মুহাম্মদ (আমি বলি না,হাদিস বলে)

শুরু করেন গালি-গালাজ করা। আর যারা একটু শক্তিশালী উম্মত তারা ধার দেওয়া শুরু করেন চাপাতি। আবার,যারা খুব নমনীয় মুসলিম তারা কানে তুলা কিংবা চোখ বন্ধ করুন। প্রথমেই বলে নেই আমার কোন দোষ নাই যা ঝামেলা পাকানোর তা আপনাদের নবি করছে বা হাদিস লেখকগণ করেছে এক্ষেত্রে আমার কোন দায় নাই। আসলে যে সবসময় সত্য বলে তার মনে রাখার দরকার নেই,যে সে অতীতে কি বলেছে। কিন্ত,যে মিথ্যা বলে তাকে অবশ্যই মনে রাখতে হয় অতীত এর কথা তা না হলে ফাদে পরার চান্স থাকে। এই অতিরিক্ত মিথ্যা বলা আর বারবার সিদ্ধান্ত চেঞ্জ এর কারণে আজ ফাদে পরে গেছে মুহাম্মদ। নিম্নে নবিজির একক্ষান অথেনটিক হাদিস উল্লেখ করা হলোঃ

★আবু আব্দুল আযিয বর্নিত,”যখন আল্লাহর রাসূল খায়বার দখল করে,আমরা খায়বার দখল করলাম, তাদেরকে বন্দি করলাম। দাহিয়া এসে বললো-হে!নবি আমাকে গনিমতের মাল হিসাবে একটা নারী দিন বন্দিনী নারীদের মধ্য থেকে । নবি খুব উদারভাবে বললেন-যাও তোমার যেটা পছন্দ সেটা নিয়ে নেও। সে তখন সাফিয়া বিনতে হুইকে নিল । এক লোক এসে বললো-হে! নবি আপনি দাহিয়াকে সেই নারী দিয়েছেন যে কিনা খায়বার এর সর্দার এর স্ত্রী। নবি তখন সাফিয়াকে তার কাছে আনার জন্য হুকুম দিলেন। সাফিয়াকে আনা হল, তিনি সাফিয়াকে দেখে, দাহিয়াকে অন্য নারী নিতে বললেন এবং সাফিয়াকে তার জন্য রেখে দিতে বললেন। ”
(বুখারি,বই-৮,হাদিস-৩৬৭)

হাদিসটা গভীর ভাবে পড়লে বিষয়টা বুঝতে পারবেন। আপনাকে গভীর ভাবেই পড়তে হবে তা না হলে রহস্য বুঝবেন না। কারণ,ইসলাম অনেক গভীর তো তাই। এই খায়বার এর যুদ্ধে দাহিয়া খুব ভাল পারফর্ম করে। যার ফলে তিনি নবির কাছে একটা নারী মাল দাবি করে। যারা বলে ইসলামে নারী কে প্রচুর সম্মান দেওয়া হয়েছে তাদের জন্য এ হাদিসটা মোটামুটি মুখে জুতা মারার মত।
যাইহোক, নবিজিও দাহিয়া চাহিবামাত্র উদারভাবে গনীমতের দোকান এর নারী মাল সামগ্রী থেকে যেকোন একটা চয়েজ করে নিতে বললেন। কিন্ত,ইহাতে অপর এক সাহাবির হিংসা হলো। কারণ,সাফিয়া দেখতে মোটামুটি ভালই ছিল। ঐ সাহাবি নবি কে গিয়ে বুঝালেন যে সাফিয়ার যোগ্য একমাত্র আপনি নবি। সাফিয়া আপনার জন্যই খাছ। এরপর আল্লাহর নবি সাফিয়া কে ডাকলেন টপ টু বটম দেখলেন এবং ইমানদন্ডের অতি চাপে দাহিয়াকে অন্য নারী থুক্কু মাল গ্রহন এর আদেশ দিলেন। তার মানে যা দাড়ালো,
“প্রথমে নবি দাহিয়াকে উপহার হিসাবে দিলেন সাফিয়া, অতঃপর সাফিয়াকে দেখার পর তা আবার কেড়ে নিলেন তার কাছ থেকে বা ফেরত নিলেন ”

এবার আসুন বুখারির হিবা (উপহার) অধ্যায়ের একটি হাদিস দেখাযাক,
★মুসলিম ইবন ইব্রাহিম আব্বাস (রা:)-বলেন,নবি বলেছেন “যে তার দান বা উপহার প্রদান করে তা ফেরত নেয়, সে ঐ কুকুর এর ন্যায়, যে বমি করে পুনরায় তা খায়”।। (বুখারি হাদিস -২৪১৮)
তবে এ হাদিস পড়ে মুসলিম বন্ধুরা কি বুঝলেন? পূর্বের হাদিস এর সাথে এ হাদিসটা নিয়ে একটু চিন্তা করুন। এ হাদিস অনুযায়ী নবি তার প্রদান করা উপহার দাহিয়ার কাছ থেকে ফেরত নিয়ে নিজের কথা অনুযায়ী কুকুরে পরিণত হলেন।
আবারও,বলছি এগুলা আমার কথা না হাদিসের কথা। বিলিভ না হলে খুলে দেখেন। যদি আমার কথা ভুল হয় যুক্তি আই মিন ত্যানা যোগার করে উপস্থাপন করুন। এবং নিজের মনকে শীতল করুন। নতুবা কিছু না পারলে গালি-গালাজ কন্টিনিউ করুন। কারণ,আপনাদের গালি দেখলে বা শুনলে আরও লিখতে ইচ্ছা করে।

পুনশ্চঃ বেশি লোভ কিংবা মিথ্যাবলা ঠিক না!!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “মুহাম্মদ (আমি বলি না,হাদিস বলে)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

76 − 67 =