আবর্জনা বর্জন হোক

আজকে একটু ভিন্ন বিষয় নিয়ে এলাম
আজকের বিষয়ঃ
?oh=ac1072f549c396014a28331fea9ad79e&oe=584BAB57″ width=”300″ />
ভাবতে পারেন কিসের আবর্জনার কথা বলছে । একি রাস্তার আবর্জনা , সমাজের আবর্জনা , নাকি পরিবেশের আবর্জনা ?
না কোনটাই নাই । এই আবর্জনা হল মনের আবর্জনা , এই আবর্জনা হল মাথার আবর্জনা ।
আমরা সবাই এই আবর্জনা নিয়ে ঘুরে বেড়াই । হয় তো কেউ জানে না । যেমন ধরুন এদেশের প্রধান মন্ত্রীও এই আবর্জনা নিয়ে ঘুরে বেড়ায় বলে মনে করি। কিন্তু সে জানে না বা না জানার ভান করে । আবার কেউ কেউ জানতেও পারে তবে তা মুষ্টি কয়েক ।
তবে আমি নিজেও অনেক আবর্জনা নিয়ে ঘুরে বেড়াই । এটা আমার দুর্বলতা । তাই আমি জানিয়ে দিলাম । আগেই বলেছি আমি দুর্বলতা প্রকাশ করতে ভালো বাসি ।
আবর্জনায় ফিরে আসিঃ
আমরা অনেকেই ছোট বেলা হাজার প্রকার কথা শুনেছি । এর ভেতর কাজের কথা ছিল খুবি কম । এর ভেতরে অকাজের কথাই এগিয়ে ছিল বলে মনে করি ।
আমরা অনেকেই আছি অন্যের কথা শুনি কান পেতে এটা এক প্রকার আবর্জনা । অনেকেই ভুতের গল্প শুনি খুব মন দিয়ে এটা এক প্রকার আবর্জনা । আমরা এ দেশিও নোংরা রাজনীতির কথা শুনি এটা এক প্রকার আবর্জনা । আবার কেউ কেউ ঐ অন্ধ, কাল্পনিক, গ্রন্থের গাজা খুরি গল্পকে সত্যি ভাবে মন দিয়ে শুনে থাকি তাও এক প্রকার নোংরা আবর্জনা ।
এখন কথা উপরের কথা অনুসারে সবাই একমত হবে না টিটপ তো ঠিক কথাই বলছে এগুলোতো আবর্জনাই । হয়তো বা কেউ একটা বিষয় নিয়ে দ্বিমত প্রকাশ করবেন । তাতে অবশ্য আমার কিছু আসে যায় না ।
একটা উদাহারন দেইঃ
আমাদের দেশে একটি ছড়া আছে যা একজন ভিখারি হতে শুরু করে ছোট, বড়, মাঝারি, শিক্ষক, শিক্ষিকা, ছাত্র, ছাত্রি, মন্ত্রী , প্রধান মন্ত্রী সবাই জানে এবং এক প্রকার মুখস্ত ।
ছড়াটির কিছু অংশ নিম্নে দিয়ে দিলামঃ
ওয়ান টু থ্রি
পাইলাম একটা বিড়ি
বিড়িতে নাই আগুন
পাইলাম একটা বেগুন
ছড়াটা বেশ বড় তাই দিলাম না । হয়তো বা ওপার বাঙলার অনেকেই এই ছড়াটা সাথে পরিচিত না । তবে কোন না কোন আছে যা আবর্জনার মতই ।
এখন আপনারা ভাবুনতো এই ছড়াটা আমাদের জীবন দসায় কি কাজে লাগবে ?
অজথা এই বিষয়টা আমরা মাথায় রেখে দিয়েছি ।
ঠিক এরকম ভাবে হাজারো প্রকার আবর্জনা আছে যা আমাদের মাথার ভিতর দখল করে আছে । কিন্তু ইচ্ছে করলেই আমরা ভুলতে পারিনা, মুছতে পারিনা । আমি মনে করি এটা আমাদের এক প্রকার ব্যাধি । যা সারানোর কোন ওষুধ নাই ।
আসুন এই বিষয় নিয়ে একটু ভালো করে জানিঃ
আমরা জানি আমাদের মাথায় মেমরি আছে বিভিন্ন প্রকার । তার ভিতর cerebrum অন্যতম ।
এই বিষয় একটু তথ্য দিয়ে দিলাম ।
Most computational neuroscientists tend to estimate human storage capacity somewhere between 10 terabytes and 100 terabytes, though the full spectrum of guesses ranges from 1 terabyte to 2.5 petabytes. (One terabyte is equal to about 1,000 gigabytes or about 1 million megabytes; a petabyte is about 1,000 terabytes
উপরোক্ত লেখা দারা যা বুঝিয়েছি তা এক প্রকার সহজ ও সরল । যাদের মগজ আছে তারা বুজবেন আশাকরি । তার পরো একটু সহজ ভাষায় বলি পরিশেষে।
আমাদের সবার ঘরে কম্পিউটার আছে, অথবা মোবাইল ফোন আছে । এখন এর ভেতর আছে মেমরি কার্ড বা হার্ড ডিস্ক । একটা পরিমানের ভিতর অন্তর্ভুক্ত। কারটা ৫১২ কারটা ১জিবি, আবার কারটা ১এর অধিক টেরাবাইট । আমার কি করি এই বিশাল জায়গা দিয়ে । গান , বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভরে রাখি । যখন প্রয়োজন মনে করি না তখন মুছে ফেলি বা ফর্মেট করি । কিচ্ছু থাকে না । আবার শূন্য স্থানে পরিনিত হয় ।
কিন্তু মাথার ভেতর যে মেমরি আছে তার ভেতর যদি ঐ সব আবর্জনা ঢুকিয়ে রেখে স্থান পূর্ণ করে ফেলি তাহলে কি পারবো মুছে ফেলতা বা ফর্মেট দিতে । আমার মনে হয় এটা সম্ভব না ।
তাই আমি বলি আসুন আমরা সবাই মিলে আবর্জনা বর্জন করি । ভালো জিনিষ দেখি , ভালো কথা শুনি যা আমাদের কাজে দিবে ভবিষ্যতের জন্য ।
ধন্যবাদ ।
#টিটপ

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

1 + 8 =