স্ববিরোধী সরকার!

তরুন প্রজন্মকে দিনবদলের স্বপ্ন দেখিয়ে ২০০৯ এর সাধারণ নির্বাচনে গনরায় ক্ষমতাই এসেছিল বর্তমান সরকার।নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি আকৃষ্ট করেছিল তরুন প্রজন্মকে।জীবনের প্রথম ভোট প্রদান করলাম নৌকা মার্কায়, প্রত্যাশা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে দেশ জঞ্জালমুক্ত হবে ত্রিশলক্ষ শহিদের আত্না শান্তিপাবে। যাইহোক,প্রথম মেয়াদে সরকার তা সমাপ্ত করতে না পারলেও দিত্বীয় মেয়াদে একটা যেনতেন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাই এসে তা মোটামুটি সম্পন্ন করছে।এখনো অনেক কাজ বাকী আছে।যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী ছিল একটা গনদাবী। গণজাগরণ মঞ্চের মাধ্যমে তা প্রমান হয়েছে; এটা গণজাগরণ মঞ্চের একটা অর্জন যা কেউ অস্বীকার করতে পারবেনা।কিন্তু আমরা দেখিছি গণজাগরণ মঞ্চের বিরুদ্ধে পাল্টা কাউন্টার হিসেবে উগ্রধর্মীয় সংগঠন হেফাজতে ইসলাম কে কিভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।ঢাকা সহ গোটা দেশে তাদের তান্ডবলীলা দেখেছে বিশ্ব।তাদের দাবী গণজাগরণ মঞ্চ নাস্তিক ব্লগারদের আন্দোলন। ব্লগার মানেই কি নাস্তিক ? ব্লগ কি শুধু নাস্তিকেরা লিখে?।তাইতো ব্লগ বন্ধ করতে হবে নাস্তিক হত্যা করতে হবে।

একে একে হত্যা করাহল রাজিব,অভিজিত,বাবু,অনন্তবিজয়,নিলাদ্রীনিল,ফয়সল আরেফিন,নাজিমুদ্দীন কে।সরকার নির্বিকার এখানে সরকার যেন হেফাজতের ভূমিকাই!; কিন্ত জনগন কোন উগ্রবাদী সংগঠনের সাথে আতত দেখতে চাইনা।বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক তার নিজনিজ ধর্ম স্বাধীন ভাবে পালনের অধিকার আছে এবং এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার কেউ ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দেয় তার জন্য আইন আছে কিন্ত হত্যাকান্ড কাম্যনয় প্রত্যেক হত্যাকান্ডের বিচার হওয়া উচিত।

এবার আসল কথাই আসি; বেশ কিছুদিন আগে বাংলাদেশ সরকার ইস্টিশন ব্লগবন্ধ করেছে যা সরকারের নীতির বিরোধী।ব্লগহচ্ছে একটি ইলেকট্রনিক ডায়েরি এখানে মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশ করবে।সবাই যে সরকারের পক্ষে লিখবে এমনতো নয় কেউ সমালোচনা করবে এটাই স্বাভাবিক।কিন্ত ব্লগ বন্ধ করে মানুষের যৌক্তিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা সরকারের ডিজিটালাইজেশনের পরিপন্থী।আশাকরি সরকারের বোধদয় হবে।
বাংলাদেশ থেকে অনেক ট্রাইকরেও প্রবেশ করতে পারছিলাম না, কলকাতা আসার পর নিজের আইডিতে লিখতে পেরে ভালই লাগছে।

রুদ্ররক্তিম
কলকাতা
২৭/১০/২০১৬

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

25 + = 34