দর্শনের সহজ পাঠ – ৬ : এপিকিউরাস – বাগানেরপথ ( শেষ পর্ব)


দর্শনের সহজ পাঠ – ৬ :
এপিকিউরাস – বাগানের পথ (শেষ পর্ব)

আগের পর্বগুলো:

দর্শনের সহজ পাঠ – ১: এক | দুই | তিন
দর্শনের সহজ পাঠ – ২: এক | দুই
দর্শনের সহজ পাঠ – ৩: এক | দুই | তিন
দর্শনের সহজ পাঠ – ৪: এক | দুই
দর্শনের সহজ পাঠ – ৫: এক
দর্শনের সহজ পাঠ – ৬: এক

বর্তমান তুরস্কের উপকূলের কাছেই অবস্থিত দ্বীপ সামোসে জন্ম নেয়া এপিকিউরাসের বৈশিষ্ট্যসূচক লম্বা দাড়ি ছিল, আর আমরা আগেই জেনেছি যে তিনি বিস্ময়করভাবে তিনি প্রায় ৩০০ র বেশী বইও লিখেছিলেন, যার কোনোটারই আর অস্তিত্ব নেই। স্পষ্টতই তার সময়ে তিনি ছিলেন অন্যতম বিখ্যাত দার্শনিক। যে বিষয়টি বিশেষভাবে বিখ্যাত করেছিল, সেটি হলো দার্শনিক জিজ্ঞাসায় সুনির্দিষ্ট একটি বিষয় নিয়ে নিরন্তর এবং দক্ষতার সাথে ব্যাখ্যা করার জন্য তার সমস্ত জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই বিষয়টি হচ্ছে happiness বা সুখ। এর আগে দার্শনিকরা সবাই জানতে চেয়েছিলেন কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায়, কিন্তু এপিকিউরাসই প্রথম তার চিন্তাকে ব্যবহার করেছিলেন কিভাবে সুখি হওয়া যায় সেই সত্যান্বেষণে। খুব কম দার্শনিকই তার মত এত সুস্পষ্ট ভাবে তাদের আগ্রহের বিষয় সম্বন্ধে স্বীকারোক্তি করেছিলেন ইতিপূর্বে।

আর সবাই বিস্মিত হয়েছিল বিশেষ করে যখন তারা শুনেছিলেন এপিকিউরাস সত্যি সত্যি একটি সুখী হবার প্রশিক্ষণের জন্য স্কুল চালু করেছেন। এথেন্সবাসীদের কাছে এই স্কুল ছিল রহস্যময়তায় ঘেরা, সেখানে ভিতরে কি ঘটছে সেই বিষয়ে নানা গুজব যেমন বিস্মিত করেছে এবং একই সাথে জন্ম দিয়েছে তীব্র কৌতুহলের। কিছু অসন্তুষ্ট এপিকিউরাস অনুসারী সেই স্কুলে কি ঘটছে সেই বিষয়ে বেশ কিছু মিথ্যা তথ্য পাচার করেছিল, অবশ্য যার সত্যতা নিয়ে সন্দেহ আছে। যেমন টিমোক্রাটিস নামের একজন বলেছিলেন, এপিকিউরাসকে দিনে দুইবার বমি করতে হয় কারণ তিনি তার সব সময় কাটান একটি গদির উপর বসে, সেখানে তাকে নানা মুখোরোচক খাদ্য আর পানীয় সরবরাহ করে ক্রীতদাসদের একটি দল। এবং ডাওটিমাস দি স্টয়িক প্রায় ৫০ টি অশ্লীল চিঠি প্রকাশ করেছিলেন, তার ভাষ্য মতে এপিকিউরাস নাকি তার এক শিক্ষার্থীকে উদ্দেশ্যে সেগুলো লিখেছিলেন, যখন তিনি মদ্যপ এবং তীব্র যৌনতাড়নায় আক্রান্ত হতেন।

এই সব গুজব ও কুৎসার জন্য এখনও আমরা এপিকিউরিয়ান বিশেষণটি ব্যবহার করি যখন আমরা কারো বিলাসী আর অবক্ষয়ের জীবনকে ব্যাখ্যা করি। কিন্তু এই বিশেষণটি সংশ্লিষ্ট কুৎসিৎ ইঙ্গিতগুলো আসলেই এপিকিউরাসের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন কিছু অভিযোগ ছাড়া আর কিছুই ছিলনা। এপিকিউরাসের জীবন উত্তেজনাপূর্ণ ছিল কম ঠিকই তবে অবশ্যই কৌতুহদ্দেীপক ছিল। এই অদ্ভুত গ্রীক দার্শনিকটি সত্যিকারভাবে মনোযোগ দিয়েছিলেন সুখ এবং আনন্দ কি সেই ব্যাখ্যায়। তবে বিলাসী জীবন, দামী খাওয়া কিংবা বাছবিচারহীন যৌনাচারের কোন উপস্থিতি সেখানে ছিল না। তার দুটো মাত্র আলখেল্লা ছিল, রুটি,পানি, অলিভ – এবং কদাচিৎ হয়তো এক টুকরো পনির ছিল তার এবং তার শিষ্যদের খাদ্য তালিকায়। তিনি তার জীবন কাটিয়েছিলেন ধৈর্য ধরে বহু বছর ধরে সুখ ও আনন্দের প্রকৃতি কি, সেই ভাবনায়।

তার সেই দার্শনিক ভাবনা সাহায্য করেছিল আসলেই আমাদের কি দরকার সুখি হবার জন্য সেই বিষয়ে একগুচ্ছ উল্লেখযোগ্য এবং বৈপ্লবিক কিছু উপসংহারে উপনীত হবার জন্য। আর তার সেই উপসংহারগুলো তার সময়ে ধারণা তো বটেই এবং আমাদের নিজেদের সময়ের ধারণার সাথে মেলে না।

এপিকিউরাস প্রস্তাব করেছিলেন আমরা সাধারণত তিনটি ভুল করি যখন সুখ বিষয়ে ভাবি।

আমরা মনে করি আমাদের রোমান্টিক কোনো সম্পর্কের প্রয়োজন –

এপিকিউরাসের সেই যুগেও, এখনকার মতই ভালোবাসা নিয়ে মানুষ মোহাচ্ছন্ন ছিল। কিন্তু এপিকিউরাস লক্ষ্য করেছিলেন যে সুখ এবং ভালোবাসা ( এবং বিয়ের তো বটেই) প্রায় কখনোই পরস্পর সঙ্গতিপূর্ণ নয় অর্থাৎ তাদের একসাথে পাওয়া যায় না, কারণ অনেক বেশী ঈর্ষা, ভুল বোঝাবুঝি এবং তিক্ততা। যৌনতা সবসময়ই জটিল এবং প্রেমের সাথে তাদের কদাচিৎ প্রীতিকর মিশ্রন হতে পারে। একারণেই – এপিকিউরাস উপসংহার টানেন – সবচেয়ে ভালো হবে সম্পর্কের মধ্যে খুব বেশী বিশ্বাস না রাখা। এর বীপরিত, তিনি লক্ষ্য করেছিলেন, বন্ধুত্ব কতো পরিপূর্ণতা দিতে পারে। এখানে আমরা নম্র, ভদ্র, ঐক্যমতে পৌছানোর চেষ্টা করছি, আমরা যেমন গালমন্দ করছিনা, তেমনি অপমানিতও করছি না, আর ঈর্ষায় কোনো কিছু নিয়ে আধিপাত্যপ্রবণ আচরণও করছিনা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সত্যিকারের বন্ধুদের সাথে আমাদের যথেষ্ট পরিমান সময় কাটানো হয়ে ওঠে না। আমরা আমাদের কাজ এবং পরিবারকে জীবনে অগ্রাধিকার দেই। আমরা যথেষ্ট পরিমান সময় বের করতে পারিনা, কারণ তারা অনেক দূরে থাকেন।

আমরা মনে করি, আমাদের অনেক বেশী পরিমান টাকা দরকার –

এখনকার মত তখনও মানুষ তাদের জীবিকা নিয়ে বিশেষ ভাবে ব্যস্ত ছিল, যার প্রধাণ উদ্দেশ্য হচ্ছে আরো বেশী অর্থ উপার্জন এবং আরো বেশী বাহবা কুড়ানো, সামাজিক অবস্থান নিশ্চিৎ করা। কিন্তু এপিকিউরাস অন্য কারো অধীনে এই ভাবে কাজ করার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছিলেন: ঈর্ষা, পরশ্রীকারতরা, কুৎসা রটনা এবং হতাশাপূর্ণ জীবনাকাঙ্খা। যে জিনিসগুলো কোনো কাজকে সত্যিকারের সন্তষ্টিদায়ক করে তুলতে পারে – …এপিকিউরাসের মতে, যখন আমরা অনুভব করতে পারি – আমরা হয় একা একা কাজ করতে পারি অথবা খুব ছোট গ্রুপে, যখন এটি অর্থবহ মনে হয় আমাদের কাছে, যখন আমরা অনুভব করতে পারি আমরা কোনো না কোনোভাবে এই পৃথিবীর কল্যাণে কাজ করছি বা কারো উপকারে আসছে আমাদের সেই কাজ। টাকা কিংবা বাড়তি চাকচিক্য আমরা আসলে খুজি না, আমরা কাজের মধ্যে আমাদের জীবনের পরিপূর্ণতা খুজি।

বিলাসী জীবনের প্রতি আমাদের বাড়তি আগ্রহ –

আমরা বিলাসী দ্রব্যের স্বপ্ন দেখি। একটি খুব সুন্দর বাড়ি, চমৎকার আভিজাত্যপূর্ণ ঘর, যেখান দেখে বাইরের দৃশ্য হবে মনোমুগ্ধকর। আমরা স্বপ্ন দেখি সুন্দর সাজানো কোনো জায়গায় বেড়াতে যাবার, যেখানে আমরা বিশ্রাম নেবো আর অন্যরা আমাদের দেখাশুনা করবে। কিন্তু এপিকিউরাস সুখের লক্ষ্যে এই সব কামণাগুলোর সাথে একমত ছিলেন না। বিলাসী কোনো ভাবনার কল্পনার আড়ালে, তিনি বিশ্বাস করতেন, তিনি আসলে মনের প্রশান্তি চান। কিন্তু এই প্রশান্তি শুধুমাত্র অর্জন করার কোনো সম্ভাবনা নেই দৃশ্য পরিবর্তন কিংবা চোখ ধাঁধানো কোনো দালানের মালিক হবার মাধ্যমে। প্রশান্তি হচ্ছে মনে আভ্যন্তরীর একটি প্রকৃতি এবং অবস্থা যা বহু বিশ্লেষণের ফলাফল। এটি আমরা অর্জন করি যখন আমরা আমাদের ভাবনাগুলোকে নাড়াচাড়া করে দেখি, পরিবর্তন করি এবং সঠিকভাবে তাদের বুঝতে পারি। সেকারণে আমাদের যথেষ্ট সময় দরকার পড়ার, লেখা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো ভালো শ্রোতার নিত্য সাহচর্য – একজন সহমর্মিতাপূর্ণ, দয়াশীল এবং বুদ্ধিমান মানুষ, এপিকিউরাসের সময় যে মানুষটি হয়তো দার্শনিক ছিলেন, বর্তমানে যাকে আমরা তুলনা করতে পারি কোনো থেরাপিস্ট এর সাথে।

সুখ নিয়ে তাঁর বিশ্লেষণে, এপিকিউরাস তিনটি নতুন ভাবনা উপহার দিয়েছিলেন:

– প্রথমত, তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি তাঁর বন্ধুদের সাথে বসবাস করবেন, মাঝে মধ্যে সাক্ষাৎকার করা যথেষ্ট না। এথেন্স এর বাইরে মোটামুটি কম খরচে তিনি একখণ্ড জমি কেনেন এবং সেখানে একটি বড় বাড়ি বানান, উদ্দেশ্য তিনি ও তার বন্ধুরা সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করবেন। প্রত্যেকের জন্য আালাদা আলাদা কক্ষ থাকবে, এছাড়া নিচের তলা আর খোলা মাঠে সবার একত্র হবার জায়গা তো আছেই। এভাবেই এপিকিউরাস নিশ্চিৎ করেছিলেন সমমনারা যেন একসাথে বসবাস করতে পারেন, যারা পরস্পরের সাহচর্য উপভোগ যেমন করবেন, তারা পরস্পরের প্রতি সহমর্মী ও দয়াশীল আচরণ করবেন। রুটিন করে সবাই দ্বায়িত্ব নেবে শিশুদের দেখাশোনা করার জন্য। সবার জন্যে একসাথে খাবার ব্যবস্থা থাকবে। কেউ চাইলে গভীর রাতে বারান্দা কিংবা করিডোরে বন্ধুর সাথে কথা বলতে পারবেন। এপিকিউরাসের এই বাড়িটি পরিচিত ছিল দ্য গার্ডেন নামে, বিশ্বের প্রথম সত্যিকারের কমিউন।

-দ্বিতীয়ত, কমিউনে বাস করা সবাই অন্য কারো জন্য চাকরী করা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তারা তাদের আয় যথেষ্ট পরিমান কমে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিয়েছিলেন কারণ তারা সবাই সেখানে জীবনকে পরিপূর্ণ করার কাজে মনোযোগের সাথে নিয়োজিত হতে পেরেছিলেন। এপিকিউরাসের কিছু বন্ধু তাদের পরিশ্রম দিয়েছিল কৃষিকাজে, কেউ আসবাবপত্র নির্মানে কেউ বা শিল্পকর্ম সৃষ্টির প্রচেষ্টায়। অবশ্যই সেখানে যথেষ্ট পরিমান সম্পদ বা অর্থ বিত্ত ছিলো না ঠিকই, তবে সবার যথেষ্ট পরিমান অন্তর্নিহিত সন্তুষ্টিকে অনুভব করার সুযোগ পেয়েছিলেন।

-তৃতীয়ত, এপিকিউরাস এবং তার বন্ধুরা তাদের নিয়োজিত করেছিলেন তাদের নিজেদের অন্তর্দৃষ্টি যৌক্তিক বিশ্লেষণের দ্বারা মানসিক প্রশান্তি অনুসন্ধান করার জন্য। তারা প্রতিদিনই তাদের সময় ব্যয় করেছিলেন তাদের সব চিন্তা আর দুশ্চিন্তাকে বিশ্লেষণ আর ব্যবচ্ছেদ করার জন্য। যা তাদের মনকে শুধু তীক্ষ্ম করেনি, দর্শনের সেরা কিছু প্রশ্নকে মোকাবেলা করা দক্ষতাও তারা অর্জন করেছিলেন।

এপিকিউরাসের এই পরীক্ষামূলক জীবন খুব সহজে আকর্ষণ করে বহু মানুষকে। এপিকিউরিয়ান কমিউনিটি পত্তন ঘটেছিল ভূমধ্যসাগরের চারপাশে বহু জায়গায, যা হাজার হাজার অনুসারীকে আকর্ষণ করেছিল। বহু প্রজন্ম ধরেই তারা দারুন ভাবে বসবাস করছিল, কিন্ত আগ্রাসী এবং ঈর্ষান্বিত খ্রিস্টীয় চার্চ পঞ্চম শতাব্দীতে এই সব কমিউনিটিগুলোকে নৃশংসভাবে নিপীড়ন করেছিল। এমনকি তারপরও মূল সেই তাড়নাটি কখনোই হারিয়ে যায়নি, যাদের অনেকগুলোই রুপান্তরিত হয়েছি মঠ কিংবা সন্যাস আশ্রমে। আধুনিক যুগেও এপিকিউরাসের গুরুত্ব দেখতে পাই আমরা।

কার্ল মার্কসের পিএইচ ডি থিসিসের বিষয় ছিলেন এপিকিউরাস, এবং তিনি তাকে তার সবচেয়ে প্রিয় দার্শনিক হিসাবেই ভাবতেন। যাকে আমরা কমিউনিজম বলে ডাকি, সেটি মূলত আকারে এপিকিউরানিজম এরই আরো বড় – এবং বলা যায় আরো বেশী কতৃত্ববাদী এবং আনন্দ বিবর্জিত সংস্করণ।

এমনকি আজও এপিকিউরাসকে উন্নত ভোগবাদী পূঁজিবাদী সমাজের জীবনের অপরিহার্য পথ প্রদর্শক হিসাবে মনে করা হয়, কারণ বিজ্ঞাপন – যার উপর এই পুরো ব্যবস্থাটির ভিত্তি দাড়িয়ে আছে – কাজ করে খুব চালাকীর সাথে – সুখী হবার জন্য কি প্রয়োজন সেই বিষয়ে মানুষকে সংশয়গ্রস্থ করে তোলার মাধ্যমে । প্রায় অবিশ্বাস্য সংখ্যক বিজ্ঞাপন তিনটি বিষয়ে মনোযোগ দিয়ে তার ক্ষতিকর প্রভাবটিকে কার্যকর করে – এপিকিউরাস যাদের চিহ্নিত করেছিলেন সুখের মিথ্যা প্রলোভন হিসাবে – রোমান্টিক ভালোবাসা, পেশাগত সামাজিক অবস্থান এবং বিলাসিতা। বিজ্ঞাপনগুলো কখনোই কাজ করতে পারতো না এত সফলতার সাথে, যদি সেগুলো আমাদের আসল প্রয়োজনগুলো সংশ্লিষ্ট সত্যিকারের বোধ নিয়ে কাজ করতে চাইতো। তারপরও তারা আমাদের আকর্ষন করে, সেই চাহিদাগুলোকে প্ররোচিত করে ঠিকই, কিন্তু পুরোপুরিভাবে সেই তৃষ্ণা মেটাতে অস্বীকৃতি জানায়।

এপিকিউরাস আমাদের আমন্ত্রণ জানান আমাদের নিজেদের বিষয়ে আমাদের বোঝাপড়াটিকে পরিবর্তন করার জন্য এবং সেইভাবে সমাজ পরিবর্তন করার জন্য। আমাদের নিজেদেরকে এবং এই পৃথিবীকে নিঃশেষ করা উচিৎ হবে না সেই সব জিনিসের জন্য যারা আমাদের সম্ভবত কখনোই সন্তুষ্ট করবে না এমনকি যদি আমরা সেটি অর্জনও করি। আমাদের প্রয়োজন দর্শনের কাছে ফিরে যাওয়া এবং সুখী হবার আরো বেশী গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর আন্তরিকভাবে অনুসন্ধান করা।

এপিকিউরাস পর্ব সমাপ্ত ( আপাতত..)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 + 2 =