একটি নতুন পৃথিবী

এদেশের মানুষ কিন্তু কোনও কালেই সাম্প্রদায়িক নয়। বরঞ্চ সকল ধর্মের জনগোষ্ঠী পারস্পরিক সৌহার্দ-সম্প্রীতি বজায় রেখেই যার-যার ধর্মীয় পালা-পার্বন উদযাপন করে আসছে। অথচ ধর্মের নামসর্বস্ব কিছু রাজনৈতিক দলবাজ-ধর্মবাজের উস্কানিমূলক অপকর্মে ইন্ধনদাতা-মদতদাতার যোগসাজশেই শান্তির সহাবস্থানটি জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করার হীন-উদ্যেশ্য সংগঠিত হয়েই চলেছে । একের পর একেক অমানবিক হামলা শিকার বানাচ্ছে নিরীহ মানুষদের। এই অমানবিক অপকর্ম সাধনকারীরা মানবতার শত্রু। এদের একটাই অসত উদ্যেশ্য এই যে, যে করেই হউক শান্তিবিঘ্নিত একটি জ্বলন্ত পরিবেশের উত্থান ঘটানো। যাতে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ-এর ইমেজ আবারও জঙ্গীবাদের ইমেজ-এ পৌঁছায়। এই অপকর্মেই ভয়ঙ্করভাবে নিযুক্ত তারা। নিশ্চয় তাদেরকে সমূলে চিহ্নিত করার এখন-ই সময়। নইলে আমরা আমাদের সংখ্যালঘু ভাইদের অধিকার রক্ষায় ব্যার্থতার দায়ভারেই লজ্জিত অধোবদন হয়ে থাকবো। এইদেশে আগেও যারা এমন ঘটনার জন্মদাতা তাদের ক্ষমাহীন অপকর্মের দায়ে তাদের চরমতম শাস্তির দাবী জানাই। তারা বিবেকহীন-ধর্মব্যাবসায়ী-উগ্রপন্থীর অনুসারী শয়তানের দল। তাদের অন্তর বিদ্বেষ বিষে সিলমোহরকৃত বলেই লজ্জাবোধও নেই। অমানুষিক আচরণ তাদের। ছুরি-দা-ছেনি-কুঠার-বোমা-পিস্তল-এর অঢেল যোগান তাদের আন্ডারগ্রাউন্ড সংঘে। তারা প্রতিনিয়ত আঘাত হানছে আমাদের শান্তির সহাবস্থান জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করতে।
আমাদের এখন একযোগে এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার-সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবেই। সরকারেরও বিশেষ জরুরী পদক্ষেপ নিতেই হবে। সংখ্যালঘুরা যেন বিশেষ নিরাপত্তা সমেত জাতিগত অধিকারের নিশ্চয়তা পেয়েই এই অমানবিক-অপূরণীয় ভস্মীভূত বেদনাভার সইতে পারার মতোন শক্তি অর্জন করে। যতক্ষণ না তা সম্ভব হয়, ততক্ষণ-ই বিবেকবান-এর বিবেক লজ্জিত-অধোবদন হয়ে থাকবে।
মন্দির-মসজিদ-বাড়িতে আগুন জ্বালানো আর ভাঙচুরের মতো জঘন্যতম কাজ যাদের দ্বারা সঙ্ঘটিত হওয়া সম্ভব,তাদের কমবেশি সকলকে আমরা চিনি, যে তারা-ই বিশ্বময় অশান্তি সৃষ্টিকারী উগ্রপন্থীর অনুসারী। তাদের হাতেই যেন বা জিম্মি হবার পথে ভবিষ্যৎ অসাম্প্রদায়িক চেতনার নিরীহ জনগোষ্ঠী, এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছেনা কিছুতেই। অথচ আমরা সেজন্য কোনওরকম সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ নিচ্ছিনা। একজন লিখিয়ে হিসেবেই আমার মনে আসছে সেই মন্ত্রণা –
“জাগো বাহে কোনঠে সবাই …”
আমাদের সবার সন্মিলিতভাবে জেগে ওঠার জন্য এমন ডাকের বিষম প্রয়োজন …সবাই জেগে ঊঠলে শয়তান নিশ্চয় পালিয়েও বাঁচতে পারবেনা আসুন শয়তানের বিরুদ্ধে একযোগে জাগি সবাই …কঙ্কর নিক্ষেপে চিরতরে শয়তানকে বিতাড়িত করি।
(খুব বেশি কিছু চাইনা যুগে যুগে শয়তান থাকবেই,আমি চাই রাম রহিম রোজারিও ও বড়ুয়ারা একসাথে তার প্রতিরোধ করুক,তুমি আমাকে বলতেইই পারো আমি ডে ড্রিমার,হয়ত হবেও কিন্ত জেনে নিও এটা কেবল একমাত্র আমি নই)
Imagination

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 5 = 3