বাঙালী জাতির আশার প্রদীপ

জাতিসংঘ সাধারণ সম্মেলনে যোগদান শেষে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার দিন বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এমন সংবর্ধনা দেয়া হবে, যা হবে মনে রাখার মতো। কেননা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এখন এমন উচ্চতায় পৌঁছেছেন যে, তিনি শুধু আওয়ামী লীগের নয় পুরো বাঙালী জাতির আশার প্রদীপ। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। জীবনের মায়া ত্যাগ করে তিনি যেভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা , সাহিত্য সংস্কৃতি এমন কোন দিক নাই যেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া পরেনি। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য স্থানীয় অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা বিগত কয়েক দশকের বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি তার গৃহীত প্রদক্ষেপ এর মাধ্যমে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে জঙ্গিবাদ ও সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে তিনি তার দৃঢ মনোভাব ব্যক্ত করেন। আমেরিকা থেকে ইউরোপ, আফ্রিকা থেকে এশিয়ায় অগনিত নিরীহ মানুষ সন্ত্রাসবাদের শিকার হচ্ছে, এসব সংঘাত বন্ধ করে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সব দেশকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বর্তমানে প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন নারী আমাদের প্রধানতম রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত। শুধুতাই নয় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশের বেশি, সম্পদের সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে দারিদ্র্যের হার দ্রুত কমিয়ে আনা সম্বব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। তার এসব প্রদক্ষেপর জন্য বাঙালি জাতি সারা বিশ্বে নিজেদের সম্মান ও মযাদা সমুন্নত রাখতে সক্ষম হয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

7 + 1 =