ইসলামকে সত্য ধর্ম হিসাবে প্রমানের কতিপয় সহিহ ও কার্যকরী কৌশল

ইসলামকে সত্য ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্যে মুমিনেরা যে সব কার্যকরী কলা কৌশল ব্যবহার করে , ফেসবুক , ব্লগ থেকে সেগুলো পর্যবেক্ষন করে , এই নিবন্ধে বলা হবে। বলা বাহুল্য, তাদের এই কৌশল অব্যর্থ , আর তাতে যে কোন নাস্তিক কাফির ধরাশায়ী হবেই , এটা নিশ্চিত। তো এবার সেই কলা কৌশলগুলো বলা হবে।

ইসলামকে সত্য ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্যে মুমিনেরা যে সব কার্যকরী কলা কৌশল ব্যবহার করে , ফেসবুক , ব্লগ থেকে সেগুলো পর্যবেক্ষন করে , এই নিবন্ধে বলা হবে। বলা বাহুল্য, তাদের এই কৌশল অব্যর্থ , আর তাতে যে কোন নাস্তিক কাফির ধরাশায়ী হবেই , এটা নিশ্চিত। তো এবার সেই কলা কৌশলগুলো বলা হবে।

কৌশল নং-১। কোন নাস্তিক যদি সহিহ হাদিস থেকে কোন উদাহরন দেয় , যা মুহাম্মদকে একজন লম্পট বা নারীলিপ্সু , শিশুকামী বা ডাকাত বা নেতিবাচক কিছু প্রমান করে , তাহলে সোজা বলতে হবে , উক্ত হাদিস দুর্বল বা জাল হাদিস। সেই হাদিস যতই সিয়া সিত্তা ( বুখারি , মুসলিম , দাউদ , তিরমিজি, নাসাই ,মূযাত্তা মালিক, মাজা) থেকে দেয়া হোক না কেন, তাকে সোজা জাল হাদিস বলে রায় দিতে হবে। দরকারে বুখারি , মুসলিম ইত্যাদি হাদিস লেখককে ইসলাম বিদ্বেষী ইহুদি হিসাবে প্রচার করতে হবে।

কৌশল নং-২। নাস্তিকরা কোরান থেকে কোন আয়াত দেখিয়ে যদি দেখায় কোরান একটা স্ববিরোধী কিতাব , বা মুহাম্মদ আসলে নিজের কথাকেই কোরান বলে চালাচ্ছে , বা কোরান নানা রকম অনৈতিক কথাবার্তা বলছে , তাহলে প্রথমে বলতে হবে , উক্ত আয়াতের প্রেক্ষাপট দেখতে হবে , তাতে কাজ না হলে বলতে হবে তাফসির দেখতে হবে , তাতে কাজ না হলে বলতে হবে মুল আরবীতে আয়াত পড়তে হবে , তাতেও যদি কাজ না হয় তাহলে বলতে হবে , গোটা কোরান পড়ে বুঝতে হবে, আর সেটাও পড়তে হবে আরবীতে। এসবেও যদি কোন কাজ না হয়, তাহলে সোজা বলে দিতে হবে , এসব আল্লাহই ভাল জানে।

কৌশল নং-৩। ইবনে ইসহাক বা ইবনে হিসাম বা আল তাবারীর কিতাব থেকে যদি কেউ মুহাম্মদের প্রকৃত চরিত্র ও কর্মকান্ড বের করে দেখায় , মুহাম্মদ আসলে ছিল একটা ডাকাত যে মদিনার পাশে বানির্জ কাফেলা ডাকাতি করত , মুহাম্মদ ছিল নারী লিপ্সু যে একের পর এক নারীকে বিযে করত , মুহাম্মদ ছিল ঠান্ডা মাথার খুনি যে তার ধর্ম গ্রহন না করার কারনে বহু মানুষকে হত্যা করেছে ইত্যাদি। তখন সোজা বলতে হবে , উক্ত কিতাব কোন সহিহ কিতাব না, ইবনে ইসহাক বা ইবনে হিসাব ওরা ছিল ইহুদিদের চর , তাই তারা মুহাম্মদের নামে আজে বাজে কথা বলে গেছে। অর্থাৎ ইতিহাস থেকে যতই কাফির নাস্তিকরা মুহাম্মদ সম্পর্কে আজে বাজে তথ্য তুলে ধরুক না কেন , সেটাকে সোজা অস্বীকার করতে হবে।

এই তিনটা কৌশল খুবই কার্যকর ও উপযোগী। তাই হে মুমিনেরা , আসো আমরা এই কৌশলগুলোর মাধ্যমে কাফির নাস্তিকদের পরাজিত করি , ও ইসলামের পথ পরিস্কার করি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “ইসলামকে সত্য ধর্ম হিসাবে প্রমানের কতিপয় সহিহ ও কার্যকরী কৌশল

  1. HA HA HA no. 2 ploy was my
    HA HA HA no. 2 ploy was my favourite back in the muslim days. i used to look context within a context to justify any fucked up quranic verse. u know, growing up in BD , it was so hard to have a rational mind.We have been brain washed so much since our childhood, it became our 2nd nature to defend religion. Then one day i woke up in the morning , light up a fag and realized my faith on islam was a lost cause. couldnt lie to myself anymore. its been almost 10 years since i parted with islam. i feel immense pride for taking up the decision to leave islam. no regrets.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

48 − 44 =