সেবামূলক পেশা বলতে এই দেশের মানুষেরা কেবল মোবাইল অপারেটর বুঝে আর ডাক্তার বলতে বুঝে ঘর ত্যাগী সন্ন্যাসী !

সেবামূলক পেশা বলতে এই দেশের মানুষেরা কেবল মোবাইল অপারেটর বুঝে আর ডাক্তার বলতে বুঝে ঘর ত্যাগী সন্ন্যাসী !

অন্তর থেকে নিঃস্বার্থ ভাবে সেবা দেবে এই আশা শুধু ডাক্তারদের প্রতি কেন থাকবে, বাকিদের প্রতি কেন থাকবে না? আমরা ডাক্তাররা তো নিঃস্বার্থ ভাবে সেবা দিতেই চাই তারপরও একটা কথা আমার মাথায় আসে না- আচ্ছা, বলেন তো মানুষের মৌলিক চাহিদা কি ?
ক্লাস ৫ এর বাচ্ছাও জানে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা এই কয়েকটি মানুষের মৌলিক অধিকার। প্রথম চারটার কথাই ধরি এগুলোর একটাও কি আপনারা ফ্রি পান কোথাও?
পান না।
বাসায় আইসা কেউ চাল, কাপড়, শিক্ষা বিনামূল্যে দিয়ে যায়?
দেয় না তো !

খেয়াল করেন, আমি এই পর্যন্ত কাউকে বলতে শুনি নাই একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার মাসে একদিন গ্রামে যেয়ে ট্রাক্টর বানায়া দিয়া আসবে। মেডিকেলের এক ছাত্রের জন্য টাকা বেশি খরচ করা হচ্ছে সরকারের, সেটা বড় কথা না। সেইটাকাটা খরচ করা প্রয়োজন। আমার তো কষ্ট লাগে যখন দেখি নাট্যকলার জন্যেও টাকা খরচ হচ্ছে। শ্রমিক আর কৃষকের টাকায় যখন এসব চলে, তারা কী জানে তাদের টাকায় কী হচ্ছে !

ব্যক্তিগতভাবে আমি সবসময়েই মনে করি, অন্যান্য নন প্রডাক্টিভ শিক্ষা পাবলিককে না পড়িয়ে আমাদের ডাক্তারদের পিছে আরও খরচ করা উচিত, সিট আরও বাড়ানো উচিত। পড়াশুনার মান বাড়ানো উচিত। আরও আধুনিক সুযোগ সুবিধা বাড়ানো দরকার। সর্বোপরি হসপিটাল গুলো কে আরও ইকুইপ করা এখন সময়ের দাবী।
———————————————————

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫ thoughts on “সেবামূলক পেশা বলতে এই দেশের মানুষেরা কেবল মোবাইল অপারেটর বুঝে আর ডাক্তার বলতে বুঝে ঘর ত্যাগী সন্ন্যাসী !

  1. বিভাগ টা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    বিভাগ টা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ঠিক মিলল নাহ্‌ ।লেখা টা ভাল তবুও ২- ৩ টা লাইন ভাল লাগল না যেমন ঃ সেইটাকাটা খরচ করা প্রয়োজন। আমার তো কষ্ট লাগে যখন দেখি নাট্যকলার জন্যেও টাকা খরচ হচ্ছে। শ্রমিক আর কৃষকের টাকায় যখন এসব চলে, তারা কী জানে তাদের টাকায় কী হচ্ছে ! অন্যান্য নন প্রডাক্টিভ শিক্ষা পাবলিককে না পড়িয়ে

  2. আপনার সঙ্গে একমত হতে পারলাম
    আপনার সঙ্গে একমত হতে পারলাম না। পাবলিক ভার্সিটিতে প্রতিটি বিষয়ই প্রায় ফ্রি পড়ানো হয়,কারণ তারা ডিজার্ভ করে। সবার লক্ষ্য শুধু ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়া নয়, সকল পেশার লোকেরই প্রয়োজন আছে।

    আপনি জানেন কি না, প্রতিদিন আমাদের সেনাবাহিনীর একেকটা ক্যান্টনমেন্ট এ যে পরিমাণ খাবার নষ্ট হয়, তাতে কয়েকটা বস্তি তিন বেলা পেট ভরে খেতে পারবে। সেই হিসেব দেখলে তো আপনার মনে হবে শ্রমিক-কৃষকদের আত্নহত্যা করা উচিত!!
    আর ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করি, প্রাইভেট ও পাবলিক মেডিক্যাল কলেজ মিলিয়ে যথেষ্ট পরিমাণ সিট রয়েছে। তবে সরকারের উচিত এখন এসব উদীয়মান ডাক্তারদের প্রতি আরও যত্নবান হওয়া। যতদুর জানি, অনেক মেডিক্যাল কলেজে প্রয়োজন অনুযায়ী ন্যুন্যতম সুবিধা ও তারা পায় না

  3. খসাই নামটাতো শুধু ডাক্তারদেরই
    খসাই নামটাতো শুধু ডাক্তারদেরই প্রাপ্য বাকী সব পেশাদার সমাজসেবী ! আর বাংলাদেশের কোন খাতটা ত্রুটিমুক্ত সেটা খুজে মুশকিল ….

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

13 + = 23