শিশু হৃদয়ে পশু হত্যা উৎসবের প্রভাব ও একটি পুতুল কোরবানির গল্প !!

অনেক বছর আগের কথা , আমার বয়স তখন বারো কী তেরো হবে। বখে যাবো সেই ভয়ে বাবা মা আমাকে বাড়ি থেকে বের হতে দিতো না। বলতে পারেন অনেকটা আটকেই রাখত জোর করে। রবি ঠাকুরের মতেও এ বয়সের ছেলেগুলোর মতো পৃথিবীতে এমন বালাই আর নাই। তাই যেখানে সেখানে বাইরে গিয়ে কার না কার সাথে মিশবো এই নিয়ে এক বড্ড সংকোচ থেকে যায় কী না তাই বাসা থেকে বের হতে দিত না। আমার আশেপাশে আমার বয়সী ছেলেগুলো যখন মাঠে গিয়ে ক্রিকেট ফুটবলের নেশায় ডুবে যেত, আমি তখন রুমের জানালা দিয়ে আকাশ, দূরের গাছপালা দেখে এদের নিজের সঙ্গী বানাতে ব্যস্ত হয়ে পড়তাম। তখন থেকেই প্রতিটি বিষয় নিয়ে আমি অনেক বেশী সুক্ষ্মভাবে ভাবতাম যদিও তখন ভাবনার বিষয়গুলো অনেক তুচ্ছই ছিল। তবে এই বন্দি জীবনের ফলাফল স্বরূপ হয়তো আমার সব দিক মিলিয়ে মানসিক বিকাশটা একটু ধীর গতিতে হয়েছে। এই যেমন ধরুন ওই বয়সেই আমার আর দশটা বন্ধুকে দেখতাম একেকজন নারীবিদ্যায় একদম পটু হয়ে গেছে, যেখানে আমি নিজের শরীর সম্পর্কেই অনেক কিছু জানতাম না। এছাড়া আরেকটা বিষয় ছিলো আমার মধ্যে , যেটা অনেকটা মেয়েলি স্বভাবও বলতে পারেন। ভয়ানক রকম পুতুল খেলার অভ্যাস ছিলো আমার। আমার মতোই পুতুলের সংখ্যাও ছিলো মাত্র একটা। কাগজ কেটে কলমের খোচায় দিব্বি মুখ, চোখ, চুল আঁকিয়ে পুতুল বানিয়ে ফেলতে পারতাম। একটা পুতুলকে ঘিরেই অবশ্য খেলনা বাড়ি গাড়ি কাগজের টাকা এবং গোটা দুনিয়া ছিলো আমার কাছে। অবসর সময়ে প্রকৃতি প্রেম জাগ্রত করা ছাড়া আর হয়তো এই একটা জিনিসই ছিল আমার সঙ্গী। তবে এখনো। এই সঙ্গীর কথা মনে হলে যেটা মনে হয়ে খুবই কষ্ট লাগে সেটা হচ্ছে আমি একদিন আমার এই চিরচেনা কাগজের সঙ্গীটিকে মাথা থেকে শরীর আলাদা করে ছিড়ে ফেলেছিলাম। ছিড়ে ফেলেছিলাম কী আসলে কোরবানী দিয়েছিলাম। হঠাৎ অবাক হচ্ছেন , অদ্ভুত লাগছে ? তবে বলছি শুনুন সেই ঘটনা।

আমার কাগজের সঙ্গী নিয়ে আমি বেশ ভালোই দিন কাটাচ্ছিলাম। দেখতে দেখতে একসময় কোরবানির ঈদ কাছাকাছি চলে এল। প্রায় আর মাস দেড়েক আছে। একদিন আমার বাবা বললেন আমাকে নিয়ে গোহাটে যাবেন। আমি তো শুনে খুশিতে আত্নহারা। একে তো স্কুল ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়ার সুযোগই তেমন হয় না , তাও স্কুলে যাওয়ার রাস্তাটুকু পার হয় গাড়ির বদ্ধ কালো গ্লাসের ভিতর বসে। স্কুল শেষে যে একটু বাইরে অপেক্ষা করব সে ইচ্ছেরও গুড়ে বালি যেত ড্রাইভারের তদারকিতে। যাহোক ঝটপট পোশাক পড়ে তৈরি হয়ে নিলাম। গোহাটায় যাওয়াটা হয়তো ওটাই আমার জীবনের প্রথম ছিল। তাই একটু ভালো পোশাকই পড়েছিলাম। তখন তো আর বুঝিনে বাপু যে কাপড়ের অবস্থা গোবরময় হয়ে ফিরবে। যাহোক শহর থেকে বেশ দূরে এক গ্রামে হাট বসেছে। বাবা আর আমি অনেক গরু দেখলাম। নেড়েচেড়ে দেখে শেষে একটি সাদা রং এর গরু আমার বেশ পছন্দ হল। যদিও গরুটির শিং ছিল না আর গায়ের রং সাদা বলে বাবা একটু সংকোচ করছিল। কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা। আর কতটাই বা বুঝি আমি , ভাবলাম ঈদের আগে এতোদিন বাসায় থাকবে শিং না হলেই তো ভালো , গুতো দেয়ার কোন সম্ভাবনা থাকবে না। যাহোক গরুটিকে কিনে নিয়ে আসা হলো আমাদের বাসায়। বলা বাহুল্য শহরের আর দশটা বাসার তুলনায় আমাদের বাসাটার সামনে বেশ ফাকা জায়গা আছে। তাই এই সময়টা ওখানে গরুটাকে বেশ নিশ্চিন্তেই রাখা হবে। তো এই দেড়মাস বাসার কাজের বুয়া গরুর পরিচর্যা করবে। আমি তো বড্ড খুশি , এতোদিনে একটু প্রাণী সঙ্গী পাব। যাহোক কাটতে লাগলো দিন। কাজের বুয়ার পাশাপাশি আমিও সারাদিনে বিশাল সময় কাটাই গরুটির কাছে। ওটাও অবশ্য অনেক শান্ত প্রকৃতির ছিল। আসলে গরু নামক প্রাণীটির সম্পর্কে ছোটবেলায় গরু রচনা পড়ে জেনেছিলাম ঠিকই তবে বাস্তবের অভিজ্ঞতা ছিল খুবই কম। নানা ভাবে পরখ করে দেখতাম সারাদিন। কখনো গরুটির গলার নিচে চর্বিযু্ক্ত অংশে হাত বুলিয়ে দিতাম। গরুটি তখন চুপ করে থেকে সামান্য আহ্লাদ করতো।

এভাবে দিন কাটতে থাকল। আমিও আমার কাগজের সঙ্গীকে অনেকটা ভুলেই গিয়েছিলাম। আসলে কী নিঃপ্রাণ বন্ধুত্ব কাটানো মানুষ যখন প্রাণের সঙ্গ পায় , তখন সে নিজেকেও অনেকটা ভুলে যায়। কিন্তু তাতে কী যায় আসে। দেখতে দেখতে কোরবানির ঈদের আর মাত্র এক সপ্তাহ আছে। একদিন মা আমায় বললো এখন আর যেন গরুটির কাছে খুব একটা না যাই। আরও বললো গরুটিকে ঈদের দিন সকালে জবাই করা হবে। শুনে যেন আমার বুকের ভেতর একটু মোচড় দিল। আমি বললাম মা , প্রতিবারই তো দাও এবার না দিলে হয় না। মা বললেন , নাহ তাই কী আর হয় ! আমাদের নবী আল্লাহর জন্য নিজের সন্তানকে কোরবানি করতে গিয়েছিলো আর আমরা একটা গরু কোরবানি দিব না! এ কত গর্বের ইতিহাস বোঝো! আমি শুনে একটু অবাক হয়ে বললাম , মা গর্ব কিসের? নিজের সন্তানকে কোন এক অদৃশ্য কারও জন্য হত্যা করতে যাওয়াটা কী গর্বের বিষয়! মা এবার একটু চটে গেলেন। বললেন , চুপ কর বেয়াদপ। তুই তো দিনে দিনে পাক্কা নাস্তিক তৈরি হোচ্ছিস! এবার আমি সামান্য কাদো কাদো চোখে মার দিকে তাকিয়ে বললাম , মা কাল যদি তুমিও এমন স্বপ্নে দেখো আমাকে হত্যা করতে বলছে তুমিও কী পারবে আমাকে নিজ হাতে জবাই করতে? এবারে মার মুখ একটু মলিন হয়ে গেলো। সে অন্যদিকে ঘুরে মলিন মুখে অনেকটা কাদো কাদো কণ্ঠে সামান্য পর বললো , হ্যা পারব, হেয়েছে, যা এখন। আমি বুঝতে পারছিলাম যে মা মোটেও মন থেকে কথাটি বলেন নি। শত হলেও নিজের সন্তান তো। অন্তত হত্যা করতে পারবে না। হয়তো তার মনেও মনুষত্বের ছোয়া কিছুটা আছে। শুধুমাত্র গর্বের এক ইতিহাস তৈরির লোভ কিংবা কারও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিজের সন্তানকে নিজের হাতে হত্যা করতে না পারাটাই হয়তো একটি বিবেকবান হৃদয়বান মানুষের জন্য স্বাভাবিক।

যাহোক দেখতে দেখতে ঈদের দিন চলে এল। মা বলার পর এই কদিন একটু দুরত্বই বজায় রেখেছিলাম বটে। কিন্তু ঈদের দিন সকাল হতেই কেন যেন আমার মন ভীষণ খারাপ হয়ে গেল। ঈদের নামাজ পড়তে মাঠে এক পা এক পা এগুচ্ছিলাম আর মনে হচ্ছিলো এই বুঝি একটু পর গরুটাকে হত্যা করা হবে। নামাজ শেষ করে বাসায় এসেই আমি আমার রুমে চলে গেলাম। বারান্দার জানালা থেকে দেখছিলাম কয়েকজন জোয়ানতাগড়া লোক আর একজন টুপি পাঞ্জাবি পড়া হুজুর এসে গোরুটিকে জবাই করার ব্যাবস্থা করছে। তাদের হাতে বড় বড় ছুরি কাচি আর মুখে আনন্দের ছাপ দেখে আমার গা শিওড়ে ওঠল। গল্পের মাংসখেকো রাক্ষস বাস্তবে দেখছি বলে মনে হল। খেয়াল করলাম এতোদিন গরুটিকে যে পালন করলো সেই কাজের বুয়াও আমার পিছনে দাড়িয়ে সব দেখছে। চোখের সামনে দেখতে দেখতে গরুটিকে পা বেধে সবাই মাটিতে ফেলে দিল। সবাই পা শরীর ঠেসে ধরে রেখেছে যাতে নড়াচড়া করতে না পারে। গরুটা তবু জোরে জোরে শ্বাস নিয়ে চোখ বড় করে চেষ্টা করছিলো ছুটতে। কিন্তু পা বাধা থাকার কারণে পারছে না। আমার ভেতরটা যেন তখন ছিড়ে যাচ্ছিল। পাশে তাকিয়ে দেখলাম কাজের বুয়ারও চোখে পানি। সে আর সইতে পারল না , চলে গেলো ওখান থেকে। এবার বাবা আমাকে ধমক দিয়ে চিৎকার করে ডাকল। আমি ছুটে বাবার কাছে যেতেই সে বলল গরুটাকে সবার সাথে চেপে ধরতে। আমি ততক্ষণে বোধ প্রায় হারিয়ে ফেলেছি। এক মুহুর্তে সবার সাথে গিয়ে শরীরের সমস্ত ভার দিয়ে চেপে ধরলাম। এবারে টুপি দাড়িওয়ালা হুুজুর এসে একটা বড় ধারালো ছুড়ি দিয়ে চোখের সামনে আল্লাহু আকবর বলতে বলতে গরুটার গলা কেটে ফেলল। তাকবির আর ছুড়ি দিয়ে গলা কাটার দৃশ্য দেখে তখন আমার মনে এক পৈশাচিক শক্তির আবির্ভাব হচ্ছে। মনে হল আল্লাহর নির্দেশমত একটা নির্দোষ প্রাণী হত্যা করলে কিছুই হবে না , এটা হালাল | গলা কাটার পর একবারটি শুধু গরুটা জোরে শেষ একটা নিশ্বাস নিতে চাইলো কিন্তু শ্বাস নালি কাটার ফলে আর পারল না। মৃত গরুটির নিথর দেহ চোখের সামনে পড়ে আছে। আমি ততক্ষণে পুরো উন্মাদ হয়ে গেছি। রুমে চলে এলাম কিন্তু তখনো আমার চোখে চোখে ভাসছে গলা কাটার দৃশ্য। সবেমাত্র নিজের প্রিয় এক প্রাণ হত্যা করে এসে এখন আমার মাথায় আল্লাভক্তি চেপে বসল। মনে হচ্ছিল এক এক করে সব হত্যা করি নিজের প্রিয় বলতে যা কিছুই আছে সব। হঠাৎ চোখের সামনে পড়ল আমার সেই কাগজের সঙ্গী পুতুলটি। ভাবলাম এটাও তো আমার প্রিয় জিনিস , আল্লাহর জন্য এর মায়াও ত্যাগ করি। হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আল্লাহর প্রিয় পাত্র হওয়ার এই তো সুযোগ। এক মুহুর্তে হাতে নিয়ে ওটার কল্লা থেকে শরীরটা ছিড়ে মনে মনে বলতে লাগলাম আল্লাহু আকবর , আল্লাহু আকবর !!

আজ অনেকদিন পর মনে পড়ল ঘটনাটা | এখন বুঝছি যে এসব বর্বর দৃশ্য কোমলমতি শিশু মনের জন্য কতটা ক্ষতিকর। সবার কাছে একটাই অনুরোধ আপনি ৫০০ বছর আগের সন্তান হত্যার বর্বর ইতিহাসকে মনে রাখতে আজকে নির্দোষ পশুর গলা কাটছেন কাটুন , সেটা আপনার ব্যক্তি বিবেকের ব্যাপার। কিন্তু আপনার সন্তানকে এই কল্লা কাটা ট্রেডিশন থেকে দূরে রাখুন। আপনার কোমলমতি সন্তানের মনে এরকম বর্বর দৃশ্য দেখে কসাইবৃত্তির সৃষ্টি হতে পারে। কল্লা কাটা কসাইবৃত্তি মনোভাব সৃষ্টি হওয়াটা কতোটা ক্ষতিকর তা নিশ্চই আর গুলশান হত্যাযজ্ঞের গলাকাটা মানুষের ছবিগুলো দেখার পর বুঝতে বাকী নেই! আজকের এসব গলাকাটা দেখানোর ফল স্বরূপ হতে পারে কাল আপনার সন্তানটিও একজন কল্লাকাটা জঙ্গি। মনে রাখবেন , যে কোন অদৃশ্য আত্নার নির্দেশে নিজের সন্তানকে হত্যা করতে হাতে ছুড়ি তুলে নিতে পারে সে যত ওলি আল্লাই হোক অন্তত একজন বিবেকবান মানুষ কিংবা একজন সত্যিকারের বাবা হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। আজ আপনি এমন একজনের অনুসারী হয়ে আপনিও হত্যা করছেন আপনার বাবা হওয়ার যোগ্যতাকে।

ধারালো কিছু অস্ত্র , একটি ছোট বা বড় পশুকে চিৎ করে টেনে হিচড়ে মাটিতে ফেলা , চার পাঁচ জন জোয়ান মিলে পশুটিকে চেপে ধরা যাতে মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতর প্রাণীটি ছুটতে না পারে, একসময় টুপি পাঞ্জাবি পড়া একজন এসে প্রাণিটির গলার উপর ধারালো চাপাতি ঠেসে হত্যা করা ঠিক যেমনটা করা হয়েছিলো একদল মানুষের সাথে যত্রতত্র ৭১-এ কিংবা কখনো আবার টি.এস.সি নয়তো রাস্তার ফুটপাতে ১৩,১৪,১৫ তে, নয়তো আবার গুলশানে ১৬তে, অতঃপর নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবর এবং একগুচ্ছ খুনি হাসিমুখ। একজন ইসলাম অনুসারীর কোরবানির ঈদ একজন মানবতাবাদীর কাছে পশু মারা বর্বরতা। একজন মোল্লার কাছে ঈদ উৎসব কতগুলো নিরীহ প্রাণীর কাছে মৃত্যুর যন্ত্রনা …..

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “শিশু হৃদয়ে পশু হত্যা উৎসবের প্রভাব ও একটি পুতুল কোরবানির গল্প !!

  1. একজন ইসলাম অনুসারীর কোরবানির

    একজন ইসলাম অনুসারীর কোরবানির ঈদ একজন মানবতাবাদীর কাছে পশু মারা বর্বরতা |

    কিন্তু আসল বাস্তবতা হচ্ছে, শিশুরা বর্বরতা আর হিংশ্রতার তালিম প্রতিদি্নই পাচ্ছে বলিঊড আর হলিঊডের মুভি দেখে। তারা বন্দুকের ব্যাবহার আর মানুষ হত্যা শিখছে কম্পিঊটার আর মোবাইলে গেম খেলে খেলে। তারা পরকীয়া শিখছে স্টার জলসা আর জিটিভি দেখে। তারা ধর্ষণ শিখছে অনলাইনে পর্ণগ্রাফী দেখে। এর এসব কিছুর পেছনের কুশীলব কিন্তু আপনার মত মানবতাবাদীরাই। তাই শর্ষের মধ্যেই কিন্তু আসলে দুষ্ট ভূতটা লুকিয়ে আছে।

    কোন শিশু কোরবানী করা দেখে বর্বতার শিক্ষা পেয়েছে এমনটা কিন্তু শোনা যায় না। যদিও আপনারা তেমনটাই দাবী করেন।

  2. এই বোধটা যে এসেছে এতেই হয়তো
    এই বোধটা যে এসেছে এতেই হয়তো একটু একটু করে দৃশ্যটাও পাল্টাতে থাকবে। হুট করে কখনওই কিছু হয়না। শিশুদের সামনে নৃশংসতা প্রদর্শনের ব্যাপারে অনেকেই এখন একটু হলেও ভাবছেন। আপনার স্মৃতি চারনের সুন্দর প্রকাশটার জন্য ধন্যবাদ রইলো।

    1. শিশুদের সামনে নৃশংসতা

      শিশুদের সামনে নৃশংসতা প্রদর্শনের ব্যাপারে অনেকেই এখন একটু হলেও ভাবছেন।

      কিন্তু আপনার পছন্দ হোক বা না হোক শিশুরাই ঈদ সবচেয়ে বেশী উপভোগ করছে। আমার ছোট ছেলে তো বলেই বসল – ” আব্বু প্রতি মাসেই কেন কোরবাণি ঈদ হয় না”। এবার বুঝুন ঠ্যালা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

60 + = 62