সৌন্দর্যের বিছানা বিছানাকান্দি

বিছানাকান্দি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশের সীমান্তে মেঘালয় পাহার থেকে নেমে আসা ঠান্ডা পানির প্রবল স্রোত থরে থরে সাজানো পাথরের উপর দিয়ে বয়ে চলে। ঠিক যেন একটি পাথুরে নদী।

পাথর, পানি, পাহাড় আর মেঘ নিয়েই যেন বিছানাকান্দি। এখানে যাওয়ার পর যে কথাটি সর্বপ্রথম মনে হবে তা হল প্রশান্তি। এই প্রশান্তিটুকু নিমিষেই ভুলিয়ে দেয় যান্ত্রিক জীবনের শত গ্লানি। প্রকৃতির সৌন্দর্যের কাছে যেন হার মানতেই হয় নাগরীক সভ্যতাকে। আর এই চরম সত্যটুকু উপলব্ধি করতে হলে আপনাকে যেতে হবে বিছানাকান্দিতে।

রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলা থেকে সর্বপ্রথম আপনাকে প্রকৃতির অপরূপ হাতে সাজানো সিলেট শহরে আসতে হবে। বিছানাকান্দি যেতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট যেতে হবে। সেখানে বিমানবন্দর রোডের দিকে সিএনজি স্টেশন আছে। সিএনজি হাদারঘাট নামক জায়গা পর্যন্ত রিজার্ভ করে গেলে ভাল হয়। পাঁচজন মিলে ৪০০টাকায় সাধারণত ভাড়া নেওয়া হয়। তবে মানুষ কম থাকলে ৮০টাকা জনপ্রতিও যাওয়া যায়।বিমানবন্দর পর্যন্ত রাস্তা অনেক সুন্দর। চারপাশে শুধু সবুজ চা বাগান। নীল আকাশ আর যেন সবুজ কার্পেটের উপর তাবু টানিয়েছে। বিমানবন্দর থেকে সালুটিকর রাস্তায় প্রবেশ করলেই রাস্তা চরম খারাপ। পিচ ঢালা কালো রাজপথে একটু পরপরই ভাঙ্গা গর্ত। মনে হয় একটু আগেই যেন এ পথে গডজিলা হেটে গিয়েছে। ভারী বালুর ট্রাকগুলো রাস্তার এ দশা করেছে। খারাপ রাস্তা পার হয়েই আপনি একদম গ্রামের ভেতর ঢুকে যাবেন। সিলেটের গ্রামগুলো যেমন সবুজ বৃষ্টিতে ধুয়ে রেখেছে। চিকন রাস্তাগুলো সাপের মতোই আঁকাবাঁকা হয়ে গ্রামের মাঝখানে। একটু পরপর দেখা যায় দুষ্টু ছেলের দল ন্যাংটু হয়ে ফুটবল খেলছে। গ্রাম দেখতে দেখতে আপনি হাদারঘাট এসে পৌছাবেন। হাদারঘাট বাজারটি খুব একটা বড় না আবার ছোটও না।

মুটামুটি সবকিছুই পাবেন। খাবার, পানি, কাপড় সবই কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু খাবার না নিয়ে যাওয়াই ভালো বিছানাকান্দি প্রকৃতির কোলে জেগে উঠেছে। সেখানে পানির বোতল, চিপসের প্যাকেট ইত্যাদি ফেলে কেন জায়গাটি অপরিস্কার করবেন? হাদারপার বাজারেই বিছানাকান্দি যাওয়ার নৌকা পাওয়া যায়। কেউ যদি হাদারপার আসেন, তাহলে হাদারপারের গনি মিয়ার ভূনা খিচুড়ি খেতে ভুলবেন না।

সুন্দর বেশভুষা দেখে মাঝিরা ২০০০টাকা চেয়ে বসতে পারেন। ভুলেও রাজি হবেন না। নৌকা ভাড়া আসা-যাওয়া সর্বোচ্চ ৫০০টাকা হলে ভাল। দরাদরি করে এর চেয়ে কমে পেলে ভাল তবে অবশ্যই এর বেশি দামে যাবেন না। এর চেয়ে হেটে যাওয়া ভাল। আবহাওয়া খারাপ হলে একটু বেশি দাম দিয়ে হলেও নৌকায় যাওয়া ভাল। তবে এডভেঞ্চার করতে চাইলে হেটে যাওয়ার বিকল্প নাই।

ঐ দেখা যায় মেঘের সাড়ি, ঐ দেখা যায় মেঘালয়…
মেঘালয়ের টানেই আপনি হাটবেন, শত পরিশ্রম সত্যেও আপনি হাটবেনই…

আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে, বৈশাখ মাসে তার হাটু জল থাকে, পার হয়ে যায় গরু পার হয় গাড়ি, দুই ধার উঁচু তার ঢালু তার পাড়ি……. ছোটবেলার এই কবিতার সাথে হেটে যাওয়া পথের অনেক মিল আছে। বিছানাকান্দির পথে অনেক বাঁধা আছে। বৃষ্টির সময় হাটু পানির খালগুলো সাতারপানি মত হয়ে যায়।

চল চল চল..উর্ধ্বগগনে বাজে মাদর, নিম্নে উতলা ধরনী তল…অরুন প্রাতের তরুন দল, চলরে চলরে চল…… এরকম অনেক পাথুরে বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হবে আপনাকে।

হাটতে হাটতে পৌছে যাবেন বাংলাদেশের শেষ প্রান্তে। সেখানে বিজিবির একটি অফিস আছে একদম শেষ মাথায়। বিছানাকান্দি নামার আগে অবশ্যই তাদের সাথে পরামর্শ ও অনুমতি নিয়ে নিবেন।

বাংলাদেশের শেষ সীমানা। যারা হেটে বিছানাকান্দি যাবেন তারাই একমাত্র সুন্দর ঝরনাটি দেখতে পাবেন। মেঘালয় পাহারের বুক চিরে নেমে আসে অপরূপ এই ঝরনাটি।

It is too much risky …..অনুমতি না নিয়ে ভারতের মাটিতে চলে যাওয়া, এখানে ছবি তোলা অপরাধ। আশেপাশে বিজিবি-বিএসএফ আছে কিনা অবশ্যই তা দেখে নিবেন। সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ যেকোন সময় গুলি চলে আসতে পারে।

বিছানাকান্দির শীতল জলে গা জুড়িয়ে যায়। মনে হবে বিছানাকান্দির পাথুরে বিছানায় শুয়ে থাকি।

বিছানাকান্দির একটি জায়গাটি আছে যেটি খুব বিপদজনক অন্তত স্রোত যেদিন বেশি থাকে সেদিনের জন্য বিপদজনক। পাথুরে নদী দেখে সবাই পাথরের ওপর পা রেখে নদী পার হতে চায়। যা করতে যাওয়া সত্যিই বিপদজনক। সাতার জানলেও পাথরের সাথে ধাক্কা খেয়ে আহত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সুতরাং বেশি স্রোতের সময় বিছানাকান্দিতে সাবধানে নামুন। স্বচ্ছ শীতল পানির তলদেশে পাথরের পাশাপাশি নিজের শরীরের লোমও দেখা যাবে স্পষ্ট। দীর্ঘ সময় জলপাথরের বিছানায় শুয়ে বসে ছবি তুলতে তুলতে আর গোসল করতে হয়তো সময়ের হিসেব হারিয়ে ফেলবেন। বিছনাকান্দির সৌন্দর্য অসাধারণ। দৃষ্টির শেষ সীমানা পর্যন্ত শুধু পাথর আর পাহাড়। দূর থেকে দেখলে মনে হবে আকাশ আর মেঘের সাথে পাহাড়ের দলগুলো মিশে আছে। যতোই কাছে যাবেন পাহাড়গুলোর ততোই আকাশ থেকে যেন দূরে যেতে থাকে। আর পাহাড়ের গায়ে বেপরোয়া সাদা মেঘের দলগুলো যেন আঠার মতো লেগে থাকে।

সত্যি সত্যি “মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খাওয়া“ হচ্ছে। ভারতীয় কাঁঠাল খুব সহজলভ্য এখানে।

গাজা, মদ (রাম, ভোদকা, সেম্পেইন) সহ অনেক রকমের মাদক নেয়ার জন্য দালালরা এসে আপনাকে সাধতে পারে। সাবধান! ভুলেও এ ভুলটি করবেন না। একটু পরপর বিজিবি-বিএসএফ চেক হয় এখানে। ধরা পরলে জেল-জরিমানা সহ হয়রানির শিকার হতে পারেন। মেজাজ খারাপ হলে বিএসএফ কখন গুলি করে বসে ইয়াত্তা নাই।সবচেয়ে বড় কথা হলো মাদক থেকে দূরে থাকুন। প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকুন।

কখন যাবেনঃ
সিলেট নগরীর সৌন্দর্জ্যটা আসলে বর্ষাকালেই বেশী উপভোগ করা যায়। আর তা ছাড়া বর্ষার সময়ে বিছনাকান্দি পূর্ণযৌবন ফিরে পায়।

কিভাবে যাবেনঃ
বাসে সিলেটঃ
ঢাকা থেকে সিলেট এর উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যায় গাবতলী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে৷ বাস গুলো সকাল থেকে রাত ১২.৪৫ পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময় পরপর ছেড়ে যায়৷ ঢাকার ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে সিলেটের বাসগুলো ছাড়ে। এ পথে গ্রীন লাইন পরিবহন, সৌদিয়া এস আলম পরিবহন, শ্যামলি পরিবহন ও এনা পরিবহনের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ৮শ’ থেকে ১ হাজার ১শ’ টাকা। এছাড়া শ্যামলী পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, ইউনিক সার্ভিস, এনা পরিবহনের পরিবহনের নন এসি বাস সিলেটে যায়। ভাড়া ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকা। এনা পরিবহনের বাসগুলো মহাখালী থেকে ছেড়ে টঙ্গী ঘোড়াশাল হয়ে সিলেট যায়।

ঢাকা থেকে ট্রেনে সিলেটঃ
ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে যায় আন্তঃনগর ট্রেন পারাবত এক্সপ্রেস। সপ্তাহের প্রতিদিন দুপুর ২টায় ছাড়ে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস এবং বুধবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন রাত ০৯টা ৫০ মিনিটে ছাড়ে উপবন এক্সপ্রেস। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৪টায় ছাড়ে কালনী এক্সপ্রেস। ভাড়া দেড়শ থেকে ১ হাজার ১৮ টাকা। ট্রেনে গেলে রাত ৯.৫০ এর উপবন এক্সপ্রেসে যাওয়াটাই সব থেকে ভালো। কারন আপনার যেতে যেতে সকাল হয়ে যাবে আর আপনি যদি রাতে ট্রেনে ঘুমিয়ে নিন তাহলে সকালে ট্রেন থেকে নেমেই আপনার ভ্রমন শুরু করতে পারেন আর যেতে সময় লাগবে ৭-৮ ঘন্টা।

চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেটঃ
চট্টগ্রাম থেকে সোমবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে যায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেস এবং শনিবার ছাড়া প্রতিদিন রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে উদয়ন এক্সপ্রেস। ভাড়া ১৪৫ থেকে ১ হাজার ১৯১ টাকা।ট্রেন এর টিকেট এর দাম: এসি বার্থ ৬৯৮ টাকা, এসি সিট ৪৬০ টাকা, ফার্স্ট ক্লাস বার্থ ৪২৫ টাকা, ফার্স্ট ক্লাস সিট ২৭০ টাকা. স্নিগ্ধা ৪৬০ টাকা, শোভন চেয়ার ১৮০ টাকা, শোভন ১৫০ টাকা, সুলভ ৯৫ টাকা।

সিলেট বাই এয়ার/ প্লেনে সিলেটঃ
ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ, ইউনাইটেড এয়ার, রিজেন্ট এয়ার, নভো এয়ার এবং ইউএস বাংলা এয়ারের বিমান প্রতিদিন যায় সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অভ্যন্তরীণ রুটে ঢাকা-সিলেট এর টিকেট মুল্যঃ
Super Saver: ৩২০০ টাকা
Economy Saver: ৩৭০০ টাকা
Economy Flexible: ৪২০০ টাকা
Business Saver: ৫৯০০ টাকা
Business Flexible: ৬৯০০ টাকা

নৌকার জন্যে যোগাযোগঃ
নৌকার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরে ০১৭১২৯৭২৫৯৮।

কোথায় থাকবেনঃ
যেতে আসতে সময় না লাগার কারনে আপনাকে আর থাকার চিন্তা করতে হবে না। সিলেটে থাকার মত অনেকগুলো হোটেল আছে, আপনি আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী যে কোন ধরনের হোটেল পাবেন। কয়েকটি পরিচিত হোটেল হল – হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা,কায়কোবাদ ইত্যাদি। লালা বাজার এলাকায় কম ভাড়ায় অনেক মানসম্মত রেস্ট হাউস আছে৷ হোটেল অনুরাগ – এ সিঙ্গেল রুম ৪০০টাকা (দুই জন আরামসে থাকতে পারবেন), তিন বেডের রুম ৫০০টাকা(নরমালই ৪জন থাকতে পারবেন)। রাত যাপনের জন্য দরগা রোডে বিভিন্ন মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। রুম ভাড়া ৫০০/- টাকা থেকে ৫০০০/- টাকা পর্যন্ত।

শহরের শাহজালাল উপশহরে হোটেল রোজ ভিউ (০৮২১-৭২১৪৩৯)
দরগা গেইটে হোটেল স্টার প্যাসিফিক (০৮২১-৭২৭৯৪৫)
ভিআইপি রোডে হোটেল হিলটাউন (০৮২১-৭১৬০৭৭)।
বন্দরবাজারে হোটেল মেট্রো ইন্টারন্যাশনাল (০৮২১-৭২১১৪৩)
নাইওরপুলে হোটেল ফরচুন গার্ডেন (০৮২১-৭১৫৫৯০)
জেল সড়কে হোটেল ডালাস (০৮২১-৭২০৯৪৫)
লিঙ্ক রোডে হোটেল গার্ডেন ইন (০৮২১-৮১৪৫০৭)
আম্বরখানায় হোটেল পলাশ (০৮২১-৭১৮৩০৯)
দরগা এলাকায় হোটেল দরগাগেইট (০৮২১-৭১৭০৬৬)
হোটেল উর্মি (০৮২১-৭১৪৫৬৩)
জিন্দাবাজারে হোটেল মুন লাইট (০৮২১-৭১৪৮৫০)
তালতলায় গুলশান সেন্টার (০৮২১-৭১০০১৮)
হোটেল হলি গেট (০৮২১৭২৮৪০৪) ইত্যাদি।

তামাবিল/জৈন্তাপুর এর দিকে বেশ কিছু রিসোর্ট আছে। আপনার থাকার ব্যবস্থা যদি এইদিকে কোথাও হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে হাদারপাড় থেকে আবার আগের মতই গোয়াইনঘাটে আসতে হবে। গোয়াইন ঘাট থেকে যেতে হবে সারি ঘাট। সিএনজি/লেগুনাতে করে যেতে পারেন। ভাড়া জনপ্রতি ৬০টাকা।

কোথায় খাবেনঃ
খাওয়ার জন্য সিলেটের জিন্দাবাজারে বেশ ভালো তিনটি খাওয়ার হোটেল আছে। হোটেল গুলো হচ্ছে পাঁচ ভাই,পানশি ও পালকি। এগুলোতে প্রায় ২৯ প্রকারের ভর্তা আছে।

সিলেটের এসপিঃ ০১৭১৩৩৭৪৩৬৬
সিলেট জেলা তথ্য অফিসার জুলিয়া জেসমিন মিলিঃ ০১৭১১০৯০৩০৩
সিলেট জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মলয় ভূষণ চক্রবর্তীঃ ০১৭০৮৯০৪২৫৩
সিলেট “বিজিবি”র অতিরিক্ত পরিচালক মেজর মোঃ মোজাম্মেল হকঃ ০১৭৬৯৬০৩১০২
সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এবং সিলেট ফারেস্ট এন্ড টেকনোলজি পরিচালক দেলোয়ার হোসেনঃ ০১৭১১৪৭০১৮২/ ০১৫৫৮৬৮৭০০৯/ ০৮২১৭১৬৩৫/ ০৮২১৭১৫১০৪/ ০৮২১৭১৭১৩৯
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা(বিছানাকান্দি) চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরীঃ ০১৭১৬৮৮২৮৪৬
সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ওসিঃ ০১৭১৩৩৭৪৩৭৮

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

25 − = 15