ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সমসাময়িক বাঙালি হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িকতা!

প্রথমেই বলে রাখি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের যাঁরা ট্রাম্প জেতাতে উল্লাস করছেন, যাঁরা ভাবছেন ট্রাম্প এসেই মুসলমান পিটিয়ে আমেরিকা থেকে বের করে দেবে তাঁদের হতাশ হতে। ট্রাম্প জেতাতে আপনাদের কোনো উপকার হবে তো দূরের ব্যাপার, খোদ পাশের দেশের মোদি জিতলেও আপনাদের কোনো সত্যিকারের উপকার নেই। কারণ, মুসলিম উম্মাহ, মুসলিম ভাতৃত্ববোধ বলে যে ব্যাপারগুলো রয়েছে তা হিন্দুদের মধ্যে নেই। এই দেশের সব হিন্দু কাইটা বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দিলেও ভারত কিংবা ভারতের হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির কিছুই যায় আসে না। তাদের কাছে ক্ষমতাটাই মুখ্য। হিন্দুদের মধ্যে এই “ধর্মীয় ভাতৃত্ববোধ” তথা “গোঁড়ামি” না থাকার সুফল এবং কুফল দুই দিকই রয়েছে। আর সেই সুফলটা হচ্ছে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে ভারতে মুসলমানদের উপর কচুকাটা শুরু হয় না। বিপরীত দিকে ইসলামী ভাতৃত্ববোধ তথা ইসলামী গোঁড়ামির কারণেই ভারতের এক বাবরি মসজিদের জন্য বাংলাদেশে গণহারে সংখ্যালঘু নির্যাতন, ধর্ষণ, খুন, লুটপাট, মন্দির ভাঙচুর সহ নানাবিধ সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। ডেনমার্কের কোন এক পত্রিকায় এক নবী মুহম্মদের কার্টুনের জন্য সারা পৃথিবীতে ইসলামী মৌলবাদ একই সাথে একই সময়ে একই সাথে উগরে পড়ে।

আবার বিপরীত দিকে এটাও হয়তো অনেকে বলতে পারেন, কোনো ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে সংহতি কিছু মানবিক ব্যাপারও ঘটায়। যেমন- পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে কিংবা ফিলিস্তিনে মুসলিম সম্প্রদায় নির্যাতিত হলে এদেশের মুসলমানের প্রতিবাদ করে। হ্যাঁ, নির্যাতিত মানুষের জন্য প্রতিবাদ করা অবশ্যই মানবতা কিন্তু সেই প্রতিবাদ যদি শুধুমাত্র নিজ ধর্মের অনুসারীদের জন্য হয়ে থাকে তবে সেটাকে কোনোভাবেই মানবিক দৃষ্টিকোণে ফেলা যায় না।

“বাংলাদেশে হিন্দু পেটানো হচ্ছে চল আমরাও মুসলমান ধরে পেটানি দিই” এই নীতি হিন্দুদের মধ্যে নাই বলেই ভারতে মুসলমানদের মসজিদগুলো এবং মুসলমানেরা এখনো স্থির আছে। হ্যাঁ, ভারতেও মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটে কিন্তু ভারতে মসজিদ নিয়ে সাম্প্রদায়িকতার প্রায়শ্চিত্ত যেমন বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে নির্যাতিত হয়ে কড়ায় গন্ডায় চুকোতে হয় সেইরকম বাংলাদেশের হিন্দুদের উপর চালানো নির্যাতনের দায়ভার ভারতের মুসলমানদের চুকোতে হয় না। অথচ বাংলাদেশে এখনো নারী-পুরষ নির্বিশেষে ধার্মিক মুসলমানদের একটা বিরাট অংশের মধ্যে এখনো সেই ১৯৯২ সালের “বাবরি পেটব্যথা” দেখা যায়।
.CROP.promo-xlarge2.jpg” width=”500″ />

অথচ, ইসলামী ধর্মাবলম্বীরা এটা যদি একবার ভেবে দেখতেন, বাংলাদেশে প্রতি মাসে কয়টা মন্দির ভাঙা হয়, কতজন হিন্দুর ভিটেমাটি দখল করা হয় এবং তার পরিবর্তে কোন মুখে আমরা এখনো সেই ১৯৯২ সালের বাবরি মসজিদের যুক্তি দেখায়, যে পরিমাণ সংখ্যালঘু নির্যাতন বাংলাদেশে হয় সেই একই প্রতিশোধের চিন্তা যদি ভারতের হিন্দুরাও করতো তাহলে সে দেশের মুসলমানদের পরিণতি কেমন দাঁড়াতো; তাতেও হয়তো এই দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন কমতো না কিন্ত নির্লজ্জদের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমতো এটা বিলক্ষণ বলা যায়। কিন্তু আফসোসের বিষয় হচ্ছে, ইসলাম একদল অনুসারীকে জঙ্গি বানায়, আর বাকি বিশাল সংখ্যক অনুসারীদেরকে বানায় ইতর এবং বেহায়া।

যাইহোক, এই হিন্দু ভাতৃত্ববোধ বা সংহতি না থাকার কুফল হচ্ছে, বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য কথা বলার কোনো উল্লেখ করার মতো আন্তর্জাতিক কণ্ঠস্বর নেই।
ভারতে যে কয়টা হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রয়েছে তাদের কাজ হচ্ছে মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে কোন মসজিদের নিচে কোন কালে মন্দির ছিল সেটা বের করা, তারপর মসজিদ ভেঙে মন্দির বানানোর দাবী জানিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করা, গরুর মাংস খাওয়ার জন্য মুসলমান পেটানো, গো মাতা রক্ষা করা ইত্যাদি ইত্যাদি! কিন্তু বাংলাদেশের নির্যাতিত হিন্দুদের হয়ে কথা বলা নয়। গো মাতা নিয়ে এই হিন্দুত্ববাদীদের যত চিন্তা সেই চিন্তা যদি বাংলাদেশের নির্যাতিত হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য থাকতো এবং প্রতিবাদ করে ভারত রাষ্ট্রকে দিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা যেতো তাহলে কিছুটা হলেও সেটা ফলদায়ক হতো।
কিন্তু মৌলবাদীদের কর্মকান্ড, চিন্তা-চেতনা সবকিছুই মৌলবাদ; মানবতাবাদ নয়। তাই ভারতের হিন্দুত্ববাদী মৌলবাদীদের চিন্তা চেতনাতেও থাকে শুধু মৌলবাদী কাজকারবার। সুস্থ সুন্দর চিন্তায় কোনো নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক ফলাফল বয়ে নিয়ে আসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

আর ওই ধর্মীয় হিন্দু ভাতৃত্ববোধ বা এক হিন্দুরে পেটাইলে আমরাও মুসলমান পেটাবো এই নীতি না থাকার কারণে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের জন্য ভারতে আহামরি কোনো আন্দোলন হয় না। কিন্তু পৃথিবীর অন্য যে কোনো রাষ্ট্রে মুসলমানেরা নির্যাতিত হলে ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা কড়া প্রতিবাদ প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং সেটা ফল বয়ে নিয়ে আসেও। অন্য দিকে রাষ্ট্র হিসেবে ভারতেরও লক্ষ্য ইন্ডিয়া থেকে “গ্রেট ইন্ডিয়া” হয়ে উঠা; সেখানে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় নিয়ে ভাবার সময় তাদের নেই।

কোনো আন্তর্জাতিক সমর্থনা না পাওয়া, নিজের দেশে নিজের ভূমিতে রাষ্ট্রীয় মদতে নির্যাতিত হওয়া, কোনো ধরনেরই আইনি সহায়তা না পাওয়া; ফলাফল বাংলাদেশের হিন্দুরা এই দেশে টিকতে পারবে না। ১৯৭১ থেকে এই দেশে হিন্দু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা, দেশত্যাগের হার এসব আপনার নিশ্চয় জানেন। বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের হয়ে আন্তর্জাতিকভাবে কথা বলার কেউ নেই আর বাংলাদেশে তো পুলিশি প্রহরায় এবং সহায়তায় গণিমতের মাল লুটপাট, ধর্ষণ, দখল চলে। এদেশের হিন্দুদের যাদের সামর্থ্য আছে তারা ভারত কিংবা অন্য দেশে দেশান্তরি হবে। আর যাদের সামর্থ্য নেই তার এই দেশে থাকতে থাকতে, নির্যাতিত হতে হতে তাদেরই কোনো প্রজন্ম একসময় জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করে বখতিয়ার খিলজি হয়ে যাবে।

আন্তর্জাতিক সমর্থনের সুফলের একটা উদাহরণ দিই…
রামুতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পর শেখ হাসিনা থাইল্যান্ডের আন্তর্জাতিক সফর বাদ দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে রামু পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সফর কি হাসিনা নিজে কর্মতালিকা থেকে বাদ দিয়েছিলেন নাকি অন্য কোনো রাষ্ট্র নিজেরাই প্রতিবাদস্বরূপ বাতিল করেছিলো সেই ভিতরের খবর আমরা জানি না। তবে উপরের খবর এটা জেনে রাখেন খুব দ্রুতই রামুতে ত্রাণ পৌঁছেছিলো, মন্দির গড়ে উঠেছে। একের পর এক নেতা নেত্রীরা দেখতে গিয়েছিলেন। অর্থাৎ বহির্বিশ্বকে তৎপরতা দেখানোর জন্য সেই সময় যা করা প্রয়োজন তার সবই সরকার করেছে।
উল্টোদিকে, হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের ঘটনায় কতজন তড়িৎ ত্রাণ পেয়েছেন আর কয়টা মন্দির তড়িৎ নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে সেটাও নিশ্চয় আপনারা জানেন। উপরন্তু ব্যক্তিগত উদ্যোগে যেসব বিবেকবান মানুষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের হিন্দু সম্প্রদায় এবং গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতালদের ত্রাণ সহায়তা এবং সহানুভূতি জানাতে গিয়েছিলেন তাঁরা এই অসম্প্রদায়িকতার মুখোশ পরিহিত কট্টর সাম্প্রদায়িক সরকারের প্রশাসনের বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বেলায় কেন তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে আর হিন্দুদের বেলায় কেন এমন হচ্ছে, কেন ৯ দিন পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেখতে যান, রামুতে প্রধানমন্ত্রী গেলেও নাসির নগরে কেন যান না এই প্রশ্নগুলো উত্তর আপনারা নিশ্চয় জানেন। এটাই হচ্ছে আন্তর্জাতিক লবিং এর ফল।

অনেকক্ষণ ক্যাঁচাল পাড়লাম, এবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে উপসংহারে আসি;-
বাংলাদেশের প্রগতিশীল কিংবা মুসলিম সম্প্রদায়ের যাঁরা ট্রাম্পের বিজয়ে শোকের মাতম তুলছেন– আমেরিকা থেকে মুসলমান বের করে দেওয়া হবে, ট্রাম্প নারীবিদ্বেষী, আমেরিকা থেকে নারী অধিকার গেলো বলে ইত্যাদি ইত্যাদি! তাঁদের এটাও জেনে রাখা দরকার আমেরিকা হচ্ছে আমেরিকা; ওই দেশ বাংলাদেশ নয়। সেখানে গণতন্ত্রের চর্চা আছে। এখনো আমেরিকাতে কোনো মেয়ে ধর্ষন কিংবা যৌন নীপিড়নের শিকার হলে ওই ধর্ষিতা নিজে গিয়েই মামলা করবে। বাংলাদেশের মতো সেখানে ধর্ষিতাকে ধর্ষকের সাথে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হবে না! ধর্ষনের পেছনে মেয়ের কাপড়, ঘোমটা এসব কারণ খোঁজা হবে না। আর যদি আপনারা বিশ্বাস করেন, ট্রাম্প ধরে ধরে মুসলমান বের করে দিতে পারবেন আমেরিকা থেকে, তাহলে আপনাদের উচিত প্রাইমারী লেভেল থেকে আবার পড়াশোনা শুরু করা। ওই দেশটা আমেরিকা! সেটা বাংলাদেশ নয়। নিজের মন মর্জি মতো সেখান থেকে কোনো মুসলমান বের করলে আমেরিকানরাই সবার আগে তার প্রতিবাদ করবে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে অমুসলিম সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করে দেশছাড়া করলেও আপনাদের মুখ দিয়ে একটাও শব্দ বের হবে না। এটা বলতে পারেন ইমিগ্রেশন আইন হয়তো কঠিন করবে। ট্রাম্প যা করতে পারে আইনি দিক দিয়ে আটকিয়ে দেওয়া; সেটা ইংল্যান্ড, জার্মানির মতো দেশ অনেক আগেই করে রেখেছে। একটু পড়াশোনা করে খোঁজখবর নেন।

আপনার আমেরিকার মুসলমান ভাইয়েরা আমেরিকাতেই থাকতে পারবে। আপনি বরং নিজ দেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গোপাল, রতন আর গোবিন্দগঞ্জের সিধু, কানু সাঁওতালদের কথা ভাবুন। যাঁরা ভারতকে সীমান্ত উন্মুক্ত করে দিতে বলছেন দেশ ছাড়তে। এতে আপনি মানুষ বলে গণ্য হবেন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সমসাময়িক বাঙালি হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িকতা!

  1. অন্য ধর্মের উপাসনালয় ভাঙাভাঙি
    অন্য ধর্মের উপাসনালয় ভাঙাভাঙি বা অন্য ধর্মালম্বীদের পিটুনী দেওয়া যে ধর্মের ধর্মীয় নিয়ম, সেই ধর্মের লোকদের দুনিয়ার কোন কাউন্সিলিং বদলাতে পারবেনা। এদের সমূলে ধ্বংসই পারে এদের হিংসাত্মক কাজ থেকে ফিরিয়ে আনতে। পুরো পৃথিবীতে এরা যখন নিজেকে মুসলমান পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করবে তখনো এরা এমন আচরন করবে। এটাই এদের ধর্মীয় নৈতিকতাবোধ।

  2. সংশোধনের পথ চাওয়া উচিত।
    সংশোধনের পথ চাওয়া উচিত। ধর্মানুসারী বলেই তো আর কাউকে খুন করা যায় না। তবে তারা জীবনেও শোধরাবে না এবং ঘৃণাই এদের জীবনের মূলমন্ত্র হয়ে থাকবে আজীবন। এটা সত্য।

  3. ভারতে যে কয়টা হিন্দুত্ববাদী
    ভারতে যে কয়টা হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রয়েছে তাদের কাজ হচ্ছে মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে কোন মসজিদের নিচে কোন কালে মন্দির ছিল সেটা বের করা, তারপর মসজিদ ভেঙে মন্দির বানানোর দাবী জানিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করা, গরুর মাংস খাওয়ার জন্য মুসলমান পেটানো, গো মাতা রক্ষা করা ইত্যাদি ইত্যাদি! কিন্তু বাংলাদেশের নির্যাতিত হিন্দুদের হয়ে কথা বলা নয়। গো মাতা নিয়ে এই হিন্দুত্ববাদীদের যত চিন্তা সেই চিন্তা যদি বাংলাদেশের নির্যাতিত হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য থাকতো এবং প্রতিবাদ করে ভারত রাষ্ট্রকে দিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা যেতো তাহলে কিছুটা হলেও সেটা ফলদায়ক হতো।
    বাস্তব কথা। প্রতিবাদ ভিতর থেকেই হতে হবে, এদেশের

  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সমসাময়িক
    ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সমসাময়িক বাঙালি হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িকতা!

    হেড লাইন দেখে দৌড় দিছিলাম পড়তে,
    পড়েই বুঝতে পারলাম যে, এটার মূল বিষয় বস্তু ট্রাম্প নয় ধর্মীয় গোড়ামী।
    অবশ্যই আমি প্রত্যেকটা লাইনের সত্যতা স্বীকার করছি, তবে আমি আমার অবস্থান থেকে যেটা বুঝি সেটা হল বাংলা দেশে হিন্দুদের যতটা অসম্মানীর কথা বলেছেন ততটা নয়। মতটা একান্তই আমার ব্যাক্তিগত, দ্বিমত সাদরে গ্রহণযোগ্য।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

61 − = 51