হরিতত্ত্ব মতুয়া বিলাস

মহা মানব পূর্ণব্রম্ম হরিচাঁদ ঠাকুর
সবার আগে তার সম্পর্কে কিছু না জানালেই নয় । কারন কিছু সংখ্যক হিন্দুরা এই পণ্ডিত সম্পর্কে অবগত ।

?oh=5337cc2d06e8478406d7d91f61fcc376&oe=588AD737″ width=”512″ />

হরিচাঁদ ঠাকুর ১৮১২ খ্রিস্টাব্দের ১১ই মার্চ বাংলার ওঢ়াকাঁন্দির পার্শ্ববর্তী সাফলিডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর মাতা-পিতার নাম অন্নপূর্ণা ও যশোমন বিশ্বাস। তাঁর দুই ছেলে গুরুচাঁদ ঠাকুর ও উমাচরন।

আমি আজ হরিচাঁদ ও তার পুত্র গুরুচাঁদ কে আলোচনা করবো ।

বিষয়ঃ পাগল নয় মহা পাগল (হরিতত্ত্ব মতুয়া বিলাস)
বরাবরের মতো আমার বিষয়টা একটু ভিন্ন রকমের হয় । জানি না কে কি মনে করে । অবশ্য কেউ কিছু মনে করলেও কিছু হবে না আবার না করলেও কিচ্ছু হবে না ।

হরিচাঁদ ঠাকুরের জগদীশ নামে এক ভক্ত ছিল । সব সময় হরি বল হরিবল করতো । যেখানে যায় সেখানেই হরিনাম বিলায় । এক কথায় হরি প্রেমে পাগল । একদিন হরিনাম করতে করতে হরির ছেলে গুরুচাঁদের বাড়ি আসলো ।
এই অবস্থা দেখে গুরুচাদ তাকে রেখে দিল । সেখানে জগদীশ থেকে গেলো । এবং সেখানেই হরনাম করতো। একদিন গভীর রাতে হরিনাম করতে করতে জগদীশ গুরুচাঁদের ঘরের সামনে গেলো । আর শুনতে পেল গুরুচাঁদ কার সাথে জেন কথা বলে । জগদীশ মনে মনে ভাবে গুরুচাঁদ কার সাথে কথা বলে আমার তা দেখতে হবে । তাই মনে মনে ভাবলও আগামিকাল রাতে গোপনে গুরুচাঁদের ঘরের চকির নিচে লুকিয়ে থাকবে ।

তো পরদিন রাতে গোপনে গুরুচাঁদের চকির নিচে লুকিয়ে রইল ।
ধৈর্য হারাবেন না এখন এই লাইন গুলতে মনোযোগ দিবেন ।
তো গভীর রাতে গুরুচাঁদ ভাবে এখনো হরিচাদ কেন আসেনা ?
তো গুরুচাঁদ হরিনাম শুরু করলো এবং কিছুক্ষণ পর হরিচাদ আসে , কিন্তু বাইরে ।

গুরুচাঁদ বল্ল কি ব্যাপার তুমি বাইরে কেন প্রভু ? ভিতরে আসো
তখন হরিচাদ বল্ল না
কেন না ?
দুঃখিত গুরুচাঁদ আমি তোমার ঘরে আসতে পারবো না
কারন তোমার ঘরে চোর আছে ।
গুরুচাঁদ বল্ল কোথায় চোর ?
হরিচাদ বল্ল তোমার চকির নিচে ।
তখন তাকিয়ে দেখলও গুরুচাদ
তাকিয়ে দেখে জগদীশ
তখন গুরুচাঁদ হরিকে বলে ও প্রভু এ তো চোর নয় । এ এক অধম । এ তোমার প্রেমে পাগল । ও তোমাকে দেখার জন্য এই কাজ করেছে ।
এখন যারা বুঝতে পরেছেন তারা একটু হেসে নিন ।
কারন একটা ব্যাপার লক্ষ করে দেখুন

হরিচাঁদ ঠাকুর হলেন প্রভু । কিন্তু মজার বিষয় হল । সে নিজেই জানে না চকির নিচে যে লুকিয়ে আছে সে তার প্রেমে পাগল ।
কিন্তু এ জানে যে একজন চোর আছে ।
একবার ভেবে দেখুন কত গাজাখুরি গল্প ।
যাক সে কথা , তার পর হরিচাঁদ ঘরে আসলো এবং তিন জন এক সাথে হয়ে বসলেন । তখন গুরুচাদ ঠাকুর বল্ল বাবা তুমি জগদীশকে একটা বড় দেও ।
তখন কি বড় দিয়েছে দেখুন ।

হরিচাঁদ জগদীশকে বড় দিল সারা জীবন পাগল থাকবে ।
মানে হরিনামে পাগল থাকবে ।
তার মানে হরি এটাও জানে না সে আগে থকেই তার প্রেমে পাগল । কিন্তু তার পরো জগদীশকে উন্মাদ বানিয়ে দেয়ার মন্ত্র দিয়ে গেলো ।
এই সমস্ত গাজাখুরি গল্প শুনলে আমার খুব হাসি পায় । আবার অনেকের চোখের জল ঝরে । তবে আমি মনে করি জল ঝরানোর চেয়ে প্রান খুলে হাসা উত্তম । তাই আমি অনুরধ করবো আপনার যারা চোখের জল ঝরান তারা গল্প সোনার পর একবার ভাববেন কতটুক ইতিবাচক আর কতটুক নিতিবাচক ।
তার পর আপনি নির্ধারণ নিবেন আপনি কি করবেন ।

ধন্যবাদ

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 4 = 5