আইজুর মুখোশ উন্মোচন কি প্রতারণা?

ডা. আইজুর মোড়ক(!) উন্মোচন করে গনজাগরণের কয়েকটা পেইজ আর প্রজন্মব্লগে ডকুমেন্ট(!) সহ পোস্ট করে উপসংহার টানা হয়েছে আইজু আসলে তার ভগ্নিপতি লন্ডনের জামায়াতি শাখার নেতার পারপাজ সার্ভ করতেই ব্লগে এসেছিলেন!

আইজু যে তার ১০০% আওয়ামিলিগ সমর্থক ছিলেন এটা তার ঘোর শত্রু ও অস্বীকার করতে পারবেনা। অন্ধ আওয়ামিলিগের সমর্থনের কারনে তাকে আওমিলিগের দালাল, আওয়ামিলিগের পা চাটা কুত্তা হেন অপবাদ নেই যে তাকে সহ্য করতে হয়নি। তারপরও গবেষকরা(!) এই কঠিন সত্য কিভাবে অতিক্রম করে তাকে ছদ্মবেশী জামাতি বলে আখ্যা দিয়েছেন তা এক বিস্ময়!

আইজুর লেখালেখির সাথে যারা পরিচিত তারা বেশ ভাল করেই জানেন আইজু কেমন ‘ছাগু পোন্দক’! ছাগু পোন্দানোর ক্ষেত্রে আইজু মোটামুটি অদ্বিতীয় ছিলেন! তার কোন সমালোচনা, প্রশ্নবাণ বা কঠাক্ষ কখনো কখনো ছাগুদের অনুকূলে যেত। এর কারণ হচ্ছে আপোষহীনতায় তিনি অপরিনামদর্শী ছিলেন। কিন্তু কখনই ছাগবান্ধব হননি। ছাগুদের তিনি বিন্দু মাত্র কোথাও প্রশ্রয় দেন নি, যার ফলে ছাগুদের কাছে তিনি ছিলেন অনলাইনের মুর্তিমান আতংক।

যারা ওই পোস্ট করেছেন তাদের বিশ্লেষনে আগাগোড়া পুরোটাই প্রতিপাদিদ হয়েছে যে আইজু আসলে ছদ্ম জামাতি। হয় তারা আইজুর লেখার সাথে পরিচিত না নয়ত এইটা দুরভিসন্ধি মূলক লেখা।

তাদের গোয়েন্দাগিরিঃ তাদের গোয়েন্দাগিরির প্রক্রিয়াটা দেখলে ‘ফেলুদা’র কথা মনে পড়ে যায়। এটাকে ডিজিটাল ফেলুদার ব্লগ রহস্যের উদঘাটন মনে হয়। যদিও ‘ব্লগ রহস্যে’ ভিলেনকে (আইজু) খুবই বুদ্ধিমান, শৈল্পিক, সুচারু, কাব্যিক ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করলেও অত্যুক্তি করা হবেনা এবং কারো দ্বিমত করারও অবকাশ থাকবেনা বলে মনে করেন অনেকেই। অর্থাৎ তার ওইসব বিশেষনের সাথে অনেকেই বিশেষ ভাবে পরিচিত।

তারা ‘কি করে আমরা খুঁজে পেলাম আইজুদ্দিনকে’ অংশে বলেছেন, আইজুকে খুঁজে বের করার জন্য তারা তার IP অ্যাড্রেস বের করেন আইজুকে কে খানিকটা বোকা বানিয়ে। এর জন্য তারা আইপি ট্র্যাকার বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেন এবং এতে তারা বেশ সাফল্যও লাভ করেন!

তাদের প্রক্রিয়াটি হল ‘প্রথমেই আইজুদ্দিনের জন্য একটা ব্লগ খোলা হয় আলাদা। তারপর সেখানে আইজুদ্দিনের নামে কয়েক লাইন লিখে আমরা আইজুদ্দিনের কাছে ব্যাক্তিগত মেসেজ পাঠাই। মেসেজটা এমন ভাবে পাঠানো হয় যেখানে একটা সাধারণ লেখার মধ্যে লিঙ্ক ঢুকিয়ে দেয়ার মাধ্যমে। এই ব্লগটি আইজুদ্দিন এবং যিনি বানিয়েছেন তিনি ছাড়া আর কেউই খোঁজ জানতেন না। আইজুদ্দিন সরল বিশ্বাসে ব্লগে ক্লিক করে বসেন এবং অবধারিত ভাবেই সেই ব্লগে গোপন ট্র্যাকার ছিলো এবং সেখান থেকেই আইজুদ্দিনের আইপি ট্র্যাক করা হয়। এরপর প্রতিমাসেই এইরকম ট্রিক করে আইজুদ্দিনের আইপি চেক করে ৮ বারের সময় ৬ বার নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে ৬ বার একজন লোক এক আইপি থেকে ঢুকেছে আর বাকী দুইবার অন্য আরেক আইপি থেকে।’

১। ‘প্রতিমাসেই এইরকম ট্রিক’ বলতে তারা কি একই ট্রিকের পুনরাবৃত্তি বুঝিয়েছেন নাকি অন্য কোন ট্রিক? সেটা স্পষ্ট করার বিশেষ দরকার ছিল কারন যদি একই ট্রিকের পুনরাবৃত্তি করা হয়ে থাকে, আইজু এত বোকা না যে এই সাধারন ট্রিক টা বুঝবে না যেহেতূ আইজু নিকের দুই পরিচালিকের একজনের ‘পড়ালেখা আইটির উপরে’। আর “এই ব্লগটি আইজুদ্দিন এবং যিনি বানিয়েছেন তিনি ছাড়া আর কেউই খোঁজ জানতেন না।” তাহলে আইজু ওই ব্লগে কেন যাবেন? আইজু কি এতই বোকা একটা খালি ব্লগে বার বার ঢুকবেন? এবং দুইজন মিলে একই খালি ব্লগে যেতেন? আইটি বিশেষজ্ঞ আইজু কি জানতেন না এইভাবে তার আইপি ট্র্যাস করতে পারে?

আর আইপি ট্র্যাস করতে না পারলে তাদের প্রক্রিয়া অনুযায়ী আইজুকে উন্মোচন করার ব্যাপারটা হাস্যকর হয়ে যায়।

২। ‘’মজার ব্যাপার হোলো এদের দুইজনের মধ্যে মেসকাথ উদ্দিন হচ্ছে বিরাট ইসলামিক মাইন্ডেড লোক, তীব্র হাসিনা আর আওয়ামীলীগ বিরোধী। আর ২য় যে নিকটা জামাত ঘেষা কিন্তু প্রথমটার মত র‍্যাডিকেল না।‘’। ‘তীব্র হাসিনা আর আওয়ামীলীগ বিরোধী’ এবং ‘জামাত ঘেষা’ অথচ এই সাড়ে ছয় বছরে তার এত এত লেখা পড়ে বাংলাদেশের কোন ব্লগার এতদিন ধরে ধরতে পারেন নি! এই কয়েক দিনে সব বুঝে ফেললেন কিংবা তাদের ভাষ্যমতে তারা বুঝে ছিলেন ২০০৯ সালেই। কারন “আইজুদ্দিনের পেছনে গত ২০০৯ সাল থেকে লেগে থাকা একটি চৌকশ সাইবার দল শেষ পর্যন্ত তার পরিচয় উদ্ধার করেই ছাড়েনি, তার সমস্ত ঠিকুজি তারা বের করে এনেছে বার বার ক্রস চেকিং এর মাধ্যমে।” !

এখন কথা হচ্ছে তারা যদি ২০০৯ সালেই জেনে থাকবেন যে আইজু জামায়াতের পারপাস সার্ভ করছে তাহলে এই আইজু কী করে ‘দ্যা এ টিম’ এর সদস্য হয়, কিউরিয়াস মাইন্ড ওয়ান্টস টু নো।

৩। “একেরপর এক সে জামাতের এজেন্ডাই বাস্তবায়ন করেছে। করবেই বা না কেন, তার ছোট বোনের বিয়ে দিয়েছে লন্ডনের জামাতী নেতা, এই যুদ্ধাপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় শত্রু জামাতের এক নেতার সাথে। আইজু নিজেই তার বক্তব্যে স্বীকার করেছে সে কথা। আসুন দেখে নেই-” তারপর আইজুর স্বীকার করা তার জামাতি ভগ্নিপতির কথার স্ক্রিনশট।

ঠিক আছে আইজুর বোনের জামাই লন্ডনের জামাতের নেতা (যদিও “সত্য কথা বলতে আমরা সেই বোনের নাম বের করতে পারি নি এখনো। যেদিন পারব, সেদিন আপনাদের জানিয়ে দিয়ে যাব এই পোস্টেই। যদিও এই তথ্য বের করা এখন মাত্র সময়ের ব্যাপার।” ) এতে কি এর দায়ভার একটুও বর্তায় ডা. আইজুর ঘাড়ে? কিউরিয়াস মাইন্ড ওয়ান্টস টু নো।

বরং তারপরও আইজুর এই জামায়াত বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া কি বাহবা পাওয়ার যোগ্য না?
আমরা বাঙ্গালিরা সেই ধাতুতে গড়া হলেতো!

আইজুর স্বীকারুক্তিঃ আইজু স্বীকার করেছে যে তার যে পরিচয় বের করা হয়েছে সেটা সে’ই! তারপর বাংলা অনলাইন জগত থেকে ডা. আইজুদ্দীনের প্রস্থান।

এইখানে আইজু তার শেষ বুদ্ধির পরিচয়টা দিয়ে গেল। নিজেকে আরো ভালভাবে আড়াল করার জন্য আরেকজনের পরিচয়ের পিছনে লুকানোর চেয়ে ভাল উপায় আর কী হতে পারে?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৯ thoughts on “আইজুর মুখোশ উন্মোচন কি প্রতারণা?

  1. তাহলে ফেসবুকে এখন সাভার
    তাহলে ফেসবুকে এখন সাভার ট্রাজেডি ধামাচাপা দিতে আইজু ট্র্যাজেডি আসল?
    ভুঁইফোঁড় ভাববেন না আপনাকে এককভাবে বলছি, সমষ্টিগতভাবেই বলছি।
    পিয়াল ভাই যেদিন আইজুকে ডিলিট করতে স্ট্যাটাস দেয় সেদিনও আইজুকে মুছি নাই আর এখনতো ফেক বুকে নাই তাই বলতে পারি না।
    তবে মানতে হবে তাদের মাইন্ড সেটিং গেইমগুলো আসলেই অসাম।

    1. আইজুর চলে যাওয়াটা কি আপনার
      আইজুর চলে যাওয়াটা কি আপনার কাছে তচ্ছ মনে হচ্ছে? এটা এমনই ন্যাপার যে কেউ এটা নিয়ে টু শব্দটাও করবে না? অনলাইনে মুক্তযুদ্ধের পক্ষশক্তির প্রতিষ্ঠায় তার অবদান নিমিষেই অস্বিকাড় কোড়ে ্যাবেণ?

      1. আইজুর ব্লগ পড়লেই বুঝা যায়
        আইজুর ব্লগ পড়লেই বুঝা যায় তিনি কতোটা ডেডিকেটেট ছিলেন ” ছাগু পুন্দক ” হিসেবে ! আর আজ তাকেই বিদায় নিতে হল সেই ট্যাগ নিয়ে !!

  2. হতে পারে; আইজু’র ভগ্নিপতি
    হতে পারে; আইজু’র ভগ্নিপতি জামাতের; কিন্তু তিনি(আইজু) যে জামায়াতের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন; এটা কিন্তু প্রমাণিত নয় তার চালচলনে।
    একটা কথা ভুলে গেলে কি হবে? আইজু যে পরিমানে কাজ করেছিলেন সেটার ফল স্বরুপ উনি “এ” টিম নামক টিমে স্থান পেয়েছিলেন।
    এখন যদি আইজুর ল্যাঞ্জা বের করে ফেলেন প্রজন্মের ব্লগারগন ঐ “এ” টিমের একজন সদস্যের তাহলে পুরো “এ” টিমকে ফাঁসাতে বা ভাসাতে কতক্ষন?

    1. ওরা আইজুর খোঁজ বের করার জন্য
      ওরা আইজুর খোঁজ বের করার জন্য ২০০৯ সালেই লোক লাগিয়েছে, তখন ম্থেকেই যদি তাকে সন্দেহের ছোখে দেখা হয়ে থাকে তাহলে সে কীভাবে ‘এ-টিম’ এর সদস্য হয়?

  3. আইজু যখন জামাতিদের জরায়ু
    আইজু যখন জামাতিদের জরায়ু খন্ডন করে তখন আইজু ভালা, আর যখন ইমরান এর লগে টেক্কা দেয় তখন আইজু রিভার্স ছাগু। বাঙ্গালি এক জিনিস। ওরে নিজেরা বাক্‌ স্বাধীনতার জন্য চিল্লায় অথচ এরাই সুযোগ পাইলে বাক্‌ স্বাধীনতারে মধ্যমা দেখাই ছাড়ে। আর আইজু এই ফাঁদের শিকার।

  4. আদর্শহীনের আবার বাক
    আদর্শহীনের আবার বাক স্বাধীনতা!!
    আইজুর কোন আদর্শিক আইডেন্টিটি ছিল না…
    সে আপাদমস্তক স্বেচ্ছাচারী আর, হঠকারী এক চরিত্র!!
    হিসাব সহজ আপনি যখন ভাল কাজ করতে চাইবেন তখন নিজের পরিচয়েই করবেন।
    অমি রাহমান পিয়াল-আরিফ জেবতিক-ইমরান এইচ সরকার সবাই নিজ পরিচয়েই দাম্ভিক আর, বজ্র কঠিন স্ট্যাটাস দেন বা, তর্ক করেন কোন সমস্যা নাই। তবে, যা নিজের পরিচয়ে করতে সংকোচবোধ করবেন তা কখনই ভাল হতে পারে না, তা লিখকের নিজের বিবেকেই!!
    এই জন্যেই সে ছদ্ধবেশ নিয়েছিলেন…
    আবার বলছি ছদ্ধবেশ বনফুল ও নিয়েছিলেন কিন্তু, গুনগত পার্থক্য আছে!!

    আইজু বা, শরীফ যাই বলেন তার আদর্শিক মৃত্যু হয়েছে ঢের আগে তবে অস্তিত্বগত মৃত্যু গতকাল নিশ্চিত হল…

    1. আইজুর কোন আদর্শিক পরিচয়
      আইজুর কোন আদর্শিক পরিচয় ছিলনা? আইজুতো অনলাইনে টিকেই ছিল তার আদর্শিক পরিচয়ের জোরে। সে আওয়ামিলিগ এবং মুক্তযুদ্ধের প্রচন্ড সমর্থক ছিল।

      আইজুর অবস্থানে নিজেকে চিন্তা করে দেখুন স্বনামে এগুলো করতে পারতেন কি না!

  5. দেশ এখন ‘আইজু’ নিয়া সমস্যায়
    দেশ এখন ‘আইজু’ নিয়া সমস্যায় পতিত! এই মহুর্তে ফেসবুকে আর ব্লগে আইজু ছাড়া কোন সমস্যা নাই। হায়রে বাঙালী!!!

  6. আইজূরে যতই অপবাদ দেয়া
    আইজূরে যতই অপবাদ দেয়া হোক,তাকে যেন জামাতি এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীর অপবাদ দেয়াটা মানতে পারলামনা।আইজূর থেকে ডেডিকেটেড আওয়ামীলীগার অনলাইন দুনিয়ায় নাই।

  7. আইজু জামাতি ছিল নাকি অন্য
    আইজু জামাতি ছিল নাকি অন্য কিছু ছিল সেটা জানার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আইজু একজন উচ্চমানের ভণ্ড ছিল। এতোই যদি সে সৎ ছিল তবে আসল পরিচয় দিয়ে লিখত না কেন? আইজু চরম রকমের স্বৈরাচারী চিন্তার অধিকারী ছিল। তার মনের মতো কোন কিছু না হলেই সে উঠে পড়ে লাগতো মানুষের বিরুদ্ধে। মানুষের বিরুদ্ধে নোংরা কুৎসিত অগ্রহণযোগ্য বানোয়াট মিথ্যা অশ্লীল কথা বলতে সে সব সময় অগ্রগামী।
    এবং সে অহেতুক মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে নোংরামি করতো। একজন প্রগতিশীল স্বচ্ছ ব্যক্তিত্ববান মানুষ কখনই মানুষকে ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমণ করতে পারে না।

  8. মজুমদার সাহেব আপনি ঘুঘু
    মজুমদার সাহেব আপনি ঘুঘু দেখেছেন ঘুঘুর পাদ (ফাঁদ) দেখেন নি।- বাংলা সিনামার ডায়লগ।

    আইজুর মুখ বন্ধ হইলে সবার মুখ বন্ধ হইবেক এমন কোন কথা কোন ডিকশেনারীতে লেখা আছে বলে মনে হয়না। সরকার সাহেব রা হয়তো ভুইলা গেছেন ব্লগার রা আর যাই হোক আবাল না।

  9. এইখানে আইজু তার শেষ বুদ্ধির
    এইখানে আইজু তার শেষ বুদ্ধির পরিচয়টা দিয়ে গেল। নিজেকে আরো ভালভাবে আড়াল করার জন্য আরেকজনের পরিচয়ের পিছনে লুকানোর চেয়ে ভাল উপায় আর কী হতে পারে?

    যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে যারা নাম প্রকাশিত হয়েছে সে কি প্রতিবাদ করবে না? এই ধরণের একটা বিষয়ে যার নাম প্রকাশিত হয়েছে, সেটা সে দেখবে না বা জানবে না এমনটা ভাবা কিন্তু বেজায় হাস্যকর।

  10. যারা আইজুকে নিয়ে ” ছাগু “
    যারা আইজুকে নিয়ে ” ছাগু ” খেলা খেলছে হয়তো তারা ” অতি চালাক ” নয়তো ” অতি বোকা ”

    অতি চালাক — তারা অনলাইন থেকে ” আইজু ” র মতো একটা নিক কে সরাইয়া দিতে পারছে । যেটা সত্যিকারের ছাগুদের জন্য আশীর্বাদ ! সো যারা সরাইছে তাদের উদ্দেশ্য কি আসলেই ভালো ছিল ? ” আইজু আর যাই হোক ছাগু না ” , সো আইজুকে সরানো কোন বিশাল প্ল্যান এর অংশ কিনা সেটা দেখার বিষয় !!

    অতি বোকা — তারা হয়তো আইজুর ৬ বছরের অনলাইন আক্টিভি দেখে নাই , বা তাদের কোন ধারণা নাই , আইজু জামাতি দের কতোটা যম ! বোকার মতো আইজুকে সরানো তাই হাস্যকর ! নির্বুদ্ধিতা !!

  11. আসলেই পয়েন্টগুলো চিন্তা
    আসলেই পয়েন্টগুলো চিন্তা জাগায়।

    আর আইজু জামাতের এজেন্ট এর চেয়ে হাস্যকর আর কীই বা হতে পারে???

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 68 = 76