন্ত্রন করে থাকে। এ অঞ্চলে রটনা আছে, কুরদিদের এই দলের প্রধান হবার আগে তিনি মূলত তুরস্কের নাইট ক্লাব ব্যবসায়ী ছিলেন। শুধু তাইই নয়, নাইট ক্লাবের আড়ালে আরো একটি বিশেষ বেআইনি ব্যবসা ছিলো তাঁর … হুমম … মানে সেটাকে ভদ্র ভাষায় এস্করট বানিজ্য বলা হয়ে থাকে।


(মার্কিন রাস্ট্রপতি বারাক ওবামার সাথে জালাল তালেবানি)

তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হচ্ছে স্বাধীন কুরদিশ অঞ্চলের আরেক নেতা মাসুদ বেরাজানি। করুণ বাস্তবতা হচ্ছে – এই দুই নেতার বিরোধিতার জের ধরে প্রায়শই ভয়াবহ রক্তপাত ও প্রানহানির ঘটনা ঘটেছে। রাজনীতি সম্পর্কে জালাল তালেবানির একটি বিখ্যাত উক্তি আছে – “রাজনীতি নিজেই একটা বেশ্যা” !

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on ““বাগদাদ জ্বলছে” – নামহীন নারীর ব্লগ থেকে ! – কিস্তি ৫

  1. আপনার আগের পর্ব গুলো পড়া হয়নি
    আপনার আগের পর্ব গুলো পড়া হয়নি শুধু প্রথম পর্বের খানিকটা পড়েছিলাম।
    যাই হোক দুঃখ হল মাষ্টার সাহেব ভুল করে আমার নামটা রঞ্জন সরকার করে দিয়েছে, আমি আসলে Rajon sarker ফেসবুকে আপনার পরিচিত।
    সব গুলো পর্বুই পড়ার ইচ্ছা রইল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 5 =