নবী দৌহিত্র ইমাম হাসানের অপমৃত্যু ও প্রাসঙ্গিক কিছু জিজ্ঞাসা

হযরত হাসান ইবন আলী যিনি ইমাম হাসান নামে মুসলিমদের কাছে সমাদৃত, যাকে বেহেস্তে যুবকদের নেতা নির্বাচন করে গেছেন নবী মুহাম্মদ, তার জীবন ও চরিত্র জানা এ অর্থে গুরুত্বপূর্ণ যে, ইসলাম একটি সাম্রাজ্যবাদ সৃষ্টি করেছিল যার প্রসাদ চক্রান্তের বলি হয়েছিলেন হযরত আলীর জেষ্ঠ পুত্র ইমাম হাসান ও কনিষ্ঠ পুত্র ইমাম হোসেন। আরো একটি দিক হচ্ছে, রক্ত-মাংসের এই চরিত্রগুলো ধর্মের অলৌকিক দাবীর সঙ্গে মূর্তিমান কৌতুক যেন! যেমন নবী মুহাম্মদ তার দুই নাতির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন এভাবে, ‘হে আল্লাহ, এ দুজনকে আপনি দোয়া করুন, কারণ আমি তাদের জন্য দুয়া করেছি…’ (ইসলামের ইতিহাস: আদি-অন্ত, অষ্টম খন্ড, মূল: আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকি (র), ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত, পৃষ্ঠা-৭৫)।

ইমাম হাসান বিষক্রিয়ায় ও ইমাম হোসেন কারবালায় খুন হয়েছিলেন। ইমাম হাসানের মৃত্যুটি ছিল করুণ ও অমর্যদাকর। বেহেস্তের যুবকদের নেতার এরকম হীন মৃত্যু কোনভাবেই কাম্য নয়। তাদের নবী সম্মান চেয়েছিলেন, কল্যাণ চেয়েছিলেন আল্লাহ’র কাছে। নবীর সে দোয়ায় কোন কাজ হয়নি। সবচেয়ে বড় কথা, ইমাম হাসানের মৃত্যু থেকে কোন রূপ শিক্ষণীয় নেই তার ভক্তবৃন্দর। বরং তার ভোগ-বিলাসময় জীবন আর দুঃচরিত্রতা ইসলামের জন্য হয়ে উঠেছে চরম বিব্রতকর।

শৈশবে নানা মুহাম্মদের আদর আর স্নেহের কোন কমতি ছিল না নাকি হাসানের প্রতি। আদরের অতিশায্যে নবী মুহাম্মদ তার দৌহিত্রের জিভও চুষতেন! হাসান চেহারা ছিল নবী মুহাম্মদের সঙ্গে অনেকটাই মিল। তার উপনাম ছিল আবু মুহাম্মদ। ইমাম তিরমিযি বলেছেন, নবী মুহাম্মদ দুয়া করতেন, আমি তাদের (দুই নাতি) ভালবাসি, আপনিও (আল্লাহ) তাদের ভালবাসুন…। নবী দোয়া কবুল হয়নি! নারী লোলুপ হাসানকে নারীর টোপ ফেলেই হত্যা করা হয়েছিল। বিষের যন্ত্রণা ভোগ করে হাসান বিনা চিকিৎসায় মারা যান। আসছি সে কাহিনীতে পরে…।

নবী দৌহিত্র হিসেবে যথেষ্ঠ সম্মান আদায় করে নিয়েছিলেন হাসান। যদিও ব্যক্তি হিসেবে যথেষ্ঠ দুর্নাম ছিল তার। আবু হুরাইয়া একবার তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, নবী আপনার শরীরের কোন অংশে চুম্বন করেছিলেন? হাসান সে স্থান দেখালে আবু হুরাইয়া হাসানের নাভির কাছে চুম্বন করেন। এই হাদিসটি বর্ণনা করেন ইমাম আহমদ (র)। হাসানের পিতা আলীর সঙ্গে আবু বকর, ওমরের সম্পর্ক ভাল না থাকলেও তারা সকলে হাসানকে নবী দৌহিত্র হিসেবে সন্মান করতেন। হযরত ওমরের জমানায় হাসানকে ৫ হাজার দিরহাম মাসোহারা দেয়া হতো যা বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীরা পেতেন। তবে মুআবিয়ার সময়ই হাসান পেতেন অঢেল অর্থ। ৪ লক্ষ দিরহাম তিনি ভাতা হিসেবে মুআবিয়ার নিকট গিয়ে নিয়ে আসতেন। এটি ছিল খিলাফতের দাবী ছেড়ে দেয়ার পুরস্কার। এই বিপুল অর্থে হাসান ভোগ বিলাসে মত্ত থাকতেন সকাল-সন্ধ্যা। বলা বাহুল্য রাষ্ট্রের এ অর্থ আসত জিজিয়া আর গণিমতের মালের মাধ্যমে। যে অর্থে লেগে থাকত লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্ত আর দীর্ঘশ্বাস।

ইমাম হাসানের বিনোদনের প্রধান মাধ্যম ছিল নারী। তিনি সব সময় নতুন চারজন স্ত্রী নিয়ে চলতে ভালবাসতেন। তবে হাসান শত হলেও নবী মুহাম্মদের নাতি। তিনি যদি বিবাহ বর্হিভূত সেক্স করেন সেটা ভাল শোনায় না। তাই চোরের উপর বাটপারি করে তিনি বিয়ে করে বাসরঘর কাটিয়েই পরদিন সেই স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দিতেন। তিনি সর্বাধিক একই দিনে দুজন স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন। তবে তিনি দয়াবান ছিলেন। তালাক প্রাপ্তাদের তিনি অর্থ ও মধু দিয়ে বিদায় করতেন। হযরত আলী পুত্রেরে এহেন চরিত্রের কারণে কুফার জনগণকে বলেছিলেন, তোমরা হাসানের কাছে তোমাদের মেয়েদের বিয়ে দিয়ো না কারণ সে অতিশয় তালাক দানকারী ব্যক্তি…। রাতে বাসর ঘর করে পরদিন সকালে তালাক দিয়ে বের করে দেয়ার ব্যতিক্রমও হতো মাঝে মাঝে। একবার এরকম এক ‘একরাতের বউয়ের’ সঙ্গে রাত কাটানোর পর সকালে হাসান দেখে তার পায়ের সঙ্গে মহিলার ওড়না দিয়ে বাধা। হাসান তাকে জিজ্ঞেস করেন, কারণটি কি? তাদের বাসর হয়েছিল খোলা ছাদের উপর। মহিলা ভয় পেয়েছিল হাসান যদি ঘুমের ঘোরে ছাদ থেকে নিচে পড়ে যায়! দোষটা নিশ্চিত রূপেই তার উপরই আসবে। এ কারণেই সে সতর্কতা। হাসান শুনে তার প্রতি মহিলার প্রবল অনুরাগ মনে করে তাকে আরো সাতদিনের দাম্পত্য জীবনের সুখ দিয়েছিলেন বোনাস হিসেবে। অর্থ্যাৎ সাতদিন পরে তাকে তালাক দিয়ে বিদায় করা হয়েছিল।

ভোগ বিলাস ও নারী লোলুপতার জন্য অঢেল অর্থের প্রয়োজন। আগেই বলেছি বিপুল পরিমাণ মাসোহারা পেতেন হাসান। কাজেই অর্থ চিন্তা তাকে করতে হতো না। নতুন নতুন নারীকে এক রাতের জন্য বউ বানানোর জন্য অঢেল ভাঙ্গতেও তাই কোন সমস্যা ছিল না। তার একটি বিয়ের বিবরণ পাওয়া যায় যেখানে নববধূকে একশ জন দাসী ও দাসীদের প্রতেক্যেক ১ হাজার করে দিরহাম বকশিস দিয়েছিলেন! এই অর্থ লোভে আরবের বহু লোভি বাবা-মাই এক রাতের জন্য হাসানের বউ হতে মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি হতেন। হাসান তার তালাক প্রাপ্তদের দশ হাজার দিরহাম ও এক বোতল মধু উপহার দিয়ে বিদায় করতেন। নিশ্চিত করেই অনেক লোভী পিতার চোখ চকচক করে উঠত এসব শুনে। তাছাড়া ফাও হিসেবে নবীর নাতির সেবায় মেয়েকে পাঠানোও তো কম সৌভাগ্যের কথা নয়…! সীরাত গ্রন্থকারদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে হাসানের এই চরিত্রকে ঢেকেঢুকে রাখতে। ইবনে কাসির, বুখারী ব্যাখ্যা করেছেন যে, হাসানের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়ে লোকজন নবী বংশের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করতে মড়িয়া ছিলেন বলেই বেচারা হাসানের অনিচ্ছা সত্ত্বে এতগুলো বিয়ে (ইবনে কাসিরের মতে সংখ্যাটা ৮০ উপরে! এছাড়া অগণিত দাসীবাঁদী তো ছিলেই আল্লার রহমতে!) করতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু বিশিষ্ট হাদিস ও সীরাত গ্রন্থকাররা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা করেছিলেন। তারা ভুলে গিয়েছিলেন, তালাক দেয়ার পর ধর্মীয় মতেই আর কোন সম্পর্কই থাকে না স্বামী স্ত্রীর মধ্যে। কাজেই নবী বংশের সঙ্গে যুক্ত থাকার দাবী আমড়া গাছে চড়ার মতই বোকামী। হাসানের এই বিয়ে বিয়ে খেলা যে নারীদের কতখানি ক্ষুব্ধ করেছিল সেটা সীরাত গ্রন্থগুলোতেই পাওয়া যায়। এরকমই একজন মারওয়ান যিনি হাসানকে কাঁচা খেয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন…। (ইসলামের ইতিহাস: আদি-অন্ত, অষ্টম খন্ড, মূল: আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকি (র), ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত, পৃষ্ঠা-৭৩-৮৪)।

ইমাম হাসান ছিল অতিমাত্রায় লোভী, কাপুরুষ। তিনি যখন মুআবিয়ার সঙ্গে আপোষ করলেন তখন তার দলের লোকজন তাকে ভর্ৎসনা করে বলেছিলেন ‘মুমিনদের গ্লাণি’! হাসান আপোষে খিলাফতের দাবী ছেড়ে দিয়েছিলেন এই শর্তে তিনি কুফার বাইতুল মালে (লুট করে কাফেরদের দেশ থেকে আনা রাজস্ব বা গণিমত) রক্ষিত সমস্ত অর্থ তিনি নিয়ে নিবেন। কুফার রাজকোষে তখন ৫০ লক্ষ দিরহাম ছিল! কল্পনা করুন সে যুগে সেটা কি পরিমাণ অর্থ ছিল! মুআবিয়া এহেন কাপুরুষের দাবী যে হাসতে হাসতে মেনে নিবেন সে তো বলাই বাহুল্য। ৫০ লক্ষ দিরহামের বিনিময়ে গোটা খিলাফতের বাদশাহ হবেন- একমাত্র লোভী ছাড়া কে আর এই শর্ত দিতে পারে। এছাড়া বৎসরে ৪ লক্ষ দিরহাম দেয়ার অঙ্গিকারও করেন মুআবিয়া। হাসান যুদ্ধ পোশাক ছেড়ে বাড়ি এসে আমোদপ্রমোদের মেতে উঠেন। মুআবিয়া তার দেয়া কথা রেখেছিলেন। আমৃত্যু হাসানকে তিনি তার দাবী মত অর্থ দিয়ে এসেছেন। (ইসলামের ইতিহাস: আদি-অন্ত, অষ্টম খন্ড, মূল: আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকি (র), ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত, পৃষ্ঠা-৭৩-৯৪)।

বহু নারী হাসানের গৃহে এসেছে, হাসান বহু বিবাহ করা পুরুষ ছিলেন। অনেকেই তাকে মনে মনে ঘৃণা করতেন। তাকে একাধিকবার বিষ খাইয়ে হত্যার চেষ্টা হয়েছিল বলে সীরাত গ্রন্থ দাবী করে। শেষবার আর শেষ রক্ষা হয়নি। জা’দা বিনতে আশ’আছ নামের হাসানের একজন স্ত্রী হাসানকে বিষ পান করিয়ে হত্যা করে। কথিত আছে মুআবিয়া জা’দাকে হাসানকে হত্যার বিনিময়ে বিপুল অর্থ-সম্পদ ও খোদ খলিফা পুত্র ইয়াজিতের সঙ্গে বিয়ের অঙ্গিকার করেছিলেন। মুআবিয়া ছিলেন স্বয়ং নবী মুহাম্মদের উপদেষ্টা। এখানে ‘ইহুদীদের কোন ষড়যন্ত্র’ ছিল না। একইভাবে খলিফা ওসমানকে যারা হত্যা করেছিল তারা গৃহবন্দি ওসমানের ঘরের চারপাশে তাকে অবরুদ্ধ করে তাকবিরের সঙ্গে নামাজ আদায় করত। ওসমানের বুকে তলোয়ার চালানোর সময় তাদের মুখে ছিল ‘আল্লাহো আকবর’ শ্লোগান। একইভাবে ওমর ও আলীকে খুন করেছিল নামাজি আল্লাওয়ালা লোকজনই। এই দিকগুলো স্মরণে রাখা তাই খুব গুরুত্বপূর্ণ।

হাসানকে পানীয়ের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ানো হয়েছিল। হাসানের চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, বিষে হাসানের পেটের নাড়ি-ভূড়ি ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। অকল্পনীয় যন্ত্রণায় হাসান মাত্র ৪৭ বছর বয়েসে মারা গিয়েছিলেন। প্রশ্ন উঠাই স্বাভাবিক, বেহেস্তের যুবকদের নেতার এহেন করুণ পরিণতির মুজেজাটা কি? কিংবা হাসানের মৃত্যুর মোড়াল স্টোরিটাই বা কি? আজতক কোন ইসলামিস্টদের কাছে ইসলামের খিলাফত যুগে ঘটা একের পর এক খুনোখুনির মানেটা কি- জিজ্ঞেস করেও কোন যৌক্তিক উত্তরটি পাইনি। প্রকৃত উত্তরটা হচ্ছে, ইসলাম একদিন আরবের বুকে যে ভ্রাতা হত্যার আগুন জ্বালিয়েছিল, পিতার বিরুদ্ধে পুত্রকে লেলিয়ে দিয়েছিল, খিলাফতের জন্য যে রক্তের হোলিখেলা শুরু হয়েছিল, সেটাই ফ্রঙ্কাংস্টাইন হয়ে নিজেদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল। এর একটাই শিক্ষা হতে পারে- ঘৃণা দিয়ে কোন পরিবর্তন সাধিত হলে তার ফল দেরীতে হলেও খারাপই হবে। আজো ইসলামী বিশ্ব যে পরস্পর ঘৃণা ও আত্মঘাতিতে মত্ত সেটা তাদের ধ্বংসের ইঙ্গিত বহন করছে মাত্র…।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১০ thoughts on “নবী দৌহিত্র ইমাম হাসানের অপমৃত্যু ও প্রাসঙ্গিক কিছু জিজ্ঞাসা

  1. কারবালায় আলীর পুত্র হোসেনকে
    কারবালায় আলীর পুত্র হোসেনকে যখন ঘিরে ধরা হয় তখন সেই সৈন্যদের মাঝে বহু হাফেজ জুব্বাধারী, লম্বা চুল ও পাগড়ীধারী সৈন্যও ছিল। আর তাদের সেনাপতি সা’দ ছিলেন মোফাচ্ছিরে কোরান। সেই স্থানে আনুষ্ঠানিক নামাজিরাও ছিল যারা বলেছিল-তাড়াতাড়ি হোসেন এর শিরশ্ছেদ করতে হবে যেন আছরের নামাজ কাজা না হয়। তাই মুসলিমদের সাথে সাথে হোসেনী ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ও মহরম উদযাপন করে কারবালার সেই করুণ ইতিহাসকে স্মরণ করে থাকেন।

    লোকমুখে প্রচলিত আছে, কারবালার যুদ্ধের পর ইয়াজিদ এক পঙক্তি কবিতাও লিখে ফেলেন:

    ”হাশেমিরা ক্ষমতার জুয়া খেলে,
    কিন্তু কোন শব্দ আসলো না, কোন দৈববাণীও নামলো না।”

    ইমাম হাসান, হোসেন ও খলিফাদের হত্যা করেছে খোদ মুসলিমরা। এই ইতিহাসগুলো ঢেকে রাখার জন্যে ইহুদি নাসাদের গালমন্দ করার প্রয়োজনীয়তা আছে।

  2. এসব ইতিহাস ইহুদি নাসারাদের
    এসব ইতিহাস ইহুদি নাসারাদের লেখা। তারা ইসলামের বদনাম করার জন্যে মুসলমান নাম দিয়ে এসব ইতিহাস লিখেছে। আমরা যারা সহিহ মুমিন , এসব মিথ্যা ইতিহাস দিয়ে আমাদের ইমানকে ধ্বংস করা যাবে না। অতীতে অনেকেই এমন অপচেষ্টা করেছে কিন্তু কোনই লাভ হয় নি। ভবিষ্যতেও হবে না। নারায় তাকবির , আল্লাহু আকবর !

  3. মুসলিম সম্প্রদায়ের
    মুসলিম সম্প্রদায়ের পশ্চাদপদতার জন্য অনেকাংশে দায়ী ইতিহাস না জানা।সঠিক ইতিহাস না জানলে ধর্মান্ধতা থেকে মুক্তি সম্ভব নয়।ইতিহাস নির্ভর লেখাও অবশ্য তারা ফু দিয়ে উড়িয়ে দেয়,এটা সঠিক ইতিহাস নয় বলে।

  4. হাসানের জন্য বর্তমান ওয়াজ
    হাসানের জন্য বর্তমান ওয়াজ গুলিতে মোল্লাদের কান্নাকাটি বন্ধ করার জন্য, সুষুপ্তের এই লেখাটি আমি পারলে ওয়াজ করতাম।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 1