হতচ্ছাড়া কথন ০২

ভাই আপনে নাকি ডাক্তার আইজু?

আরে যাহ, আমি আইজু হমু কেন?

কন কি বস?

লোকজন তো আপনারে তাই মনে করে।

ধুর বলদা। আইজু হইলো পিয়াল, মহামান্য, রাসেল রহমান, আরিফ জেবতিক।

কেমনে কি? চাইরজন কেমনে একলগে বান্দর হয়? আগেতো জানতাম বান্দর থেইকা মানুষ হইছে, এখন দেখি মানুষ থেইকা বান্দর।

আরে ব্যাটা হেরা সবাই পাসওয়ার্ড জানতো। একেকজন একেকবারে ঢুইক্যা পোস্ট দিতো।

তাইলে হেরা তো দেখি আবার ডাক্তারের নামে পোস্ট দিত।

এইগুলান নাটক। মানুষরে সলিম বুঝ দেওনের লাইগা করতো।

আপনে মিয়া ছাগুগো পাল্লায় পড়ছেন দেখি। শুনেন তাইলে শাহবাগ গনজাগরন মঞ্চের পোলাপান ক্যান আইজু কেডা খুইজা বের করবে?

তাইতো এইটাতো হিসাব করি নাই। (মাথা চুলকানোর ভংগুতে)

তাইলে শুনেন, আইজু এতদিন সবার হিরো আছিল। কারন সে অনলাইনে ছাগু পুন্দাইছে। এখন সে নিজের দলের ভন্ডদেরও পোন্দানো শুরু করছিল। ড. ইমরান এইচ সরকার আওয়ামি লীগের বিশেষ মিশন নিয়া অনলাইনে আইছিলো। তার টার্গেট ছিল অনলাইনের নিয়ন্ত্রন নেয়া। গনজাগরন মঞ্চ ছিল তার হিসাবের বাইরে। সেইটা শুরু হওয়া মাত্র তার কাজে গতি শুরু আসলো এবং সোজা হয়া গেলো। একে একে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির সব পেজ সে দখল করার জন্য হুলিয়া জারি করল। অথচ একটা পেজ চালাইতে পোলাপানগুলান রাত জেগে নির্ঘুম জেগে জনমত তৈরী করে গেছে। আইজু সেইটার প্রতিবাদ করছিল। সেইখানে শত্রুতার শুরু।

কিন্তু সে তো গনজাগরন মঞ্চের বিপক্ষেই আছিল।

আরে সেইটা ছিল তার তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া। পরে কিন্তু সে ঠিকই এরপক্ষে দাড়াইছে। একটা মানুষ চেনার সবচাইতে বড় উপায় হইলো তার সত্যটা চেনার মধ্যে দিয়ে এবং তা স্বীকার করার মাধ্যমে।

আপনে কইলেই হইলো নাকি, সে গনজাগরনের মঞ্চের কার্যক্রম নিয়া যা তা করছে। বেলুন কর্মসুচি এমনকি কন্ডম ফুলানি বলতেও ছাড়ে নাই।

খাইছেরে বোদ্ধা আইছে আমার, আপনে কইতেছেন রাজাকারদের ত্যাগ করেন। কেমনে ত্যাগ করবেন সেইটা বলতেছেন না। সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হইতেছে, জামাত শিবির ধুমায়া আতংক তৈরী করতেছে, মানুষ খুন করতেছে। আপনে গনজাগরন মঞ্চ থেইকা একটা প্রতিরোধের ডাক দিতেছেন না সাধারন মানুষের উদ্দেশ্যে। কোন চ্যাটের নেতা হইছেন আপনে মানুষ কি করবে সেইটা ঠিক করে একটা আহবান করতে পারেন না। বারবার সরকারের উপরে ছাইড়া দিতাছেন। চোখের উপরে ঠুলি লাগায়া আছেন নাকি, দেখতাছেন না সরকার নিজেই অসহায়। পুলিশ মরতাছে অহরহ। সাধারন জনগনের দায়িত্ব নিয়া নাম দিতাছেন “গনজাগরন মঞ্চ”, কিন্তু তাদের আপনে একটা সাধারন প্রতিরোধের ডাক দিতে পারেন না অথচ মানুষ বইসা আছে আপনার উপর দায়িত্ব নিয়া। ওড়না কার বুকে সে বাইন্ধ রাখছিল শুনি!

আচ্চা আইজুর পরিচয় কেমনে এরা খুইজা বাইর করলো কোন ধারনা আছে আপনার?

থাকবো না ক্যান, আইজু না হয় আপনারে একটা হিসাব দিতে কইছে। কিন্তু সেইটা না দিয়া আপনে সাত সমুদ্দুর তেরো নদী পার হয়া আইজুরে খুইজা বাইর করলেন। একটা ব্যালেন্স শিট বানানির ক্ষ্যামতা নাই আপনার কিন্তু সুদুর আমেরিকা থেইকা আইজুর নাড়িভুঁড়ির খবর ঠিকই বাইর কইরা ফালাইলেন। সে আমেরিকা থাকে বুইলা মনে হয় মারতে পারে নাই, নাইলে তো খুনই হয়া যাইতো। কি এমন মধু সেই ব্যালেন্স শিটে, আল্লাহ মাবুদ জানে।

তাইলে কি আপনে কইতাছেন এইখানে কোন ঘটনা আছে?

এখনতো তাই মনে হইতাছে। নাইলে এইরকম হইবো কেন। যতদিন সে আপনার সাথে আছিল সবই ভালো আছীল। এখন এতই খারাপ হইলো যে হ্যাকার ভাড়া করতে হইলো। আচ্ছা এই হ্যাকার ভাড়া করার ট্যাকা কে দিল? আর ইমরান যে প্রায়ই নতুন নতুন পাঞ্জাবি পরে এইটাতো মিছা না। তারা বলে পিজির গোরস্থানে থাকে আবার সেই ছবিও বাইরে ছাড়ে। মনে রাইক্ষেন অতি ভক্তি চোরের লক্ষন। জিয়াউর রহমানও কইলাম স্যান্ডো গেঞ্জি গায়ে দিয়া খাল কাটতো। পরে সেই খাল দিয়া কুমির না, জামাত শিবিরের এই দেশে নতুন কইরা পয়দা হইছে।

আইজুর লাইগা মন খারাপ লাগতাছে ভাই এখন, সে কি আর কোনদিন ফিরা আইবো না।

শুনেন মিয়া ভাই, আইজু আসুক আর নাই আসুক। সে তার কাম কইরা গেছে। আইজু হইলো একটা ধারনা, একটা চেতনা। যখন প্রবল অন্ধকারে, প্রচন্ড ঝড়েও কোথাও একটা বাতি জলতে দেখবেন, বুঝবেন সেইটা আইজু। যখন কেউ সত্য বলার সাহস করবে না, খরস্রোতা নদীর স্রোতের বিপক্ষে কেউ দাঁড়াতে চাইবে না, তখন দেখবেন কেউ একজন দাড়ায়া গেছে, সেইটা আইজু। আইজু বাস করে আমাদের মতন হতচ্ছাড়াদের বুকে সত্য প্রদীপ হয়ে। প্রবল বর্ষনে পৃথিবীর সব আলো নিভে গেলেও, বুকের সেই আলো নিভবে না। বরং স্থানান্তরিত হবে অন্য কোন হতচ্ছাড়াদের বুকে। এই রঙ্গিন দুনিয়াতে সাদাকালো মানুষের বড় দরকার ভাই। যারা মানুষের মুখোশ নিয়ে পশু হবে না, কিন্তু প্রবল শক্তি নিয়ে পশুর মুখোশ নিয়া মানবতা, সত্যের পক্ষে বুক চিতিয়ে লড়াই করবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৬ thoughts on “হতচ্ছাড়া কথন ০২

  1. অনলাইন পলিটিক্স নিয়ে কখনই
    অনলাইন পলিটিক্স নিয়ে কখনই মাথা ঘামাই নাই। আর অনলাইন সেলিব্রেটিদের সবসময় এড়িয়ে চলেছি। ইদানিং বুঝতে পারছি অনলাইনে খুব নোংরা পলিটিক্স চলে, ছাগুদের পলিটিক্স থেকে যা কোন অংশে কম না। :কনফিউজড:

    1. অনলাইন তো শুধুই আরেকটা
      অনলাইন তো শুধুই আরেকটা প্লাটফরম তাই না ? বাস্তবের সেই লোক গুলোই কিম্বা তাদের মতো মানুষ গুলোই তো এখানে লিখছে, সুতরাং এখানেও একই ঘটনা ঘটবে – এ আর অবাক কি, বলেন ?

      1. হুম, যতোই দেখছি, ততোই অবাক
        হুম, যতোই দেখছি, ততোই অবাক হচ্ছি… একসময় হতবাক হয়ে নির্বাক হয়ে যেতে হয় কিনা সেটাই ভাবছি আজকাল।

      1. অনলাইন অফলাইন দুই লাইনেই
        অনলাইন অফলাইন দুই লাইনেই নোংরা পলিটিক্স চলে আবার সুস্থ পলিটিক্সও চলে।

  2. আইজু হচ্ছে একটা সাহসের নাম।
    আইজু হচ্ছে একটা সাহসের নাম। আইজুকে দেখেই অনেকে ব্লগে হাত খুলে লেখার সাহস পেয়েছে। Miss u আইজু

    1. কারো থেকে কোন কিছু Quote করলে
      কারো থেকে কোন কিছু Quote করলে নাম দিতে হয়!!
      সুনীলের কবিতার চরম অপব্যবহার দেখলাম!!

      দেখুন, আদর্শবাদী হলে কোন ব্যক্তি নিজের পরিচয় গোপন করতে হয় না!
      যখন সে নিজেই তার এই স্বত্বাকে কিছুটা ঘৃণা করবে তখনই সে অন্য পরিচয়ে কথা বলবে।
      তার মধ্যে কোন আদর্শের কিছু ছিল না। সে ছিল চরম হঠকারী আর, স্বেচ্ছাচারী এক চরিত্র!!
      এই বাংলায় সবার কঠোরতম গঠনমূলক সমালোচনা করেছেন আহমেদ শরিফে, আহমেদ ছফা, হুমায়ুন আজাদ, ডঃ আব্দুর রাজ্জাক’রা!! আর যে সাত-সমুদ্র তের নদী পারে থেকে সবার নৈতিক সমালোচনা করবেন তার কিসের ভয়? যদি সত্য – ন্যায়ের কথা বলতেন সে নিজের পরিচয়েই বলতেন!!

      তার আচারনই প্রমান করে সে আত্ম-স্বীকৃত নীতিভ্রষ্ট মানুষ!!

  3. এই পোস্টে কিছু ফাত্রামি আছে।
    এই পোস্টে কিছু ফাত্রামি আছে। ডাক্তার আইজু কি ছিলেন সেটা আমরা জানি। উনার অবদানের কথাও স্বীকার করি। কিন্তু গনজাগরন মঞ্চে যারাই টাকা দিয়েছেন তা স্বেচ্ছায়। কারো কাছে হিসাব দেয়ার দায়বদ্ধতা গনজাগরন মঞ্চ নেয় নাই। তারা কি কাজ করবে কর্মসুচি দিবে নাকি হিসাব নিকাষে ব্যাস্ত থাকবে? গনজাগরন মঞ্চ যা করেছে তা ছিল তার কর্তব্যের এবং বর্তমান কাজের বাইরে, শুধুই দেশ এবং মানবতার ডাকে। দয়া করে এর মধ্যে কেউ এইসেই জটিলতা খুজবেন না। সামনে বহুদূর বন্ধুর পথ, পাড়ি দিতে হবে একসাথে।

  4. তাই বলে আইজুকে টোটালি ডেড
    তাই বলে আইজুকে টোটালি ডেড বানায়ে দিতে হবে। পরিবার নিয়ে অশ্লীলতা কেউই পছন্দ করে না। ছাগুরা এমনটা করলেও আইজু যাইত না। ৬ বছর কি করেছে ! তার প্রতিদান সহযোদ্ধাদের কাছে ভালৈ পেলো।

    অ্যানিওয়ে আইজুকে আমি নিজেও পছন্দ করিনা। আইজুর পোষ্টে গিয়ে আইজুকে ছাগু বলে গালি দিছি। এখানেই শেষ হওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু জামাত শিবির নিষিদ্ধে প্রধান এক পুরাতন যোদ্ধা হারানো এবং এর ফলে অনেক ফলোয়ার হারানো কাটিয়ে ওঠা ক্যামনে যায় নজর দেন।

  5. যখন প্রবল অন্ধকারে, প্রচন্ড

    যখন প্রবল অন্ধকারে, প্রচন্ড ঝড়েও কোথাও একটা বাতি জলতে দেখবেন, বুঝবেন সেইটা আইজু। যখন কেউ সত্য বলার সাহস করবে না, খরস্রোতা নদীর স্রোতের বিপক্ষে কেউ দাঁড়াতে চাইবে না, তখন দেখবেন কেউ একজন দাড়ায়া গেছে, সেইটা আইজু

  6. শুনেন মিয়া ভাই, আইজু আসুক আর

    শুনেন মিয়া ভাই, আইজু আসুক আর নাই আসুক। সে তার কাম কইরা গেছে। আইজু হইলো একটা ধারনা, একটা চেতনা। যখন প্রবল অন্ধকারে, প্রচন্ড ঝড়েও কোথাও একটা বাতি জলতে দেখবেন, বুঝবেন সেইটা আইজু। যখন কেউ সত্য বলার সাহস করবে না, খরস্রোতা নদীর স্রোতের বিপক্ষে কেউ দাঁড়াতে চাইবে না, তখন দেখবেন কেউ একজন দাড়ায়া গেছে, সেইটা আইজু। আইজু বাস করে আমাদের মতন হতচ্ছাড়াদের বুকে সত্য প্রদীপ হয়ে। প্রবল বর্ষনে পৃথিবীর সব আলো নিভে গেলেও, বুকের সেই আলো নিভবে না। বরং স্থানান্তরিত হবে অন্য কোন হতচ্ছাড়াদের বুকে। এই রঙ্গিন দুনিয়াতে সাদাকালো মানুষের বড় দরকার ভাই। যারা মানুষের মুখোশ নিয়ে পশু হবে না, কিন্তু প্রবল শক্তি নিয়ে পশুর মুখোশ নিয়া মানবতা, সত্যের পক্ষে বুক চিতিয়ে লড়াই করবে।

    অন্যকিছুতে যাবো না, শুধু এইখানে কেউ দ্বিমত পোষণ করলে বুঝব তার সমস্যা আছে।

    1. আমি দ্বীমত না , এই কমেন্ট যে
      আমি দ্বীমত না , এই কমেন্ট যে করেছে তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে সন্দিহান। পাবনাতে আত্মীয় স্বজন থাকলে সিট বুকিং দিতে কন।

      আইজু হইলো একটা ধারনা, একটা চেতনা। যখন প্রবল অন্ধকারে, প্রচন্ড ঝড়েও কোথাও একটা বাতি জলতে দেখবেন, বুঝবেন সেইটা আইজু। যখন কেউ সত্য বলার সাহস করবে না, খরস্রোতা নদীর স্রোতের বিপক্ষে কেউ দাঁড়াতে চাইবে না, তখন দেখবেন কেউ একজন দাড়ায়া গেছে, সেইটা আইজু। – See more at: http://www.istishon.com/node/1581#sthash.MgAiiAdQ.dpuf

      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

      শেষকালে এই দিন আইল, যে আইজু আমাগো চেতনা, আইজু ফিলিপস বাত্তি?!!! তাইলে বাংলা ব্লগ হইল একটা চটি সাইটের স্বমন্বয়।

  7. হে হে মহামানব দেখি আইজূ, এইটি
    হে হে মহামানব দেখি আইজূ, এইটি চেতনা, সত্যের ঝান্ডাধারি। ৮৬র নির্বাচনে ২০০ কোটি ট্যাকা খাইয়া তার নেত্রী এরশদের লগে লং ড্রাইভ মাইরা নির্বাচন করল। কথা গুলি মৌদুদের, সে জিবীত।
    বাদ দেন- আমারে বলেন , কেন আওয়ামিলীগ ৮৬ নির্বাচনে গেছিল। আইজূ কোনদিন এই সত্য নিয়া কথা কইছে। সত্য কওয়ার মত বিচি এই বাংলায় কার নাই। আইজূ একটা দলকানা, একটা ফ্যাসিস্ট চেতনা। আওয়ামিলীগের কাছে হোগা বান্দা দেওয়া। ইমরানের হোগার কদর বাড়াতে সে বিপন্ন ছিল। দ্যা ক্লাসিক পেটি ক্লাস। দ্যাটস ইট।

  8. দেখুন, আদর্শবাদী হলে কোন
    দেখুন, আদর্শবাদী হলে কোন ব্যক্তি নিজের পরিচয় গোপন করতে হয় না!
    যখন সে নিজেই তার এই স্বত্বাকে কিছুটা ঘৃণা করবে তখনই সে অন্য পরিচয়ে কথা বলবে।
    তার মধ্যে কোন আদর্শের কিছু ছিল না। সে ছিল চরম হঠকারী আর, স্বেচ্ছাচারী এক চরিত্র!!
    এই বাংলায় সবার কঠোরতম গঠনমূলক সমালোচনা করেছেন আহমেদ শরিফে, আহমেদ ছফা, হুমায়ুন আজাদ, ডঃ আব্দুর রাজ্জাক’রা!! আর যে সাত-সমুদ্র তের নদী পারে থেকে সবার নৈতিক সমালোচনা করবেন তার কিসের ভয়? যদি সত্য – ন্যায়ের কথা বলতেন সে নিজের পরিচয়েই বলতেন!!
    তার আচারনই প্রমান করে সে আত্ম-স্বীকৃত নীতিভ্রষ্ট মানুষ!!

    আর মাঝে মাঝে সুন্দর সুন্দর ভাল কথা আন্দালিভ, এরশাদরাও বলে!!
    আদর্শহীনের জন্যে কি আদর্শহীন হঠকারী তৈলমর্দন!!
    ধিক!! ধিক…
    এখন দেখি psycho দের জন্যেও মানুষ কাঁদে!!

  9. আইজুর লাস্ট
    আইজুর লাস্ট স্ট্যাটাসঃ
    “থ্যানক ইউ বাংলাদেশ- আমি উদায়ন্ত পরিশ্রম তোমার জন্য করেছি গত ৬ বছর এবং সে পরিশ্রমের ফল আমি পেয়েছি! আমার বউয়ের ওয়ালের ব্যাক্তিগত ছবি নিয়ে রাজনীতিবিদদের মতো পোষ্ট করা হয়েছে- আমার আনলিষ্টেড ফোন এনড হোম এড্রেস পাবলিশ করা হয়েছে! নিরাপত্তা অবশ্যই বিঘ্নিত হবে আমাদের- ফোন হয়তো সহজে পরিবর্তন করা সম্ভব-বাড়ী পরিবর্তন
    অসম্ভব! আমি অভিনন্দন জানাই শাহবাগের সাথে জড়িত প্রতিটি মানুষকে-আপনারা নেতা হউন- আপনার গনপ্রতিনিধি হউন-তবে কি দেশ আপনারা জনগনকে দিবেন তা এটাতে প্রমান হলো! আপনার এখানে সব গালাগালি রেখে যেতে পারেন! আপনারা জিতসেন- আমি হারসি- খুব সোজা হিসাব-হারা দল হিসাবেই আমার ফিলডে আর থাকা উচিত না! তাই এই একাউনটটি ডিএকটিভেট করা হবে আগামী ৬ ঘন্টা পরে! আমার ব্লগের একাউনটটি ডি একটিভেটে করতে আমি রিকুয়েসট করেছি আমার ব্লগের এডমিনদের – ইউ গায়েস ওয়ান-আমার বৌ আর পুত্র কন্যা নিয়ে আমি তোমাদের সাথে জুয়া খেলবোনা-আমি একজন ভীতু মানুষ-আইজু উড
    হ্যাভ ফট শরীফ উইল এসকেপ!”

    আশা করি আর কারো বুঝতে সমস্যা হাওয়ার কথা না, যে এই লোকটা কতটা অসুস্থ!!
    Controversy করে করে বিতর্কের মাধ্যমে জনপ্রিয় হওয়ায় তার মূল লক্ষ্য!!
    সে তো স্যাডিস্ট তার জন্যে তার আমেরিকায় সাজা হয়েছে, আর ভার্চুয়াল জগতেও তার বিচার হইছে!!
    যার আদর্শিক আর, নৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢের আগে,
    যার জন্যে ওই ব্যক্তি নিজেই তার দ্বৈত সত্তার জন্যে পরাজয় স্বীকার করেছে,
    তার জন্যে কাঁদার লোকও আছে দেখি!!

    ভাল তো , ভাল না!!!

  10. বাংলা ব্লগে যদি কোনো খাঁটি
    বাংলা ব্লগে যদি কোনো খাঁটি মাদারফাকার থাকে সেটা হচ্ছে এই ডাঃ আইজু। আমার প্রথম ধারনা ছিলো এই ক্যারেকটারটা বানানো হইছিলো শুধুমাত্র অনলাইনে বামদের সাইজ করার জন্য। আমার পরিচিত যত বাম ঘরনার বন্ধু-বান্ধব আছে তাদের স্ট্যাটাসে আইজুর কমেন্ট পড়ে আমার তাই মনে হতো। বামদের করা যে কোনো প্রোগ্রামের বিরুদ্ধে সে ছিলো সবচাইতে সোচ্চার। ধীরে ধীরে তার অনেক কিছুই সন্দেহের উদ্রেগ করে। বুয়েটে ছাত্র-ছাত্রীরা যখন আন্দোলনে ছিলো তখন সে বুয়েট নিয়ে প্রতিদিন ১০টি স্ট্যাটাস মারত। আমার একটা স্ট্যাটাসে সে বুয়েটের ছেলেদের “আবাল” বলার পর যখন বুয়েটের সহপাঠি আর সিনিয়র জুনিয়ররা তারে ধরে বসল তখন সে কমেন্ট ডিলিট করে ল্যাঞ্জা গুটিয়ে পালায়। সে প্রভাকে নিয়ে লিখে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখে…নিজেকে প্রগতীশিল আর দেশপ্রেমিক দেখায়। আসিফ তার ওয়ালে পাকিস্তানের পতাকা দিয়েছিলো বলে সে যে হাউকাউটা লাগিয়েছিলো তাতে মনে হচ্ছিলো যেনো তার চাইতে বড় দেশপ্রেমিক আর বাংলদেশে একটাও নাই। আবার গনজাগরন মঞ্চ নিয়ে সে যা যা লিখছে তা ত রীতিমত এই নতুন প্রজন্মের সাথে বেঈমানীর সামিল।

    ঐ কুত্তারবাচ্চার সব এক্সপোজ হয়েছে, আমি খুশি। এমন বদমাইশ,মুখোশধারীদের বাংলা ব্লগ থেকে জুতা পেটা করে বের করা উচিৎ। মাই ফাইনাল অপেনিয়ন, হি ইজ এ্যা বাস্টার্ড।

  11. আইজুর মানসিকতা কখনই আমার
    আইজুর মানসিকতা কখনই আমার পছন্দ ছিল না। তাই বলে, তাকে এভাবে ছাগু ট্যাগ দিয়ে অনলাইন থেকে একরকম তাড়িয়ে দেয়াও মেনে নিতে পারি না কোন ভাবেই…

  12. যখন প্রবল অন্ধকারে, প্রচন্ড

    যখন প্রবল অন্ধকারে, প্রচন্ড ঝড়েও কোথাও একটা বাতি জলতে দেখবেন, বুঝবেন সেইটা আইজু। যখন কেউ সত্য বলার সাহস করবে না, খরস্রোতা নদীর স্রোতের বিপক্ষে কেউ দাঁড়াতে চাইবে না, তখন দেখবেন কেউ একজন দাড়ায়া গেছে, সেইটা আইজু।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 3 = 6