প্রসঙ্গঃ রামপাল

রামপাল ও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র

রামপাল বাগেরহাট জেলার অন্তর্ভুক্ত একটি উপজেলা।৩৩৫.৪৬ বর্গ কিলোমিটারের এই উপজেলাটি সুন্দরবন এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এবং বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার কাছে এর ভৌগলিক গুরুত্ব অনেক।আর এ কারণেই রামপালের দিকে নজর পড়েছে ভারতের।২০ এপ্রিল বিদ্যুৎ ভবনে ভারতের সঙ্গে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হল। সই হওয়া এ তিনটি চুক্তির মধ্যে রয়েছে- যৌথ উদ্যোগ চুক্তি, বাস্তবায়ন চুক্তি ও বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি।২০১১-এর জানুয়ারিতে শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক হয়, যাতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সঞ্চালনের বিষয়টি ছিল। এরপর রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি ভারতের ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।
একটি অসম চুক্তি

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দুই দেশের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি নামে একটি কোম্পানিও গঠন করা হয়েছে।। এনটিপিসি ও পিডিবির যৌথভাবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। মোট ব্যয়ের ৩০ শতাংশ অর্থাৎ তিন হাজার ৯৬০ কোটি টাকা ব্যয় করবে পিডিবি ও ভারতীয় কোম্পানি অর্থাৎ প্রত্যেকে ১৫% করে বিনিয়োগ করবে। বাকি ৭০ শতাংশ বা ৯ হাজার ২৪০ কোটি টাকা অর্থায়ন হবে ঋণের মাধ্যমে যা এনটিপিসি বিভিন্ন ব্যাংক ও দাতা সংস্থার কাছ থেকে সংগ্রহ করবে।কাজেই মাত্র ১৫% বিনিয়োগ করেও বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ৮৫% মালিকানাই থাকবে এনটিপিসি’র।
উৎপাদিত বিদ্যুতের বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি এই চুক্তিতে। এনটিপিসি ও পিডিবির চুক্তি হওয়ার আগে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পিডিবি কী দামে বিদ্যুৎ কিনবে, জ্বালানি হিসেবে কয়লার মূল্য কত হবে এসব বিষয় চূড়ান্ত করার কথা থাকলেও তা হয়নি। পিডিবি ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসিকে বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রাক সমীক্ষা করতে বলেছিল । ভারতের এনটিপিসি প্রাক সমীক্ষা শেষে পিডিবির কাছে প্রথমে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১৪ টাকা ও পরে পুণঃপ্রাক সমীক্ষায় ৮.৫৫ টাকা দাবি করেছিল। এ বিষয়ে এক মত না হওয়ায় মূল্য নির্ধারণ ছাড়াই বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হওয়ার পর মোট ব্যয় ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রতি ইউনিট জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করে বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটি মূলত একটি ভারতীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রই হবে, যেখান থেকে সরকার চড়া দামে বিদ্যুৎ কিনবেএবং এটি করতে গিয়ে বাংলাদেশকে কোটি কোটি টাকা গচ্চা দিতে হবে আর পরিপূর্ণভাবে বিশাল অঙ্কের মুনাফা লুটে নিবে ভারতীয় কোম্পানি! আন্তর্জাতিক বিধান অনুযায়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে এক লিটার তেল প্রয়োজন হলেও এনটিপিসি কিন্তু প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য দুই লিটার তেল দাবি করছে। এনটিপিসির এই অন্যায্য দাবি মেনে নিলে বাংলাদেশের বিপুল অর্থ লোকসান গুনতে হবে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিক্রি করে যে পরিমাণ মুনাফা করবে ভারতীয় কোম্পানি তার পুরোটাই যেন ভারতে নিয়ে যেতে পারে তার জন্য কোম্পানিকে ১০ বছরের কররেয়াত সুবিধা দিয়ে দিল সরকার। এই কররেয়াত সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশের কোটি কোটি টাকা লোকসান মেনে নিয়ে সরকার ভয়াবহ ভারতীয় লুণ্ঠনের পথ প্রশস্ত করে দিচ্ছে।

পরিবেশ বিপর্যয়

১৩২০ মেগাওয়াটের একটি কয়লাচালিত তাপ বিদ্যুতকেন্দ্র বছরে সুন্দরবনের বাতাসে কি পরিমাণ বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ নির্গমন করবে তার একটি হিসাব(আনুমানিক) দেখানো যেতে পারেঃ
২৬০০০ টন সালফার ডাই অক্সাইড যাএসিড বৃষ্টির মূল নিয়ামক,২৬৫২০ নাইট্রোজেন অক্সাইড যা এসিড বৃষ্টির অন্যতম এবং রাসায়নিক কুয়াশার মূল নিয়ামক,৯.৬২ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড,১৩০০ টন ক্ষুদ্র কণা ( ক্ষতিকর রাসায়নিক যুক্ত),৫৭২ টন হাইড্রোকার্বন, ৫১৮ হাজার টন রাসায়নিক কাঁদা,৫৮৫ পাউন্ড আরসেনিক, ২৯৬ পাউন্ড সিসা , ১০ পাউন্ড ক্যাডমিয়াম, এর সাথে থাকবে ইউরেনিয়ামের মত তেজস্ক্রিয় পদার্থ। ২৭৫ মিটার উচু চিমনি থেকে নির্গত গ্যাসীয় বর্জ্যের তাপমাত্রা হবে ১২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে আশপাশের তাপমাত্রা বেড়ে যাবে।সুন্দরবনের পশু- পাখি, গাছপালার উপর চরম প্রভাব পড়বে। এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারণে সুন্দরবন বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা প্রকট। ঘূর্ণিঝড় সিডরে বাংলাদেশের সমগ্র সমতল ভূমিকে বাঁচিয়েছিল এই সুন্দরবন। এই বন বিলীন হয়ে গেলে যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ খুব সহজেই সমতল ভূমিকে আঘাত হানবে।
১৮৩০ একর ধানী জমি অধিগ্রহণের ফলে ৮ হাজার পরিবার উচ্ছেদ হবে। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মসংস্থান হতে পারে সর্বোচ্চ ৬০০ জনের, ফলে উদ্বাস্তু এবং কর্মহীন হয়ে যাবে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ পরিবার। শুধু তাই নয়, আমরা প্রতি বছর হারাব কয়েক কোটি টাকার কৃষিজ উৎপাদন।
এ ধরনের কয়লাভিত্তিক প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। রামপালের প্রকল্পের ক্ষেত্রে তা মেটানো হবে পশুর নদ থেকে। পশুর নদের পানি নোনা ও মিঠা জলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এই নদটির সঙ্গে ওই গোটা অঞ্চলের সামগ্রিক জীববৈচিত্র্যের সংযোগ রয়েছে। কিন্তু এই প্রকল্প তৈরি করতে গিয়ে সেই নদের অস্তিত্বকেই বিপন্ন করে ফেলা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মালামাল ও যন্ত্রপাতি সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে নদীপথে পরিবহন করা হবে। পরিবহন সুবিধার জন্য প্রয়োজন হবে নদীশাসনের।নদীশাসনের ফলে নদীর পানি ঘোলা হবে। বাড়তি নৌযান চলাচল, তেল নিঃসরণ, শব্দদূষণ, আলো, বর্জ্য নিঃসরণ ইত্যাদি সুন্দরবনের ইকো সিস্টেম বিশেষ করে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, ডলফিন, ম্যানগ্রোভ বন ইত্যাদির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে।নদীশাসন সঠিকভাবে করা না হলে তেল-গ্রিজ ইত্যাদি নিঃসৃত হয়ে নদীর পানি দূষিত হবে। পশুর নদের তীরবর্তী যে ম্যানগ্রোভ বনের সারি আছে তা কাটা পড়বে জেটি নির্মাণসহ বিভিন্ন কারণে।
কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র মারাত্মক পরিবেশ দূষণ ঘটায় বলে সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংরক্ষিত বনভূমি ও বসতির ১৫ থেকে ২০ কিমি এর মধ্যে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়না। প্রস্তাবিত ১৩২০ মেগাওয়াট রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পটি সুন্দর বন থেকে মাত্র ১৪ কিমি দূরে যা সরকার নির্ধারিত সুন্দরবনের চারপাশের ১০ কিমি এনভাইরনমেন্টালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া(ইসিএ) থেকে ৪ কিমি বাইরে বলে নিরাপদ হিসেবে দাবী করা হয়েছে। অথচ যে ভারতীয় এনটিপিসি বাংলাদেশে সুন্দরবনের পাশে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে সেই ভারতেরই ওয়াইল্ড লাইফ প্রটেকশান অ্যাক্ট ১৯৭২ অনুযায়ী, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৫ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে কোন বাঘ/হাতি সংরক্ষণ অঞ্চল, জৈব বৈচিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল, জাতীয় উদ্যান, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য কিংবা অন্যকোন সংরক্ষিত বনাঞ্চল থাকা চলবে না।
এই প্রকল্পের স্থান চূড়ান্ত করা, জমি অধিগ্রহণ থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরের যাবতীয় কাজ শেষ হওয়ার পর ‘পরিবেশগত প্রভাব নিরুপন’ সমীক্ষা ও জনসাধারণের মতামত চাওয়া হয়েছে পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের সাইটে, যা কিনা চুড়ান্তভাবে হাস্যকর।

এই ভারতীয় কোম্পানি এনটিপিসির মধ্যপ্রদেশে প্রস্তাবিত কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ভারতীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয় বাতিল করে দিয়েছে। তারা বলেছে, “বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির জন্য প্রস্তাবিত স্থানটি কৃষিজমি, যা মোটেই প্রকল্পের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। তাছাড়া নর্মদা নদী থেকে প্রকল্পের জন্য ৩২ কিউসেক পানি টেনে নেওয়া প্রকল্পের জন্য বাস্তবসম্মত নয়। কৃষি জমির সল্পতা, নিকটবর্তী জনবসতি, পানির সল্পতা, পরিবেশগত প্রভাব এসব বিবেচনায় এই প্রকল্প বাতিল করা হল।”

দায় সরকারের

সুন্দরবনের পরিবেশকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়ে রামপালে তাপ বিদ্যুতকেন্দ্র নির্মাণ চুক্তির দায় মার্কিন ভারত সাম্রাজ্যবাদের পদলেহনকারী সরকারের। ভারতীয় স্বার্থের কাছে বাংলাদেশের স্বার্থকে বিকিয়ে দিয়েছে স্বঘোষিত দেশপ্রেমিক শেখ হাসিনা।১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের সাথে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানিবণ্টনের অসম চুক্তি সই করে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০০৬ সালের ২১ মার্চ ভারতের সাথে মাদকদ্রব্য ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের অবৈধ পাচার রোধ চুক্তি এবং ২০০৭ সালের ৬ জুন দুদেশের পন্যের মান নিয়ন্ত্রণে সমঝোতা চুক্তি নামে দুইটি ভাওতাবাজির চুক্তি করে বি এন পি। আসলে আওয়ামী লীগ, বি এন পি, জামায়াতে ইসলাম, জাতীয় পার্টি সব দলের শ্রেণী চরিত্র এক। ক্ষমতায় বসে এরা দেশের মানুষের উপর চালিয়েছে ব্যাপক নিপীড়ন। বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থায় জনগণের স্বার্থ না বিবেচনা না করে বিবেচনা করে প্রভুদের স্বার্থ বিবেচনা করে তাবেদার ক্ষমতাসীন দলগুলো। প্রহসনের নির্বাচন ব্যবস্থায় তারা বারবার ক্ষমতায় আসে।
বাংলাদেশের নির্বাচন হল আমেরিকা – ভারতের স্বার্থের খেলা। আর আওয়ামী লীগ ও বি এন পি হল এদের ভৃত্য। আর তাই নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ভারত আওয়ামী লীগ সরকারকে চাপ দিয়ে তার স্বার্থ আদায় করে নিচ্ছে।আর নির্বাচন মুখী দল আওয়ামী লীগ তাতে সায় দিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনে জিততে হলে তাকে এটাই করতে হবে।দেশপ্রেম বা জনগণের স্বার্থ এদের কাছে তুচ্ছ বিষয়।
ভারতের সাথে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প চুক্তি সম্পন্ন হল, সুন্দরবন বিধ্বংসী এ চুক্তি অর্থনৈতিকভাবেও বাংলাদেশের জন্য মোটেই লাভজনক নয়, তা চুক্তির বিভিন্ন প্রস্তাবনায় সুনিশ্চিত! এখন উপায় একটাই গণপ্রতিরোধ, যে গণপ্রতিরোধ এশিয়া এনার্জিকে পাততাড়ি গুটিয়ে পালাতে বাধ্য করেছে ফুলবাড়ি কয়লাখনি থেকে, যে গণপ্রতিরোধ আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর স্থাপনের জীবন- জীবিকা বিধ্বংসী চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল, যে গণপ্রতিরোধ জন্ম দিয়েছিল কানসাট ফেনোমেনা , সেই গণপ্রতিরোধ দরকার রামপালে।

গণ অভ্যুত্থান দরকার শোষণের রাষ্ট্র ও সংবিধান ভেঙ্গে দিয়ে জনগণের রাষ্ট্র ও সংবিধান প্রতিষ্ঠা করার জন্য।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “প্রসঙ্গঃ রামপাল

  1. আপনার সাথে পুরাই সহমত।
    আপনার সাথে পুরাই সহমত। রামপালে তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পে জনগণের স্বার্থ রক্ষার কোন প্রচেষ্টাই সরকারের মধ্যে ছিল না। এখনো নাই।

  2. চমৎকারভাবে রামপালের বিদ্যুৎ
    চমৎকারভাবে রামপালের বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন। আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে দেশের স্বার্থের চেয়েও বড় হচ্ছে কিভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায়।

    পোস্টটি এক্সপ্রেস পোস্ট হিসেবে স্টিকি করার জন্য ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 48 = 55