আলবেরুনী ও তার লিখিত গ্রন্থাবলী

>আল বেরুনীঃ
ইরানের একটি স্থানের নাম বেরুন। সেখানে জন্ম হয় আবু রায়হানের। সেটা ছিল ৯৭৩ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর। তাঁর আসল নাম ছিল আবু রায়হান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল বেরুনী। ইতিহাসের তিনি বেরুনী নামে সবচেয়ে বেশী পরিচিত হন।
তাঁর বাল্যকাল কাটে বাদশাহ আবু মনসুর বিন আলী বিন ইরাকের তত্ত্বাবধানে। তাঁর নিযুক্ত শিক্ষকের কাছে তিনি পবিত্র কোরআন ও হাদিস শিক্ষা করেন। পরে জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখার নাম পরা পন্ডিতদের কাছে তিনি সকল বিষয়ে অসাধারণ জ্ঞান অর্জন করেন। ২২ বছর পর্যন্ত শিক্ষালাভ করে তিনি বিখ্যাত ব্যক্তিতে পরিণত হন।

আব্বাসীয় বংশের খলিফারা তখন মুলমানবিশ্বের নেতা ছিলেন। কিন্তু খলিফাদের অযোগ্যতা ও দুর্বলতার কারণে তাদের সাম্রাজ্যের গোলযোগ দেখা দেয় এবং বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাধীন রাজাদের উদ্ভব হয়। এসময় খাওয়ারিজম প্রদেশেও দু’জন রাজা রাজত্ব করতেন। এদের একজন হলেন দক্ষিণাংশের আবু আবদুল্লাহ এবং উত্তরাংশের মামুন বিন মাহমুদ। আবু আবু আবদুল্লাহ আল বেরীন দেখাশুনা করতেন। ৯৫৫ খৃষ্টাব্দে মামুন বিন মাহমুদআবু আবদুল্লাহকে পরাজিত করে হত্যা করেন। এর ফলে তার রাজত্বও মামুনের হাতে চলে আসে। এর ফলে আল বেরুনী অভিভাবকহীন হয়ে পড়েন। তিনি খাওয়ারিজম ছেড়ে চলে যান। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত তাকে অনাহারে আর অর্ধাহারে থাকতে হয়েছে। কিন্তু তিনি পথে নেছেন তাকে চলতেই হবে। এসময় জুরজানে পৌঁছে সেখানকার রাজা কাবুসের সুনজরে তিনি পড়েন। রাজা জানতে পারেন এই পথিক বিশ্ববিখ্যাত পন্ডিত আল বেরুনী। তাঁর নাম ধাম জানতে পেরে রাজা তাকে অনেক যত্ন করে নিজের দরবারে নিয়ে আসেন। রাজা কাবুস জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা করতেন। তিনি জ্ঞানী ও পন্ডিতদের খুব পছন্দ করতেন।

রাজা কাবুস আল বেরুনীর জন্য ভাল থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিলেন। এখানে দিনগুলো তার সুখেই কাটতে থাকে। কিন্তুতিনি তার তত্ত্বাবধায়ক বাদশাহের কথা কখনও ভুলতে পারেননি। রাজা কাবুসের কাছে থাকাকালে তিন ‘আসারুল বাকিয়া’ ও তাজরী দু’শ শুয়াত’ নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। রাজার প্রতি কৃতজ্ঞতার নিদর্শন স্বরূপ তিনি তার আমারুল বাকিয়া গ্রন্থটি রাজা কাবুসের নামে উৎসর্গ করেন।

খাওয়ারিজমের রাজা সুলতান মামুন বিন মাহমুদ জ্ঞান বিজ্ঞানের সাধক ছিলেন। তিনি জ্ঞানীদের কদর করতেন। আল বেরুনীর কথা শুনে তাকে নিজের দরবারে পেতে চাইলেন। তার কাছে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি পাঠালেন। আল বেরুনী সুলতানের অনুরোধে ১০১১ খৃষ্টাব্দে মাতৃভূমি খাওয়ারিজমে ফিরে আসেন।সুলতান তাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ করেন। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে আল বেরুনী জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা ও সাধনা চালিয়ে যেতে থাকেন। তিন মান মন্দির প্রতিষ্ঠা করে জ্যোতির্বিজ্ঞানের পর্যবেকষণ কাজ চালান। খাওয়ারিজমের তিনি ৬/৬ বছর পর্যন্ত ছিলেন। এ সময়ে বিজ্ঞানের বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেন।

গজনীর সুলতান মাহমুদ জ্ঞানী ও পন্ডিতদের খুব সম্মান করতেন। তাঁর শাহী দরবারে প্রতিদিন দেশ বিদেশে জ্ঞানী ও গুনীদের মধ্যে বিজ্ঞান ও সাহিত্য নিয়ে আলোচনা হত। সুলতান মামুনের রাজদরবারের জ্ঞানী ব্যক্তিদের গজনীতে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। পত্র পেয়ে আল বেরুনী গজনীতে সুলতান মাহমুদের সঙ্গী হিসেবে ১০১৬ থেকে ১০১৯ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত গজনীতে ছিলেন। সুলতান মাহমুদ ১৭ বার ভার আক্রমণ করেন। আল বেরুনী সুলতান মাহমুদের সাথে কয়েকবার ভারতে আসেন। তিনি সে সময়কার ভারতের শিল্প, সাহিত্য, দর্শন ও বিজ্ঞানের সমৃদ্ধি দেখে অবাক হন। পরবর্তীতে তিনি ১০১৯ থেকে ১০২৯ পর্যন্ত মোট দশ বছর ভারতে থাকেন। এ সময় ভারতের জ্ঞানী গুণী ও পন্ডিতদের সাথে তিনি ভূগোল, গণিত ও ধর্মতত্ত্ব সম্পর্কে মতের আদান প্রদান করেন। ভারত থেকে ফিরেই তিনি রচনা করেন তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘কিতাবুল হিন্দ।’ সে সময়ের ভারতীয় জ্ঞান, বিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য ও ধর্মীয় নিয়ম কানুন জানার জন্যে এটি একটি নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ।

বিখ্যাত পন্ডিত অধ্যাপত হামার নেহের আল বেরুনী সম্পর্কে বলেন, ভারতের জনগন ও সেদেশের সম্পর্কে আল বেরুনী গভীর জ্ঞান অর্জন করেন। এর ফলে তিনি তার কিতাবুল হিন্দ গ্রন্থে একাদশ শতাব্দীর প্রথমভাগে ভারতের সভ্যতা সম্পর্কে ব্যাপক তথ্য প্রদান করেন।

আল বেরুনী ভার থেকে গজনীতে ফেরার কিছুদিন পরেই সুলতান মাহমুদ ইন্তেকাল করেন। তাঁর পুত্র মাসউদ ১০৩১ খৃষ্টাব্দে সিংহাসনে বসেন। সুলতান মাসউদও আল বেরুনীকে খুবই সম্মান করতেন। এ সময় আল বেরুনী ‘কানুনে মাসউদী’ নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেন। এটি তাঁর সেরা বেই। সুবিশাল এই গ্রন্থে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রথম ও দ্বিতীয় খন্ডে জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কে, তৃতীয খন্ডে ত্রিকোনমিতি, চতুর্থখন্ডে আকৃতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান, পঞ্চম খন্ডে গ্রহ, দ্রাঘিমা, চন্দ্রসূর্যে্যর মাপ, ষষ্ঠ খন্ডে সূর্যের গতি, সপ্তম খন্ডে চন্দ্রের গতি অষ্টম খন্ডে চন্দ্রের দৃশ্যমা ও গ্রহণ, নবম খন্ডে স্থির নক্ষত্র, দশমখন্ডে ৫টি গ্রহ নিয়ে েএবং একাদশ খন্ডে জোতিষ বিজ্ঞান নিয়ে আলেঅচনা করা হয়। গ্রন্থটি সুলতান মাসউদের নামে নামকরণ করায় তিনি খুশী হন ও বহু মূল্যবান পৌপ্যমুদ্রা উপহার দেন। আল বেরুনী সেসব রৌপ্য মুদ্রা রাজকোষে জমা দিয়ে দেন। কেননা নি তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোন সম্পদ বা অর্থকড়ি কখনও নিজের কাজে জমা রাখতেন না। এমনই নির্লোভ ও ভালমানুষ ছিলেন আল বেরুনী।

আল বেরুনী বিভিন্ন বিষয়ে মানব জাতির জন্য অবদান রেখে গেছেন। তিনি তার বিভিন্ন গ্রন্থে জ্ঞান বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়, বিভিন্ন সভ্যতার ইতিহাস, মৃত্তিকাতত্ত্ব সাগর তত্ত্ব এবং আকাশ তত্ত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। ইউরোপীয় পন্ডিতগণ আল বেরুনীর জ্ঞানের প্রশংসা করেছেন। তারা বলেন, আল বেরুনী নিজেই বিশ্বকোষ। এছাড়া তিনি একজন ভাষাবিদও ছিলেন। এক্ষেত্রে তার খ্যাতি ছিল। তিনি আরবী, ফার্সী, সিরীয়, গ্রীক, সংস্কৃতি, হিব্রু, প্রভৃতি ভাষায় পন্ডিত ছিলেন। ত্রিকোনোমিতিতে তিনি বহু তথ্র আবিষ্কার করেন।

কোপার্নিকাস বলেন, পৃথিবী সহ গ্রহগুলো সূর্য্যকে প্রদক্ষিণ করে। অথচ কোপার্নিকাসের জন্মের ৪২৫ বছর আগে আল বেরুনী বলে গেছেন, পৃথিবী বৃত্তিক গতিতে ঘোরে। তিনি টলেমি ও িইয়াকুবের দশমিক অংকের গননায় ভুল ধরে দিয়ে তার সঠিক সমাধান দেন। তিনিই সর্বপ্রথম অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেন। তিনিই প্রথম প্রাকৃতিক ঝর্ণাও আর্টেজিয় কূপের রহস্য উদঘাটন করেন। তিনি একজন খ্যাতনামা জ্যোতিষী ছিলেন। তিনি যেসব ভবিষ্যদ্বানী করতেন সেগুলো সঠিক হত। তিনি শব্দের গতির সাথে আলোর গতির পার্থক্য নির্ণয় করেন। তিনি এরিষ্টটলের ‘হেভেন’ গ্রন্থের ১০টি ভুল বের করেন। ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের সম্পর্কটিও তিনি আবিষ্কার করেন।

আল বেরুনী সুক্ষ্ম ও শুদ্ধ গণনার একটি বিস্ময়কর পন্থা আবিষ্কার করেন। তার বর্তমাননাম দি ফরমুলা অব হিন্টার পোলেশন। পাশ্চাত্যের পন্ডিতরা এটাকে নিউটানের আবিষ্কার বলে প্রচার করছেন। অথচ তার ৫৯২ বছর আগেই আল বেরুনী এটি আবিষ্কার করেন। একে ব্যবহার করে তিনি বিশুদ্ধা সাইন তালিকা তৈরী করেন। এ ফর্মুলা পূর্ণতাদান করে তিনি একটি ট্যানজেন্ট তালিকাও তৈরী করেন। বিভিন্ন প্রকার ফুলের পাপড়ি সংখ্যা হয় ৩, ৪, ৫, ৬ এবং ১৮ হবে কিন্তু কখনো ৭ বা ৯ হবে না। তিনিই প্রথম এ সত্র আবিষ্কার করেন।

আল বেরুনী চিকিৎসা বিজ্ঞানে একটি অমূল্য গ্রন্থ রচনা করেন। এই গ্রন্থে তিনি বহুরোগের ঔষধ তৈরীর কলাকৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা ১১৮। তিনি বিজ্ঞঅন, দর্শন, যুক্তিবিদ্যা ও ইতিহাস বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেন। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম হচ্ছে ‘কিতাবুল তাফহিম’। এটি ৫৩০ অধ্যায়ে বিভক্ত। এতে অংক, জ্যামিতি ও বিশ্বের গঠন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি ‘আল আরসুল বাকিয়া’ আলাল কুবানিল কালিয়া’ গ্রন্থে পৃথিবীর প্রাচীন কালের ইতিহাস তুলে ধরেছেন। যিজে আববন্দ (নভোমন্ডল) ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কিত। আল ফি যিজে খাওয়ারিজমি (যুক্তিবিদ্যা সম্পর্কে) তার আরও দুটি দু’টি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।

আল বেরুনী সর্বকালের শ্রেষ্ঠ জ্ঞানীদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় এক মহাপন্ডিত। তাঁর ও অন্যান্য মুসলিম বিজ্ঞানী ও জ্ঞান সাধখদের মৌলিক আবিস্কারের ওপরই গড়ে ওঠেছে আজকের আধুনিক বিজ্ঞান। তাদের অবদানকে অস্বীকার করা অকৃতজ্ঞতার পরিচয়। বরং বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাদের অবদান স্বীকার করে নেয়াই হবে সঠিক ও যুক্তিসম্মত কাজ।

আল বেরুনী এত বড় পন্ডিত হওয়ার পরেও ছিলেন একজন সৎ ও ভাল লোক। তিনি খুবই ধার্মিক ছিলেন। তার মনে কোন গৌরব বা অহংকার ছিল না। তিনি সঠিকভাবে নামায রোজা করতেন এবং ইসলামের সকল হুকুম আহকাম মেনে চলতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, তাঁর অর্জিত জ্ঞান খুবই সামান্য। সকল জ্ঞানের উৎস হলেন আল্লাহ। তিনি ৬৩ বছর বয়সে কঠিন অসুখে পড়েন। বহু চিকিৎসার পরেও তিনি আর সুস্থ হতে পারেননি। অবশেষে ৭৫ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল ক রেন। এটি ছিল ১০৪৮ খৃষ্টাব্দের ১৩ই ডিসেম্বর রোজ শুক্রবার।

প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক জর্জ সার্টন বলেছৈন, আল বেরুনী সকল যুগের ও সকল দেশের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানের অন্যতম। সভ্যতার ইতিহাসে তাঁর যে বিরাট অবদান রয়েছে, কোনদিন তা’ মুছে যাবার নয়।

>>আলবেরুনীর লিখিত গ্রন্থাবলীর তালিকাঃ

আলবেরুনীর লিখিত গ্রন্থাবলীর একটা গ্রন্থপঞ্জী দেওয়া গেলে । এ থেকে তার জ্ঞানের পরিধির একটl ধারণা করা যেতে পারে।
প্রথমে তিনি মৃত্যুর ১৩ বৎসর পূর্বে একখানা পত্রে যে সব গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছিলেন সেগুলোর নাম দেয়া গেলো। এর মধ্যে তারকা(*) চিহিত গ্রন্থগুলোতে ভারতীয় বিষয়বস্তু সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে ।
১ । আলাল কি যিজে খাওয়ারেযিমি । এতে অনেক প্রয়োজনীয় ও দৃড় যুক্তি তকের অবতারণা করা হয়েছে। ২৫০ পৃষ্ঠা ।
২ । এবতালোল বোহতানে বেইরাদেল বোরহ্যনে আলো ইলালেল খাওয়ারেযিমি—খাওয়ারেযিমির তালিকা সম্বন্ধে আবু তালহার মন্তব্যের প্রতিবাদ । ৩৬০ পৃষ্ঠা ।
৩ । আবু হাসান আহওয়াযৗর খাওয়ারেযেম সম্বন্ধে গ্রন্থের সংশোধন হিসেবে একখানা গ্রন্থ । ৬০৫ পৃষ্ঠা ।
৪ । তকমিলে মিজে হাবৃশ বিল ইলাল ও তাহজীবে আমালিহি মিন জালাল । প্রসিদ্ধ জ্যোতিবিদ আহমদ বিন আবদুল্লাহ হাবাসের নক্ষত্রপুঞ্জের তালিকার ভুল সংশোধন করে প্রামাণ্য তালিকা প্রণয়ন । ৭৫০ পৃষ্ঠা ।
*৫ । জাওয়ামেউল মওজুদ লে খাওয়াতিরিল হনুদ ফি হেসাবেত তনজীম—ভারতীয় জ্যোতিবিদদের জ্যোতিবিদ্যা সম্বন্ধে পূণ বিবরণ এবং সিদ্ধান্ত সম্পকে গবেষণামূলক আলোচনা । ৫৫০ পৃষ্ঠা ।
*৬ ৷ ষিজে আরকন্দ—নভোমণ্ডল ও জ্যোতিবিজ্ঞান সম্বন্ধে ভারতের এই অতি বিখ্যাত গ্রন্থের অনুবাদ অনেক পূর্বেই হয়েছিলো । কিন্তু সে অনুবাদের ভাষা অত্যন্ত জটিল ও দ বোধ্য ছিলো বলে বইখানা খুব সুপাঠ্য ছিলো না । আলবেরুনী নিজের ভাষায় গ্রন্থখানার
প্রাঞ্জল অনুবাদ করেন ।
৭ কিতাব, মাকালিদে এলমেল হায়য়াতে মা ইয়াহদেহু ফি বাসিতেল কুরা—এই বইখানি মারযুবান বিন রসুমের জন্য প্রণীত । ১৫৫ পৃষ্ঠা )
*৮ । খেয়ালোল কসুফাইনে এদাল হিন্দ – চন্দ্র-সূর্যের দুই প্রকার গতি সম্বন্ধে আলোচনা । ভারতীয়রা এ সম্বন্ধে বিশেষ ভাবেই অবগত ছিলো । এ ছাড়া তাদের কোন তালিকাই হতো না । কিন্তু মুসলমান বিজ্ঞানীদের এ বিষয়ে জ্ঞান ছিলো না । তারই প্রতিকার হিসেবে এ গ্রস্থখানি লেখা ।
৯ । আমরোল মোমিতাহানে ও তফসিরে এবনে কায়সুমেল মোফতাতান-এবনে কায়সুমের প্রতিবাদ । ১০০ পৃষ্ঠ ।
১০ । এখতেলাফোল আকাবাল লে-এসতে খরাজিল তাহাবিল—, কোন ব্যক্তি বেরুনীকে তাহুবিলাত সম্পকে প্রশন করেন । তার জওয়াবে তিনি এই পুস্তিকা লেখেন । ७० श्रृं%ो ।
১১ । মাকালাতুন ফিত্তাহলীল ওয়াত্তাকতিরে লিতুতদিল– কোন এক বিজ্ঞানীর সূর্যের গতি পরিবর্তন সম্বন্ধে সন্দেহ নিরসনের জন্য এই গ্রন্থখানি লিখিত । ৭০ পৃষ্ঠা।
১২ । নবজাত শিশুর রাশিচক্র ও কুচিত তৈরী সম্বন্ধে পুস্তিকা । ৬০ পৃষ্ঠা।
১৩ । মেফতাহু এলমেল হায়ায়াত—কাজী আবুল কাসেম আমেরীর ফরমায়েস মতো লিখা । এতে শুধু নভোবিজ্ঞানের কাঠাম দেয়া হয়েছে দুরূহ ও কঠিন তত্ব পরিহার করা হয়েছে।
১৪। তাহজীবে ফসুলেল ফারগানী—ফ সুলে ফারগানীর জ্যোতিবিজ্ঞানের বিষয় নিয়ে আবুল হাসান মোসাফিরের জন্য লিখিত । ২০০ পৃষ্ঠা
১৫ । এফরাদোল কাল ফি আমরেল আযলাল – জ্যোতিবিজ্ঞানের ছায়াপথ সম্বন্ধে বিশদ ও গূর্ণ আলোচনা । এই গ্রন্থখানিও আবুল হাসান মোস|ফিরের জন্য লিখিত । ২০০ পৃষ্ঠা।
১৬। এসতেমালে দাওয়ায়েরেস সামাওয়াতে লে এসতেখরাজে মারাকেজেল বুয়ত —নক্ষত্রমণ্ডলীর কেন্দ্র আবিস্কারের জন্য আকাশবৃত্তের ব্যবহার সম্বন্ধে আলোচনা । এখানিও আবুল হাসান মোসাফিরের জন্য লিখিত । ১০০ পৃষ্ঠা।
১৭। মাকালাতে ফি তালেয়ে কোবর তেল আরদে ও হালাতেছ সাওয়াবেতে যাওয়াতেল ওরূদ—পৃথিবীর মধ্যস্থল আর তারকা মণ্ডলীর উন্নতিপ্রদর্শক যে দিগন্ত রেখা উত্তরে দেখা যায় সে সম্বন্ধে গ্রন্থ। গ্রন্থখানি জজিয়ার এক জ্যোতিবিদের জন্য লেখা ।
১৮ । রাত্রি দিনের পরিমাণ সম্পকিত একখানি ক্ষুদ্র পুস্তিকা । এতে অতি সহজ প্রণালীতে প্রমাণ করা হয়েছে যে মেরুদেশের (কুতুব) নীচে এক বৎসরের সমান ১ দিন ।
>>স্থানের অবস্থান, দুৱত্ব, শহুৱ নগৱেৱ আয়তন ইত্যাদি সম্বন্ধে গ্রন্থঃ

১৯ । তাহদীদ নেহায়াতেল আমাকেন লেতাসহীহে মাস,ফতেল মাসাকেন—বিভিন্ন স্থানের সীমানা নির্ধারণ ও শহর সমূহের দূরত্ব সংশোধন বিষয়ে গ্রন্থ । ১০০ পৃষ্ঠা।
২০ । তাহজীবল আকওয়াল ফি তসহীহেল ওরূদে ওয়াল আতওয়াল-—দেশের প্রস্থ ও উচ্চতা সংশোধন সম্পকে গ্রন্হ । ২০০ পৃষ্ঠা।
২১ । তাসহীফোল মানকুলে মেনাল ওরুদে ওয়াত তাওলে— দৈঘ্য ও প্রস্থ সম্পকে পুবেকার গ্রন্হের সংশোধন ৪০ পৃষ্ঠা।
২২। মাকালাতো ফি তসহাঁহেতু তাওলে ওশাল ওরুদে লেমাসীকেনেল মা’মুরে মেনাল আরদে– ২০ পৃষ্ঠ ।
২৩ । প্রত্যেক শহরের অবস্থান ও দৈঘ্য প্রস্থ সম্পকে গ্রনহ । ২০ পৃষ্ঠা ৷
২8 মাক লাতে ফি এসতে খরাজে ফদরেল আরদে বেরসদেল খোতাতেল ওফোকে আন কুলালে জিবালে—পাহাড়ের চুড়া থেকে উচ্চতা নির্ণয় করে পৃথিবীর পরিমাপ কি করে করা যায় তার বিবরণ ।৪৩ পৃষ্ঠা ।
২৫ । আলেকজান্দ্রিয়ার স্তম্ভের নিকট থেকে সূর্যাস্তের অনুসন্ধান সম্বন্ধে গ্রন্হ । ৪০ পৃষ্ঠা ।
২৬ । মহাদেশ সমহের বিভাগ সম্পকে মতভেদ সম্বন্ধে গ্রন্হ । ২০ পৃষ্ঠা।
২৭। জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুযায়ী নতি ও উন্নতি নির্ণয়ের বিষয় মতভেদ সম্বন্ধে গ্রন্হ ।
২৮ । কেবলার সঠিক দিক নির্ণয় সম্বন্ধে প্রশ্নোত্তোর। ৩০ পৃষ্ঠা।
২৯ । কেবলার দিক সম্বন্ধে দলিলসম,হের ব্যাখ্যা ৩০ পৃষ্ঠা ।
৩০ । কেবলার সঠিক দিক নিণয়ের জন্য কোন শর্তসমূহ অনু সরণের প্রয়োজন সম্পকে গ্রন্হ । ৪০ পৃষ্ঠা।
৩১। তাকবিমুল কিবলা—কেবলার অবস্থান, দৈঘ্য ও প্রস্থের সংশোধন । ১৫ পৃষ্ঠ ।
৩২। ফি আনবায়াছে তাছহীহেল কেবলা—কেবলার সঠিক দিক নির্ণয়ের জন্য কি কি নিয়ম অবলম্বন করা দরকার । ৪৫ পৃষ্ঠা ।
৩৩। কিতাব, দালায়েলে কেবলা—পুস্তিকাতে যে সমস্ত ন্ত্র টিবিচু্যতি ছিল তা সংশোধন ।
>>সাধারণ গনণা সম্পকীয় গ্রন্থ
*৩৪ সিন্দ ও হিন্দ এর মূদ্রা থেকে হিসাব গণনা । ৩০ পৃষ্ঠা।
৩৫ । বর্গ বা ঘন দ্বারা অথবা অন্য পদ্ধতিতে গাণিতিক হিসাব । ১০০ পৃষ্ঠা।
*৩৬ । রসুমুল হিন্দ—অঙক শিখানর জন্য ভারতীয় পদ্ধতির উপযুক্ততা ।

*৩৭ ; সংখ্য গণনার তারিবীয় পদ্ধতি ভারতীয় পদ্ধতি থেকে শ্ৰেষ্ঠ । ১৫ পৃষ্ঠা ।
*৩৮ । রাশিকাতুল হিন্দ ।
*৩৯ ৷ ফি সাকলাতেল আদাদ । ৬০ পৃষ্ঠা
*৪০ । বরাহিম সিদহান —ব্রহ্মসিদ্ধান্তের গণনার বিভিন্ন পদ্ধতির অনুবাদ । ৪০ পৃষ্ঠা
৪১ । মনসুবাতেল দারব –গুণন করার বিভিন্ন নামতা।
>>আলো ও গতি সম্পকীয় গ্রন্থ
৪২ । তজরিদেশ শোয়া’য়াতে ওয়াল আনওয়ারে আল ফাসাইহিল মুদাওয়ানাতে ফিল আসফার—আলো ও রশ্মির আলোচনায় যে সমস্ত ভুলভ্রান্তি পুস্তকাদিতে পঞ্জীভূত হয়েছিলো তার সংশোধন । ৫৫ পৃষ্ঠা
৪৩। তহসিলুশ শোয়ায়াতে বে অাব আদেত তোরোকে আনেস সা’আতে—সময়ের জটিল পদ্ধতিতে আলো সম্বন্ধে আলোচনা । ১০ পৃষ্ঠা
৪৪ । মাকুলাতু ফি মাতরিহিস শুয়ায়ে সাবেতান আলা তাগাইয় রেল বাকায়ে ।
৪৫ ৷ তামহিদোল মোস্তাকাররে লেমানিল মামাররে—-আলোর গতিপথ সম্পকে পর্ণ আলোচনা । ৬০ পৃষ্ঠা
>>যন্ত্রাদি ও সে সবেৱ ব্যবহার সম্পকীয় গ্রন্থাবলী
৪৬ । এ্যাচেট্টলিব তৈরীর নানা পদ্ধতি সম্বন্ধে গ্রন্থ।
৪৭। এ্যাস্টোলব— সংশোধন এবং উত্তর ও দক্ষিণ মেরু নির্ধারণ সম্বন্ধে গ্রন্হ | ১০ পৃষ্ঠা
৪৮। তসতীহোস সুয়ার ও তাবতীহল কুওয়ার ।
৪৯। এ্যান্টেলিব ব্যবহারে কি কি সমস্যার সমাধান করা যায় এবং এ্যাস্টোলবের বিভিন্ন ব্যবহার পদ্ধতি । ৩০ পৃষ্ঠা
৫০ । আস্তারলাবোলকারী ব্যবহার সম্পকে । ২০ পৃষ্ঠা
>>কাল ও সময় সম্পর্কে গ্রন্থাবলী
৫১। তা’বীর উল মীজান লে-তাকদীরেল অ। যুমান—যে যন্ত্রের দ্বারা সময় নির্ধারণ করা যায় ! ১৫ পৃষ্ঠা
*৫২ । ভারতীয়দের মধ্যে সময়ের খণ্ডাংশ পরিমাপের পদ্ধতি কি ? ১০০ পৃষ্ঠা
৫৩। খৃস্টানদের রোজা ও ঈদের সময়ের বর্ণনা । ২০ পৃষ্ঠা
৫৪। আলেকজান্দ্রিয়ার ইতিহাসে আলবেরুনীর যে ভুল হয়েছিলো তার সংশোধন । ১o পৃষ্ঠা
৫৫। তৰিবে বস্তী—আবদুল মালেক জগতের শুরু ও শেষ হওয়ার সম্পকে যে সব কথা বলেছেন তার সমাধান । এই পুস্তকে আলবেরুনী নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বিভিন্ন জাতির এ সম্পকীয় বিবরণ ও বিশ্বাস লিপিবদ্ধ করেন । ১০০ পৃষ্ঠা
>>উল্কা ও কুজ ঝটিকা
৫৬। উধৰ্ব আকাশের কোন কোন চিহ্ন পখিব ঘটনাবলী নির্দেশ করে তার বিবরণ । ৩০ পৃষ্ঠা
৫৭। মাকালা ফি দালালাতে আসারেল উলুবিয়াতে আলাল আহদাসেস সফলিয়া আকাশে যে সকল নক্ষত্র পরিদম্পট হয় তাদের সম্বন্ধে কোন বিজ্ঞানীর মনে যে ভুল ধারণা ছিলো তার সংশোধন । ৭০ পৃষ্ঠা
৫৮। কাওয়াকেবু জাওয়াতুল আজনাব ও জাওয়াতুল জাওয়ায়ের—পুচ্ছ যুক্ত ও বাচপযুক্ত নক্ষত্র সম্বন্ধে বর্ণনা । ৬৫ পৃষ্ঠা
৫৯। আকাশে যে সমস্ত উজ্জল দ্রব্য দেখা যায় তার বিবরণ ।
৬০ । কাওয়াকেবু ম-নকাদৃদতি—খসে পড়া নক্ষত্র সম্বন্ধে আৰু সহল কাওহীর বর্ণনার ব্যাখ্যা । ১৫ পৃষ্ঠা
>>বিবিধ বিষয়
৬১ ৷ মানাজিলে কামার—চন্দ্রকলা সম্বন্ধে তথ্যাদি নিধারণ । ১৮৩ পৃষ্ঠা
৬২। আবুহেফস আমার বিন আল্ফারখানের দুঙ্গপ্রাপ্য ও আশ্চর্ষ বিষয় সমূহের সম্বন্ধে তথ্য ও ব্যাখ্যা । ২৪০ পৃষ্ঠা
৬৩। মাকলাতু ফি এসতেখরাজেল আওতারে ফিদৃদায়েরাতে অ’ওয়াসুল খাত্তেল মানহানি—বৃত্তের জ্যা নির্ধারণ সম্পকে আলোচনা । ৮০ পৃষ্ঠা
৬৪ । খনিজ পদার্থের সাথে হজমের সম্পক সম্বন্ধে গ্রন্থ । ৩০ পৃষ্ঠা
৬৫ । সুস্থ ও সবল পথিকের কত পথ অতিক্রম করা সম্ভব সম্বন্ধে পুস্তিকা । ১০ পৃষ্ঠা
৬৬ ৷ মাকালাতু ফি নকলে খাওয়াসেশ শাকলেল কেতায়ে এলা মা ইউগনি আনহু—শাকলুলকেতার বৈশিস্ট্য সম্পকে পূর্ণ আলোচনা। ২০ পৃষ্ঠা
৬৭। যে দুইটি লাইন এক বিন্দুতে মিলিত হওয়ার পর আর মেলে না তাদের খুব নিকটবতী অবস্থানে কিভাবে কাটা যায় তার বর্ণনা । ১০ পৃষ্ঠা
৬৮। পৃথিবীতে কি কারণে গরমের সূচিট হয় ও গ্রীতম এবং অন্যান্য ঋতু ও মৌসুমের পার্থক্যের কারণ। ৪৫ পৃষ্ঠা
৬৯ । কেতাবু আছারে উলুবিয়া–উধ্বাকাশের চিহ্ন সমূহের যে ভাবে পরিচয় দেওয়া হয় তার আলোচনা ৷৭০ পৃষ্ঠা
*৭০ । আল মাসায়েলোল বলখিয়া ফিল মানাল মোতায়ালাকাতে বে এনকিসারে সানাআতে । ૧૦ পৃষ্ঠা
*৭১ । ভারতীয় জ্যোতিবিদদের প্রশেনর জওয়াব । ১২০ পৃষ্ঠা
৭২। কাশ্মীরী পণ্ডিতদের ১০টি প্রশ্নের জওয়াব ।
>>জ্যোতির্বিজ্ঞান
৭৩। কিতাবুত তফহীম লে আওয়ায়েলে সানায়াতেত তানজাম —জ্যোতিবিজ্ঞান সম্বন্ধে প্রাথমিক আলোচনা ৷
৭৪। মাকালাতু ফি তাকসীতেল কুফা ওয়াদ দালালীতে বাইনা আখিরায়েল বুয় তেল এছনা আশারা—জ্যোতিবিদ্যার ১২ রাশির মধ্যবর্তী শক্তিসমূহ ও তাদের বিভক্তি করণ । ১৫ পৃষ্ঠা
৭৫ ৷ ফি সিয়ারে সহমিস সায়াদাতে ওয়াল গায়েব—নক্ষত্ন সমহের উদয়ে নবজাতের উপর যে প্রভাব পড়ে তার বিবরণ।
*৭৬ । বয়স নির্ধারণের জন্য হিন্দুদের নিয়ম ।
৭৭ ৷ ফিল এরশাদে এলা তসিহেল মাবাদি আলানূ নমূ জারাতে – ৫০ পৃষ্ঠা
৭৮ । ফি তাবইনে রায়ে বৎলিম সে ফি সালখাদায়ে । ৭ পৃষ্ঠা
*৭৯ । বরাহ মিহিরের পুস্তক “মাওয়ালিদোস সাগীরার” অনুবাদ ।
>>হাসি তামাসাৱ গল্প ও কিস সা-কাহিনী
৮০ । ওয়ামেক তার প্রেমিকা ও ওজরার কাহিনীর অনুবাদ ।
৮১ । কসিমেসি সরুর ও আয়নোল হায়াতের কাহিনী ।
৮২ । আরিমাজদিয়ার ও মাহরিয়ারের গল্প ।
৮৩ । বামিয়ানের গল্প কাহিনী ।
৮৪ । ওয়াজেমা ও কেরানী কাহিনী ।
*৮৫ ৷ নিলুফারের কথায় বসিতী ও প্রভাকরের গল্প ।
৮৬ । অাবিত তামামের কবিতায় যতগুলি আলেফে কাফিয়া এসেছে তার পূর্ণ বিবরণ।
৮৭ ৷ মাকালাতুন ফিল এবতেখারে ফি কন্দেল আশজারে— গাছের কাণ্ড ও উচ্চতা সম্বন্ধে বৈজ্ঞানিক আলোচনার বিবরণ।
৮৮ ৷ সহজে জমির পরিমাপ বের করার পদ্ধতি ।
৮৯। আততাহজিরো কাবলেত তুরকে—তুকীদের সমম খীন হওয়ার সম্বন্ধে সতকতা ।
৯০ । আলকের আতোল ম সরেহাতো বিল আওয়াকেব—যে লটারীর ফলাফল পরিতকার বোঝা যায় সে সম্বন্ধে গ্রন্থ ।
৯১ । আলকোরআতু মুছমান্নাতু লে এসতেনবাতেষ যIমায়েরেল মুখালমানতে —গুপত কথা জানার সম্বন্ধে মুল্যবান লটারী ।
৯২। শহর মাজানিরুল কুরআতুল মাছমান্না – উপরোক্ত গ্রন্থের ভাষ্য।
৯৩ । কলব ইয়ারার অনুবাদ –সংক্রামক রোগের আলোচন ।
>>আকায়েদ সম্পৰ্কীয়
*৯৪ । কিতাবু ফি তাহকীকে না লিল হিন্দ মিন মাকালা মকবুলা ও মযদলা বা কিতাবুল হিন্দ । ৭০০ পৃষ্ঠা
৯৫ । কুচিত পত্রের চিহ্ন সংক্রান্ত কেন্দ্র বিন্দু সম্পকে গ্রন্থ।
৯৬ । কালাম ফিল মুস্তাকাররে ওয়াল মুস্তাওদায়ে ।
*৯৭। মাকালাতুন ফি নাসেদিওল হেনদে এন্দা মাজয়েল আদনা । —নসুদেবের পুনঃজন্ম সম্পকে হিন্দু দর্শন সম্বন্ধে গ্রন্থ ।
৯৮। তরজমায়ে কিতাবে সানক ফিল মওজুদাতেল মাহসুসাত ওয়াল মাকুলাত—চানক্য দর্শনের অনুবাদ ।
*৯৯ । তরজমায়ে কিতাবে বাতনজাল ফিল খালাস মিনাল অ1রতবাক –পাতঞ্জলের তরজমা ।
*****আলবেরুনীর কথায় এই সব গ্রন্থ ছাড়াও তার অনেকগুলো গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি তার হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিলো।
যেমন – ১o০ । অতিতনবিহ অালা সানাআতে তামবিয়া ।
১০১ । তানবিরোল মানাহেজে এলা তাহলীলেল আজইয়াজ– কুচিত পত্রের সমাধান সম্পকে ।
১০২ ৷ আততাতবিকো এলা তাহকিকে হারকাতেশ শামস—সুর্য পরিক্রমার তাহকীক ।
১০৩। আলবোরহানোল মুনীর ফি আমাক্ষেত তাওসির,– রাসায়নিক প্রক্রিয়া সম্পকীয় ।
১o8 ৷ তানকীহত তাওয়ারীখ —ঐতিহাসিক সত্যতা নির্ধারণ সম্পকে এ ছাড়া আরও অনেকগুলো গ্রন্থ রয়েছে ।
>> যে গ্রন্থগুলো সম্পূর্ণ হয় নি।
১০৫ ৷ কানুনে মাসউদি।
১০৬ ৷ আসারোল বাকিয়া আনেল কুরুনেল খালিয়া ।
১০৭ ৷ অলি এরশাদো এলা মা ইউদরাকো ওয়া লা ইয়ানালো মিনাল অদিবারে —দৃশ্যমান দূরত্ব যেখানে পৌছা যায় না তার পরিমাপ ।
১০৮। আলকিতাব ফিল মাকায়িল ওয়াল মাওয়াজিনে ও শারায়ে তোশ তিয়ার ওয়াত শাওয়াহিন—মাপযন্ত্র ও দাড়িপাললা আর দাড়িচ লাঠির দুই দিকের পরিমাণের শর্তাদি ।
১০৯ ৷ জাময়োত তোরোকেস সায়েরাতে ফি. মারেফাতে ওয়াততারেদ দায়েরাতে –ৰ্বত্তের পরিধি নির্ণয়ের যে সমস্ত পদ্ধতি আছে তার বিবরণ ।
১১০ ৷ তাসাওরো অমরেল ফজরে ওয়াশ শাফাকে ফি জি হাতয়েশ শারকে ওয়াল গারবে—পূর্ব ও পশ্চিম দিকে উষা ও গোধূলির নিদর্শন ।
১১১ ৷ তকমিলে সানায়াতে তসতীহে—লেভেলিং ( levelling ) করবার নিয়মাদির পূর্ণ বিবরণ। ১১২। জালাও আযহান ফি জাজেল বাত্তানী,—প্রসিদ্ধ জ্যামিতিবিদ আলবাত্তানীর জিজ সম্পকে । ১১৩ । তাহদিদুল মামুরাত ও তাছহিহা ফিস সুরাত-দেশ ও নগর-নগরীর সীমা নিদ্ধারণ আর তার নক্সা সংশোধন ।
১১৪ ৷ এলালে জুিজে জা’যার আল মাকনী বে আবি মা’শার— বিখ্যাত জ্যোতিবিদ আবু মাশারের জিজ সম্পকে।

>>সূত্রঃ মুসলিম মনিষি—৪ ও ইরানি রেডিও বাংলা ওয়েবসাইট

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১ thought on “আলবেরুনী ও তার লিখিত গ্রন্থাবলী

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

66 − 60 =