সনাতনি কৃষ্ণ ভাবনার সাধারন তত্ত্ব কথা পর্ব ১

?oh=523903d93661571b869615edee43f208&oe=585EEFA7″ width=”400″ />
সবার আগে সবাই এক সঙ্গে বলুন ,
হরিচাদ,গুরুচাদ রাধে কৃষ্ণ পরমানন্দে হরি হরি বল ও হে ……………
হরি বল হরি বল / হারে কৃষ্ণা ।।

শুরুতেই বলব আমার লেখায় কিছু বানান ভুল হতে পারে আশাকরি সংশোধন করে নেবেন । আমার ফন্টের সমস্যা । আর কেউ ভুলেও না বুঝে না পড়ে লাইক কমেন্ট করবেন না । উল্টা পাল্টা কমেন্ট করতে পারবেন , গালিও দিতে পারবেন মানা নাই । তবে মা ও বোনকে একটু রেহাই দিবেন , যদিও আমার বোন নেই ।
ভাবতে অবাক লাগে সাধারন একটা বিষয় কেন তারা মগজ দিয়ে খাটায় না । হয়তো বা স্বর্গের রাস্তা পরিষ্কার করছে ।
আজ কৃষ্ণের জন্মদিন পালন করে।
খুব ভালো কথা কৃষ্ণ কে ?
ওর জন্ম কত সালে এই প্রশ্নের উত্তর দেবে কে ?
এখানে প্রশ্ন আসতে পারে দিন যদি ঠিক থাকতে পারে অবশ্যই বছর ও আছে । কিন্তু এই প্রশ্নের উত্তর সঠিক ভাবে দেয় না কেন?
একবছর একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম এক হিন্দু ঘনবসতি অঞ্চলে । আসে পাশে ৪,৫ টা ইউনিওনে কোন মসজিদ মাদ্রাসা নাই । ছেলে মেয়েরা আযান কি জিনিষ জানে না । বলতে গেলে মনে হয় মিনি কোলকাতা । শুধু ভাষাটা অন্য ।
যাইহোক কাজের কথায় আসি , এই একটা বধ অভ্যাস একের ভিতর আর একটি বিষয় ঢুকিয়ে ফেলি । তো সেখানে দুইটি সম্প্রদায় এক মতুয়া বা হরি মত আর হল কৃষ্ণ মত ।
অনেকেই জানেন না মতুয়া মত কি ?কলকাতার বাসি অনেকেই জানতে পারবেন । ওখানকার ঠাকুর নগর অবস্থিত পূর্ণব্রহ্ম হরিচাদ ঠাকুর এর আশ্রম আছে।
আর কৃষ্ণ মত তো বুঝতেই পারছেন । এ নিয়ে আর আলোচনা করার দরকার মনে করি না ।
যারা হরি মত বা মতুয়া মত তারা একটু মূর্খ হয়ে থাকে তাই বলে সবাই না ।তাই অনেকেই যারা কিনা কৃষ্ণ মতের লোক দেখতে পায় না । এর অবশ্য কারন ও আছে । সনাতনির ভিতর সব থেকে হিংসুটে হয়ে থাকে কৃষ্ণ মতের অধিকারীরা । ওরা মনে করে স্বর্গে শুধু ওরাই যাবে । ওরা জাকে তাকে স্পর্শ করে না।ভাবে স্বর্গ এর টিকিট হাতে।
অবশ্য বর্ণ বাদ তো সয়ং কৃষ্ণই তৈরি করেছে । তো তার অনুরাগীরা তাই হবে। যদিও কাল্পনিক ।
তাহলে দেখুন এই বিষয় নিয়ে এই গ্রামে কি হয়
ঐ গ্রামে একটি বাড়ি আছে যারা কৃষ্ণের জন্ম অষ্টমী পালন করবে । ও একটি মন্দির উদ্ভদন করবেন । কিন্তু মজার বিষয় হল মন্দিরের নাম দিয়েছে শ্রী শ্রী হরি মন্দির ।
কিন্তু মতুয়ারা তো জানে না এই হরি আর সেই হরি এক না ।
যাইহোক মতুয়ারা এসেছে কিন্তু হরিচাদের কোন কথা নাই । হরি ভক্তি সঙ্গীত নাই । এক জন মতুয়া মন্দিরের ভিতর ঢুকে দেখে হরিচাদ আর নাই আছে রাধা কৃষ্ণের জুগল মূর্তি । এই দৃশ্য দেখার পর উঠে চলে গেলো আর সবাইকে বলতে লাগলো এই হল কৃষ্ণ মতের লোক ।যারা কিনা মিথ্যা কথা বলে আমাদের ধোঁকা দেয়। আসল কথা হল এই হরি আর মতুয়ার হরি এক না।
এখানে কারো দোষ নেই। একটু সঠিক ধারনার অভাব। আর এই সঠিক ধারনার জন্য এক ধার্মিক অন্য ধার্মিকতা বিরোধিত করে। একটা সময় মর্মান্তিক অবস্থায় পরিনত হয়। এখনো এই কলি জুগে।
সনাতনিদের ৪ টি যুগ।
সত্য যুগ।
ত্রেতে যুগ।
দ্বাপর যুগ।
ও কলি যুগ।
সত্য যুগে এসেছে হরি তার নাকি কোন আকার নাই।
ত্রেতা যুগে এসেছে রাম।
দ্বাপরে এসেছে কৃষ্ণ।
আর কলিতে এসেছে গৌরাঙ্গ ।
প্রশ্ন হল এখন চলে কলি যুগ ।এ যুগে গৌরাঙ্গকে ভক্তি না করে দ্বাপরকে টেনে আনছে কেন ?
কিন্তু এই প্রশ্ন কেউ করে না ।
আজ কৃষ্ণের জন্মদিন ভালো কথা কিন্তু উনি কতো সালে পৃথিবীতে এসেছে তার কোন সঠিক ভাবে হদিস নাই । কিন্তু মাসের খবর ঠিকি আছে ভাদ্র মাস ।
সেই যুগে যদি বছর না থাকতো তাহলে মাসের হিসাব কি করে হল?
ভাবতেই ক্যামন যেন হাস্যকর মনে হয় ।
আর এই কৃষ্ণের জন্যই আজ সনাতনিরা সব থেকে কম বলে গণ্য হয় । সেই কিন্তু এই বর্ণ প্রথা চালু করেছে । করেছে মানুষে মানুষে ভেদাবেদ ।
দেখুন কৃষ্ণ যদি ভগবান হয়ে থাকে তাহলে তার উপর মাতুব্বরি করে কিভাবে ?

একদিন কৃষ্ণ বলাই কে নিয়ে সাধারন মানুষের সাথে আহার করছে , করতে করতে সাধারন মানুষের এঁটো খেয়ে ফেলছে । তখন স্বর্গে বসে ব্রহ্মা রাগান্বিত হচ্ছে আর বলছে ছি ছি কৃষ্ণ কিনা খাচ্ছে সাধারন মানুষের এঁটো?
একটু ভাবুন কৃষ্ণ যদি ভগবানি হয়ে থাকে , জগত পিতা হয়ে থাকে তাহলে কি করে ব্রহ্মা ভগবানের উপরে কটু কথা বলে? নিজেকে প্রশ্ন করুন নিজে উত্তর পেয়ে জাবেন। তার মানে কাল্পনিক জত সব গাজা খুরি গল্প । কিছু কিছু ধার্মিক মনে করে এই কাল মৃদু ভুকম্পন হয়েছে তা নাকি কৃষ্ণের আগমনের চিহ্ন ।
এক বার ভেবে দেখুন এগুলো সব বাণিজ্যিক ভাবে তৈরি করেছে পণ্ডিতরা যা মানুষকে ভয় ভিতি দিয়ে অর্থ সংগ্রহ করতো । যার প্রমান পাবেন কৃষ্ণ, রাম, শ্যাম ,জদু, মধুর জীবনীতেই ।

দেখতে পাবেন এর ভেতর ভিলেন আছে, হির আছে, হিরোইন আছে, জোকার আছে । আর তা প্রমান দেখা যায় ভারতীয় টিভিতে । কটি কটি টাকা নিয়ে ধর্মের নামে ব্যাবসা করছে । কই দেখলাম না তো কখনো কৃষ্ণ সিরিয়াল দেখিয়ে পুঁজর সময় লোভ্য অংশ দিয়ে নতুন জামা পোশাক বিলি করছে । সব হল বাণিজ্য । ধর্ম তৈরি হয়েছেই অন্ধদের মাথায় কাঁঠাল ভাঙ্গার জন্য । এ দিক থেকে সনাতনিরা অনেক এগানো ।
এখনো সময় আছে প্রশ্ন করুন আর অবিশ্বাস করুন। বিশ্বাস নতুন কিছুর বিকাশ ঘটায় না।

আমার ভালো লাগেনা এইসব নিয়ে আলোচনা করতে যদিও অনেক অনুরধে কিছু লিখলাম । যেরকম পেরেছি লিখেছি ,আমি আমার ভাব নিজের মতো প্রকাশ করেছি । এতে যদি কারো কিছু আসে যায় বা অনুভতিতে আঘাত হানে আমার কিছু করার নাই । পারলে আমার অনুভতিতে আঘাত হেনে যাবেন। মনে রাখবেন আপনার যেমন অনুভতি আছে তেমনি ভাবে আমারও আছে ।
ধন্যবাদ
#টিটপ

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

25 − = 19