শিশু আয়শা ও বুড়া মুহাম্মদের স্বর্গীয় প্রেম কাহিনী

আবু বকর নবী মুহাম্মদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ার কারনে ও আবু বকর ইসলাম গ্রহন করার কারনে , মুহাম্মদ প্রায়ই তার বাড়ীতে যাতায়াত করত , আর তখনই আল্লাহ মুহাম্মদের মনে শিশু আয়শার প্রতি স্নেহের পরিবর্তে রোমান্টিক প্রেমের জোয়ার তৈরী করে। মুহাম্মদ সেই ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের শিশু আয়শাকে নিজের প্রেমিকা ও স্ত্রী রূপে কল্পনা করতে থাকে। আল্লাহর অশেষ রহমতে , সেটা ছিল এক বেহেস্তী প্রেম কাহিনী। সেটাই বলা হবে আজকে।

আবু বকর নবী মুহাম্মদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ার কারনে ও আবু বকর ইসলাম গ্রহন করার কারনে , মুহাম্মদ প্রায়ই তার বাড়ীতে যাতায়াত করত , আর তখনই আল্লাহ মুহাম্মদের মনে শিশু আয়শার প্রতি স্নেহের পরিবর্তে রোমান্টিক প্রেমের জোয়ার তৈরী করে। মুহাম্মদ সেই ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের শিশু আয়শাকে নিজের প্রেমিকা ও স্ত্রী রূপে কল্পনা করতে থাকে। আল্লাহর অশেষ রহমতে , সেটা ছিল এক বেহেস্তী প্রেম কাহিনী। সেটাই বলা হবে আজকে।

প্রতিদিন প্রৌড় মুহাম্মদ, আবু বকরের বাড়ীতে শিশু আয়শাকে দেখে দেখে , তার হৃদয় মনে প্রেমের বন্যা দেখা দিল, আল্লাহরই অদৃশ্য ইশারায়। নবী মুহাম্মদের দীলে শিশু আয়শার প্রতি ভালবাসা এতটাই তীব্র হয়ে উঠল যে , অত:পর মুহাম্মদ আর সহ্য করতে না পেরে প্রেমের তীব্র দহনে জ্বলতে জ্বলতে অবশেষে লজ্জার মাথা খেয়ে সে আবু বকরের কাছে গিয়ে বলল –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৬২ :: হাদিস ১৮
আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (র) ….. উরওয়া (রা) বর্ণনা করেন যে, নবী (সা) আবু বকর (রা)-এর কাছে আশেয়া (রা)-কে বিয়ে করার প্রস্তাব দিলেন। আবু বকর (রা) বললেন, আমি আপনার ভাই। নবী (সা) বললেন, তুমি আমার আল্লাহর দীনের এবং কিতাবের ভাই। তবে, সে আমার জন্য হালাল।
(ইসলামি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ হাদিস নং-৪৭১০)

মুহাম্মদের এহেন অকল্পনীয় প্রস্তাব পেয়ে আবু বকরের তো আক্কেল গুড়ুম হওয়ার মত অবস্থা। এ কি কথা বলে মুহাম্মদ ! মুহাম্মদ তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু , আয়শা তার ভাতিজী সমতূল্য। তাছাড়া আয়শা মুহাম্মদের প্রায় নাতনীর বয়সী। সেই আয়শাকে মুহাম্মদ বিয়ে করতে চায় ! আবু বকর উপায়ান্তর না দেখে বলেই ফেলল- আমি তো তোমার ভাই , সুতরাং কিভাবে আমার মেয়েকে তুমি বিয়ে করতে পার ? তাছাড়া সে তো প্রায় দুধের শিশু। মাত্রই তো তার বয়স ৬, তাকে কিভাবে তুমি বিয়ে করতে পার যখন তোমার বয়স ৫১ ? কিন্তু মুহাম্মদের এ প্রেম কঠিন প্রেম , যে প্রেম রচিত হয়েছে স্বয়ং আল্লাহর ইশারায়, সেখানে আবু বকরের এইসব কথা কি আর ধোপে টেকে ? আবু বকর কি আল্লাহকে ভয় পায় না ? সে কি মুহাম্মদকে নবী হিসাবে মেনে নেয় নি ?

মুহাম্মদ যুক্তি দেখিয়ে বলল – হে আবু বকর , তুমি আমার দ্বীনের ভাই মাত্র , রক্ত সম্পর্কীয় ভাই না , তার আয়শাকে আমি বিয়ে করতে পারি।

এরপর কি আর কথা থাকে ? অবশেষে মুহাম্মদের সাথে আয়শার বিয়ে দিতে বাধ্য হলো আবু বকর। মুহাম্মদের কঠিন প্রেমেরই জয় হলো অবশেষে। পরে আয়শা নিজেই বলেছে তার বিয়ে হয়েছিল কত বছর বয়েসে , আর মুহাম্মদ তার সাথে যৌনকাজ কত বছর বয়েসে করেছে ———–

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৭ :: অধ্যায় ৬২ :: হাদিস ৬৪
মুহাম্মদ ইব্ন ইউসুফ ….. হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সা) যখন তাঁকে শাদী করেন তখন তাঁর বয়স ছিল ৬ বছর এবং নয় বছর বয়সে রাসূলুলস্নাহ্ (সা) তাঁর সাথে বাসর ঘর করেন এবং তিনি তাঁর সান্নিধ্যে নয় বছরকাল ছিলেন।

একই হাদিস পাওয়া যাবে – ইসলামি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ , হাদিস নং- ৪৭৫৭, ৪৭৫৮, ৪৭৮১,

সহিহ মুসলিম :: খন্ড ৮ :: হাদিস ৩৩১০
ইয়াহইয়া ইবন ইয়াহইয়া (র)……আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, আমার ছয় বছর বয়সে রাসুলুল্লাহ (সা) আমাকে বিবাহ করেন এবং আমার নয় বছর বয়সে তিনি আমার সঙ্গে বাসর যাপন করেন ।

একই হাদিস পাওয়া যাবে – ইসলামি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, হাদিস নং- ৩৩৪৯, ৩৩৫০, ৩৩৫১,

এখন অনেকেই বলবে, মুহাম্মদ আয়শার ৯ বছর বয়েসে তার সাথে যৌনকাজ করে নি। কিন্তু না সহিহ হাদিসে পরিস্কার করে বলেছে সেই ৯ বছরের শিশু আয়শার সাথেই মুহাম্মদ ৫৪ বছর বয়েসে যৌনকাজ করেছে , যেমন –

সুনান আবু দাউদ :: বিবাহ অধ্যায় ১২,হাদিস ২১২১(ইসলামি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ হাদিস নং- ২১১৮)
সুলায়মান ইবন হারব –আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ( আমার পিতা) আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) – এর সাথে যখন বিবাহ দেন, তখন আমি মাত্র সাত বছর বয়সের কন্যা ছিলাম। রাবী সুলায়মান বলেন, অথবা ছয় বছর বয়সের কন্যা ছিলাম। আর তিনি আমার সাথে সহবাস করেন, আমার নয় বছর বয়সের সময়ে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে আমাদের নবী মুহাম্মদ ও শিশু আয়শার এই প্রেম কত তীব্র ছিল। মুহাম্মদ কোন মতেই আর সহ্য করতে পারে নি , ৯ বছর বয়স আয়শার হতে না হতেই মুহাম্মদ তার সাথে যৌন মিলন শুরু করে দেন। আল্লাহর ইশারা ছাড়া এটা কখনই সম্ভব না। ৫৪ বছর বয়সী এক প্রৌড় লোক মুহাম্মদ শারিরীক ও মানসিকভাবে নিতান্তই অপরিপক্ক ও অপরিনত ৯ বছরের আয়শার সাথে যৌন মিলন করবে , সেটা স্বাভাবিক ভাবে কোন মতেই সম্ভব না, যদি না আল্লাহর কোন রহমত ও কুদরত এখানে কাজ করে।

কিন্তু একটু বয়স বাড়লে সম্ভবত: আয়শার মনে খটকা লাগে , প্রৌড় কালে মুহাম্মদ কিভাবে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু আবু বকরের কন্যা আয়শাকে বিয়ে করতে পারে , এ বিষয়ে আয়শা কৌতুহলি হয়ে মুহাম্মদকে জিজ্ঞেস করে , আর তখন মুহাম্মদ বলে –

সহিহ বুখারী :: খন্ড ৯ :: অধ্যায় ৮৭ :: হাদিস ১৪০(ইসলামি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ , হাদিস নং-৪৭০৭)
মুহাম্মদ (র)……… আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, তোমাকে ( আয়েশাকে) শাদী করার পূর্বেই দু’বার আমাকে দেখানো হয়েছে। আমি দেখেছি, একজন ফেরেশতা তোমাকে রেশমী এক টুকরা কাপড়ে জড়িয়ে বহন করে নিয়ে আসছে। আমি বললাম, আপনি নিকাব উন্মোচন করুন। যখন সে নিকব উন্মোচন করল তখন আমি দেখতে পেলাম যে, উক্ত মহিলা তুমিই। আমি তখন বললাম, এটা যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে তাহলে তিনি তা বাস্তবায়িত করবেন। এরপর আবার আমাকে দেখানো হল যে, ফেরেশতা তোমাকে রেশমী এক টুকরা কাপড়ে জড়িয়ে বহন করে নিয়ে আসছে। আমি বললাম, আপনি ( তার নিকাব) উন্মোচন করুন। সে তা উন্মোচন করলে আমি দেখতে পাই যে, উক্ত মহিলা তুমিই। তখন আমি বললাম : এটা যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে তাহলে তিনি তা বাস্তবায়িত করবেন।

তার অর্থ প্রৌড় মুহাম্মদের সাথে ৬ বছরের শিশু আয়শার বিয়ে আল্লাহর নির্দেশে ও তার রহমতে স্বপ্নের মধ্যে বেহেস্তেই হয়ে গেছিল। সেই কারনেই পরে মুহাম্মদ তড়ি ঘড়ি করে আবু বকরের কাছে ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। আর এভাবেই শুভ মিলন ঘটে এক স্বর্গীয় প্রেম কাহিনীর।

সবাই বলুন , সুবাহান আল্লাহ !

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “শিশু আয়শা ও বুড়া মুহাম্মদের স্বর্গীয় প্রেম কাহিনী

  1. এই পোস্টের পুরো বক্তব্য শতভাগ
    এই পোস্টের পুরো বক্তব্য শতভাগ সত্য। হাদিসের রেফারেন্স দেওয়ার পরও ধার্মিকরা অনুভুতিতে আঘাত পাওয়ার গন্ধ খুঁজবে। মুহাম্মদ আয়েশাকে বিয়ে করার পরও ধর্মের কোন চুল ছেঁড়া যায় নাই। কিন্তু এটা নিয়ে আলোচনা করলেই ধর্মের খুঁটি ভেঙে পড়ে।

    এই বলদ ধর্মের অনুসারীদের জন্য মাঝে মাঝে খুব দয়া হয়। এত অন্ধ হয় কি করে মানুষ?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

79 + = 85