নিষ্ঠুর ঈশ্বর

শুরুতেই বলব আমার লেখায় কিছু বানান ভুল হতে পারে আশাকরি সংশোধন করে নেবেন । আমার ফন্টের সমস্যা । আর কেউ ভুলেও না বুঝে না পড়ে লাইক কমেন্ট করবেন না । উল্টা পাল্টা কমেন্ট করতে পারবেন , গালিও দিতে পারবেন মানা নাই । তবে মা ও বোনকে একটু রেহাই দিবেন । কিন্তু সেই কথা আর রাখল না এক মুমিন বান্দা ।
যাই হোক সেই কথা না হয় বাদ ই দিলাম ।
কিন্তু কথা হচ্ছে আপনি যে আমার জন্ম নিয়ে জঘন্য গালি দিলেন কি লাভ হল ? আপনি কি আমাকে ইতিবাচক যুক্তি স্থাপন করতে পেরেছেন ? না পারেন নি । বরং আপনি বুঝিয়ে দিলেন আপনার কাছে গালি ছাড়া আর কোন সবল হাতিয়ার নাই ।
বিশ্বাস করুন আমি একটুও আমি আঘাত পাইনি বরং একটু আনন্দ পেয়েছি । বিজয়ি হলে কে না আনন্দ পায় ।
মূল কথায় আসি, আজকের বিষয়
?oh=30a1b6df993cafa550b7a6fe2e405754&oe=5884D516″ width=”400″ />
অনেক ভেবে চিন্তা করার পর পেয়েছি ঈশ্বরের মত আর নিষ্ঠুর আর কেউ হতে পারে না । যদিও সে বাস করে অন্ধ কল্পনার ভিতর। যা অশিক্ষিতদের মাঝে বেসি দেখা জায় । তার দিক দিয়ে আমি বলব বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে । তাই বিশেষ করে তাদের উদ্দেশ্য করেই আজকের আমার এই সরল লেখা ।
ঈশ্বরযে নিষ্ঠুর তা একটু মাথা খাটালেই পাওয়া জায় । কিন্তু মাথা খাটাতেই জত সমস্যা ।
আসুন একটু আমার সরল বিষয় নিয়ে মাথা খাটাই
দেখুন প্রত্যেকটা ধর্ম গ্রন্থে লেখা আছে ঈশ্বর নিষ্ঠাবান , ন্যায় পরায়ন ও দয়ালু । কিন্তু সত্যি কি তাই ?
উপরের ৩ টি বিষয়ে যদি উনি ঠিক থাকে তাহলে আপনি গরিব আর বড়োলোক কেন ? আমি দেখতে কুৎসিত কেন ? আপনি লম্বা আমি খাট কেন? আপনি সুখি আমি কেন দুখি ? আপনার ছেলে ভালো খাবার খাচ্ছে আর নাইজিরিয়ার শিশুরা অনাহারী কেন?
তার মানে ঈশ্বর ন্যায় পরায়ন নয় দয়ালু নয় বরং সে নিষ্ঠুর । ভাই একটু মাথা খাটান বের হয়ে যাবে । মাথা ঠাণ্ডা রাখেন ।
এখন মুমিন ভাইয়েরা বলবে ইহা আল্লার পরীক্ষা ।
আচ্ছা আমি মানলাম ইহা তার পরীক্ষা । কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় । প্রশ্ন হল তাহলে আপনার প্রশ্ন এত সহজ কেন আর আমার প্রশ্ন এত কঠিন কেন ? এমন তো না এর আগে পরে কোন জন্ম আছে । এই বিষয়ে অনেক ইতিবাচক যুক্তি দেয়া যায় ।
আবার এই প্রসঙ্গে অমুসলিম যারা আছে তারা একটা হাসসকর কথা বলবে তা হল । ভাই এটা তার পূনজন্মের পাপের ফল । এই বিষয় এর আগে অবশ্য লিখেছি তার পরো আবার বলি ।
ধরুন তনু ধর্ষণের শিকার । তার মানে তনু এর আগের জন্মে অনেক মহা পাপ করেছে তাই সে ধর্ষণের শিকার । তার মানে তনুকে যে ধর্ষণ করেছে সে অনেক মহা পুণ্যের কাজ করছে তাই সে ভালো ভাবে ধর্ষণ করতে পারছে । কিজে হাসি পায় এই ধরনের কথা শুনলে ।
তার জন্য বলি
ঈশ্বর যে নেই এর ইতিবাচক ও গঠন মূলক বহু যুক্তি আছে,
কিন্তু
ঈশ্বর যে আছে তার ও অনেক নিতিবাচক , রুচিহীন, ও গোঁজামিল তর্ক আছে ।
আপনি একটু লক্ষ্য করে স্বাধীন ভাবে ভেবে দেখুন পৃথিবীতে যদি কোন ধর্ম নামক এই নির্মম কথা টা আবিস্কার না হত তাহলে কি আপনি মুসলিম আর আমি হিন্দু ও খ্রিস্টান হত ? না ভাই হত না । তার মানে এই নির্মম ধর্ম আবিস্কার না হত তাহলে আমাদের ভিতর এত ভেদাবেদ থাকতো না । আমরা সবাই থাকতাম এক মায়ের সন্তান ।
দেখুন যদি আমি বলি একটি দেশ যখন অশান্তিময় হয় তখন এর জন্য কে দায়ি থাকে ? আমি বলব ধর্ম । এর প্রমান আমরা দেখছি অতীত থেকে বা এখনো চলমান । এমন কি আমাদের দেশ আজ স্বাধীন হয়েছে এর কারনেও কিন্তু এই ধর্ম দায়ি ।
আছারাও আপনি যদি কোন নারীর পক্ষ নিয়ে কথা বলবেন তখন এই ধর্মই বাধা হয়ে দারাবে ।
আপনি যদি সকল প্রকার মানুষের পক্ষ নিয়ে কথা বলবেন তখনো এই ধর্ম বাধা প্রদান করবে ।
এমনকি এই ধর্ম নিরিহ অবলা বন্য প্রানি রক্ষা পায় না ।
এর জন্য দায়ি কে ? নিজেকে প্রশ্ন করুন বের হয়ে যাবে । দেখবেন এর জন্য দায়ি একমাত্র মানুষ নামে অমানুষদের তৈরি করা ধর্ম আর কাল্পনিক ঈশ্বর ।
আপনি একবার ভাবুন সে যদি থেকেও থাকে তাহলে সে কতবর অমানবিক ও নিষ্ঠুর বিধান দিয়ে গেছে । তাকে খুসি করতে হলে নিরিহ প্রানি বলি দিতে হবে ।
এখন অনেকেই বলবে ভাই আপনি কি তাহলে প্রানি মারেন না ? আমিষ খান না ?
ভাই আমি খাই । কেন খাব না ।এ যে আমাদের অভ্যাস । আমিষ ছাড়া বাঁচা আমার পক্ষে সম্ভব নয় । তবে আশাকরি একদিন পরিত্যাগ করবো । তবে কথা দিচ্ছি না ।
কথা হচ্ছে তা না কথা হচ্ছে কেন তাকে খুসি করতে এই নিরিহ, অবলা , প্রানি হত্যা করতে হবে ?
আমি না খাওয়ার কথা বলি না । আমি মনে করি মানবিক দিক দিয়ে ।একটা প্রানি কে যখন হত্যা করা হয়া আনন্দ উৎসব করে তখন সেটা আপরাধ বলে মনে করি । এটা কি আমার অপরাধ ।
যাই হোক আমার কথায় কেউ আঘাত পেলে আন্তরিক ভাবে দুঃখিত ।
ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য ।
#টিটপ

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “নিষ্ঠুর ঈশ্বর

  1. দেখুন যদি আমি বলি একটি দেশ

    দেখুন যদি আমি বলি একটি দেশ যখন অশান্তিময় হয় তখন এর জন্য কে দায়ি থাকে ? আমি বলব ধর্ম । এর প্রমান আমরা দেখছি অতীত থেকে বা এখনো চলমান । এমন কি আমাদের দেশ আজ স্বাধীন হয়েছে এর কারনেও কিন্তু এই ধর্ম দায়ি ।

    কিন্তু আপনার দাবী আর বাস্তবতা কিন্তু অনেক ভিন্ন। পৃথিবীতে অশান্তি সবচেয়ে বেশী হয়েছিল ১ম আর ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময়। কোটি মানুষ মারা গিয়েছিল। লাখ লাখ মানুষ গৃহিহীন, পংগু আর এতিম হয়েছিল। এসব যুদ্ধ তো ধর্মের কারনে হয় নাই।

    আবার হিটলার, স্টালিন, মাও সে তুং এই কয়েকজন নাস্তিক মিলেই কয়েক কোটি মানুষ হত্যা করেছে। ধর্মের কারনে কিন্তু এত মানুষ হত্যা করে নাই।

    আপনি কি যানেন- আমেরিকা, রাশিয়া, বৃটেন আর ইসরাইলের কাছে যে পরিমান পারবানবিক বোমা আছে তা দিয়ে পৃথিবী কয়েকবার ধংশ করা যাবে। কোটি কোটি মানুষ মুহুর্তের মধ্যে হত্যা করা যাবে। অথচ এই দেশগুলা কিত্নু ধর্মহীন স্যেকুলার দেশ।

    কাছেই বাস্তবতা আর আপনার দাবী সম্পুর্ন বিপরীত।

  2. আপানেকে কে বলছে হিটলার নিজ
    আপানেকে কে বলছে হিটলার নিজ ধর্ম প্রতিষ্ঠা করার জন্য যুদ্ধ করেছিল
    আর আপনি একটু লক্ষ্য করে দেখুন ধার্মিক দেশ গুল শান্তিময় নাকি অধার্মিক দেশ ??

    1. আপনি একটু লক্ষ্য করে দেখুন

      আপনি একটু লক্ষ্য করে দেখুন ধার্মিক দেশ গুল শান্তিময় নাকি অধার্মিক দেশ ??

      কিন্তু অধার্মিক দেশগুলা কিভাবে শান্তিতে আছে সেটা কি জানেন? সেটি হচ্ছে আধুনিক অস্ত্র আর পেশীর জোরে। অন্য দেশের তেল-গ্যাসের উপর দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করে। পারমানবিক অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে। শান্তিতে থাকা দেশগুলা কিছুদিন আগেও আমাদের ২০০ বছরের দাস বানিয়ে রেখেছিল। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী বানিয়েছিল। যেখানে আপনার নানা-দাদা দাশ হিসেবে কাজ করতেন। কাকে কি বুজাচ্ছেন আপনি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 23 = 24