প্রতিটি ধর্মগ্রন্থই কুসংস্কারে আচ্ছন্ন

সাম্প্রতি ভারতের হরিয়ানাতে একটি মেয়ে’কে গণধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষকেরা অভিযোগ তুলেছে, মেয়েটি গরুর মাংস খেয়েছে। মূলত, অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যে। পূর্বেও ভারতে এমন অসংখ্য ঘটনা ঘটেছিল। মোদীর হিন্দু পাঠারা ধর্ষণকে অঘোষিতভাবে বৈধ ঘোষণা করে রেখেছে। এই কারণে, এই ধরণের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে চলছে। ভারতে গরুর মাংস একটি বাহানা। মন চাইলে যাকে তাকে ধর্ষণ করে উল্লেখ করতে হবে গোমাতাকে অসম্মানের কারণে এমন পদক্ষেপ।

কে গরুর মাংস খাবে আর কে শূকরের মাংস খাবে এটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। গরুর মাংস খেলে হত্যা করতে হবে, শূকরের মাংস খেলে হত্যা করতে হবে এটা শুধু ধার্মিক অমানুষদের চিন্তাধারার বহিঃপ্রকাশ।ভারতে গরুকে মারাত্মক আদর-যত্ন করা হয়। রাস্তা দিয়ে গরু হেঁটে গেলে সবাই সম্মান প্রদর্শন করে। গরু তাদের মা। মনুষ্য মাও এত আপন না, যতোটা গোমাতা তাদের কাছে আপন। ভালোবাসার পাত্র। সম্মানের নিদর্শন। শ্রদ্ধার পাত্র। কুসংস্কারে ভরপুর এই সনাতন ধর্ম ব্যাপক হাস্যকর। গাভী গরুকে গোমাতা বলে কিন্তু বলদ গরুকে কৃষিকাজে দৌড়ের উপর রাখে। বলদ গরুর কোন সম্মান নেই।

২০১৫ সালে ভারতে ৩৪,০০০ হাজারের অধিক ধর্ষণের রিপোর্ট পুলিশের নথিতে লিপিবদ্ধ হয়েছে। নিশ্চয়ই আরও অসংখ্য অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেছিলো কিন্তু ভয়ভীতি, লজ্জার কারণে প্রকাশ পায় নি। ধর্ষণে ভারত অদ্বিতীয়।

প্রতিটি ধর্মগ্রন্থই কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। এই ধর্মগ্রন্থগুলোই মানুষকে হিংস্র আক্রমণাত্মক ধ্বংসাত্মক করে তুলতে সাহায্য করেছে। ভারতে গরু ধর্ষণের কারণ এবং বাঙলাদেশে পোশাক ধর্ষণের কারণ। যে গ্রন্থ মানুষকে আক্রমণাত্মক করে তোলে, সে গ্রন্থ অমানুষের। সে গ্রন্থ মানুষের মধ্যে হিংসার বীজ বপন করে, সে গ্রন্থ অসভ্যতাকে ধারণ করে রাখে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “প্রতিটি ধর্মগ্রন্থই কুসংস্কারে আচ্ছন্ন

  1. ভাই, প্রত্যেক ধর্মেই এরকম
    ভাই, প্রত্যেক ধর্মেই এরকম টোটেম ও ট্যাবু প্রথা আছে। আর সব ধর্মের মিথলজি ও এই ট্যাবু প্রথাগুলো হাস্যকর। তবে দেখতে হবে ঐ ধর্মের দর্শন কতটা সর্বজনীন ও প্রগতিশীল।।

  2. পৃথিবীতে ধর্ষনে সেরা ১০ টি
    পৃথিবীতে ধর্ষনে সেরা ১০ টি দেশের মধ্যে আছে আমেরিকা, বৃটেন, কানাডা, ভারত, ইথিওপিয়া, সুইডেন। খেয়াল করলে দেখা যাবে বেশীরভাগ দেশগুলই কিন্তু স্যেকুলার ধর্মহীন দেশ। এসব দেশে ধর্ষণ কেন বেশী হচ্ছে সেটি কি ব্যাক্ষ্যা করা যাবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

11 − 1 =