‘কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি’ আর ‘গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান’

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

দ্বিতীয় ভাগঃ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি

অনুচ্ছেদ ১৪: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি

রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে- কৃষক ও শ্রমিকের– এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হতে মুক্তি দান করা।

আমাদের সংবিধানে সব রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সমস্যার সুনিপুণ সমাধান ও দিক নির্দেশনা আছে। এছাড়াও প্রস্তাবনার ৩য় প্যারায় স্পষ্ট বলা আছেঃ

” আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সামাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা– যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে; “

এই সরকার ৭২ সংবিধানে ফিরতে চাই, আবার চাই না। জানিনা কেন দুই সামরিক জান্তার দুই মহাপাপ সরকার মুছল না! আমি মনে করি না আমি আমার জীবদ্দশায় ২/৩ মেজরিটি নিয়ে কোন কট্টর ডান পন্থী সরকার দেখে যাব যারা আমাদের বর্তমান সংবিধানকে কলুষিত করবে। সভ্যতার এমন অবস্থায় কখনও কোন হিফাজতি বা, কট্টর ধর্মীয় মৌলবাদী বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবে না। তাহলে কেন আজ আমাদের অধিকার পশ্চাৎপদ?

আজ মে দিবসে সকল আইনজ্ঞ, আইনজীবী ও আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানাব আপনারা স্বপ্রনোদিত হয়ে রাষ্ট্রকে এমন সমাজ প্রতিষ্ঠায় বাধ্য করুন। আমরা বাঙ্গালী, আমরা মেহনতী মানুষের মুক্তি চাই!

জয় মজদুর… জয় শ্রমিক… জয় কৃষক…
জয় বাংলা… জয় বঙ্গবন্ধু… জয় শাহ্‌বাগ… জয় তারুণ্য…

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৮ thoughts on “‘কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি’ আর ‘গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান’

  1. অথচ এই কাজগুলো সরকার তথা
    অথচ এই কাজগুলো সরকার তথা শিক্ষামন্ত্রণালয়ের করার কথা ছিলো, যেরকমটা বিদেশে হয়ে থাকে। সংবিধানের মৌলিক এবং মানবিক দিকগুলো তুলে ধরা এবং জনগনকে সংবিধান সম্পর্কে সচেতন রাখা। আফসোস ভীষণ আমার এই দেশটিতে তা হয় না। অথচ এই কাজ করছে যে সকল ব্লগারেরা আজ সেসকল ব্লগার তথা ব্লগের পিছনে ধর্মের উছিলায় নেমে পড়েছে সকলে জোট বেঁধে।

    1. ব্লগারদের পিছনে কত কি নামবে!!
      ব্লগারদের পিছনে কত কি নামবে!! কিছুই হবে না।
      ব্লগারেরা অবিনশ্বর,শাশ্বত…
      কোন বাধাই আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না!
      সভ্যতা আর,সত্যের জয় অনিবার্য…

    1. জয় বঙ্গবন্ধু… বাদ দিলেন
      জয় বঙ্গবন্ধু… বাদ দিলেন ভাই?
      নিরপেক্ষ সাজতে চান!! দেখেন ভাই হঠকারিতা আমার একদন পছন্দ না!!
      আমাদের সুশীলেরা সুশীল সাজে বলে বঙ্গবন্ধু কারো একার সম্পত্তি না, আবার নিজে কথা বলার সময় বঙ্গবন্ধুকে এমনভাবে রিপ্রেসেন্ট করেবেন যেন তাঁকে নিয়ে কথা বললে আপনিও কোন দলের হয়ে যাবেন? আগে নিজে তাঁকে সম্মান দিন! তারপর সুশীল হইয়েন…
      ভাই ব্যাপারটা স্ববিরোধী হয়ে গেল না?

  2. নিরপেক্ষতা না, উনি মহান তবে
    নিরপেক্ষতা না, উনি মহান তবে উনার বৃহত্‍ ভুলের জন্য একক ভাবে উনার নাম লিখার প্রয়োজন মনে করি নি। ‘সিরাজ শিকদার উইকিপিডিয়া’ ছোট্ট একটি উদাহারণ পড়ে দেখেন একটু বুঝতে পারবেন কেন বঙ্গবন্ধু লিখলাম না।

    1. তাইলে “জয় মজদুর, জয় শ্রমিক,
      তাইলে “জয় মজদুর, জয় শ্রমিক, জয় কৃষক, জয় বাংলা, জয় শাহবাগ, জয় তারুণ্য”
      এইসব আর কেন বলছেন? এইসব কিছুতে দু-একটি না আরও অনেক বেশী দুর্বলতা পাওয়া যাইব!!
      বুঝাইতে পারলাম জিনিস টা? জয় বঙ্গবন্ধু না বললেতো আপনার জয় বাংলাটাই বলা শুদ্ধ না!!

  3. রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক

    রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে- কৃষক ও শ্রমিকের– এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হতে মুক্তি দান করা।

    এইটাই মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক চেতনা, এইজন্যই সাধারন মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করছিল। আর এইটাই ইসলামেরও মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যাবসায়ি আর ধর্মের ব্যাবসায়িরা আমাদের বুঝাইতে চায় তাদের নিজ নিজ পছন্দের কিছু বায়বিয় লোক দেখানো ব্যাপার নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর ইসলাম।

    সাভারের স্বেচ্ছাসেবি নির্ভিক নির্মোহ উদ্ধারকারি তরুনরা চোখে আঙ্গুল দিয়া সারা দেশরে দেখাইয়া দিছে মুক্তিযুদ্ধের আসল চেতনা আর আসল ইসলাম কি।

    তবুও কি হুশ হবে গার্মেন্টস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার, ধর্মের, রাজনিতির আর আমলাতন্ত্রের ব্যাবসায়িদের?

    1. মাত্র ৪০-৪৫% শতাংশ নামেমাত্র
      মাত্র ৪০-৪৫% শতাংশ নামেমাত্র শিক্ষিত মানুষের হুশই ভাল করে তাগড়া হয় নাই…
      আর, বাকি ৫৫-৬০% এর জন্যেতো সেই অপেক্ষা আজ মাত্র শুরু! আমি প্রচণ্ড আশাবাদী বস, আমার বাংলা বদলাবেই…
      নইলে আমরা আছি কি করতে?

      1. সব গোলমাল আর সব দুর্নিতি তো
        সব গোলমাল আর সব দুর্নিতি তো ওই উপনিবেশিক শোষনের শিক্ষায় শিক্ষিতের মধ্যেই। সবচেয়ে তথাকথিত উচ্চশিক্ষিতরাই সবচেয়ে বড় বদমাশ সব সর্বনাশের মূলে; তারাই বুদ্ধিবেশ্যা, তারাই ঘুষখোর বিচারক, তারাই সর্ব লুটেরা সরকারি আমলা/কর্মচারি, তারাই দুর্নিতিবাজ শিক্ষক – আর তাদের মাথার উপরে আছে অল্পশিক্ষিত রাজনিতির আর ধর্মের ব্যাবসায়িরা। উপনিবেশিক শিক্ষায় তাদের আদি সামন্তবাদি মনোভাব আর জাতপাতের কুসংস্কার আরো পাকাপোক্ত। বিয়াল্লিশ বছরে স্বাধিনতার ফসল শুধু তারাই ঘরে তুলছে দেশের সাধারন মানুষের পাইন মাইরা।

        সাধারন মানুষের শিক্ষা নিয়া ভাইবেন না, তারা জীবণ সংগ্রামের পাঠশালা থেকে অনেক ভাল শিক্ষাই পাচ্ছে – তার জ্বলন্ত প্রমান সাভারের উদ্ধারকারিরা।

        1. এক চেটিয়া কোন কথায় গ্রহনযোগ্য
          এক চেটিয়া কোন কথায় গ্রহনযোগ্য না; তেমনি আপনার এমন কথাও মেনে নিতে পারলাম না! উচ্চশিক্ষিতরাই দেশটাকে সামনে নিয়ে যাচ্ছে ১৫-২০% এর জন্যে সবাইকে দোষ দেয়া যায় না। আর স্বল্প শিক্ষিতরা আর অর্ধশিক্ষিতরা কতটা ভয়ংকর তা হেফাজতিদের দেখে না বুঝলে সামনে বুঝানোর ব্যবস্থা তারা করতেছে…
          শুভ কামনা… ভাল থাকবেন…

  4. দোষ-ত্রুটি নিয়েই মানুষ।
    দোষ-ত্রুটি নিয়েই মানুষ। দোষ-ত্রুটি নাই শুধু ফেরেশতা আর শয়তানের! মানুষ মাত্রই ভূলের উর্ধে নয়। বঙ্গবন্ধু মানুষ ছিলেন, তিনি কোন ফেরেশতা ছিলেন না যে, তার কোন ভূল-ত্রুটি নাই। মানুষের দোষ-গুন ব্যক্তি ভেদে একেক জনের কাছে একেক রকম। আমি লিংকনের সাথে একমত যে, জয় বাংলা’র সাথে জয় বঙ্গবন্ধু শব্দটি না হলে তা পরিপূর্ণতা লাভ করেনা। জয় বঙ্গবন্ধু বললেই কেউ আওয়ামী লীগ হয়ে যাবে না। স্বাধীন বাংলাদেশের সাথে বঙ্গবন্ধু শব্দটি অপরিহার্য্য।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টি আওয়ামী লীগ একজন শিক্ষকের উক্তি এখানে উল্লেখ করতে চাই, তিনি বলেছেনঃ বঙ্গবন্ধু এমনই একজন নেতা যিনি মাত্র নয় মাসের মাথায় একটি স্বাধীন দেশকে সংবিধান উপহার দিয়েছেন ! যা পৃথিবীর অনেক বিখ্যাত নেতারাই দিতে পারেননি !

    সুতরাং আমি বলতে চাই, কাউকে ছোট করে আরেকজনকে বড় করা যায় না….

    1. মুকুল ভাই, একটা জিনিস লক্ষ্য
      মুকুল ভাই, একটা জিনিস লক্ষ্য করছেন কিনা জানি না;
      ১৯৯১ সালের আগ পর্যন্ত ১৫ বছর ছিল বাংলার রাজনীতির অন্ধকারযুগ!!
      আজ সেই অন্ধকার কেটে গেছে। দিন দিন আমাদের রাজনীতি-রাষ্ট্রনীতি সব পরিষ্কার হচ্ছে। ওই ১৫ বছরের জঞ্জাল পরিস্কারে কিছু সময় লাগলেও সেই কাজ আজ শেষের পথে…
      সেইদিন আর বেশী দূরে নই যেইদিন বঙ্গবন্ধুও ওয়াশিংটন – মহাত্মা গান্ধীর মত প্রশ্নাতীত রাষ্ট্রীয় স্তপতি হবেন…

      জয় মজদুর… জয় শ্রমিক… জয় কৃষক…
      জয় বাংলা… জয় বঙ্গবন্ধু… জয় শাহ্‌বাগ… জয় তারুণ্য..

    1. ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা আছে সরকারের
      ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা আছে সরকারের তাতে কোন সন্দেহ নাই কিন্তু জনগণের সমর্থন পাবে কিনা সেই ভয়ে করছে না! ৭২ -এর সংবিধানে গেলে হেফাচুতিয়ারা দেশময় নারকীয় তাণ্ডব করবে… যা করার ভেবে চিন্তে সময় নিয়ে স্বল্প ডোজে করতে হবে কেননা হারানো চরিত্র উদ্ধারে যুগ যুগ সময় দরকার…
      ভাল থাকবেন…

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

75 + = 85