পর্যটনের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ

২০১২/২০১৩ সালে আমাদের দেশে একটা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ছিল। এই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশে পর্যটকদের সংখ্যা মারাত্বক ভাবে কমে যায়। তারপরে আস্তে আস্তে একটু স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। এরপর হলিআর্টিজেন ও শোলালিয়ায় হামলার ঘটনায় পর্যটন শিল্প মারাত্বক ভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে। সেটার রেশ আমরা মনে করি এখনও আছে। সেপ্টম্বরের পর থেকে আস্তে আস্তে আমরা উন্নতির দিকে দাবিত হচ্ছি। হাইওয়ের সাথে পর্যটনের এরিয়া গুলোতে কানেকটিভিটি নাই। আমরা এটি দিতে পারছি না। ১লা জুলাই হামলার পরে এর প্রভাব পড়েছে আমাদের পর্যটক খাতে। বর্তমান সরকারের স্বদিচ্ছায় তা কাটিয়ে উঠতে আমরা সফল হয়েছি। বাংলাদেশে বিদেশীরা কিন্তু আসছে এবং আমাদের টার্গেট হচ্ছে ২০১৮ সালে ১০ লক্ষ ভিজিটরস বাংলাদেশে আসবে। সেটি আমরা অর্জন করতে পারবো বলে আমরা বিশ্বাস করি। বিদেশীদের জন্য আমাদের একটা নিরাপদ রাষ্ট্র, এই জায়গাটা আমরা প্রমান করতে পেরেছি। বিদেশী দেশগুলো আমাদের বিষয় যে কৌতুহল নানা দিক থেকে। কিন্তু সম্ভাবনার এবং অনেক জায়গা থেকে একটা লোভনীয় অবস্থানে আছি আমরা। বাংলাদেশের যে সম্ভাবনার জায়গাটা এটা সবার কাছে ঈর্ষার জায়গায় দাড়িয়েছে। আস্তে আস্তে আমরা যে অর্থনীতি প্রবৃদ্ধিতে একটা ভাল জায়গায় যাচ্ছি এবং অনেক জায়গাতে আমরা ইতিবাচক জায়গায়। এই জায়গাটিকে নষ্ট করার জন্য আমার মনে হয় কোন দুষ্টচক্র আন্তর্জাতিক ভাবে কাজ করে। পর্যটকদের ক্ষুধা মিটাতে তাদের যাওয়ার জন্য যে সুন্দর একটা পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। ট্যুরিষ্টদের জন্য আমরা নদীকে ব্যবহার করতে পারি। সকল প্রকার নিরাপত্তা বিধান করে দেশের সম্ভাবনাময় স্থানগুলো ট্যুরিজম উপযোগী করে তুলতে পারলে বাংলাদেশ বিদেশীদের নিকট একটি বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 71 = 74