তুলসীগাছ কিংবা লালসালু

ধরেন আপনি সিগারেট পছন্দ করেন না। এখন আপনাকে কেউ যদি বলে আকিজ বিড়ি অথবা বেনসন নিতে। আপনি কোনোটাই নিতে চাইবেন না। কিন্তূ যদি আপনাকে বলা হয় নোকিয়া নাকি আইফোন? তাহলে তখন ভালোর মাঝে তুলনামুলক একটা ব্যাপার আসবে। তার মানে, খারাপ খারাপ ই। এখানে কোনো শ্রেনিবিভাগ নাই। কিন্তূ ভালোর মাঝে যেহেতু আপেক্ষিকতা আছে তাই একটা তুলনামুলক বিশ্লেষণ থেকে যায়।

রাজনৈতিক ঘূর্ণাবর্তের শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষই। তথাকথিত নেতারা ঠিক ই নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছে। বাংলার প্রতিটা অঞ্চলে পাওয়া যাবে ‘লালসালু’ কিংবা ‘একটি তুলসীগাছ’। একটু ব্যাখ্যা করলেই
ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে। ধর্ম কে আমি জিনগত ব্যাপার বলে মনে করি। কারণ সাধারণত সন্তান রা আব্বু আম্মুর ধর্ম কে গ্রহন করে। এইটা ছোট বেলায় অবচেতন মনেই হয়ে যায়। হতেই পারে আমি একটা হিন্দু ঘরে জন্মাতাম! অথবা কোনো হিন্দু মুসলিম ঘরে জন্মাত! তাই এই দেশে কোন ধর্মের মানুষ থাকবে এই প্রশ্ন কেবল
উগ্র ধার্মিকতার পাগলের প্রলাপ।

নাস্তিক দের কথা নতুন করে বলার কিছু নাই। সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দেয়ার পিছনে তারা তাদের অবদান অস্বীকার করতে পারবেনা। একটু চিন্তা করলেই পরিষ্কার হবে এইটা। এখনও আমাদের দেশে কিছু নাস্তিক আছে যারা নাস্তিকতার সংগাটাই জানে না। আসুন দুইটা যুক্তি দেখাই।

১. মহানবী (সা) বিদায় হজ্ব এর ভাষণে বলেন,”তোমরা যার যার ধর্ম পালন কর। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেনা। নিজের ধর্ম অন্যের উপর চাপিয়ে দেবেনা।”

২. বিখ্যাত নাস্তিক লেখক স্যাম হারিস ২০০৬ সালে নাস্তিকতার জনপ্রিয় সংঘায় বলেন,”নাস্তিক
দের অন্যের ধর্ম নিয়ে কথা বলার দরকার ই নাই!”

উপরোক্ত কথা দুইটি যতদিন মানুষের মনে গাঁথবে না, সাম্প্রদায়িকতা থেকেই যাবে। আমি চশমা পরি বলেই সবাইকে পরতে হবেনা। দিন কে দিন বল, রাতকে রাত বল, সাদা কে সাদা বল। নিজের বিবেক দিয়ে চিন্তা কর, মুখ দিয়ে উত্তর দাও। হাত লাগালে ‘তুলসী গাছ’ টার গোঁড়ায় পানি দাও। সেটা উপড়ে ফেলনা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “তুলসীগাছ কিংবা লালসালু

  1. এটা কি কবিতা?
    যদিও কবিতা

    এটা কি কবিতা?
    যদিও কবিতা সম্পর্কে অতটা জ্ঞান নাই তারপরেও বলতে পারি এটা কবিতা নয়।
    এভাবে প্যারা প্যারা লিখে লেখা লম্বা কেন করা?
    হোক ছোট কিন্তু কথাগুলো যদি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয় তাহলে দুই লাইনের পোস্টও সম্ভবত হিট খেতে পারে।

  2. এ কথা আমি জোর দিয়ে বলতে পারি
    এ কথা আমি জোর দিয়ে বলতে পারি একজন নাস্তিক কখনই চায় না আস্তিকদের উপর আক্রমণ করতে। কখনো কোন নাস্তিক অন্য আস্তিকদের উপর হিংসাত্মক আক্রমণ করে নি।
    কিন্তু বিপরীতে আস্তিক(অন্ধ) সর্বদাই নাস্তিকদের উপর বর্বরোচিত আক্রমণ করে এসেছে।
    প্রমান , বাংলাদেশে অহরহ…

  3. আপনার সাথে একমত। কিন্তু এইটা
    আপনার সাথে একমত। কিন্তু এইটা নাস্তিক দের বুঝতে হবে যে ধর্ম নিয়ে বাজে কথা বললে মাঠের কৃষক ও তার কাস্তে নিয়ে ছুটে আসবে। কারণ, ধর্ম এক ধরনের বিশ্বাস, যা যুগ যুগ ধরে বিস্তার করছে। নাস্তিক দের ৩০০ টাকার কী-বোর্ড দিয়ে ধর্ম বিলুপ্ত করা যেমন সম্ভব নয়, তেমনি রক্ত কখনোই ধর্ম বাঁচানোর উপায় নয়। দুই পক্ষ কে সেটাই বুঝতে হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 4 =