মেরাজঃ আল্লাহ – নবির যৌথ বোকামি

নবিজির জীবনের কিছু উল্লেখ্য কেরামতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি পপুলার কেরামতি হলো মেরাজ। এর সত্যতা নিয়ে ইমামদের মধ্যে কোন ঝামেলা না থাকলেও, মেরাজে গমন নিয়ে মতানৈক্য আছে। যেমনঃআহেলে সুন্নাতওয়াল জামাত এর দাবি সশরীর-ই গিয়েছিল অপর দিকে আহলে হাদিছের দাবি আদ্ধ্যাত্মিক যাত্রা। সেটা যে ভাবেই হোক ঘটনাটি যে পুরাই মিথ্যা তার প্রমান বহনকরে এর পক্ষে বর্ণিত হাদিস গুলা। মেরাজ এর সব হাদিস গুলা প্রায় একই রকম। আমি এখানে একটা হাদিস উল্লেখ এবং তার চুল ছেরা বিশ্লেষণ করব। কারণ ইসলাম অনেক গভীর ইহা বুঝতে হলে চুল ছেড়া বিশ্লেষণ-ই করতে হবে।
নিম্নে হাদিসটি সংক্ষেপে তুলে দেওয়া হল কারণ বিশাল হাদিস টাইপ করতে গেলে হাতের ১২ টা বেজে যাবে।।
★আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)-থেকে বর্নিত,রাসুল সাঃ-বলেছেন আমার নিকট বোরাক নিয়ে আসা হল,বোরাক হচ্ছে চার পায়া যন্তু সাদা, লম্বা গাধার এর চেয়ে বড় এবং খচ্চর থেকে ছোট। তার দৃষ্টির শেষ প্রান্তে সে তার পা রাখে। তিনি বলেন আমি তাতে চড়ে অবশেষে আমাকে বায়তুল মাকদিস নিয়ে আসা হল। তিনি বলেন আমি তাকে সেই খুটির সাথে বাধলাম, যার সাথে নবিগন বাধেন। তিনি বলেন, অতঃপর আমি মসজিদে প্রবেশ করে সকল নবির ইমাম হয়ে ২ রাকাত সালাত আদায় করি। অতঃপর, বের হই, অতঃপর জিব্রাইল আমার নিকট মদ এবং দুধের পাত্র নিয়ে আসেন। আমি দুধের পাত্র গ্রহন করেন। জিব্রিল আমাকে বলেন তুমি ফিতরাত স্ব।ভাব গ্রহন করেছ। আতঃপর আমাকে নিয়ে আকাশে চলেন। যখন আমি প্রথম আকাশে উপনিত হলাম,তখন জিব্রাইল আকাশ এর প্রহরীকে বললেন দরজা খোলো, সে বললো কে?? জিব্রাইল বললো আমি! আপনার সাথে কেউ আছে কি? তিনি বললেন আছে। তারপর প্রথম আকাশ গিয়ে দেখলাম এক লোক বসে আছে, আমি জিব্রাইল কে জিজ্ঞাস করলাম উনি কে?জিব্রাইল বললো -উনি আদম (আঃ)।
এভাবে, নবি ৭ম আসমান অব্দি পারি দেন। প্রত্যেক আসমান-ই নবি ছিল। এর মধ্যে ৭ম আসমানে ইব্রাহীম এবং ৬ষ্ঠ আসমানে মূসা। এরপর, আল্লাহ আমার উপর ৫০ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেন। ফিরে আসার সময় মুসা জানতে চায়! কি নিয়ে এসেছো, আমি বললাম ৫০ ওয়াক্ত নামাজ। মূসা বললেন, তোমার উম্মত ইহা পারবে না। যাও আল্লাহর কাছ থেকে কমিয়ে নিয়ে এসো। এরপর আমি আল্লাহর কাছে বারবার গমন করলাম। এবং অবশেষ-ই ৫ ওয়াক্ত নামাজ স্থির করা হয়। (বুখরি, ইসরা অধ্যায়, হাদিস নম্বার-৩৩৬)

এখন আসুন কিছু যুক্তি উপস্থাপন করা যাকঃ
★উপরের হাদিস অনুযায়ী তিনি বোরাখ কে বেধে রাখলেন, কিন্তু কেন? বোরাখ এর কি পালায়,যাবার চান্স ছিল! তাহলে ওখানে জিব্রাইল কি করছিল!

★তারপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করে নামাজ আদায় করলেন। ক্যামনে কি ভাই! নামাজ তো এখনো শুরু-ই হয় নাই। মানে আল্লাহর কাছে তো জান-ই নাই। তবে, কি নামাজ পড়ালেন! জিব্রাইল এর শেখানো এবং নামাজ ফরজ হওয়ার আগেই? আল্লাহ মালুম!

★প্রথম আসমানের দরজার সামনে গিয়ে ঠক! ঠক! প্রতি উত্তর কে? আমি জিব্রাইল। তারপর আবার প্রশ্ন সাথে কেউ আছে? এই, যে দরজার গুতাগুতি এতে কি প্রমান হয় না আসমান শক্ত কনক্রিট!!

★প্রতি আসমানে-ই নবি-রাসুল আছে, দেখা সাক্ষাৎ হল নবির। তিনি কাওরেই চেনেন নাই। জিব্রাইল পরিচয় করায় দিছে। কিন্ত,মোল্লারা দাবি করে সবার আগে মুহাম্মদরে আল্লাহ পয়দা কইরা আসমানের তারা কইরা রাখছিল। এর পক্ষে একটা হাদিস আছে। উল্লেখ করলাম না, কারণ আহলে হাদিস এবং মডারেট ছাগুরা ইহাকে জিঈফ বলে।

★সাক্ষাত শুরু আল্লাহ লগে দিয়া দিলো ৫০ ওয়াক্ত নামাজ! নবিও তাই নিয়ে চলে আসলো। মুস বাধা দিল, নবিরে বুদ্ধি দিল এতো নামাজ পারবো না, তোমার উম্মত। যাও কমায় আনো। এরপর নবি ৫ বার আসা যাওয়া করে মুসার কথায়। এখানে খেয়াল করেন,
* আল্লাহ কত বড় মাপের ব্যক্কেল যে ৫০ ওয়াক্ত নামাজ দেয়। ২৪ ঘন্টায় এ নামাজ এর সময়সূচী ঠিক করবেন কিভাবে! আর, মুয়াজ্জিন এর তো আযান দিতে দিতে জীবন শেষ হয়ে যাবে।
*বুদ্ধি দিলো মুসা!যার জ্ঞান পরিপূর্ন ছিল না! বিলিভ না হলে সূরা কাহাফ পড়েন। আর,নবিদের মধ্যে সবচেয়ে জ্ঞানীতো মুহাম্মদ! তার মাথায় এই সামান্য চিন্তাটুকু আসলো না যে! ৫০ ওয়াক্ত নামাজ কিভাবে পসিবল।।

পুনশ্চঃ এ থেকেই বোঝা যায় ইহুদিরা কেনো এতো বুদ্ধিমান।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

24 − = 22