ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র ইউনিয়ন -মোর্শেদ আলী

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের জন্ম ’৫২ ভাষা আন্দোলনের পর পরই। ঐ আন্দোলনেই তাগিদ সৃষ্টি হয় ছাত্র ইউনিয়নের মত একটি আদর্শ ভিত্তিক ছাত্র সংগঠনের। ষাটের দশক পর্যন্ত এগিয়ে আসতে প্রতিক্রিয়ার বহু জুলুম, অত্যাচার, ঝড়-ঝাপটা মোকবেলা করতে হয়। কেন না পাকিস্তানি শাসকরা চায়নি যে তাদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে প্রগতিশীলতা বা গণতন্ত্র বলে কিছু থাকুক। অধিকারের কথা বা প্রগতিশীল কোন দাবি উঠলেই তারা সেখানে ভারতের দালাল বা হিন্দুদের ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করতো। এক চরম সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (ঊচঝট) কে এগুতে হয়েছিল। ’৫৮ সামরিক শাসনের পর আইয়ুব খান প্রচ- দমনীতি চালায় পূর্ব পাকিস্তানের সব রকম গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকারের উপর। একই সাথে সাধারণ মানুষের ছেলেমেয়েরা যাতে লেখাপড়া না করতে পারে সে রকম এক শিক্ষা নীতি চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। সেই শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজ সংগঠিত হতে থাকে। ছাত্র সংগঠনগুলো কাজ করতে পারত এই জন্য যে সামরিক শাসনের মধ্যেও ছাত্র সংসদগুলো চালুছিল। সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আওয়ামী লীগ ও গোপন কমিউনিস্ট পার্টির একাধিক বৈঠক হয়। ঐ বৈঠকগুলিতে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবর রহমান, ইত্তেফাকের সম্পাদক মরহুম তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া এবং কমিউনিস্ট পার্টির নেতা কমেরড মণি সিংহ, কমেরড খোকা রায়। উভয় পক্ষের আলোচনায় এটা সিদ্ধান্ত হয় যে আইয়ুব শাহীর বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করতে হলে কমিউনিস্ট পার্টি ও আওয়ামী লীগের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র লীগের ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম চালাতে হবে। এই আন্দোলনের পরিকল্পনা ও সূত্রপাত হয় ’৬১-’৬২ তে। এই ’৬২ সাল থেকে আইয়ুবের শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট কার্যকর করার কথা ছিল। তাই এর বিরুদ্ধে ’৬২ জানুয়ারি থেকে ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু হয় এক সেপ্টেম্বর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে ঐ শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন বন্ধ হয়। শহীদ হয় বাবুল, গোলাম মোস্তফা ও ওয়াজি উল্লাহ। তাছাড়া ৭০-৮০ জনের মত আহত হয়। ৬০ দশকের গোড়াতে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু হয় ঠিকই, কিন্তু ছাত্রলীগের নেতৃত্বের মধ্যে প্রতিক্রিয়ার বীজ বজায় থাকায় প্রায়ই এই দুই সংগঠনের মধ্য দ্বন্দ্ব-সংঘাত হত। ষাটের দশকে আইয়ুব-মোনায়েম চক্র তাদের সমর্থন ছাত্রদের নিয়ে এনএসএফ গড়ে তোলে এবং এটা তাদের পেটোয়া বাহিনী হিসাবে কাজ করে। এছাড়া ছাত্র শিবির, ছাত্র শক্তির মত দু’একটি ছাত্র সংগঠন ছিল। ছাত্র ইউনিয়নকে জব্দ করার জন্য প্রায়ই ছাত্রলীগ এদের সাথে হাত মেলাতো। বিশেষ করে ছাত্র সংসদগুলোর নির্বাচনের সময় এ ধরনের আতাত হোত। ’৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরই শুনি ছাত্র ইউনিয়ন হল নির্বাচনে পরাজিত হয়ে কর্মীদের উজ্জীবিত করতে পিকনিকে গিয়েছে। ‘ঐক্য-সংগ্রাম’ এর নীতি নিয়ে ছাত্র ইউনিয়ন আন্দোলনে এগিয়ে নিতে বদ্ধ পরিকর ছিল। ’৬২, ’৬৩, ’৬৪ এই তিন বছর দ্রুত রাজনৈতিক দৃশ্যপট পাল্টাতে থাকে। এরই সাথে ছাত্র আন্দোলনের উত্তেজনা বাড়তে থাকে। মারপিট, গ্রেফতার, নির্যাতন কোনো ভাবেই ছাত্র ইউনিয়নকে ছাত্র আন্দোলন থেকে পিছপা করতে পারে নাই। বিষয়টা এমনই দাঁড়ালো যত নির্যাতন তত বেশি আন্দোলন জোরদার হতে থাকলো। ছাত্র ইউনিয়ন ছাড়া অন্য সব ছাত্র সংগঠন কোনো না কোনো ভাবে আর্থিক সহযোগিতা পেতো। কিন্তু ছাত্র ইউনিয়নের কর্মীরা নিজেদের সকল স্কলারশিপের টাকা বা বাড়ী থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্যায় করে আন্দোলন-সংগঠনের কাজ করতো। অনেকে টিউশনি করে অর্থ সংগ্রহ করত। ঐ সময় কালের ছাত্র নেতৃবৃন্দের নাম কিছু উল্লেখ করা দরকার নানা কারণে। ছাত্রলীগের নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন (পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপি, জাতীয় পার্টি), ওবায়েদুর রহমান (’৭৫ পর বিএনপি), শেখ ফজলুল হক মণি (’৭৫ স্বপরিবারে সেনাবাহিনী হত্যা করে), আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমদ, সিরাজুল আলম খাঁন (জাসদের জন্মদাতা- দাদাভাই), ফেরদৌস আহমদ কোরেশী (বর্তমানে নিজে একটি দল গঠন করেছেন), পরবর্তীতে আব্দুর রব (বর্তমানে জাসদ একাংশের নেতা), শাহজাহান সিরাজ (বর্তমানে বিএনপি নেতা), নূরে আলম সিদ্দীকি (প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী) প্রমুখ। ঐ সময় ছাত্র ইউনিয়নের নেতা জনাব জয়নাল আবেদিন খান (সাবেক অমলা), কাজী জাফর আহমদ (বর্তমানে জাতীয় পার্টি), রাশেদ খান মেনন (ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি) কমরেড মোহম্মদ ফরহাদ (কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক), হাইদার আকবর খান রনো (বর্তমানে সিপিবির সভাপতিম-লীর সদস্য), মরহুম সাইফ উদ্দিন আহমদ মানিক (সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক পরে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক), পঙ্কজ ভট্টাচার্জ (সাবেক ন্যাপ, সাবেক গণ ফোরাম) জনাব শামসুদ্দোহা (সাবেক সিপিবি বর্তমান গণফোরাম নেতা), বেগম মতিয়া চৌধুরী (সাবেক ন্যাপ নেতা, বর্তমান আওয়ামী লীগ নেত্রী ও মন্ত্রী), জনাব নুরুল ইসলাম (সাবেক সিপিবি, বর্তমানে আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রী) অধ্যাপিকা মাহফুজা খানাম (বর্তমানে খেলাঘরের চেয়ারম্যান), জনাব মোর্শেদ আলী (বর্তমানে সিপিবি নেতা ও কৃষক সমিতির সভাপতি), জনাব মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম (বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক সিপিবি) ক্ষেতমজুর নেতা প্রমুখ। ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রলীগের উল্লেখিত নেতাগণ ’৬০ দশকে ‘ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন, ’৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন ’৬৪ ফাতেমা জিন্নাহর নির্বাচন ও ডাক (ডেমোক্রাটিক একশন কমিটি) গঠনসহ ঐ সময়ের আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। সামরিক আইনের নির্যাতন জেল-জুলুম-অত্যাচার সহ্য করেছেন তারা। ছাত্র নেতাদের মধ্যে পরবর্তীতে যারা প্রতিক্রিয়ায় সাথে হাত মিলিয়েছেন তারাও ঐ সময় অনেকেই জেলে জীবন ভোগ করেছেন। রাশেদ খান মেননসহ অনেকেই জেল থেকে পরীক্ষা দিয়ে এম.এ পাশ করেছেন। ৬ মাস থেকে কয়েক বছর অনেকে জেলে ছিলেন। ’৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর স্বায়িত্বশাসনের দাবি জনগণের সামনে প্রধান হয়ে দেখা দেয়। এখন শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা দেন। এর সাথে রাজনৈতিক আন্দোলন ক্রমান্বয়ে জোরদার হতে থাকে। কারণ ছাত্র সংগঠনগুলো পূর্ব থেকেই আন্দোলনে ছিল পরবর্তী সময় এর সাথে ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলন ও কৃষকদের আন্দোলন যুক্ত হয়। বিষয়টি এভাবে বলা যায় যে উনসত্তরের গণঅভুত্থান ঘটা পর্যন্ত একের পর এক আন্দোলনের ঢেউ এসে আঘাত করতে থাকে সামরিক শাসন ও তার রাষ্ট্রযন্ত্রকে। শেষে ’৬৯-এর ২৪ জানুয়ারি লৌহ মানব বলে খ্যাত সামরিক শাসন আইয়ুব খান তুলার বস্তার মত পড়ে যায়। পাকিস্তানের স্বৈরশাসক বাধ্য হয়ে পূর্ব পাকিস্তানের সকল জেলখানা থেকে সকল রাজবন্দীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। সেই সাথে কমরেড মণি সিংহ ও শেখ মুজিবর রহমান মুক্ত হয়। শেখ সাহেবের বিরুদ্ধে যে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দেয়া হয় সে মামলাও তুলে নিতে বাধ্য হয় পাকিস্তানী স্বৈরশাসকেরা। ’৬৫- ’৬৬ সময় আন্দোলনের গতিতে একটু ভাটার সৃষ্টি হয়, কিন্তু ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা আন্দোলনের পালে নতুন বাতাস সংযোগ করে এবং ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ, দেশের শিল্পী, সাহিত্যিক তথা সর্বস্তরের বুদ্ধিজীবি আন্দোলনে উজ্জিবিত হয়ে উঠে। কারণ পাকিস্তানী প্রতিক্রিয়াশীলরা রবীন্দ্র সঙ্গীত গাইতে দেবে না, ১লা বৈশাখ উদযাপন করতে দেবে না এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে ছিল, প্রথমে ছাত্র ইউনিয়ন একক ভাবেই এসব বাধা নিষেধ উপক্ষো করে অনুষ্ঠানগুলো পালন করতে থাকে। পরবর্তীতে সাংস্কৃতিক আন্দোলন এক সার্বজনীন রূপ লাভ করে। প্রতিক্রিয়ায় শক্তি অনেকটায় কোনঠাসা হয়ে পড়ে। জন্ম নেয় ছায়ানটের মত প্রতিষ্ঠান। সাংস্কৃতিক সংসদ প্রভৃতি। ঐ সময় শেখে লুৎফর রহমান, আব্দুল লতিফ ও অজিত রায়ের মত গায়কেরা গণসঙ্গীতে মাতিয়ে তোলে সারা দেশটাকে। এখানে রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী মরহুম জাহেদুর রহিমের কথা মনে পড়ে। এই পরিস্থিতি মানতে পারে নাই পাকিস্তানী শাসকরা। তাই আবার ইয়াহিয়া খান সামরিক শাসনের ঘোষণা দেয়। তবে ’৭০ সালে সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করে। ’৭০ নির্বাচনে মুসলিম লীগ ও পাকিস্তানী শাসকদের ভরাডুবি হয়। নির্বাচনের ফল মানতে পারেনি ইয়াহিয়া-ভূট্টো ও পাকিস্তানী সামরিক শাসকরা। আধুনিক অস্ত্র ও আধুনিক সামরিক ট্রেনিং প্রাপ্ত সেনা বাহিনীকে লেলিয়ে দেয় বাংলার মানুষকে খতম করার জন্য। শুরু হয় স্বাধীনতা যুদ্ধ। প্রায় এক একটি মানুষ প্রতিবেশী ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে গড়ে উঠে মুক্তি বাহিনী। অতি সংক্ষিপ্ত আকারে ’৬০ দশকের আন্দোলন সংগ্রামের বর্ণনা দেওয়ার কারণ হল, এটা ছাড়া ছাত্র ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ভূমিকা উত্থাপন করা যায় না। এখন বলি ’৬২ ছাত্র সংগ্রামের মস্তিষ্ক বলা হয় কমরেড মোহাম্মদ ফরহাদকে। ঐ সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা এড়িয়ে আত্মগোপনে থেকে ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্ব দিতেন। এটা ঐ সময়ের সকলেই স্বীকার করবেন। ছাত্রলীগের বন্ধুরা বলতেন তোমাদের কর্মীরা এক মুঠ মুড়ি খেয়ে এত কাজ করে! আমাদের কর্মীরা টাকা ছাড়া নড়তে চায় না। অনেকেই জানে ইত্তেফাকের মানিক মিয়া রাজনৈতিক ভাবে ডানপন্থী হোলেও ছাত্র ইউনিয়নকে চাঁদা দিতেন ছাত্রলীগের চেয়ে বেশি। কারণ ছাত্র ইউনিয়নকে যে টাকা দেয়া হয় তার পুরোটা সংগ্রামের কাজে লাগবে। অন্যদের বেলায় সেটা হয় না। এই উক্তি তিনি আস্থার সাথে করতেন এই ধরনের কথা মানিক মিয়া নিজেই বলতেন। ঐ সময় যারা ভাল ছাত্র ম্যাট্রিক বা মাধ্যমিকে প্রথম ও ভাল ফল যারা করতো প্রায় তাদের সকলেই ছাত্র ইউনিয়ন করত। ফলে ছাত্র ইউনিয়ন মানে পড়াশোনায় ভাল, সংগ্রামের প্রথম সারির এবং প্রগতিশীল মানসিকতার অধিকারী। যেমন ধরেন ’৬০ সালে ম্যাট্রিক ও ইন্টারমিডিয়েটে প্রথম স্থান অধিকারী মাহবুব হোসেন খান থেকে দশকের শেষ দিকে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম পর্যন্ত সকলেই প্রথম দশ জনের একজন। ছাত্র ইউনিয়ন কোন সময় কোনো রাজনৈতিক দলের অংগ সংগঠন ছিল না। তবে প্রায় সকলেই প্রগতিশীল ছিলেন। ঐ সময়কালে ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য মানে গর্বের বিষয় ছিল। বর্তমানেও সেই ধারা অব্যাহত রাখাটা একটা বড় সংগ্রাম। জীবনটাকে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করাই এই পৃথিবীতে শ্রেষ্ট কাজ।মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-ন্যাপ মোজাফর-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ বাহিনী গঠন করে দেশ মাতৃকাকে হানাদার মুক্ত করার জন্য সশস্ত্র লড়াই করেছে। শহীদ হয়েছে আজাদ, মুনিরসহ আরও অনেকে। সারা দুনিয়াতে বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায় করার জন্য প্রচার করেছে ছাত্র ইউনিয়ন, ন্যাপ এবং কমিউনিস্ট পার্টি। মুক্তিযুদ্ধে এই ভূমিকার জন্য আমরা গর্বিত। মনে রাখতে হবে যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ আমাদের স্বাধীনতায় বিরোধীতা করেছে এবং বর্তমান দুনিয়ার সকল স্বাধীনতাকামী মানুষের দুশমন হচ্ছে এই পরাশক্তি। তার সাথে আপোষ করে দেশকে উন্নতির পথে নেয়া যাবে না। এই পরাশক্তি যুব সমাজের মধ্যে ভোগবাদের জীবন ঢুকিয়ে দিয়ে তাদের বিভ্রান্ত করে মাদকাসক্তের পথে ঠেলে দিচ্ছে। এই শক্তিকে প্রতিহত করাই যুব-ছাত্রদের পবিত্র কর্তব্য।
(ছাত্র ইউনিয়নের ৬০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’র স্মরণীকায় লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে, ২০১২ সালে)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

64 − 59 =