আল্লাহ “হও” বললেই কি সব হয় ? যদি না হয়, তাহলে কোরান কার বানী হবে ?

কোরানে আল্লাহ বলেছে সে যদি কোন কিছু সম্পর্কে ” হও” বলে , তাহলে সাথে সাথেই তা হয়ে যায়। কারন আল্লাহ হলো সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ও সে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে। এখন যদি দেখা যায়, কোন একটা বিষয়ে আল্লাহ ‘হও’ বলল কিন্তু সেটা সাথে সাথে না ঘটে বহুদিন পর অন্য কারও দ্বারা সেই ঘটনা ঘটল, তাহলে কোরানের বানী কি আল্লাহর হবে, নাকি যে ব্যক্তি(মুহা্ম্মদ) কোরানের বানীগুলো মানুষের কাছে বলেছে , তার বানী হয়ে যাবে ?


কোরানে আল্লাহ বলেছে সে যদি কোন কিছু সম্পর্কে ” হও” বলে , তাহলে সাথে সাথেই তা হয়ে যায়। কারন আল্লাহ হলো সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ও সে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে। এখন যদি দেখা যায়, কোন একটা বিষয়ে আল্লাহ ‘হও’ বলল কিন্তু সেটা সাথে সাথে না ঘটে বহুদিন পর অন্য কারও দ্বারা সেই ঘটনা ঘটল, তাহলে কোরানের বানী কি আল্লাহর হবে, নাকি যে কোরান বানীগুলো মানুষের কাছে বলেছে , তার বানী হয়ে যাবে ?

কোরান বলেছে —

সুরা ইয়াসিন-৩৬:৮২:তিনি যখন কোন কিছু করতে ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কেবল বলে দেন, ‘হও’ তখনই তা হয়ে যায়।

আল্লাহ নিজেই যখন কথাটা বলেছে তখন তা বাস্তবায়িত হবেই। সুতরাং কোন একটা ঘটনার ব্যাপারে আল্লাহ যদি বলে ‘হও’ তাহলে কোরানের উক্ত বানী অনুযায়ী সাথে সাথেই সেই ঘটনা ঘটে যাবে। এখন নিচের আয়াত দেখা যাক-

সুরা লাহাব-১১১:১-আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,

উক্ত আয়াতে আল্লাহ নিজেই আবু লাহাবের ধ্বংস হওয়ার জন্যে বলছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে আল্লাহ লাহাবের ধ্বংস হওয়ার কথা বললেও সাথে সাথেই লাহাব ধ্বংস হয় নি। বরং বহু বছর পরে মুহাম্মদ নিজেই তাকে হত্যা করে। অর্থাৎ সেই “হও” এর বাস্তবায়ন মুহাম্মদ নিজ হাতে করে, তথা আল্লাহ যেটা নিজেই করবে বলে কোরানে বলছে , মুহাম্মদ নিজে সেই কাজটা করে। এটা কিভাবে জানা যাবে ?

‘সুরা লাহাব’ হলো সময় ক্রম অনুযায়ী ৬নং সুরা , যদিও কোরানে তার নম্বর-১১১। প্রথমে আলাক , তারপর ক্রম অনুযায়ী সুরা কালাম , মুজাম্মিল, মুতাদ্দির , ফাতেহা নাজিল করার পরই মুহাম্মদ এই ‘সুরা লাহাব’ নাজিল করে মক্কাতে। এভাবে মক্কার জীবনে মুহাম্মদ মোট ৮৬ টা সুরা নাজিল করে আর তার একেবারে প্রথম দিকেই অর্থাৎ মুহাম্মদ তার নবুয়ত্ব দাবী করার ১/২ বছরের মধ্যেই নাজিল হয় এই সুরা লাহাব। আল্লাহর বানীর নামে মুহাম্মদ যখন উল্টো সিধা কথা বার্তা প্রচার করছিল , তখন সেসব কথাকে গ্রহন না করে আবু লাহাব মুহাম্মদকে পাগল উন্মাদ বলত আর তখনই এই সুরা মুহাম্মদ নাজিল করে। সেটা বোঝা যাবে নিচের এ সাইটে-

http://www.qran.org/q-chrono.htm.

এর প্রায় দশ বছর পরে মুহাম্মদ মদিনায় গমন করে , আর তারপর সেখানে ৩/৪ বছর পর যখন তার শক্তি সঞ্চয় হয়, তারপর বদরের যুদ্ধে আবু লাহাব মারা যায়। অর্থাৎ কোরানের আল্লাহ লাহাবের ধ্বংস হওয়ার আদেশ দেয়ার পরেও প্রায় ১২/১৩ বছর বেঁচে ছিল ,তারপর মুহাম্মদ নিজেই তাকে বদরের যুদ্ধে হত্যা করে। অর্থাৎ কোরানের আল্লাহ ” হও” বলার সাথে সাথে ঘটনা ঘটে নি। এতেই কি প্রমান হয় না যে কোরানের আল্লাহ আসলে মুহাম্মদ ছাড়া আর কেউ না, তার মানে , মুহাম্মদ নিজের বানীকেই আল্লাহর বানীর নামে চালিয়েছে ?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

1 + 2 =