আন্ডারস্ট্যান্ডিং মুহাম্মদ, মূল – আলি সিনা , ভাষান্তর-দুরের পাখি ; পর্ব-৩

আলি সিনা একজন ইরানি বংশোদ্ভুত কানাডিয়ান । আলি তার শান্তিময় ইসলামের শিক্ষা পান ইরানে , ইসলামি বিপ্লবের আগে যখন ইরান ছিলো ধর্মনিরপেক্ষ তখন। যদিও ইসলামের পুনুরুত্থানের সম্ভাবনা ভিতরে ভিতরে পোক্ত হচ্ছিলো কিন্তু তখনো উঠে আসে নি । সেই সময় খুব অল্প লোকই ইসলামের আসল চেহারা চিনতো । ইরানের ইসলামি বিপ্লবের আগে নিজের মধ্য কৈশোরে আলি উচ্চশিক্ষার্থে ইউরোপে পাড়ি জমান । সেখানে শিক্ষা পান বাক-স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক দর্শণ সম্পর্কে । মুসলিম মানসে গণতন্ত্র একটি অজ্ঞাত ধারণা, এতটাই অজ্ঞাত যে আরবী এবং মুসলিমদের ব্যবহৃত আরো অনেক ভাষাতেই Democracy শব্দটির কোন যুৎসই প্রতিশব্দ নেই । শব্দই যেহেতু নেই ধারণা করা যায় এটা সম্পর্কে তারা বুঝেও না ভালোভাবে । মুসলিম মানসে সকল ক্ষমতার মালিক আল্লাহ । জনগণকে ক্ষমতার উৎস বলা শিরকের শামিল ।

ইবনে ওয়ারাক কর্তৃক মুখবন্দ

ডক্টর আলি সিনার জন্ম ইরানে । কিছু আত্নীয় আছেন তার যারা আয়াতুল্লাহ হিসাবে পরিচিত । গড়পড়তা শিক্ষিত ইরানির মতই আলি বিশ্বাস করতেন ইসলাম একটি মানবতাবাদী ধর্ম । কিন্তু তার সৌভাগ্য যে এই বিশ্বাসের সাথে সাথে তার ছিলো একটি কৌতুহলী প্রশ্নশীল মানস । যৌক্তিক চেতনার অধিকারী এই ব্যক্তি নিরলসভাবে প্রশ্ন করে গেছেন নিরীক্ষা করে গেছেন প্রমাণের জন্য । ধীরে ধীরে ইসলামের আসল রুপ নিয়ে যে উপলব্ধিতে তিনি পৌঁছুলেন তা কেবল তাকে নৈতিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে জর্জরিতই করেনি, বরং ১১ই সেপ্টেম্বর ২০০১ এর আরো অনেক আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন কেউ যদি ইসলামের এই আসল রুপ নিয়ে এখনি সবাইকে সতর্ক করার দায়িত্ব না নেয় তাহলে ভবিতব্যের ভয়াবহতা ঠেকানো অসম্ভব । যে ধর্মের মধ্যে তার জন্ম যে বিশ্বাস এবং চিন্তা কাঠামোর মধ্যে তার বেড়ে উঠা তা কেবল পাশ্চাত্য মূল্যবোধের সাথেই সাংঘর্ষিক নয় বরং গোটা সভ্যতার জন্যই হুমকি । জীবন বদলে দেয়া এই সত্য, তার জন্মধর্মের বর্বরতা উপলব্ধির পর থেকে আলি তার গোটা জীবন উৎসর্গ করেছেন ইসলামের আলোচনা-সমালোচনা এবং এর কদর্য সত্যগুলোকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার জন্য । এ সবই চলে তার বিখ্যাত ওয়েবসাইট ফেইথ ফ্রিডম ইন্টারন্যাশনাল এর মাধ্যমে ।

পশ্চিমা বিশ্ব ইসলাম ত্যাগী এইসব বিপ্লবীদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারে , সমাজতন্ত্র ত্যাগী বিপ্লবীদের কাজে লাগানো হয়েছিলো যেভাবে ।

আমার নিজের বই “Leaving Islam” এ যেমন বলেছি, সমাজতান্ত্র এবং ইসলামের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সাদৃশ্য দেখা যায় । Maxim Rodinson এবং Bertrand Russell এরকম কিছু সাদৃশ্যের কথা বলেছিলেন বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের সমাজতান্ত্রীক এবং আশির দশক ও একবিংশ শতকের প্রথম দিককার ইসলামপন্থীদের ব্যাপারে । রাসেল বলেন, “ধর্মগুলোর মধ্যে বলশেভিজম কে দেখতে হবে মোহাম্মদিজমের সাথে মিলিয়ে , খ্রিস্টীয় বা বৌদ্ধ ধর্মের সাথে নয় । খ্রিস্টান এবং বৌদ্ধ ধর্ম মূলত ব্যক্তিগত দর্শণ । এদের বৈশিষ্ট্য রহস্যময় আচার এবং কল্পণাবিলাস । মোহাম্মদিজম হলো ব্যবহারিক, সামাজিক এবং আধ্যাত্নিকতাহীন , যার চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো দুনিয়া জয় । “ বর্তমান দুনিয়ার অবস্থা এবং ত্রিশের সমাজতান্ত্রিক সাম্রাজ্যবাদের সাথে তার ভয়জাগানিয়া সাদৃশ্য এজন্যই গুরুত্বপূর্ণ । Kolster যেমন বলেছিলেন “ তোমরা আমাদের স্বজাতি বিরোধীতাকে ঘৃণা কর , বন্ধু হিসাবে স্বীকার করতে লজ্জা কর অথচ সবার সব কথা শুনার পরেও, কেবল আমরা প্রাক্তন সমাজতন্ত্রীরাই জানি আসল ঘটনা” Crossman তার ভূমিকায় যেমন বলেছিলেন “Silone (এক প্রাক্তন-সমাজতন্ত্রী) আসলে কেবল মজা করছিলো যখন সে Togliatti কে বলছিলো যে আসল যুদ্ধ হবে সমাজতন্ত্র আর গণতন্ত্রের মধ্যে নয় বরং সমাজতন্ত্রপন্থী এবং প্রাক্তন সমাজতন্ত্রপন্থীদের মধ্যে । কিন্তু সমাজতন্ত্রের সাথে দার্শনিক এবং রাজনৈতিক বিরোধীতা যারা কখনো করেনি তারা কোনদিনই পশ্চিম-উদ্ভুত গণতন্ত্রের মর্যাদা বুঝবে না । শয়তান এক সময় স্বর্গেই থাকতো, যারা কোনদিন শয়তানকে দেখে নাই তারা ফেরেশতা দেখলে আলাদা করতে পারবে না ”

অন্তত সাময়িক হলেও, সমাজতন্ত্র এখন পরাজিত, কিন্তু ইসলামিজম না , এবং সম্ভবত অন্তিম যুদ্ধ হবে ইসলামিজম এবং পাশ্চাত্য গণতন্ত্রের মধ্যে । Kolster এর কথার সাথে মিলিয়ে বলতে হয়, এই প্রাক্তন-মুসলিমরাই কেবল জানে আসল ঘটনা কি, আর আমাদের সবারই উচিৎ এইসব স্বজাতিত্যাগীদের পুরো কাহিনী মনোযোগ দিয়ে শোনা । ভালো ছাড়া খারাপ কিছু হবে না এতে । আমরা যারা স্বাধীনভাবে পাশ্চাত্যে বাস করি আর বৈজ্ঞানিকি নিরীক্ষা , বাক-স্বাধীনতার সুবিধা ভোগ করি তাদের উচিৎ ইসলামের যৌক্তিক বিশ্লেষণ এবং কোরান-সমালোচনাকে উৎসাহিত করা । কোরানেরি সমালোচনার মাধ্যমেই মুসলিমরা পারবে তাদের পবিত্র কিতাবকে যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে । এর দ্বারাই সম্ভব কোরানের মধ্যকার জংগি আয়াতগুলোর কুপ্রভাবে তরুণ মুসলিমদের জংগীবাদে উদ্বুদ্ধ হওয়াকে ঠেকানো । পশ্চিমের সকল বাসিন্দার নাগরিক দায়িত্ব ইসলামকে যৌক্তিকভাবে বুঝা । কিন্তু এই কাজে যদি কেবল বড় বড় লাইব্রেরিগুলাতে পাওয়া বই ব্যবহার করা হয় তাহলে পাওয়া যাবে কেবল মোচনবাদী প্রতারকদের(Apologist) কথাবার্তা । ডক্টর সিনা এবং তার বন্ধুদের করা চমৎকার তথ্যপূর্ণ এবং নিরলসভাবে যুক্তি-পাল্টাযুক্তির ঘাত-প্রতিঘাতে সিদ্ধ ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যাবে ইসলামের ন্যায্য এবং সত্য রুপ । ইসলাম শান্তির ধর্ম এইজাতীয় ভাঙা রেকর্ডের বাজনায় যারা এখনো নিজের যুক্তিবুদ্ধি হারান নাই, তাদের সকলকে আমি অনুরোধ করবো এই বইটি গুরুত্বের সাথে পড়ার জন্য । আলির এইসব কাজের ফলে এখন আর ইসলামের ব্যাপারে অন্ধকারে থাকার কোন অজুহাত খাটবে না , যাকিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং জীবনের বিনিময়েও রক্ষা করতে প্রস্তুত আমরা সেইসব মূল্যবোধের ধ্বংসের বীজ লুকায়িত যার মধ্যে ।

লেখক পরিচিতি

আলি সিনা একজন ইরানি বংশোদ্ভুত কানাডিয়ান । আলি তার শান্তিময় ইসলামের শিক্ষা পান ইরানে , ইসলামি বিপ্লবের আগে যখন ইরান ছিলো ধর্মনিরপেক্ষ তখন। যদিও ইসলামের পুনুরুত্থানের সম্ভাবনা ভিতরে ভিতরে পোক্ত হচ্ছিলো কিন্তু তখনো উঠে আসে নি । সেই সময় খুব অল্প লোকই ইসলামের আসল চেহারা চিনতো । ইরানের ইসলামি বিপ্লবের আগে নিজের মধ্য কৈশোরে আলি উচ্চশিক্ষার্থে ইউরোপে পাড়ি জমান । সেখানে শিক্ষা পান বাক-স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক দর্শণ সম্পর্কে । মুসলিম মানসে গণতন্ত্র একটি অজ্ঞাত ধারণা, এতটাই অজ্ঞাত যে আরবী এবং মুসলিমদের ব্যবহৃত আরো অনেক ভাষাতেই Democracy শব্দটির কোন যুৎসই প্রতিশব্দ নেই । শব্দই যেহেতু নেই ধারণা করা যায় এটা সম্পর্কে তারা বুঝেও না ভালোভাবে । মুসলিম মানসে সকল ক্ষমতার মালিক আল্লাহ । জনগণকে ক্ষমতার উৎস বলা শিরকের শামিল ।

পশ্চিমা দর্শণ পাঠে এবং এই দর্শণ কিভাবে ইউরোপের Enlightenment যুগের সূচনা করেছিলো তা বুঝার পরে আলি উপলব্ধি করেন মুসলিম সমাজের দুর্দশার মূলে রয়েছে তাদের চিন্তার পরাধীনতা । তবে শেষ পর্যন্ত কোরানের আদ্যোপান্ত পাঠে তিনি বুঝতে পারেন মুসলিম দুর্দশার গভীরতর কারণ হচ্ছে ইসলাম নিজেই ।

আলি বলেন, কোরান পড়ে আমি হতবাক হয়ে যাই। অবাক বিষ্ময়ে দেখি যে, কোরান ভরা নৃশংসতা, ঘৃণা, ভুল, বৈজ্ঞানিক অসামঞ্জস্য, গাণিতিক ভুল, কুযুক্তি, ব্যাকরণগত অনিয়ম আর সন্দেহজনক নৈতিকতায় । অস্বীকার, পাপবোধ, স্বিদ্ধান্তহীনতা, ঘোর কেটে যাওয়া, রাগ এবং হতাশা এইসব পর্যায় পেরিয়ে আমি শেষপর্যন্ত নিজের পাওয়া স্বিদ্ধান্ত মেনে নিই যে কোরান কোন ঐশ্বরিক বাণী নয় । এর অলৌকিকত্ব কেবল গুজবের বেশি কিছু নয় এবং কোন অসুস্থ মস্তিষ্কের কল্পণা এই বইটি । এ ছিলো গভীর ব্যঞ্জনার কোন অনুভূতি থেকে জেগে উঠে দেখা যে সবই ছিলো স্বপ্ন, এইরকম । আরো পড়াশোনার পরে তিনি স্থিরস্বিদ্ধান্তে পৌঁছান যে মুসলিম বিশ্বের অবনতির মূলে আছে ইসলাম এবং এই ধর্ম মানবতার জন্য একিটি বড় হুমকি । তখনি তিনি জিহাদের বিপরীতে তার পাল্টা-জিহাদ চালানোর স্বিদ্ধান্ত নেন । তার বিশ্বাস ইসলামে সংস্কার সম্ভব নয়, কাঁচের মত একে নোয়ানো সম্ভব নয় তবে ভেঙে ফেলা সম্ভব । তিনি বলেন, “ইসলাম হচ্ছে তাসের ঘরের মত, এই ঘর ভাঙার জন্য শুধু যেইসব মিথ্যার উপর ভিত্তি করে ঘরটা দাঁড়িয়ে আছে সেগুলোকে মোকাবেলা করলেই চলবে । চোরাবালির উপর দাঁড়ানো বিশাল বিল্ডিং এর মতই, ভিত প্রকাশ করে দিলে নিজের ভারেই এটা ধ্বংস হয়ে যাবে ।” ইসলামের ভবিষ্যত কি ? এই প্রশ্নের জবাবে সিনা বলেন, এটা তার জায়গায় ফিরে যাবে, ইতিহাসের আস্তাকুঁড় ।

আলি মনে করেন আর মাত্র কয়েক দশকের মধ্যেই ইসলাম একটা সামান্য দুঃস্বপ্নের মতই ফিকে হয়ে আসবে আমাদের স্মৃতিতে এবং আমাদের জীবদ্দশাতেই ঘটবে এই ঘটনা । আলি বলেন, “স্বীকার করতে আপত্তি নেই, এই ভবিষ্যতবাণী নিয়ে আমি অনেক দ্বিধায় ভুগেছি, কারণ ভালো করেই জানি অনেকেই এটাকে অবাস্তব এমনকি অতিকল্পণা বলে হেসে উড়িয়ে দেবে । কিন্তু যতি ভাবি ততই আমার মনে হচ্ছে এটাই ঠিক । আজকাল আরো অনেকেই ইসলামের অবশ্যাম্ভাবী মৃত্যু দেখতে পায় সামনে । ইসলামের যেসব সমালোচনা আগে লুকিয়ে চুরিয়ে করতে হতো তা এখন দুনিয়ার সবাই শুনতে পাচ্ছে । আর এইসব সমালোচনা কেবল অমুসলিমদের মধ্যে থেকেই নয় বরং জন্মসূত্রে মুসলিমদের ভিতর থেকেও আসছে । দিন দিন এটাও পরিষ্কার যে মুসলিমরা বা কে কিভাবে ইসলামের ব্যাখ্যা দিলো সেসব কোন সমস্যা নয়, বরং ইসলাম জিনিসটাই সমস্যার গোড়া ।”

আলির বিশ্বাস ইসলামের প্রথম ভুক্তভোগী মুসলিমরা নিজেরাই । “ আমার উদ্দেশ্য শুধু ইসলামের বিপদ সম্পর্কে সবাইকে জানানো নয় বরং মুসলিমদের এথেকে উদ্ধার করাও । আমি তাদের রক্ষা করতে নিজেকে ও দুনিয়াকে ধ্বংস করার পথ থেকে । উদ্ধার করতে চাই ইসলাম নামের মিথ্যার জাল থেকে । তাদের বুঝাতে চাই গোটা মানবজাতি একটা পরিবারের মত, চাই তারা বোধ-বুদ্ধির পথে , মানবতার পথে আসুক, শান্তি এবং উন্নতির জীবনে আসুক । আমি মানবজাতির একাত্ব চাই, নতুন কোন মতবাদ দিয়ে নয় , বরং মানুষের মাঝে ঘৃণার বিষ ছড়ানো প্রধান মতবাদটিকে নগ্ন করে দিয়ে, ধ্বংস করে দিয়ে ।”

কোটি কোটি মানুষ ফেইথফ্রিডম ডট অর্গের লেখাগুলোর পাঠক । ইসলাম নিয়ে বিপদটা কি এবং কেন কিছু মুসলিম এত বেশি ঘৃণা এবং বর্বরতা পোষণ করে নিজেদের ভিতর এইসব নিয়ে যারা ভাবে তাদের মিলনস্থলে পরিণত হয়েছে এই ওয়েবসাইট । ফেইথ ফ্রিডম ইন্টারন্যাশনাল পরিণত হয়েছে প্রাক্তন-মুসলিমদের তৃণমূল আন্দোলনে । এর উদ্দেশ্য ইসলামের মুখোশ খুলে দিয়ে দেখানো যে নাযিবাদের মতই ইসলাম মূলত ধর্মের খোলসে লুকানো একটি সাম্রাজ্যবাদী মতবাদ এবং মুসলিমদের ইসলাম ত্যাগে সাহায্য করা যাতে তারা তাদের “আমরা” ও “অন্যরা” এই দুইয়ের মধ্যে বিভাজন আর ঘৃণার মূল্যবোধ ত্যাগ করে পুরো মানবজাতির সাথে সৌহার্দের সাথে যোগ দিতে পারে । এ এক নিরব বিশ্বব্যাপী বিপ্লব । প্রতিদিন অনেক নতুন ইসলাম-ত্যাগী বের হয়ে আসছে যারা আবার একই সাথে এই আন্দোলনের সহযোদ্ধাতে পরিণত হচ্ছে । এদের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে । সামান্য জলধারা এখন বিশাল স্রোতে পরিণত । আলির ভাষায়, “এ এক চমৎকার যুদ্ধ, যেখানে পরাজয়ের পর শত্রু হয়ে উঠে বন্ধু এবং প্রধান মিত্র ।”

আলি সিনা একজন ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদী এবং একক ফেডারেল বিশ্ব ব্যবস্থার সমর্থক ।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “আন্ডারস্ট্যান্ডিং মুহাম্মদ, মূল – আলি সিনা , ভাষান্তর-দুরের পাখি ; পর্ব-৩

    1. এগুলো সব গতবছর ফেসবুকে
      এগুলো সব গতবছর ফেসবুকে অনুবাদকৃত। ইস্টিশনে মিরর করা হচ্ছে। আপনি তার ফেসবুক প্রফাইলে ৩৫ পর্ব পর্যন্ত পাবেন।

  1. পুরোটা অনুবাদ আগে শেষ করে
    পুরোটা অনুবাদ আগে শেষ করে সেটাকে পিডিএফ আকারে ছাড়ার দায়িত্ব আমাদের হাতে ছেড়ে দিলে কাজটা দ্রুত হবে। আপনি আগে ওটা করুন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 75 = 83