কোরানের যেসব আয়াত মানুষকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে

কোরান হলো দুনিয়ার সব সমস্যার সমাধান আর সেই কারনেই ইসলাম হলো একটা সম্পূর্ন জীবন বিধান। কেউ যদি বিপদে পড়ে, তাহলে কোরানের কিছু কিছু বিশেষ আয়াত আছে তা বার বার পড়লে সেই বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়া যায়। এখন তেমনই কিছু বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্যে যে সব আয়াত পড়তে হবে , সেটা বলা হবে।

যেমন কেউ যদি বাসার কাজের বেটির সাথে যৌন সঙ্গম করতে চায়, কিন্তু সেই বেটি যদি রাজী না হয় ,তাহলে রাজী করানোর জন্যে যে আয়াত বার বার পড়তে হবে, সেটা হলো –

সুরা আল মুমিনুন- ২৩: ৫-৬: এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।

উক্ত আয়াত বার বার পড়লে আল্লাহর ইচ্ছায় সেই বেটির মন পাল্টে যাবে , আর তার সাথে যৌন সঙ্গম করা যাবে।

যদি কোন লোকের একটা পালিত পুত্র থাকে , আর সেই পুত্রের সুন্দরী স্ত্রীর প্রতি শ্বশুরের কুনজর পড়ে , তাহলে যে ভাবে সেই পুত্রবধুকে বাগে আনা যাবে , তার জন্যে নিচের আয়াত বার বার পড়তে হবে। কারন নবী মুহাম্মদ নিজেই এ ধরনের বিপদে পড়ার পর আল্লাহ উক্ত আয়াত নাজিল করে। এটা এখন সর্বজন বিদিত যে , নবী মুহাম্মদ তার পালিত পুত্র জায়েদের সুন্দরী স্ত্রী জয়নাবের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাকে বিছানায় পাওয়ার কামনা করতে থাকে। তখন করুনাময় ও দয়াল আল্লাহ দয়াপরবশ হয়ে নিচের আয়াত নাজিল করে মুহাম্মদকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে ও এক পর্যায়ে মুহাম্মদের সাথে জয়নাবের বিয়ে হয়।

সুরা আহযাব- ৩৩: ৩৭: আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।

কোন লোক যদি পর পর বেশ কয়টা বিয়ে করতে চায় কিন্তু তার প্রথম স্ত্রী বাগড়া দিতে থাকে , ঝামেলা তৈরী করার চেষ্টা করে , তাহলে নিচের আয়াত বার বার পড়তে হবে । নবী মুহাম্মদ এ ধরনের বিপদে পড়ার পর দয়াল আল্লাহ সাথে সাথেই মুহাম্মদের জন্যে নিচের আয়াত পাঠিয়ে দেয়, আর তার ফলেই মুহাম্মদ একের পর এক বিয়ে করতে পারে , এভাবে সে ১৩ টা পর্যন্ত বিয়ে করে —

সুরা আহযাব- ৩৩: ———————কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

50 + = 59