কিছু লজ্জা। নির্লজ্জ জাতির পক্ষ থেকে।

শনিবার সকাল থেকেই টঙ্গি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের গেটে ভিড় করে স্বজনরা। হাসপাতালের গেটে লাশ আসা মাত্রই ছুটছেন ভেতরে। স্বজনের পোড়া লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। অনেকেই ছবি নিয়ে ঘুরছেন স্বজনের খোঁজে।

১৯ বছর বয়সী মুরাদ মেশিন হেলপার ছিল ট্যাম্পাকো লিমিটেডের প্যাকেজিং কারখানায়। রাতে কারখানায় গেলেও এখনও তার খোঁজ না পেয়ে হাসপাতালে এসেছেন তার ভাবী সুমি। কান্না জড়ানো কণ্ঠে ছবি দেখিয়ে সবাইকে বলেছেন, ‘মুরাদকে কেউ দেখেছেন ?’

৩৫ বছর বয়সী মাইনউদ্দিনের লাশ খুঁজে পেয়ে কাঁদছেন ভাই আব্দুল আজিজ।
কারখানার শ্রমিকরা জানিয়েছেন, কারাখানাটিতে প্রতিদিন তিন শিফটে কাজ হয়। প্রতি শিফটে প্রায় ২শ’ শ্রমিক কাজ করেন। বয়লার বিস্ফোরণের সময় কারখানাটিতে পুরোদমে কাজ চলায় ধারণা করা হচ্ছে, তখনও অন্তত তিনশ’ শ্রমিক সেখানে কাজ করছিলেন।

গাজীপুরের সিভিল সার্জন আলী হায়দার খান জানান,‘টঙ্গী ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে এ পর্যন্ত ১৭ জনের লাশ রাখা হয়েছে। এছাড়াও আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি আছেন অর্ধশত।

আমরা অনেক বেশি অদ্ভুত।
জঘন্য রকমের।
যাদের ঘামে ভেজা পরিশ্রমে বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের গর্ব আমাদের, তাদের রক্তে দাঁড়িয়ে পকেট ভরতে একটুও লজ্জা হয় না। �
রানা প্লাজা.. ঈদ মুবারক।
নীমতলী ….ঈদ মুবারক।
তাজরীন গার্মেন্টস …ঈদ মুবারক।
প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি ..ঈদ মুবারক।
ভালো থেকো বাংলাদেশ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

18 − 10 =