ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকদের হালচাল!

এখানে সাধারনত নাস্তিকদের খোঁজ খবর বেশী পাওয়া যায় সেই আগে থেকেই। কিন্তু হঠাৎ করে কিছুদিন যাবত তা আরো বেশী বলে মনে হচ্ছে। বিশেষ করে ইস্টিশন ব্লগ সরকারীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকে এটা ঘটেছে।

নাস্তিকরা আসলেই নাস্তিক নাকি ইসলাম বিদ্বেষী তা বোঝা মুশকিল নয়। ইসলামকে হিংসা করা মোটেই অস্বাভাবিক নয় ইসলাম বিদ্বেষীদের জন্য। যেমন, ক্লাসে যারা ভাল ছাত্র তাদের হিংসা সবাই করে এবং কিভাবে সেই ভালছাত্রকে নীচে নামানো যায় তার জন্য হিংসুকরা লেগে থাকে। ইসলাম ধর্ম্ একমাত্র ধর্ম যে ধর্ম মানুষ নিজে থেকে গ্রহন করে কারন বর্তমান বিশ্বে এটাই একমাত্র সত্য ধর্ম। যাই হোক ইসলাম ধর্ম এমন একটি ধর্ম যেখানে সমগ্র মানব জাতির জন্য কল্যানময় সবকিছুই আছে যা অন্যকিছুতে নাই। যারা এই সমগ্র মানব জাতির জন্য কল্যান বিরোধী তারাই ইসলামের বিরোধিতা করে।

যেমন বিশ্ব পাগল হিসাবে যে বর্তমান বিশ্বে নাম কুড়িয়েছে সেই ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নির্বাচনে না জিততেই ইসলাম বিরোধিতা শুরু করেছে। তার আবার প্রিয় বন্ধু হলো ভারত বা মোদি (যাকে বলা হয় গুজরাট দাঙ্গার নায়ক ও বর্তমানে কাশ্মীরের মানুষকে নির্মমভাবে হত্যাকারী)। আর একটা বন্ধু হলো ইসরাইল যারা কিনা দখলকারী রাষ্ট্র হয়ে নিয়মিত হত্যা করছে ফিলিস্তিনিদের। প্রশ্ন হলো ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকরা (সকল নাস্তিক ইসলাম বিদ্বেষী নয়) মানুষের মানবিক দিক নিয়ে খুব চিন্তা করে। কিন্তু যদি বলা হয় কাশ্মির, ফিলিস্তিন বা বার্মা র কথা তখন তাদের মুখে আর কোন ভাষা থাকে না। এসব তাদেরকে আবার উল্লাসিতই করে।

তার চেয়ে বরং কোরবানীর গরু জবাই করলে এসব ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকরা অনেক কষ্ট পায়। কান্নায় চোখ ভাসিয়ে দেয়। ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকদের এসব মায়া কান্নার মূল কারন ইউরোপ বা আমেরিকার একটি ভিসা পাওয়া। বর্তমানে অনেক ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক দেখা যায় জার্মনিতে বসে ফেইসবুকে উষ্কানীমূলক স্ট্যাটাস দিচ্ছে। যা ইচ্ছা তাই লিখছে কারন তারা মনে করে ভিসা এক্সটেনশনের জন্য এসব নালিখলে আবার বের করে দেবে। যাকে বলে একেবারে ধান্দাবাজি। এসব কারনে ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকরা আসলে স্বাভাবিক মানুষ কিনা তা নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহের অবকাশ আছে!

এগুলো কাউকে কষ্ট দেওয়ার জন্য লেখা নয়। সঠিক পথে আসার আলো হতে পারে এটা।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকদের হালচাল!

  1. ইস্টিশনে আপনার মত আস্তিকের
    ইস্টিশনে আপনার মত আস্তিকের নাস্তিক বিদ্বেষী লেখাও প্রকাশ হয়। তারমানে কি ইস্টিশন নাস্তিক বিদ্বেষী? আস্তিকদের প্রমোট করে? উন্মুক্ত কমিউনিটি ব্লগে যে যার মত করে মত প্রকাশ করে। ইস্টিশন মত প্রকাশের একটি প্ল্যাটফরম মাত্র। এখানে সবাই যার যার মত করে মত প্রকাশ করতে পারে।

  2. ভুল বললেন রেদওয়ান সাহেব।
    ভুল বললেন রেদওয়ান সাহেব। ইস্টিশনে কিন্তু যেকোনো লেখকের লেখাই প্রকাশ করা হয়, নাস্তিকতা আস্তিকতা কোন ব্যাপারনা। যেমন বুঝা যাচ্ছে আপনি একজন আস্তিক, অথচ আপনার মত আস্তিকের লেখাও কিন্তু প্রকাশ করা হোল এখানে। অথচ আপনি দেখুন, ‘সদালাপ’ এর মত সাইট এ কোন নাস্তিকের লেখা প্রকাশ করা হয় কিনা!!! হয় না, আপনিও তা ভাল করেই জানেন আশা করি। অথচ তারা দাবি করে তারা নাকি স্বাধীন চিন্তা, মত প্রকাশের অধিকারকে সন্মান দেয়। বাস্তব কিন্তু তা নয়। চেষ্টা করেই দেখুন না। বিবর্তন এর সপক্ষে একটা লেখা প্রকাশ করে দেখান তো সদালাপ এ, তাহলে আমার কথার প্রমান পাবেন। কাজেই আপনার যুক্তি ধোপে টিকে না। কথা বললে যুক্তিসঙ্গত কথা বলবেন। ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 40 = 45