The Madman – কাহলিল জিব্রান (দ্বিতীয় পর্ব)

[কাহলিল জিব্রানের কোন পরিচয়টা বড় করে দেখব? কবি না দার্শনিক হিসেবে? কিংবা তার প্যারাবলগুলোও কি তার পরিচায়ক নয়? কেউ কেউ বলেন জিব্রান বড্ড স্পিরিচুয়াল! মূলত সব মিলিয়েই জিব্রান। প্যারাবলগুলো একদিকে যেমন কাব্যিক ব্যঞ্জনাময় দ্যুতিতে উজ্জ্বল , তেমনি এর দর্শনে জীবনের উপস্থিতিও প্রকট। এমন না যে তিনি একেবারে নতুন কোন দর্শন আমাদের সামনে উপস্থিত করছেন, বরং আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত যা ঘটছে – সেটা কয়েক যুগ পূর্বেও যেমন ছিল এখন আছে – এমন নিত্যনৈমিত্তিক ছোটছোট ঘটনাগুলোই তার লেখায় ধরা পড়েছে। যেহেতু ‘সূক্ষ্ম’ এই ঘটনাগুলো খুব সহজেই আমাদের দৃষ্টি ও মনোযোগ এড়িয়ে যাচ্ছে তাই যখনই জিব্রান সেগুলো আমাদের সামনে উপস্থিত করেন তখন প্রথমে টের পাইনা, কিন্তু কিছুক্ষণ পরই চমকে উঠি, বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে থাকি, বিড়বিড় করে বলতে বাধ্য হই – তাই তো?

‘দ্য প্রোফেট’ এ যখন দেখি সন্তানকে তাদের মতো না বানিয়ে বরং সন্তানের মত হয়ে যাওয়ার জন্যে পিতামাতাকে উপদেশ দেন তখন কিছুটা বিস্ময় জাগে। এরই প্রেক্ষিতে যখন বলেন ‘সময় কখনো পিছনে আসে না’ তখন তার উক্তির সত্যতা স্পষ্ট-রূপে ধরা পড়ে। সে বইয়ের শুরুতেই ভালোবাসার দিকে যে কঠোর কিন্তু মোলায়েম কণ্ঠে ডাক দেন সেটা উপেক্ষা করাটাই বরং ভীষণ রকমের অসহ্যের।

প্রথম পর্বে The Madman এর দশটা প্যারাবল অনুবাদ করেছিলাম। এবার আরও পাঁচটা। পূর্বের মতোই বইয়ের বিন্যাস এখানে মানা হয় নি। অনুবাদকের ইচ্ছামত দেয়া হয়েছে।

বইয়ের সাথে ছবিগুলো অপ্রাসঙ্গিক; কিন্তু সবগুলো কাহলিল জিব্রানেরই আঁকা। উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, ১৯১৮ সালে প্রকাশিত The Madman বইটা তার প্রকাশিত প্রথম ইংরেজি সাহিত্যকর্ম।]


[কাহলিল জিব্রান]

God

আদিকালে, যখন প্রথমবারের মত শব্দের কম্পনে আমার ঠোট কম্পিত হল, আমি আরোহণ করি পবিত্র পাহাড়ে এবং ঈশ্বরের সাথে কথা বলি, ‘প্রভু, আমি তোমার দাস। তোমার গোপন ইচ্ছাই আমার জন্যে আইন এবং আমি অবশ্যই তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব’।

ঈশ্বর কোন উত্তর দিলেন না, এবং প্রবল ঝড়ের ন্যায় চলে গেলেন।

এবং আরও হাজার বছর পরে আমি আবারো সেই পবিত্র পাহাড়ে চড়ে ঈশ্বরের মুখোমুখি হই, ‘স্রষ্টা, আমি তোমারই সৃষ্টি। মাটি থেকে তুমি আমাকে গড়ন দিয়েছ এবং আমি সর্বোপরি তোমার কাছে ঋণী’।

এবং ঈশ্বর এবারো কোন উত্তর দিলেন না; এবং ক্ষিপ্রগতির ডানার ন্যায় চলে গেলেন।

আরও হাজার বছর পরে আমি আবারো চড়ি পবিত্র সে পাহাড়ে এবং ঈশ্বরের কাছে আবারো বলি, ‘পিতা, আমি তোমার পুত্র! কৃপা এবং ভালোবাসা দিয়ে তুমি আমায় জন্ম দিয়েছ এবং ভালোবাসা আর ভক্তি দিয়ে আমি তোমার রাজত্বের উত্তরাধিকারী হব’।

এবারো ঈশ্বর কোন উত্তর দিলেন না, দূর পাহাড়ের অবগুন্ঠনকারী কুয়াশার ন্যায় চলে গেলেন।

এবং হাজার বছর পরে আমি আবারো পবিত্র পাহাড়ে আরোহণ করি, ঈশ্বরের পানে চেয়ে বলে উঠি, ‘ঈশ্বর, তুমি আমার স্বপ্ন এবং আমার পূর্ণতা; আমি তোমার অতীত এবং তুমিই সৃষ্টি কর আমার ভবিষ্যৎ । পৃথিবীর বুকে আমি তোমারই মূল এবং তুমিই আকাশে ফোঁটাও আমার ফুল; এবং একসাথে আমরা সূর্যের সম্মুখে বেড়ে উঠি’।

এবং অতঃপর ঈশ্বর ঝুঁকে পড়লেন আমার দিকে এবং মৃদুকন্ঠে শোনালেন মাধুর্যের শব্দ। এমনকি তার নিচ দিয়ে প্রবাহিত যে ছোট নদী সেও আমাকে আলিঙ্গনে আবদ্ধ করল।

এবং যখন আমি নেমে আসি উপত্যকায়, সমতলের দেবতাকেও সেখানে দেখতে পাই।

মূলগল্পঃ In the ancient days, when the first quiver of speech came to my lips, I ascended the holy mountain and spoke unto God, saying, “Master, I am thy slave. Thy hidden will is my law and I shall obey thee for ever more.”
But God made no answer, and like a mighty tempest passed away.
And after a thousand years I ascended the holy mountain and again spoke unto God, saying, “Creator, I am thy creation. Out of clay hast thou fashioned me and to thee I owe mine all.”
And God made no answer, but like a thousand swift wings passed away.
And after a thousand years I climbed the holy mountain and spoke unto God again, saying, “Father, I am thy son. In pity and love thou hast given me birth, and through love and worship I shall inherit thy kingdom.”
And God made no answer, and like the mist that veils the distant hills he passed away.
And after a thousand years I climbed the sacred mountain and again spoke unto God, saying, “My God, my aim and my fulfilment; I am thy yesterday and thou art my tomorrow. I am thy root in the earth and thou art my flower in the sky, and together we grow before the face of the sun.”
Then God leaned over me, and in my ears whispered words of sweetness, and even as the sea that enfoldeth a brook that runneth down to her, he enfolded me.
And when I descended to the valleys and the plains God was there also.

The other language

আমার জন্মের তিনদিনের মাথায় আমার মা নার্সকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আমার বাছাধন কেমন আছে?’

আমি তখন দোলনায় দোল খেতে খেতে অবাক বিস্ময়ে দেখছিলাম নতুন পৃথিবীটাকে। পাশে থেকে নার্স জবাব দিয়েছিল, ‘অবস্থা ভালো ম্যাডাম; তিন বেলা করেই খাওয়ানো হচ্ছে এবং ওর মতো উৎফুল্ল বাচ্চা আমি খুব কমই দেখছি।’

কথাটা শুনে আমার খুব রাগ হচ্ছিল; কাঁদতে কাঁদতে মা’কে ডাক দিলাম, ‘না, আমি ভালো নেই আম্মা! বিছানাটা খুব শক্ত, দুধটাও খেতে ভালো লাগছে না, আর স্তনের গন্ধটাও খুব বিচ্ছিরি!’

কিন্তু, আমার কান্নার ভাষাটা তারা কেউই বুঝলো না; কেননা আমি কথা বলছিলাম অন্য জগতের ভাষায়!

জন্মের একুশ দিনের মাথায় আমাকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষা দিয়ে আমার নাম রাখা হয়। যাজক যাওয়ার সময় আমার মা’কে বলে গেলেন, ‘আপনি খুবই ভাগ্যবান যে, আপনার সন্তান জন্মগত ভাবেই একজন খ্রিষ্টান।’

আমি অবাক হয়ে যাজকে বললাম, ‘ও! তাহলে তো তোমার স্বর্গীয় মা খুবই দূর্ভাগ্যবান! কেননা তুমি তো আর জন্মগত খ্রিষ্টান না।’ কিন্তু যাজকও আমার কথা বুঝলেন না।

আরও অনেক দিন পর এক জ্যোতিষীর সাথে আমার মায়ের দেখা হল। আমাকে দেখে সে ভবিষ্যৎবাণী করলো, ‘ও বড় হয়ে একজন রাজনীতিবিদ হবে, মানুষের নেতা হবে – দেখবেন।’

সাথে সাথে আমি তীব্র প্রতিবাদ জানালাম, ‘না, এটা ভুল! আমি বড় হয়ে মিউজিসিয়ান হব – আর কিছুই না!’
অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, তখনো তারা কেউই আমাকে বুঝে নাই।

এই জ্যোতিষের সাথে আমার আবার দেখা হয়েছিল আরও তেত্রিশ বছর পর এক মন্দিরের সামনে; মা, নার্স, যাজক – তারা কেউই তখন আর বেঁচে নেই। বেচারা আমাকে বললেন, ‘আমি জানতাম তুমি একদিন অনেক বড় মিউজিসিয়ান হবে! এমন কি তোমার শৈশবেই আমি এটা বলেছিলাম।’

এবং, এই জ্যোতিষের কথা আমি সেদিন পুরোপুরিই বিশ্বাস করি। কেননা, অন্যজগতের সেই ভাষাটা এখন আর আমার মনে নেই, ভুলে গিয়েছি।

মূলগল্পঃ Three days after I was born, as I lay in my silken cradle, gazing with astonished dismay on the new world round about me, my mother spoke to the wet-nurse, saying, “How is my child?”
And the wet-nurse answered, “He does well madame, I have fed him three times; and never before have I seen a babe so young yet so gay.”
And I was indignant; and I cried, “It is not true, mother; for my bed is hard, and the milk I have sucked is bitter to my mouth, and the odour of the breast is foul in my nostrils, and I am most miserable.”
But my mother did not understand, nor did the nurse; for the language I spoke was that of the world from which I came.
And on the twenty-first day of my life, as I was being christened, the priest said to my mother, “You should indeed be happy, madame, that your son was born a christian.”
And I was surprised, and I said to the priest, “Then your mother in Heaven should be unhappy, for you were not born a christian.”
But the priest too did not understand my language.
And after seven moons, one day a soothsayer looked at me, and he said to my mother, “Your son will be a statesman and a great leader of men.”
But I cried out, “That is a false prophecy; for I shall be a musician, and naught but a musician shall I be.”
But even at that age my language was not understood—and great was my astonishment.
And after three and thirty years, during which my mother, and the nurse, and the priest have all died, (the shadow of God be upon their spirits) the soothsayer still lives. And yesterday I met him near the gate of the temple; and while we were talking together he said, “I have always known you would become a great musician. Even in your infancy I prophesied and foretold your future.”
And I believed him—for now I too have forgotten the language of that other world.

How I Became a Madman

জানতে চেয়েছিলে, কিভাবে আমি উন্মাদ হয়ে গিয়েছিলাম। ঘটনাটা এভাবে ঘটে –

একদিন – বহু দেবতার জন্মেরও অনেক পূর্বে – গভীর এক ঘুম থেকে জেগে ওঠে আবিষ্কার করি আমার মুখোশ গুলো চুরি হয়ে গিয়েছে। আমার সাতটা মুখোশ, যা আমি সাত জনমে পরেছিলাম।

মুখোশহীন অবস্থায়, ‘চোর,চোর, অভিশপ্ত চোর!’ – চিৎকার করতে করতে আমি রাস্তায় দৌড়াতে থাকি। নারী – পুরুষ সকলে আমাকে দেখে হাসতে থাকে এবং কেউ কেউ ভয়ে পালিয়ে যায় ঘরের দিকে।

এবং বাজারে ঢোকা মাত্রই দালানের উপর থেকে এক বালক চিৎকার করে বলল, ‘পাগল!’

আমি উর্ধ্বনয়নে তাঁর দিকে তাকাই, এবং প্রথমবারের মতো সূর্য আমার উলঙ্গ চেহারায় চুম্বন করে। এতেই সূর্যের আলোতে ভালোবাসায় উদ্ভাসিত হয় আমার আত্মা এবং আমি মুখোশগুলোও আর চাই নি।
‘ধন্যবাদ চোর –যে চুরি করেছ আমার মুখোশ! – বলে আমি কাঁদতে থাকি।

এইভাবেই আমি হয়ে গেলাম পাগল।

এই পাগলামিতেই আমি পেয়েছি স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা-
একাকীত্বের স্বাধীনতা এবং কেউ বুঝে ফেলার থেকে নিরাপত্তা, কেননা সেটা দাসত্বের শৃঙ্খল।

তবে, আমার নিরাপত্তা নিয়ে খুব একটা নিরাপদ-বোধ করি না, এমনকি কারাগারে একজন চোর আরেকজন চোরের কাছ হতে নিরাপদ।

মূলগল্পঃ You ask me how I became a madman. It happened thus: One day, long before many gods were born, I woke from a deep sleep and found all my masks were stolen—the seven masks I have fashioned and worn in seven lives—I ran maskless through the crowded streets shouting, “Thieves, thieves, the cursed thieves.”
Men and women laughed at me and some ran to their houses in fear of me.
And when I reached the market place, a youth standing on a house-top cried, “He is a madman.” I looked up to behold him; the sun kissed my own naked face for the first time. For the first time the sun kissed my own naked face and my soul was inflamed with love for the sun, and I wanted my masks no more. And as if in a trance I cried, “Blessed, blessed are the thieves who stole my masks.”
Thus I became a madman.
And I have found both freedom and safety in my madness; the freedom of loneliness and the safety from being understood, for those who understand us enslave something in us.
But let me not be too proud of my safety. Even a thief in a jail is safe from another thief.

The wise dog

এক বিড়াল দলের পাশ দিয়ে হেটে যাচ্ছিলেন এক বিজ্ঞ কুকুর। এবং, ব্যস্থ বিড়ালদের কেউই তাকে লক্ষ করে নি।

অতঃপর, দলের মধ্যস্থল থেকে বিরাটকায় এক গম্ভীর বিড়াল দাঁড়ালেন এবং সকলের উদ্দেশ্যে বললেন,
‘ভ্রাতাগণ, প্রার্থনা কর; যখনই কোন সংশয় ছাড়া বারেবারে প্রার্থনা করবে, ঠিক তখনই ‘ইঁদুর – বৃষ্টি’ হবে!’

এবং, এ প্রার্থনা শুনে মনে মনে হেসে উঠলেন সেই বিজ্ঞ কুকুর; তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বললেন,
‘হায়রে অন্ধ ও বোকার দল! এটা কি লেখা নেই এবং এটা কি আমাদের পূর্বপুরুষদের মাধ্যমে জানতাম না যে, বিশ্বাস ও প্রার্থনার মাধ্যমে যে বৃষ্টি হয় সেটাতে ইঁদুর নয়, বরং হাড় পাওয়া যায়!’

মূলগল্পঃ One day there passed by a company of cats a wise dog.
And as he came near and saw that they were very intent and heeded him not, he stopped.
Then there arose in the midst of the company a large, grave cat and looked upon them and said, “Brethren, pray ye; and when ye have prayed again and yet again, nothing doubting, verily then it shall rain mice.”
And when the dog heard this he laughed in his heart and turned from them saying, “O blind and foolish cats, has it not been written and have I not known and my fathers before me, that that which raineth for prayer and faith and supplication is not mice but bones.”

The Eye

দূরের নীলাভ কুয়াশাচ্ছন্ন পাহাড়ের দৃশ্যে মোহিত দু চোখ বলে উঠল, ‘পাহাড়টা অসাধারণ, তাই না?’

মনোযোগ দিয়ে কান শোনার চেষ্টা করল – ‘কিন্তু, আমি তো কিছু শুনতে পাচ্ছি না!’

স্পর্শের শত চেষ্টা করেও ব্যর্থ হাতও বলল, ‘কই? কিছুই খুঁজেই পাই না।’

এবং নাক – কোন গন্ধ না নিতে পেরে বলল, ‘কোন পাহাড় নেই; গন্ধই তো পেলুম না।’

অতঃপর, আমার চোখ জোড়া দৃষ্টি ফেললো অন্যদিকে। এবং, সবাই মিলে চোখের এই অদ্ভুত বিভ্রম নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন, ‘নাহ! চোখের কিছু একটা অবশ্যই হয়েছে!’

মূলগল্পঃ Said the Eye one day, “I see beyond these valleys a mountain veiled with blue mist. Is it not beautiful?”

The Ear listened, and after listening intently awhile, said, “But where is any mountain? I do not hear it.”

Then the Hand spoke and said, “I am trying in vain to feel it or touch it, and I can find no mountain.”

And the Nose said, “There is no mountain, I cannot smell it.”

Then the Eye turned the other way, and they all began to talk together about the Eye’s strange delusion. And they said, “Something must be the matter with the Eye.”

একনজরে কাহলিল জিব্রানঃ

১৮৮৩ সালে কাহলিল জিব্রান লেবাননের উত্তরে এক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কাহলিল একজন ট্যাক্স কালেক্টর ছিলেন। মায়ের নাম ছিল ক্যামিলা রামেহ। ১৮৯৫ সালে জিব্রানের মা তার চার সন্তানকে নিয়ে জীবিকার তাগিদে বোস্টনে পাড়ি জমান। ১৮৯৮ সালেই জিব্রান আবার লেবাননে চলে আসেন আরবি এবং ফ্রেঞ্চ শেখার জন্যে। আবারো বোস্টনে ফিরে যান তিনি আরও ৪ বছর পরে, ১৯০২ সালে। এর মাঝে যক্ষ্মা ও ক্যান্সারের কারণে তিনি হারিয়ে ফেলেন তার এক বোন, এক ভাই এবং মাকে।

১৯০৮ সালে তিনি পাড়ি জমান প্যারিসে, আর্টের জন্যে।

১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় তার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম “The Prophet”। কেউ কেউ বলেন, “the most loving book ever written.”

১৯৩১ সালে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে নিউইয়র্কের এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। অতঃপর তার দেহ নিয়ে যাওয়া হয় লেবাননে।

কাহলিল জিব্রান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে:
http://www.gibrankhalilgibran.org/AboutGebran/Biography/
https://en.wikipedia.org/wiki/Kahlil_Gibran

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

82 + = 85