মুহাম্মদের কোন দোষ নেই , সব দোষ কোরানের আল্লাহর ও হাদিস লেখকদের

আমাদেরকে জানান হয়েছে , ও আমরা সর্বান্তকরনে বিশ্বাস করি , নবী মুহাম্মদ ছিল দয়ার সাগর ,ন্যায় পরায়ন , নির্লোভী, নি:স্বার্থ, সংযমী, করুনাময়, অহিংস, শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী পুরুষ যার মত দুনিয়াতে আর কেউ আগে ছিল না , আর ভবিষ্যতে কেউ হবে না। কিন্তু দেখা যায় , কোরানে আল্লাহ আর হাদিসে হাদিস লেখকরা মুহাম্মদ সম্পর্কে যা বলে গেছে , তাতে মুহাম্মদকে একটা নিষ্ঠুর খুনি , অশান্তি সৃষ্টিকারী , ডাকাত , নারী লিপ্সু, পরস্ত্রী লোভি, অসংযমী, স্বার্থপর ক্ষমতালোভী মানুষ হিসাবে চিহ্ণিত করেছে। নিশ্চিতভাবেই এইসব আল্লাহ ও হাদিস লেখকদের ষড়যন্ত্র। অর্থাৎ আমাদের নবী মুহাম্মদের কোন দোষ নেই , সব দোষ আল্লাহ ও হাদিস লেখকদের।

আমাদেরকে জানান হয়েছে , ও আমরা সর্বান্তকরনে বিশ্বাস করি , নবী মুহাম্মদ ছিল দয়ার সাগর ,ন্যায় পরায়ন , নির্লোভী, নি:স্বার্থ, সংযমী, করুনাময়, অহিংস, শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী পুরুষ যার মত দুনিয়াতে আর কেউ আগে ছিল না , আর ভবিষ্যতে কেউ হবে না। কিন্তু দেখা যায় , কোরানে আল্লাহ আর হাদিসে হাদিস লেখকরা মুহাম্মদ সম্পর্কে যা বলে গেছে , তাতে মুহাম্মদকে একটা নিষ্ঠুর খুনি , অশান্তি সৃষ্টিকারী , ডাকাত , নারী লিপ্সু, পরস্ত্রী লোভি, অসংযমী, স্বার্থপর ক্ষমতালোভী মানুষ হিসাবে চিহ্ণিত করেছে। নিশ্চিতভাবেই এইসব আল্লাহ ও হাদিস লেখকদের ষড়যন্ত্র। অর্থাৎ আমাদের নবী মুহাম্মদের কোন দোষ নেই , সব দোষ আল্লাহ ও হাদিস লেখকদের, যেমন –

(১) মুহাম্মদকে নারীলিপ্সু বানিয়েছে আল্লাহ নিচের আয়াতে—–

সুরা আহযাব-৩৩: ৫০: কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে।

মুহাম্মদকে আল্লাহ যত ইচ্ছা খুশি বিয়ে করার লাইসেন্স দিচ্ছে। মুহাম্মদ কি নারীলিপ্সু নাকি যে সে খালি নারীর পিছনে দৌড়াতে থাকবে আর বিয়ে করবে ?

(২) পরস্ত্রী লোভী/ লুইচ্চা বানিয়েছে আল্লাহ মুহাম্মদকে নিচের আয়াতে —

সুরা আহযাব-৩৩: ৩৭: আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।

মুহাম্মদের পালিত পুত্রের স্ত্রীকে আল্লাহ বাধ্য করেছে তার স্বামী জায়েদ কর্তৃক তালাক দিতে, যাতে মুহাম্মদ তার পালিত পুত্রের স্ত্রী তথা পূত্রবধুকে বিয়ে করতে পারে। মুহাম্মদ যে পুুত্রবধু জয়নাবের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে , সেটা সে গোপন করছিল লোক নিন্দার ভয়ে , কিন্তু আ্ল্লাহ উক্ত আয়াত নাজিল করে বলছে- এসব গোপন করার দরকার নেই , কারন মুহাম্মদ মানুষের লোক নিন্দাকে না , বরং তার আল্লাহকেই ভয় করা উচিত। এভাবেই আল্লাহ মুহাম্মদকে পরস্ত্রী লোভী তথা লুইচ্চা বানিয়েছে।

(৩) মুহাম্মদকে যৌনতাড়িত অসংযমী বানিয়েছে নিচের হাদিস —

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩২৪০
আমর ইবন আলী (র)……জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত । রাসুলুল্লাহ (সা) এক মহিলাকে দেখলেন ও উত্তেজিত হয়ে পড়লেন। তখন তিনি দৌড়ে তার স্ত্রী যায়নাব (রাঃ)-এর নিকট আসলেন । তিনি তখন তার একটি চাড়মা পাকা করায় ব্যস্ত ছিলেন এবং রাসুলুল্লাহ (সা) তার সাথে যৌনকাজ করে ঠান্ডা হলেন। তারপর বের হয়ে সাহাবীদের নিকট এসে তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়তানের বেশে এবং ফিরে যায় শয়তানের বেশে । অতএব তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে । কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয় ।

আমরা কি জীবনে কখনও কল্পনা করেছি যে মুহাম্মদ আসলে এত বড় যৌন তাড়িত অসংযমী পুরুষ ছিল আর এমন কি রাস্তায় একটা নারী দেখে ষাড় গরুর মত উত্তেজিত হয়ে দৌড় লাগাবেন স্ত্রীর কাছে ? আমরা বরং জানি , মুহাম্মদের ছিল অসীম সংযম।কিন্তু এই হাদিস লেখক ইমাম মুসলিম আমাদের নবীকে ইতর প্রানীর কাতারে নামিয়ে দিয়েছে।

(৪) মুহাম্মদকে আল্লাহ নিষ্ঠুর নির্মম খুনি ও যুদ্ধবাজ বানিয়েছে নিচের আয়াতে —-

সুরা তাওবা -৯: ৫: অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
সুরা তাওবা -৯: ২৯: তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।
সুরা আনফাল- ৮: ১২: যখন নির্দেশ দান করেন ফেরেশতাদিগকে তোমাদের পরওয়ারদেগার যে, আমি সাথে রয়েছি তোমাদের, সুতরাং তোমরা মুসলমানদের চিত্তসমূহকে ধীরস্থির করে রাখ। আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করে দেব। কাজেই গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদেরকে কাট জোড়ায় জোড়ায়।

আমরা বিশ্বাস করি মুহাম্মদ ছিল অহিংস ও শান্তির দুত , কিন্তু আল্লাহ কোরানে তাকে বলছে ইসলাম গ্রহন না করলে অমুসলিমদেরকে হত্যা করতে , তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে , তাদেরকে গর্দান কাটতে। অর্থাৎ আল্লাহই আমাদের নবীকে নির্মম নিষ্ঠুর হিংস্র খুনি বানিয়েছে।

(৫) আল্লাহ মুহাম্মদকে কোরানে ডাকাত ও লুটেরা বানিয়েছে—-

সুরা বাকারা – ২: ২১৭: সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।

এখানে যুদ্ধ বলতে যা বুঝাচ্ছে তা আসলে কোন যুদ্ধ না। মুহাম্মদ ৮ জন লোক পাঠিয়েছিল নাখলা নামক স্থানে বানিজ্য কাফেলা আক্রমন করে তাদের মালামাল লুটপাট করে নিয়ে আসতে। দুর্ঘটনাক্রমে সেই ঘটনা ঘটে যায় সম্মানিত মাসের মধ্যে। সেই সময় আরবে ৪ টা সম্মানিত মাসে কেউ কোন যুদ্ধ বিগ্রহ করত না। মুহাম্মদের লোকজন সেই মাসে এটা করাতে ,আরবের লোকজন নিন্দা করতে থাকে , আর তখনই উক্ত ডাকাতি যে সঠিক ও বৈধ সেটাই এই ২:২১৭ আয়াত দ্বারা মুহাম্মদকে জানিয়েছে আল্লাহ আর একই সাথে মুহাম্মদকে ডাকাত সর্দার বানিয়েছে। এরপর আল্লার নির্দেশে মুহাম্মদ বহু বার এধরনের ডাকাতি করেছে যার তালিকা পাওয়া যাবে এখানে : https://en.wikipedia.org/wiki/Caravan_raids

(৬) লুটপাটের মালই ছিল মুহাম্মদের বাঁচার অবলম্বন সেটাই করেছে আল্লাহ

সুরা আনফাল- ৮: ৪১: আর এ কথাও জেনে রাখ যে, কোন বস্তু-সামগ্রীর মধ্য থেকে যা কিছু তোমরা গনীমত হিসাবে পাবে, তার এক পঞ্চমাংশ হল আল্লাহর জন্য, রসূলের জন্য, তাঁর নিকটাত্নীয়-স্বজনের জন্য এবং এতীম-অসহায় ও মুসাফিরদের জন্য; যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে আল্লাহর উপর এবং সে বিষয়ের উপর যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি ফয়সালার দিনে, যেদিন সম্মুখীন হয়ে যায় উভয় সেনাদল। আর আল্লাহ সব কিছুর উপরই ক্ষমতাশীল।

মুহাম্মদ যে ডাকাতি করতে লোক পাঠাত , বা আতর্কিতে কোন জন বসতি আক্রমন করে যেসব মালামাল বা নারী শিশুকে যুদ্ধ বন্দি করত , সেসবকে বলা হতো গনিমতের মাল। গনিমতের মোট মালের পাঁচ ভাগের একভাগ পেত মুহাম্মদ , কারন মুহাম্মদের বিরাট পরিবার , ১১/১২ টা বউ তার , তো এত বড় পরিবার চলবে কিভাবে ? আল্লাহ তাই ব্যবস্থা করে , মুহাম্মদের পরিবার চলবে লুটপাটের মাল দ্বারা। এভাবেই আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মদের জীবন লুটপাটের মালের ওপর নির্ভরশীল করেছে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে , আমরাদের নবীকে বিপথে চালিত করে খুনি ডাকাত , নারী লিপ্সু , ক্ষমতালোভী , সহিংস , যুদ্ধবাজ , পরনারী লোভী বানিয়েছে আসলে আল্লাহ আর কিছু হাদিস লেখক। নিশ্চিতভাবেই আমাদের নবী এই ধরনের লোক হতে পারে না- সেটাই আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। অথচ আল্লাহ ও কিছু হাদিস লেখক আমাদের নবী মুহাম্মদের চরিত্রকে কলংকিত করেছে।

তাই , হে মোমিন মুসলমান,আসো , আমরা এই চক্রান্তকারী আল্লাহ ও ইহুদিদের দোসর হাদিস লেখক বুখারি , মুসলিম , দাউদ , তিরমিজি ইত্যাদিদের বিচার চাই , তাদের ফাঁসি চাই , তা যদি না হয় , তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কিয়ামত পর্যন্ত জিহাদ ঘোষনা করা হলো।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “মুহাম্মদের কোন দোষ নেই , সব দোষ কোরানের আল্লাহর ও হাদিস লেখকদের

  1. ২ঃ২১৭র ঘটনাটি সম্ভবত ইসলামের
    ২ঃ২১৭র ঘটনাটি সম্ভবত ইসলামের প্রথম লাভজনক ডাকাতি। এই ডাকাতিতে আল্লার সম্মতি পাওয়ার পরে আর মোহাম্মদকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। মুক্তিপণের বানিজ্যও সম্ভবত এরপর থেকে শুরু

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

58 + = 63