উৎসর্গঃ নাবালিকা

১০ই মার্চ এক ছোট্ট আপুর মাধ্যমে এক নাবালিকা’র সাথে পরিচয় হয় এক পাগলের । ফেসবুকে অ্যাড করে রাত ১০ টা ০২ মিনিটে । কথা হয় অনেক, প্রতিদিনের কথাগুলো যেন হঠাৎ করে শুধু তাকেই বলতে ইচ্ছা হয় । সেই নাবালিকা’র প্রত্যেকটা কথায় যেন খুঁজে পেতে থাকে এক ধরনের মিল, অস্তিত্বের মুখোশে হারিয়ে যাওয়া কেউ হঠাৎ করেই খুঁজে পেতে থাকে সবকিছু । কেমন যেন এক অনুভূতি, দুর্ধর্ষ টর্নেডো যেমন থেমে যাবার আগে সর্বশেষ চেষ্টা করে সবকিছু ধ্বংস করে দেবার, মানুষও অনেকটা এমনি, যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়, তখনি কিন্তু শেষ মরণকামড় দেয়ার অপেক্ষায় থাকে । ঐ হারিয়ে যাওয়া অস্তিত্বটাও হয়তো শেষবারের মত মানুষ হবার চেষ্টা করছিলো প্রাণপণে, কিন্তু কোন প্রভাবক না থাকায় বারবার সেই আঁধারেই লুটিয়ে পড়ছিল । অস্তিত্বের ভেতর থেকে প্রতিনিয়ত একটা আওয়াজ বেড়িয়ে আসতে চাইছিল, কিন্তু পাগল কখনও ঠিক মত বুঝতে পারেনি সেই আওয়াজের তাৎপর্য । কিন্তু সেদিনের পর থেকে পাগলের ঘুম হয়না ঠিক মত, বারবার ছুটে আসে অনিদ্রার পোকামাকড়; ধুম হয়না একদম । নাবালিকার সাথে কথা বললে স্বাভাবিক থাকে, অথচ অন্য সময় কেমন যেন হয়ে যায়; অনুভূতিগুলো পুরোপুরি অদেখা, অশ্রাব্য, অতীন্দ্রিয় । ১৪ই মার্চ কাগজ আর কলম নিয়ে হঠাৎ করেই লিখে ফেলল একটা কবিতা, নাম দিয়ে দিল “নাবালিকা” । সবকিছুই ছিল নাবালিকার অগোচরে, হয়তো সেদিন নাবালিকা প্রশ্ন না করলে কোনোদিন জানাও হতো না । নাবালিকা অনেকটা অধিকার নিয়েই প্রশ্ন করে বসলো যে কে এই “নাবালিকা” !! পাগল ভয়ে ভয়ে বলে দিলো সব কথা, রাত তখন ১২ টা ৩৬, ১৫ই মার্চ । পাগলের মুখে এমন কথা শুনে কবিতার সেই নাবালিকা একদম চুপ । এত নিশ্চুপ নীরবতায় রাত কাটতে না চাইলেও কেটে গেলো নির্ঘুম হয়ে । পাগলের পাগলামি ধীরে ধীরে বাড়তে লাগলো, পৃথিবীর সমস্ত যুক্তি দিয়ে, নিজেকে বুঝতে লাগলো, ভালবাসতে শিখল । তারপর সেই নাবালিকা কে বোঝানোর পালা । অথচ কী করলে বা বললে নাবালিকা খুশি হবে তার কিছুই সে জানে না, তবুও চেষ্টা করে যেতে লাগলো । প্রতিদিন তাকে নিয়ে কবিতা লিখে শুরু করলো পাগলামির নতুন মাত্রা । প্রথমদিকে বিব্রত বোধ করলেও ধীরে ধীরে বদলাতে থাকলো সব । পাগল বুঝতে পারলো তার সেই নাবালিকা হয়তো একদিন তাকে ভালবাসবে । এপ্রিলের ২ তারিখ রাত ১২ টা ১৬ মিনিটে বলতে গেলে হঠাৎ করেই নাবালিকা বলে দিলো তার সম্মতির কথা । পরদিন ৩ তারিখ সকাল ৭টার দিকে নাবালিকার ফোন পেয়ে ঘুম ভেঙ্গেছিল পাগলের, কথোপকথনের সময় মাত্র ৩১ সেকেন্ড । প্রতিদিন কথা বলা শুরু হল । তারপর আসলো ১৪ই এপ্রিল, পয়লা বৈশাখ । ঘুম থেকে উঠেই পাগল ছুটে গেল নাবালিকা কে দেখার জন্য । বাসা থেকে ১০ মিনিটের কথা বলে নাবালিকা’র সাথে ছিল ২ ঘণ্টা ২৩ মিনিট । সেই ২ এপ্রিলের পর থেকে আজ অবধি পাগল পুরোপুরি নাবালিকার ভেতর লুকিয়ে গেছে, যেখান থেকে অন্য কেউ হয়তো কোনদিন বের করতে পারবে না, নাবালিকা ছাড়া । পাগলের সাথে প্রায়ই ঝগড়া হয় নাবালিকার, খুনসুটি হয় ছোট ছোট বিষয়ে । তবু নাবালিকা আজও তার সেই পাগলকে ভালোবাসে, আর পাগল তো অনেক আগে থেকেই পাগলামির চূড়ান্ত সীমায় । পাগল জানে সে মাঝে মাঝে নাবালিকাকে অযথা কষ্ট দিয়ে ফেলে কিন্তু পাগল কখনও সত্যিকার অর্থে কষ্ট দিতে চায় না, একটু ঝগড়া, মনোমালিন্য না হলে ভালোবাসার মর্ম বুঝবে কি করে !! আজ ২রা মে, নাবালিকা আর পাগলের জন্মদিনের ১ মাস পূর্ণ হল । এই জন্মদিন তাদের সম্পর্কের, তাদের বিশ্বাসের, তাদের অস্তিত্বের । জানি, সময়টা খুব অল্প, হয়তো হাসছেন যে নতুন নতুন প্রেম করলে এমনি হয় । কিন্তু, এটা দিব্যি দিয়ে বলতে পারি আগামী ৪০/৫০ বছর পরেও তাদের একসাথে দেখে একথা বলতে পারবেন না ।

নাবালিকা, তোমাকে সারপ্রাইজ দেয়ার মত সত্যিই কিছু নেই আমার । তাই তোমাকে নিয়ে লেখা কয়েকটা কবিতা তুলে দিলাম আবার:

“নাবালিকা”
…………………………………………

নাবালিকা, কত সমুদ্র অপেক্ষা করলে
তোমার কাছে যাওয়া যাবে ?
তোমার জন্য প্রশান্ত বছর অপেক্ষা করা
তোমাকে পাওয়ার অনুভূতির কাছে সামান্য এক বিন্দু-
আমি হাজার বছর পুরনো প্রেমিক হতে চাই ।।

রুমালি চাঁদোয়ায় মিশে গেছে চাঁদ
নাবালিকা, পথ হারিয়ো না,
আমি হাত বাড়িয়েই রেখেছি
ইচ্ছে হলে ধরতে পারো ।
চাইলে রেখেও দিতে পারো আমায়
আপত্তি করবো না,
তোমারই ছিলাম, কেবল অজানা ছিল-
তোমার হাজার বছরের পুরানো প্রেমিক হবো ।।

ওভাবে তাকাবে না । খবরদার !!
মাদকাসক্ত হয়ে পরি,
তোমার ওভাবে তাকানো নিয়েই আমার ভয় !
একবার আসক্ত হয়ে পড়লে, নাবালিকা
পৃথিবীর কেউ আমার রোগ ভালো করতে পারবে না;
ষোড়শ বয়সী কাজলের নেশা বড়ই কিংকর্তব্যবিমুঢ়
হাজার বছরের পুরানো প্রেমিক এত নেশা কিভাবে সহ্য করবে ?

একটু সামলে থেকো-
বয়স তোমার খেয়ালিপনার,
যত খুশি উড়ে যাও, দূরবীনে চোখ আমার
ডানা ফসকালে ভয় পেয়ো না
আমি তো আছি, ধরে ফেলবো-
নাবালিকা,
তোমার হাজার বছরের পুরানো প্রেমিক হবো ।।

আমি অপেক্ষায় আছি
তুমি বালিকা হবে কবে ?
যেদিন ইচ্ছে সেদিন হবে, আপত্তি নেই
স্বাধীনতা তোমায় দিলাম;
নাবালিকা, রুমালি মেঘে আমি আছি
সময় হলে বৃষ্টি হয়ে যেয়ো-
হাজার বছরের অপেক্ষা সেদিন
এক ফোঁটা আদরে পরিণত হবে ।।

– জিহান আল হামাদী
১৪ই মার্চ’২০১৩
…………………………………………

“সেদিন যেভাবে বলেছিলাম তোমায়”
…………………………………………………………

নাবালিকা, নিজের কথা এভাবে জিজ্ঞেস করে বসলে !!
কী বলবো তোমাকে ?
তোমার কথা কিভাবে বলবো ?
ভয় হয়, যদি চলে যাও !
যদি আমার লেখা কবিতা গুলো ছিঁড়ে ফেলো
কষ্ট পাবো না বিন্দুমাত্র-
কিন্তু, আমাকে ছিঁড়ে ফেলে দিলে,
পথ হারিয়ে চলে যাবো বহুদূর
কেউ খুঁজে পাবে না, দিব্যি দিয়ে বলে দিলাম-
কেউ পাবে না, কেউ না ।।

হ্যা, তোমায় নিয়েই লিখেছিলাম সব
জানি আমাকে চেনো না,
আমিও না-
তবু সম্পর্ক কি সময় ধরে হিসেব করা যায় ?
নাবালিকা যদি আজ চলে যাও
যেতে পারো, স্বাধীনতা তোমারই আছে-
বাঁধা দেবো না,
শুধু জেনে নিও আজীবন হাজার বছরের প্রেমিক হয়ে বেঁচে থাকবো
যদি চলে যাও………
মৃত্যুর আগে একবার দেখে যেয়ো
একটা বই দেবো আমি,
ইতিহাসের পাতা খুঁজে দেখে নিও
কেউ আমার মত ভালবেসেছে কিনা !
দিব্যি দিয়ে বলছি তোমায়
আমি তোমার হয়েই থাকবো-
তোমার থাকা- না থাকা একান্ত তোমার আদালতে বন্দী;
কিছুই বলবো না
এই সামান্য কবি’র আর কীই বা বলার আছে ?

বলেছিলে তোমায় “তুই” করে বলতে
ভেবেছিলাম সময় হলে দুই মিনিটের জন্য বলবো;
হয়তো সেই প্রিয় কবিতাটি শোনাবো-
কিন্তু আগেই প্রশ্ন করে বসলে !!
তুই করেই বলছি শোন,
“তুই আমার হবি?
একটু ভালবাসলে কী হবে তোর ?
জানি আমাকে চিনিস না, ভালবাসিস না
ভালবাসার মত কিছুই আমার নেই-
তবু তোকে কোনদিন একা হতে দেবো না
দিব্যি দিয়ে বলছি ।।
তোর আঙুলের ফাঁকে যে শূন্যতা রয়ে গেছে
সেগুলো আমার আঙুল দিয়ে ঢেকে রাখবো,
যদি তুই একবার পাশে থাকিস,
দিব্যি দিয়ে বলছি ।।
তুই আমার হবি ?? নাবালিকা ?”

– জিহান আল হামাদী
১৫ই মার্চ’২০১৩

………………………………………………

“নাবালিকা একটু সামলে থেকো”
……………………………………………………

নাবালিকা একটু সামলে থেকো
শিশিরের ওহমে কাঁটা আছে,
ভয় পেয়ো না, কাঁটা ছোঁবে না তোমায়
আমার পায়ে তোমার পা রেখে
বাড়ি পৌঁছে দেবো,
কাঁটা সরে যাবে সব
তুমি উড়ে যেও সাঁঝের কবুতরের মত ।।

তোমার উড়ে যাওয়া নিয়ে কোন ভয় নেই
যেতে চাইলে যেতে পারো যখন খুশি,
তুমি তো আর বনের পাখি নও যে বেঁধে রাখবো !
বাঁধাধরা নিয়মের ভালবাসায় আমি বিশ্বাসী নই,
ছেড়ে যদি চলে যাও কোনদিন, তুমি ভয় পেয়ো না
পাশেই পাবে নাবালিকা, তোমার হৃদয়ে আমি আছি-
নিজেও হয়তো জানো না,
তোমার ওই অজানা অনুভূতি নিয়েই আমার যত ভয় !!

হাসছো তুমি ! খবরদার ! ওভাবে হাসবে না !
শব্দ হারিয়ে ফেলি আমি,
পৃথিবীর সমস্ত বর্ণমালা শুধু তোমার নাম জপতে থাকে-
নাহ ! তুমি হেসো, চুল মেলে হেসো,
চোখের কাজল গড়িয়ে পড়ুক আনন্দ হয়ে ।
দুঃখ ? ভয় পেয়ো না তুমি-
ওসব তোমাকে স্পর্শ করতে পারবে না
নাবালিকা, তোমার হাজার বছরের পুরানো ছায়া হবো ।

নাবালিকা একটু সামলে থেকো-
বয়স তোমার মন-উচাটন,
ভুলের পথে হোঁচট খেয়ে কষ্ট পেয়ো না;
সমস্যা নেই, আমি তোমায় শুধরে দেবো
তোমার কষ্ট পাওয়া নিয়েই আমার যত ভয় !
আজ থেকে আমার থেকো
তোমার হাজার বছর পুরানো সিঁদুর হতে চাই ।।

– জিহান আল হামাদী
২৫শে মার্চ’২০১৩
……………………………………………

“বিলাপ অথবা আরেকটি ভালবাসার কবিতা”
………………………………………………………….

গ্রিলের ফাঁকে মখমলে চাঁদ পেড়িয়ে
ঠিক দু’পা এগোলেই যে মেলা বসে নিশি-লগ্নে,
সেই তারার মেলা নেমে আসুক আজ
ছুঁয়ে যাক হাজার শতাব্দীর তৃষ্ণা
তোমার চোখ রাঙিয়ে যাক জোনাকের পাপড়ি,
এলোমেলো চুলে এঁকে যাক বিভূঁই
রুপালি জলে চুপচাপ আমার হয়ে থেকো !!

মহাকাশের নক্ষত্র খুলে ছায়াপথ
যে মালা বানিয়েছিল সুতোর মায়াজালে,
তুমি তাকে পূর্ণ করো
আলিঙ্গনে বেঁধে নাও নিজের করে;
এক পা, দু-পা করে রাত্রির কবিয়াল
পথ খুঁজে নিক তোমায় ভেবে ।।
মেঘের প্রতিটি পাতা জুড়ে
আড়মোড়া ভাঙবে তোমার বন্দনা ।।

আবছা কথার হাসির ফাঁকে
যে আলোক দখিণা বাতাসে নিভে গিয়েছিল,
বিশুদ্ধ ভালোবাসা নিও সেই আবীরে
আজ মোমের শিখায় নদী মিশে যাক করিডোরে
তোমার স্পর্শে রূপকথা হয়ে উঠুক পুরো নগরী;
আহ্লাদ ছুঁয়ে যাক তোমার ঠোঁটে ।।

পবিত্রতার শ্লোক গেয়ে যাক তোমার শরীর
পালকেরা আঁচলে টেনে নেবে চুড়ির সানাই,
আজ থেকে সব শুধু বন্দনায় মুখর
দেহের পুরোটা সীমানা জুড়ে বিনিদ্র পাহারা,
আলিঙ্গনে খুঁজে নিও আশ্রয়, প্রশান্তির সুবাতাস
বালিশের কোলে সামুদ্রিক বিশালতা ডেকে নিও,
ডুবে যেও আমার সাথে ।।

– জিহান আল হামাদী
১৩ই এপ্রিল’২০১৩
……………………………………………………………….

“বৃষ্টি এবং কয়েক ফোঁটা অনুভূতি”
……………………………………………………….

জানালার পর্দা সরিয়ে বাইয়ে তাকাও
হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির স্পর্শ নিয়েছো ?
ফোটায় ফোটায় কত শীতলতা লেগে আছে, তাই না !
অনুভব করে দেখো…।।
ওরা শুধু তোমাকে ভিজিয়ে দেয়ার জন্য নেমেছিল
কয়েক ফোঁটা জল মুখে মেখে নাও,
বলো, আমাকে অনুভব করতে পারছো এখন ?

কিশোরী দেহে আজ শাড়ি পড়েছিলে প্রথমবার
হাতে কাচের লাল চুড়ি, চোখে কাজল-
তুমি কি জানো ? তোমার মুখের ওই হাসিটা দেখে,
পৃথিবীর সব পুরুষকে নিমিষেই মাতাল ঘোষণা করে দেয়া যায় !
বৃষ্টি তোমার হাসি স্পর্শ করেছিলো ?
ওরা মেঘের ভেতর লুকিয়ে থাকতে পারেনি
ছুঁতে এসেছিলো তোমায় দেখে,
কোন মানুষ এতটা সুন্দর হতে পারে, তাদেরও জানা ছিল না ।
বৃষ্টির জলকণা ভিজিয়ে দিয়েছিল তোমায়;
বারান্দায় দাড়িয়ে স্পর্শ করো-
বলো, আমাকে অনুভব করতে পারছো এখন ?

-জিহান আল হামাদী
২০শে মার্চ’২০১৩
…………………………………………………………………..

“একটু নাহয় ঝগড়াই করেছি”

একটু ঝগড়া করেছি দেখেই কি
আজ এত অভিমান ?
চোখের কোণে ওই ভাসমান জলের ফোঁটা
ঘুমের সাক্ষী হয়ে গেছে তোমার;
আগুনের সাথে প্রেম করছো সুদর্শনা
একটু আঁচ তো লেগে যেতেই পারে,
এতটুকু সহ্য করতে পারলে না !
এভাবে কেঁদে কেঁদে ঘুমিয়ে পড়তে হবে ?

আমার যদি রাত না হও
তবে নাহয় আকাশ হলে,
কুহকীর ব্যর্থ বাসর হলে
আরেকটি রাতের মরণ নাহয় হোক
তুমি তো রাত হলে না-
আমার নির্ঘুম কান্না হলে ।।

একটু ঝগড়া করেছি দেখেই কি
আজ এত কষ্ট তোমার ?
একবার চোখের দিকে তাকাতে আমার-
চোখ দুটো যে আমারও ভিজে গিয়েছিলো
দেখনি তুমি ! এতই রাগ আজ আমার ওপর ?
ভালোবাসি বলেই তো কষ্ট দেই, ঝগড়া করি
ওটুকু ঝগড়া ছাড়া ভালোবাসা হয় নাকি !!
ভালোবাসার পরিপূরক নামই তো কষ্ট
যেমন তোমার পরিপূরক আমি ।
এটুকু বুঝতে পারলে না প্রিয়ভাষিণী !
এভাবে চলে যেতে হবে ব্যথা চেপে ?

আমার যদি দিন না হও
তবে নাহয় বাতাস হলে,
মেঘের অশ্রুর কারণ হলে
আরেকটি দিনের মরণ নাহয় হোক
তুমি তো দিন হলে না-
আমার একাকীত্বের আসর হলে ।।

একটু নাহয় ঝগড়াই করেছি
তাই বলে তো ভালোবাসার দোকানে
তালা ঝুলিয়ে দিইনি;
বরং এই অভিমানের নদীতে বুঝে নিয়েছি
পুরো পৃথিবী তুমি ছাড়া কতটা মরুময়,
আমি কতটা পরজীবী !!

– জিহান আল হামাদী
২৪শে এপ্রিল’২০১৩
……………………………………………………………..

“জমানো কৃষ্ণচূড়ায় উদ্বাস্তু রূপকথা”
…………………………………………………………

রাজকন্যা,
ভালবাসি বললেই এভাবে কেঁপে ওঠো কেন ?
ঘৃণা যখন করতেই পারবেনা;
একটু না হয় ভালবাসো আমায় ।।

ধীরে ধীরে ভালবেসে ফেলেছ, তাই না ?
তাইতো এত অপ্রস্তুত কথোপকথন-
অনভ্যস্ত লাজুক হাসি !
অভিমানী বয়স ফেরাতে পারেনি,
উষ্ণ বুকে মাথা চেপে খুঁজে পেতে চাও নিজের ছায়া;
যেমন চুপি চুপি এসেছিলাম একদিন
তুলতুলে গালে একটু আদর মেখে দেবো ভেবে-
আনমনে ছুঁয়ে দিলেও বুঝে উঠতে পারিনি সেদিন
কিন্তু হৃদয়ে অনিদ্রার ঝড় উঠেছিল ।।

বুঝে উঠতে পারিনি আজও
কিভাবে কদাকার হৃদয়ে বসন্তের হাওয়া লেগেছে
তুমিই বা কিভাবে ভালবেসে ফেললে ?
অনুরাগের বৃষ্টিতে আজ-কাল একসাথে ভিজে যাই,
মাখামাখি করি স্বপ্ন ছোঁড়ার কাদায়
তিমির রাত প্রসব করে উদ্বাস্তু রূপকথা ।

পাগলপ্রায় অনুভূতির সাঁঝে দেয়াল হয়ে থেকো না
ঝড়ো মরুর বুকে ডানা মেলে উড়ে যাও,
সব বাঁধা ভুলে ছুটে আসো বুকের ভেতর
মিশে যাও আজ, মগ্নতার রুমালি বাহুদ্বয়ে;
মেলে দাও জমানো কৃষ্ণচূড়ার উন্মাদনা ।।

– জিহান আল হামাদী
১লা এপ্রিল’২০১৩
………………………………………………………………….

“জলছবি বাতায়ন”
………………………………………………

মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে ঘুমিয়ে পড়েছিলে
নিঃশ্বাসের গভীরতায় বুঝেছিলাম
তবু বলেছিলাম খানিক কথা;
অবচেতন চোখের পাতায় চুপিচুপি
গতকাল কত কিছুই ঘটে গেল !!

গতকাল স্বপ্নে এসেছিলে
আমি ঘুমনোর আধ-চন্দ্রিমা পর
ঘুমের ভেতর চোখের চারপাশ কেবল আলো,
এত আলো নিয়ে কেন এসেছিলে জানিনা ।
চিলেকোঠার জানালার মত
মৃদু কম্পন অনুভব করেছিলাম,
তুমি কাছে এসেছিলে, অকম্পিত হাতে
স্পর্শ করেছিলে চিবুক, গাল, প্রতিটি কোষ ।।

রাতের ঘুটঘুটে চাদরে
এসেছিলে তুমি সত্যিই,
ঘুমন্ত শরীরে হাত রেখেছিলে
মাথায় বুলিয়ে দিয়েছিলে স্বপ্নপোকা;
সত্যিই কি ঘুমিয়েছিলাম ?
ঘোর কাটেনি এখনো….
সিলিং ধরে বেঁচে থাকা ফ্যানটা
মাতালের মত ঘুরছে তো ঘুরছেই-
বালিশ আর জানালার পর্দা গুলো মুমূর্ষু ।
এমন মাতলামির রহস্য জানি,
খুব স্বাভাবিক;
প্রথমবার তোমায় দেখেছে তো !!
আমি তো মাতাল হতে হতে অভ্যস্ত ।।

– জিহান আল হামাদী
৯ই এপ্রিল’২০১৩
………………………………………………………..

“কণ্ঠী”
………………………………………………

আমি মানচিত্রের সীমা চৌচির্ণ করে
হানা দিয়েছিলাম সমগ্র আকাশে
তমিস্রার উল্লাস ছিঁড়ে করেছি একাকার
দেশে দেশে বেদুঈনের মত ঘুরেছিলাম কত যুগ !
তবু সেই কণ্ঠস্বর শুনতে পাইনি ।

ছুটে এসেছিলাম সন্ন্যাস ফেলে
গুলিবিদ্ধ হৃদয়ে তবু মাথা নামেনি আমার;
প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জন শুনেছিলাম একদিন
তাকেও গলা টিপে হত্যা করেছি-
তবু সেই কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম না
পাথর বেঁধে মহাকাশ নামিয়ে ছিলাম শুধু
নীলকণ্ঠের আওয়াজ শোনার জন্য,
তবু সেই কণ্ঠ কানে আসেনি কোনদিন ।।

কিন্তু কী নির্জনতায় শুনিয়ে গেলে
যে কণ্ঠের জন্য অপেক্ষমাণ ছিলাম এত যুগ,
কিভাবেই না শুনিয়ে গেলে তুমি !!
একদম নির্জনে, পরম আদরের শান্তিতে………
সব আয়োজন নিমিষেই তোমার হয়ে গেলো
তুমি হয়তো তোমারই থেকে গেলে,
নিজেকে কোথায় যেন হারিয়ে ফেললাম ।।

– জিহান আল হামাদী
৩রা এপ্রিল’২০১৩
………………………………………………..

“নববর্ষের ভিড়ে”
…………………………………………

আকাশের তখনও ঠিক মত ঘুম ভাঙে নি
হালকা আলো ছড়িয়েছে মাত্র,
চারদিকে কত উৎসব আজ !
কত আয়োজনে ব্যস্ত মঙ্গল শোভাযাত্রা-
বিছানা ছেড়ে উঠেই খুঁজেছিলাম তোমায়;
গতরাতের স্বপ্নটা পুরো রাত মাতিয়ে রেখেছে !
নাহ ! আজ তোমায় দেখতেই হবে !
নাহলে এই চোখে লেগে যাবে অবাঞ্ছিতের কালি ।

পাঞ্জাবী পড়েই ভোঁ দৌড়-
রিকশা চেপে নীলক্ষেত,
নীলক্ষেত থেকে টি,এস,সি চত্বর
নগরীর প্রতিটি স্তরে স্তরে লেগে আছে বৈশাখী আমেজ;
নববর্ষের উল্লাস, মাতোয়ারা সংস্কৃতি।
মুহূর্তে মুহূর্তে ভয় করছিলো কিছুটা
এত মানুষের ভিড়ে যদি খুঁজে না পাই তোমায় !
কিন্তু, হঠাৎ করেই দেখলাম তোমায়
লাল সাড়ি, হাতে লাল চুড়ি,
চুলে এক জোড়া জারবারা ফুল;
চোখে কাজল !
যদি দুই-তিন জন রাস্তায় পরে যেত
সত্যিই অবাক হতাম না এক বিন্দু ।

অবাক হয়েছিলে খুব !
হয়তো ভাবতে পারনি এভাবে চলে আসবো ।
বান্ধবীরা হেসেছিল তোমার অবস্থা দেখে;
লাজুক চোখে তাকাচ্ছিলে,
ওভাবে আর কিছুক্ষণ তাকালে হয়তো
হৃদকম্পন বাড়তে বাড়তে থেমেই যেত আমার !
চোখে যে তোমার নেশার মিছিল !
ওভাবে তাকালে যে কেউ আসক্ত হয়ে পড়বে,
তোমার অপ্রস্তুত হাসি দেখে আজকের পর হয়তো
কেউ কেউ ফিরিয়ে দিতে পারে নীলের ঢেউ,
সামুদ্রিক আকাশের সমস্ত মৃত্তিকা !!

চলে যাবার সময় পুরোটা পথ হেঁটেছি একসাথে
অথচ কোন কথা হল না !
অপ্রস্তুত শাড়ির আঁচল সামলাতে পারছিলে না
তোমার অবস্থা দেখে এত হাসি পাচ্ছিলো, জানো !
যাবার আগে একবার তাকালে সব ভুলে
মুখে লেগে আছে চিরচেনা হাসি;
ওই চোখের নেশা নেমেছে আমার কুঠিরে
হাসি লেগেছে চোখে-মুখে
আজ থেকে কোন রাত হয়তো ঘুমাতে পারবো না,
দু ঘণ্টা তেইশ মিনিট ঠায় তাকিয়ে থাকার এই শাস্তি
নববর্ষের মতই উল্লাসের, মঙ্গলের ।।

– জিহান আল হামাদী
১৪ই এপ্রিল’২০১৩
………………………………………………………

“একশ কোটি বছর এভাবেই ভালবাসবো”
………………………………………………………..

আগামী একশ কোটি বছর
এভাবেই ভালবাসবো,
তোমার নাম বুকের মাজারে
এভাবেই আগলে রাখবো ।
বুকের ভেতর ঝড় উঠবে যেদিন
আমি শুধু তোমায় ভেবেই
সামলে নেবো সব,
ভাঙা চাঁদের আলোয় ভিজে
শুধু তোমার কাছেই চাইবো ভালোবাসা;
আগামী একশ কোটি বছর আমি
ফোটাবো গোলাপ, জারবারা আর রক্তাক্ত ক্যালেন্ডুলা
তোমার চুল সাজাবো, মাখাবো আশীর্বাদ;
অক্সিজেনের মত ভালবাসবো তোমায়
আগামী একশ কোটি বছর ।।

গুনে গুনে আগামী একশ কোটি বছর
এভাবেই শুধু তোমাকেই ভালবাসবো,
তোমার ছবি সামনে রেখে
এভাবেই কাটাবো অহোরাত্র;
মাতাল হয়ে তোমার চোখে
সমীকরণ করে যাবো সূত্র ছাড়া-
তোমার কবরের পাশে কবর খুঁড়ে
আগামী একশ কোটি বছর
শুধু আমিই শুয়ে থাকবো;
প্রতিদিনের মত
আমিই জ্বালিয়ে যাবো তোমায়
ভালোবাসা দিয়ে, খুনসুটি দিয়ে
আগামী একশ কোটি বছর তোমায়
পাগলের মত ভালবাসবো শুধু এক আমিই ।।

আগামী একশ কোটি বছর এভাবেই
মাঝরাতে বালিশ ফেলে
তোমাকেই কাছে টানবো;
তোমার চোখে আকাশ থেকে উড়ে যাওয়া
সুখ-পাখি এনে পড়িয়ে দেবো
আগামী একশ কোটি বছর
টকটকে লাল লজ্জায় মাখাবো শুধু তোমাকেই ।।
দরকার হলে তোমার ঠোঁটে
বাসা বাঁধবো, নিঃশ্বাসে মিশে যাবো
প্রতি সেকেন্ডে চারশো ভোল্টের চুম্বনের মত;
আগামী একশ কোটি বছর আমি
মাতাল হয়ে, তোমাকেই ভালবাসবো;
বিষ-পেয়ালা মুখে নিয়ে দেয়ালিকায় লিখবো
উন্মাদ প্রেমিকের মত তোমার নাম
তোমার হাতে হাত রেখে
হেটে যাবো মহাশূন্যে,
আগামী একশ কোটি বছর
বদ্ধ উন্মাদের মত চাইবো এক তোমাকেই ।।

– জিহান আল হামাদী
২৫শে এপ্রিল’২০১৩
……………………………………………………..

“সংক্রামিত প্রশ্ন-পর্ব”
………………………………………………..

তোমায় যদি প্রশ্ন করি আমায় ভালোবাসো কিনা
জানি চোখ বন্ধ করেই বলে দেবে “না”,
কিন্তু যদি তোমার অন্তর কে প্রশ্ন করি
সে প্রথমে বলবে “না, একদম করি না”;
তারপর হঠাৎ করে তুমি একটু হাসবে
কিছুটা বিব্রত সেই হাসি,
অতঃপর একটু চুপ,
আবার অপ্রস্তুত……
জানি তোমার অন্তর বিরুদ্ধে চলে যাবে
সায় দেবে না, তুমি নীরব হয়ে যাবে-
যেভাবে বছরের প্রথম বৃষ্টির পর চুপ হয়ে যায় পুরো শহর
অথবা ঝুমসাঁঝের পর নেমে আসে স্বপ্ন-ফেরির নির্জনতা !!

জানি তুমি হাসবে, বিদ্রূপে ফিরিয়ে দেবে কথাগুলো
যেভাবে ফিরিয়ে দিয়েছিলে বসন্তের বৃষ্টি, গ্রীষ্মের কুয়াশা !
কিন্তু সেই বৃষ্টি ফিরে এসেছিলো, তোমাকেই ভিজিয়েছিল
কুয়াশার হিমে প্রচণ্ড ঘেমেছিলে একমাত্র তুমিই
কিছুই ফেরাতে পারনি……………।।

তোমায় যদি প্রশ্ন করি,
আমি তোমার হৃদয়ে আছি কিনা
কি বলবে জানি,
কিন্তু নিজেকে ফেরাবে কিভাবে ? কতবার ?
ছোট্ট একটা কুঁড়েঘর তো বানিয়ে ফেলেছি, তোমার মনের ভেতর !
অতটুকুতেই আমার হবে;
সংক্রামক আমি, তোমার পুরোটাই দখল করে নেব ।
যেভাবে বিকেলের রোদ দখল করে নেয় মেঘলা চাঁদ
অথবা ঘূর্ণিপাক খেতে খেতে নীল দখল করে নেয় রুমালি পালকেরা ।।

কতবার ফেরাবে ?
অন্তর বিরুদ্ধে চলে যাবে তোমার ।।

– জিহান আল হামাদী
১৯শে মার্চ’২০১৩
…………………………………………………………

“রুমালী ডানায় আবেদন”
………………………………………….

আমি তো মেঘ ছুঁতে চেয়েছিলাম
কেন তুমি হাত বাড়ালে ?
ছুঁয়ে গেলাম তোমাকে, নমনীয় মাঝরাতে;
তুমি আমার মেঘ হবে ?

আমি তো কেবল জল ছুঁতে চেয়েছিলাম
তুমি কেন ডুবিয়ে দিলে ?
ডুবে তোমার হোলির খেলায়, ছুঁয়ে গেলাম রঙ-বেরঙে
তুমি আমার জল হবে ?

ছুটেছিলাম আমি রোদ পোহাতে
কেন পথ হারালে ?
হারানো পথের সঙ্গী হয়ে, সূর্য হলে শেষ দুপুরে
তুমি পথ হবে ?

ঠিক যখনই ভেবেছিলাম ছুঁয়ে দেব অসীম রাত্রি
তখনি কেন কান্না হলে ?
গ্রিলের ফাঁকে চাঁদ দেখিয়ে ছুঁয়ে দিলাম তোমাকে
তুমি কি আমার রাত্রি হবে ?

রুমালী, আমি তো সব ছুঁতে চেয়েছিলাম
কেন তুমি চোখ রাঙালে ?
শ্রাবণের ঝর্নার মত ভিজিয়ে গেলে
তুমি কি আমার সব হবে ?

– জিহান আল হামাদী
২২শে মার্চ’২০১৩
………………………………………….

** নাবালিকা, এটা এই পাগলের আজকের উপহার,
তোমার জন্য:

“আমায় আজ শুদ্ধ করো”
………………………………………………..

নাবালিকা, আজ শুদ্ধ করো
গালের ত্বকে স্পর্শ মেখে
আলতো করে কল্প আঁক ।
ছোট ছোট খুনসুটিতে দুঃখ পেয়োনা আর
পানি মুছে হও পরশপাথর
নিজের করে শুদ্ধ করো;
আমি ছোঁয়ায় ছোঁয়ায় শুদ্ধ হবো
তোমার জন্য তোমার হবো ।।

ভালোবাসায় ঝগড়া হবে,
কষ্ট, আদর, কান্না হবে-
তবু তুমি সামলে থেকো !
আর কারো নয়, আমার থেকো;
কান্না দিলে কাছে টেনে
আমায় নাহয় শুধরে দিও,
আমায় আজ শুদ্ধ করো ।
তোমার হাসিতে শুদ্ধ হবো
আমার জন্য তোমার হবো ।।

আমায় আজ শুদ্ধ করো
মুক্ত করো, জীবন দাও নতুন করে,
তোমায় নিয়ে মুক্ত হবো
আমায় তুমি সামলে রেখো;
কষ্ট দিলেও সুহাসিনী রাজকন্যা
তুমি শুধু আমার থেকো;
তোমার হতে হতে শুদ্ধ হবো
নাবালিকা, শুদ্ধ করো ।।
মায়াজালের স্বপ্ন আমার,
খুঁজে পেয়েছি তোমার শুভ্রতায়
আজ নাহয় ভেঙে-চুরে
নতুন করে শুদ্ধ করো, শুদ্ধ হবো
তোমার-আমার জন্য নয়
আমাদের জন্য শুদ্ধ হবো ।।

– জিহান আল হামাদী
২রা মে’২০১৩

…………………………………………………………………..

এই পাগলকে প্রতিনিয়ত সহ্য করার জন্য অনেক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা তোমার জন্য । অনেক ভালোবাসি তোমাকে ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৩ thoughts on “উৎসর্গঃ নাবালিকা

  1. যে নাবালিকার জন্য এতো সুন্দর
    যে নাবালিকার জন্য এতো সুন্দর কিছু কবিতা পড়তে পারলাম; সেই নাবালিকাকে জানাই শ্রদ্ধা। নাবালিকা; আপনার পাগলটাকে আগলে রাখবেন যতন করে।

    অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং শুভ কামনা আপনাদের জন্য।

  2. ভাই আপনি তো বিরাট প্রেমিক।
    ভাই আপনি তো বিরাট প্রেমিক। 😀
    দেইখেন আবার মামলায় ফাইসেন না। নাবালিকা বলে কথা। :চোখমারা:

    1. ফঁসলে ফঁসলাম । আইন কি এমনি
      ফঁসলে ফঁসলাম । আইন কি এমনি এমনি পড়তেসি ?? :নৃত্য: :নৃত্য: :ভেংচি: :ভেংচি: 😀 😀

      1. উনি কবিতা ভালো লিখেন তবে উনার
        উনি কবিতা ভালো লিখেন তবে উনার সাবালিকার অস্তিত্ব নাই, আপনার নাবালিকার অস্তিত্ব আছে…। 😀

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 32 = 40