সঠিক ঈশ্বরের খোঁজে

সঠিক ঈশ্বরের খোঁজে

এই পৃথিবীতে বর্তমানে কয়েক হাজার জীবিত ধর্ম আছে। চলার পথে বিলীন হয়ে গেছে আরও কত কত ধর্ম তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। মানব কল্যাণের বাজারিমুখি বিজ্ঞাপন ছাড়া সব ধর্মীয় শিক্ষা পারস্পারিক সাংঘর্ষিক। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ সারাজীবনে খ্রিস্টান, ইসলাম, বৌদ্ধ, হিন্দু, ইহুদি বা জৈনর মত সব বড় বড় ধর্মগুলোতে সঠিক ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনার মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করার জন্য তাগিদ এবং শিক্ষা দেয়া হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, একজন খ্রিস্টানকে বিশ্বাস করতে হবে, যিশু তাদের ত্রাতা এবং তার অনুসারিদের ত্রাণের জন্যই নিজে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে রক্ত ঝরিয়েছেন।

এর মানে হলো, কেউ যদি ভুল ঈশ্বরের প্রার্থনা করেন তাহলে পারলৌকিক জীবনে অনন্ত আগুনে পুড়তে হবে, সারাজীবনের আন্তরিক প্রার্থনা কোন কাজেই আসবে না। ভুল ঈশ্বরের প্রার্থনা যত নিয়মনিষ্ঠভাবেই করুন না কেন ঈশ্বর তা গ্রহণ করবেন না। সুতরাং বিচারের দিন আপনার হিসাবের খাতায় দেখতে পাবেন বিশাল একটা শূন্য। ফলাফল আপনার স্থান হবে অনন্ত নরকে।

ধরে নিলাম, খ্রিস্টান ধর্ম সঠিক এবং বাইবেল জীবনের একমাত্র অবলম্বন এবং সেভাবেই নিজের জীবন পরিচালিত করলেন। তাহলে বিচারের দিন দেখতে পাবেন হিন্দু, বৌদ্ধ, বাহাই, জৈনরা জীবদ্দশায় যত ভালো কাজই করুক না কেন দলে দলে নরকের জ্বালানি হওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। কেননা বাইবেল বলছে, “যারা ঈশ্বরকে জানে না এবং ঈশ্বরের পুত্র প্রচারিত গসপেল মান্য করে না তারা পাপী, তাদের শাস্তি হবে অনন্ত, তারা সমূলে ধ্বংস হবে এবং তারা ঈশ্বরের মহত্ব থেকে বঞ্চিত হবে।” ঠিক একইভাবে যে কেউ যে ধর্মই যত সহিভাবে অনুসরণ করুক না কেন অন্যান্য ধর্মের নিয়মানুসারে তার জন্য অপেক্ষা করছে শাস্তি ও ধ্বংস। এই কারনেই আমি ঈশ্বরকে অনেক আগে একটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম যেন প্রত্যেক ধর্মানুসারীদের জন্য আলাদা আলাদা স্বর্গ বানানো হয়।

যাইহোক, আমার প্রশ্ন কেউ আমাকে একটু সঠিক ঈশ্বরের পথ দেখিয়ে দিতে পারেন?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “সঠিক ঈশ্বরের খোঁজে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 2